Textile Lab | Textile Blog: job
স্যাম্পল ডেভেলপমেন্ট টেকনিশিয়ানের ক্যারিয়ার কেমন ? 

আমার ধারনা, আমাদের অধিকাংশ ফ্রেশার এই সেকশন টা সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা নেই, তাই আমি আজকে RMG sector এর একটা সেকশন বা পোস্ট সম্পর্কে ডিটেলস এর ধারণা দিচ্ছি। 

Post Sample development Technician/Garments Technician/Garments technologist/Fit technician 

Entry Salary-18000.

5-6 years experienced  minimum 50K-70k

7-10 years experienced minimum 80k-120k

above 10 years- Minimun 130k-160k

if get the chance in Buying House-150K-200k

(স্যালারি রেঞ্জটা নিজের বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে বলছি)

এখন এই পোস্টের details নিয়ে বলবো। বর্তমানে এই পোষ্টের যারা জব করছে তাদের অধিকাংশই  নন টেক আর ওদের education level তেমন একটা বলার কিছুই নেই। শুধুমাত্র অভিজ্ঞতার জন্য তারা আজকে এত Huge পরিমাণ একটা স্যালারি নিয়ে যাচ্ছে ফ্যাক্টরি থেকে.except buying house. Because they have minimum Honours/Degree.

এই এই পোস্টে যারা কাজ করে তাদের অভিজ্ঞতা হচ্ছে প্যাটার্ন মেকিং, সুইং টেকনিক। 

এখন এই পোস্টের কাজের ধরন এবং গুরুত্ব  সম্পর্কে বিশদভাবে বলছি। 

মূলত এই পোস্টে যারা কাজ করে, তাদের মেইন কাজ হচ্ছে, বায়ারের দেওয়া টেকনিক্যাল প্যাক থেকে স্যাম্পল ডেভলপ করা। Sample approved  হবার পরেই বাল্ক প্রোডাকশনের order হয়। এই টেকনিক্যাল pack এর মধ্যে থাকে, স্যাম্পল  স্কেচ,মেজারমেন্ট চারট,সুইং ডিটেইলস, ফেব্রিক ডিটেইলস, প্রিন্ট এন্ড এমব্রয়ডারি ডিটেইলস এবং ব্লক প্যাটার্ন।। একজন টেকনিশিয়ান, এই স্যাম্পল  টেক প্যাক থেকে একটি স্যাম্পল ডেভোলাপ করে। এই স্যাম্পল ডেভোলাপ করার জন্য, একজন টেকনিশিয়ান এর কিছু specific Skill দরকার হয়। নিচে সেগুলো দেওয়া হল। 

১) তাকে অবশ্যই  প্যাটার্ন সম্পর্কে বিশদ অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।  

২) অবশ্যই ফেব্রিক স্ট্রাকচার অনুযায়ী প্যাটার্ন এ  allowance দিতে হবে।

৩) অবশ্যই সুইং টেকনিক সম্পর্কে আইডিয়া থাকতে হবে। 

৪) সকল প্রকার সুইং মেশিন এবং stitch সম্পর্কে ভালো অভিজ্ঞতা থাকতে।

তাছাড়া একজন ফ্যাক্টরি  টেকনিশিয়ান  সব সময় বায়িং টেকনিশিয়ানের সাথে communication  করে স্যাম্পল ডেভোলাপ করে। 

তাই যারা ফ্রেশার তারা যদি এই সেকশনে কোথাও সুযোগ পায়, তাকে অবশ্যই উচিত অইখানে যোগদান করা। কারন অনেকের future career এর কথা চিন্তা করে ডুকে না। তাই শুধু IE, merchandising ar Quality sector এর কথা চিন্তা না করে, এই সেক্টর টায় একটি নজর দিতে পারো। এই টুকু বলতে পারি কেও যদি এই পোস্টে জয়েন করে ৪ বছর জব করে কাজ গুলা শিখে নাও, তাহলে ৪ বছর পর জব সেক্টর তার স্যালারি+পসিশন অন্যদের থেকেও বেশি হবে। তাই যারা ফ্রেশার তারা ইচ্ছা করলে এই সেক্টরে জয়েন করে তোমাদের career develop করতে পারো। 

কিন্তু একটা কথা কাজ না শিখলে কিন্তু কোন লাভ এ হবে না। কারন টেকনিকাল পয়েন্ট গুলা যে যতো তারাতাড়ি শিখতে পারবো, সে তত তারাতারি উঠতে পারবা।

এই সেক্টর নিয়ে কাজ নিয়ে আর অনেক কিছু আছে। আমি শুধু মাত্র একটা ধরনা দিলাম। 

Ashraful Islam (Abir)
Batc 27
Sr.Executive and Nominated Back Up Technician of H&M
Fakir Apparels Ltd
job

স্যাম্পল ডেভেলপমেন্ট টেকনিশিয়ানের ক্যারিয়ার কেমন ?

বায়িং QA জব স্কিল রিক্রোয়ারমেন্টঃ
সাধারণত বায়িং হাউসের কোয়ালিটি রিলেটেড পার্সনদের কোয়ালিটি কন্ট্রোলার (QC), কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স (QA), কোয়ালিটি ইন্সপেক্টর বা কোয়ালিটি অডিটর বলা হয়ে থাকে। তাদের প্রত্যেককে নিজ কাজের প্রয়োজনে বেশ কিছু মৌলিক দক্ষতার উপর পারদর্শী হতে হয় বা অর্জন করতে হয়। নিম্নে একটি বায়িং হাউস QA পার্সনদের জন্য কিছু কোর বা কমন স্কিল আপনাদের জ্ঞাতার্থে দেওয়া হল। 

১. গার্মেন্টস ইন্সপেকশন পদ্ধতি (ফ্যাব্রিক, ট্রিম এবং ফিনিশড পোশাক) এবং প্রসেস অডিট পদ্ধতি সম্পর্কে ভাল ধারণা রাখা (ইনিসিয়াল ও প্রডাকশনের এবং শিপমেন্টের মধ্যবর্তী বা মাঝামাঝি পর্যায়ে)।    

২. সঠিক উপায়ে গার্মেন্টস মেজারমেন্ট করার দক্ষতা থাকা (মেজারমেন্টের নির্দেশনা বায়ার থেকে বায়ারের মধ্যে পরিবর্তিত হতে পারে তাই বায়ার প্রদত্ত কোয়ালিটি ম্যানুয়াল দেখতে হবে)।       

৩. প্রডাক্ট নলেজ বিশেষ করে সেই প্রডাক্টগুলি যেগুলির সাথে বায়িং হাউস ডিল করে থাকে (উদাহরণ স্বরূপ নিট, ওভেন বা ডেনিম, সোয়েটার, হাই-ফ্যাশন প্রডাক্ট ইত্যাদি)।   

৪. ভাল টেকনিক্যাল নলেজ বা কারিগরি জ্ঞান থাকা আবশ্যক – যেমন, গার্মেন্টস কন্সট্রাকশান, ফেব্রিকের বৈশিষ্ট্য, উৎপাদন প্রক্রিয়ার

৫. বায়ার প্রদত্ত টেকনিক্যাল শীট এবং কমেন্টস বা মন্তব্য বোঝা।

৬. গার্মেন্টস জোনের উপর ভিত্তি করে ডিফেক্ট শ্রেণীকরণ করার সাধারণ নলেজ তার সাথে মাইনর, মেজর এবং ক্রিটিক্যাল ডিফেক্ট সম্পর্কে সাধারণ জ্ঞান থাকা।

৭. শিপমেন্টের সময় ফাইনাল ইন্সপেকশনের জন্য AQL টেবিল এবং স্যাম্পলিং পদ্ধতি কীভাবে ব্যবহার করা হয় সে সম্পর্কে জ্ঞান থাকা।  

৮. ইন্সপেকশান রিপোর্ট ফরম্যাট পূরণে, সাপ্লায়ার প্রতিনিধির জন্য ইন্সপেক্টেড গুডসের উপর মন্তব্য করতে এবং ইন্সপেক্টেড গুডসগুলির ব্যাপারে পাস/ফেল করার সিদ্ধান্ত নিতে দক্ষ হতে হবে। 

৯. সাপ্লায়ার ইভ্যালুয়েশন (মূল্যায়ন) ও অডিট পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানা এছাড়াও অডিটের উদ্দেশ্য বোঝা এবং সঠিকভাবে অডিট ফরম্যাট পূরণ করা এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত।

১০. পণ্যের কোয়ালিটি সম্পর্কিত কিছু ভুল হলে তার সাথে সম্পর্কিত সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল ব্যক্তিকে সতর্ক করতে সক্ষম হতে হবে এবং ফ্যাক্টরি টিম এবং বায়িং হাউস মার্চেন্টদের সাথে দ্রুত যোগাযোগ এবং রেসপন্স করা শিখতে হবে।   

১১. শিপমেন্ট পাসিং করার সময় কি কি রিস্ক থাকতে পারে বা রিস্ক ফ্যাক্টর গুলো বোঝা।   

১২. বায়ারের প্রয়োজন অনুযায়ী, পণ্য থেকে পণ্য এবং শিপমেন্টের গন্তব্য কান্ট্রি অনুযায়ী পরিবর্তিত হয়। QA পার্সনদের কান্ট্রি অনুযায়ী গার্মেন্টস টেস্ট সম্পর্কিত যাবতীয় পদ্ধতি সম্পর্কে ভাল জ্ঞান থাকতে হবে।    

উপরোক্ত স্কিলগুলোর বেশির ভাগ কাজ করেই শিখে নেওয়া যায়। যদি শেখার ইচ্ছা থাকে তাহলে উপরের প্রতিটি দক্ষতা অনুশীলনের মাধ্যমেও অর্জন করা যেতে পারে। আমার লিংকে বায়িং হাউজে যারা জব করছেন এর বাইরে অনেক কিছু থাকতে পারে আপনারা ইচ্ছে করলে এ্যাড করতে পারেন যাতে লেখাটি আরো রিচ হয় এবং যারা নতুন আছেন এবং বায়িং QA হিসাবে কাজ করতে চান তাদের অনেক উপকারে আসবে।   

Source: Online Clothing Study ব্লগের Skills required to be a Buying House QA আর্টিকেল অবলম্বনে। 

অনুবাদ ও অনুলিখন এবং সংযোজনে,
"মোঃ তৌহিদ খান"



Md. Tauhid Khan
Manager (QA, QMS & Technical Audit) || Expert in Organizing & Communicating || Content Writer || Expert in Quality Management
job

বায়িং QA জব স্কিল রিক্রোয়ারমেন্ট | Garments Buyeing Quality Assurance Job

টেক্সটাইল রিজাইন লেটার বাংলায় লিখুন | Textile  resignation letter model 


To
Managing Director  
Shishir  Fabrics Ltd.
(An enterprise of Shishir Group)
Bejura, Madhubpur, Habigonj.

Subject: Resignation Letter.

Dear Sir,
Please accept this letter as my formal resignation from the position of R&D Executive at Shishir Fabrics Ltd. My last working day will be April 30, 2021, four weeks from today. I am grateful for all the opportunities for professional and personal development have been given and I have particularly enjoyed being part of the R&D team.

My contact details remain the same for future communications. You can contact me for information about anything I was working on.

I wish you and Shishir Fabrics ltd. continued success in the future.

Sincerely

Md. Mazadul Hasan 
Executive
Research & Development Department
ID: WEG17127

বিদ্রঃ 
এখানে টেক্সটাইল রিজাইন লেটারের একটা মডেল করে দেয়া আছে ।  এই লেটারে এখানে ফেক্টরির নাম চেইঞ্জ করে পদ চেইঞ্জ করে আপনার নিজের জন্য সংক্ষিপ্ত  রিজাইন লেটার লিখতে পারেন ।
job

টেক্সটাইল রিজাইন লেটার মডেল | Textile resignation letter model

আজকে একটা বিষয় নিয়ে লিখবো, সেটা হচ্ছে সিভি পাঠানোর সময় আমাদের বেশ কিছু সআধারন নিয়ম মানা উচিৎ সেটা নিয়ে। আমাদের একটা ব্যাপার মনে রাখতে হবে যে, আপনার সিভি যাওয়ার পরই কিন্ত পরবর্তীকালে আপনার ডাক আসবে কি আসবেনা সেটা নির্ভর করে।  আমাদের মেইল পাঠানোর ধরনের জন্যই অনেকে প্রথম দফাতেই কিন্ত বাদ পরে যায়! আপনি একজন পড়ালেখা জানা মানুষ হয়ে যদি একটা ফাইল এটাচড করেই পাঠিয়ে দেন মেইলের সাবজেক্ট / বডিতে কিছুই না লিখে... তাহলে তারা ভাববে ১৭/১৮ বছরে পড়ালেখা করে আপনি কিছুই শিখেন নাই... ফলাফল আপনার সিভি ওপেন না করেই মেইল থেকেই ডিলেট.. আর এই কারনেই অনেকে বছরের পর বছর এপ্লাই করতে থাকলেও ইন্টারভিউতে ডাক পায়না !
 দুঃখজনক হলেও সত্যি যে আমাদের অনেক ফ্রেশার তো বটেই, অনেক  দুই/তিন বছরের চাকরির   অভিজ্ঞতা সম্পন্ন প্রার্থীরাও এমনভাবে সিভি পাঠায়!! 
আচ্ছা এবার সরাসরি মূল টপিকে চলে আসি।  আমরা যে ভুলগুলো করি সাধারণতঃ

১।  সিভির নাম অনেকে সেইভ করে বিভিন্ন উল্টাপাল্টা নামে! যেমনঃ My Cv, myyyyyy cccvvvv,  dhdjkdkk, rohiiiii.mmm 
কেন ভাই ?? 

 আপনার একটা সুন্দর নাম আছে তো আপনার বাবা মায়ের দেয়া... সেই নামে সেইভ করুন কিংবা এভাবে সেইভ করুন CV of Limon, Resume of Robiul Limon (এইগুলি সাধারন) Limon_Textile_4yr exp. (এই নামে সেইভ করলে সহজেই আপনার সিভি ওপেন না করেই আপনার, আপনার পড়াশোনার বিষয়, এবং জবের অভিজ্ঞতা সম্পর্কেও কিন্ত ইনফরমেশন পেয়ে যাচ্ছে, ফ্রেশাররা এক্সপেরিয়ান্স বাদ দিয়ে ভার্সিটির নাম দিতে পারো) এভাবেই করতে হবে এমন কোন কথা নেই, আপনি আরো সুন্দরভাবে আপনার মতো করে সেইভ করতে পারেন।

২।   সিভিতে ছবি দিলে অবশ্যই ভালো ছবি দিতে হবে, তানাহলে দেয়ার দরকার নেই। (অনেকে মাঝে মাঝে এমন ছবি দেয় সেটা দেখে মানুষের ছবি নাকি ফেরাউনের ছবি বোঝা মুশকিল হয়ে পরে 🤐 এখন সবারই একটা স্মার্টফোন আছে.. একটা সাদা ব্যাকগ্রাউন্ডের দেয়ালের সামনে দাঁড়িয়ে ছবি তুললেও অসাধারণ ছবি আসে! তাহলে কেন ভাই ৮/৯ বছরের পুরোনো ছবি দেয়া???

৩।  যত সম্ভব সিভিতে অপ্রাসঙ্গিক তথ্য দেয়া থেকে বিরত থাকতে হবে ( যারা আপনাদের সিভি রিভিউ করে ভাই তারা অনেক ব্যাস্ত মানুষ, তাদের আপনার ৩/৪ পৃষ্টার কবে কই ভ্রমন করছেন এইসব পড়ার সময় নেই! অল্প কথাতে আপনাকে সকল ইনফরমেশন দিতে হবে!  এমন কি অনেকে রেফারেন্স দেন.. নাম এই,  অমুক কম্পানির এমডি ব্যাস এতটুকুই যথেষ্ট... তার স্কুল কই কলেজ কই..কোথায় ম্যানেজারি... তারপর কই কি করছে এতকিছু দেয়ার দরকার নাইরে ভাই। এটা আপনার সিভি ভাই... আপনার ইনফরমেশনগুলো যতো ভালোভাবে সম্ভব সেগুলি গুছিয়ে লিখুন এবিং সেটা যত অল্পতে সম্ভব। ২ পৃষ্ঠার বেশি যেন না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে বেশি করে। 

৪।  মেইলের সাবজেক্ট ফাকা রাখা চলবেনা। সাবজেক্ট অবশ্যই লিখতে হবে, আপনি কোন পোস্টের জন্য এপ্লাই করতেছেন লিখে দিন।

৫।  মেইলের বডিতে আপনি অল্প কথায় আপনার ব্যাপারে লিখুন। মানে আপনি কে, কি পাঠালেন, কেন পাঠালেন এতটুকু অন্তত লিখে দেন। আর এটা যদি না পারেন অন্তত Dear Sir/Mam, Please find the attached file. এতটুকু লিখে দিয়েন। তাহলে অন্তত তারা বুঝতে পারবে নাহ এই প্রার্থী মেইল করতে পারে। 

ব্যাস আজকের জন্য এতটুকুই। কষ্ট করে পড়ার জন্য ধন্যবাদ।  ভুল ত্রুটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। ভালো থাকবেন :) 

Limon
Southeast University 
24th Batch
job

টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারদের সিভি মেইল করার ক্ষত্রে লক্ষনীয় কিছু বিষয় | Textile Engineers CV | Tips & Tricks

লিংকড ইন এবং আমরা
সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলো এখন অনেক জনপ্রিয় সবার কাছে, সারাদিন নিজের বুক এ যতটা না টাইম অতিবাহিত করি তার চেয়েও বেশি করি ফেসবুকের ব্যাবহার (যদি-ও আমি এই পোস্ট ও ফেসবুক এর মাধ্যমেই দিচ্ছি)৷ যাই হোক ফেসবুকের কথা তো আর নতুন করে বলার দরকার নেই৷

 পেশাজীবীদের কাছে কাজের এক সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম হলো লিংকড–ইন৷ বিশেষায়িত এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে নব্য যুগের পেশাজীবীরা উন্নয়ন ঘটান নিজের পেশাজীবনের৷ এমনকি চাকরি বদলানো বা নতুন চাকরি পেতেও সহায়ক এই ওয়েবসাইট৷

কিন্তু  আমাদের অনেকেই ভার্সিটি শেষ করার আগে কেনো জানি খুলতে চাই না এই সাইট,বা মনে করি এ আর এমন কি বড় ভাই বা আত্বীয় রাই তো চাকরি যোগান দিবেন।

একদম ই ভুল একটা কথা। কোনটা ভালো চাকরি,এবং কোন পেশা তোমার জন্য ভালো এটা তুমি ছাড়া কেউ বলে দিতে পারবে ন। এবং এগুলা যানা এবং বোঝার মাধ্যমেই তুমি অন্য সবার চেয়ে আলাদা হতে পারবা। 
তাই আজই লিংকড ইন এর একটি একাউন্ট খুলে ফেলো সবাই।  

নিচের ৯ টি কথা এই নিয়ে থাকবে- এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথাটি ৯ নাম্বারে লিখবো-

১. লিংকড ইন কি এবং কিভাবে কাজ করে এটা জানার জন্যঃ 

২. একাউন্ট করার সাথে সাথে তোমার কিছু ইনফো সেখানে চাবে( যেমন, তোমার ডেস্ক্রিপশন,এডুকেশন, সার্টিফিকেট কোর্স বা তোমার হেবিট ও ইন্টারেস্ট।  এগুলা কত সুন্দর ভাবে লিখা যায় এর জন্য এই ভিডিওঃ https://youtu.be/eVQVqpE98No (এটার চাইতে বেস্ট ভিডিও আর হয় না)। কারন প্রায় ৮৯% জব রিক্রুটার রা এখন তোমার লিংকইন প্রোফাইল দেখে তোমাকে জাজ করবে। এটা ভবিষ্যতে আরো বারবে।সিভি তে তাই লিংকড ইন এর প্রোফাইল লিংক রাখা স্মার্টনেস।

৩. এরপরে,  অনেক গুলো সাইট আছে যেখানে প্রতিনিয়ত জব পোস্ট হয় (যেমনঃ Job seekers bd, Textile job,apparel job bd, Quick job bd) এগুলা তে কানেক্ট হয়ে যাও।

৪. নিজের কানেকশন (ফেসবুকে যেটাকে আমরা ফ্রেন্ড রিকুয়েষ্ট বলি) বৃদ্ধির জন্য তোমার প্রোফাইলের সাথে ম্যাচ করে এমন প্রোফেসনাল লোকদের রিকুয়েষ্ট পাঠাও -২০ জনকে পাঠালে ২ জন তোমায় এড দিবে এবং এটাই সাকসেস।
 
৫. এক্সেপ্ট করলেই কানেক্টেড হয়ে যাওয়া নয়, চেষ্টা করো তাকে একটা সুন্দর ম্যাসেজ দিয়ে রাখার; যাতে সে খুশি হয় এবং তোমার নাম মনে রাখে। 

(যেমনঃ Hey,
Thank you for connecting me..
This is Rohan,presently working as Sr. Executive at Zaber & Zubayer fabrics ltd.

So pleased to get in touch.

Warm regards. এই ধরনের। আমি জানি তোমরা আরও সুন্দর করে লিখতে পারবা।

৬. তুমি যখন ই তোমার প্রফেসনের লোকজন কে এড করবা, লিংকইন বুঝে যাবে তুমি কি চাও কাদের চাও, এর জন্য দেখবা তুমি সবসময় (যদি টেক্সটাইল এর হও) টেক্সটাইল এর লোকজন এর সাজেশন পাবা। খুব ভালো লাগে এই জিনিসটা। 

৭. অনেক ফ্রি ইভেন্ট বা ফ্রি সার্টিফিকেট কোর্স হয় লিংকড ইন এ। এগুলা তে যোগাযোগ রাখবা, বিশেষকরে জাপান এবং জার্মানির অনেক বড় কোম্পানি, লিন বা এ আই নিয়ে ফ্রি শেষন বা ওয়েবিনার করে সেগুলাতে যোগাযোগ রাখবা পারলে এটেন্ড করবা।

৮. অনেক গ্রুপ পাবা যেমন (learning tools free, knowledge sharer, Textile graduates, Testing and research worldwide)  এগুলাতে এড হয়ে থাকবে অনেক নলেজ বাড়বে।

৯. এখন আসি প্রধান কথায়, লিংকড ইন এর সবচেয়ে মজার জিনিস হচ্ছে এর ফ্রি কোর্স (এক্সেল,পাওয়ার পয়েন্ট নিয়ে) এর অনেক ফ্রি কোর্স আছে যেগুলাতে নিওমিত নিজের টেস্ট নিবা এবং একদিন তুমি পার্ফেক্ট এর ও পার্ফেক্ট হবে। 

 ফেসবুক এর থেকে শুধু ৩০ মিনিট কমিয়ে সময় টা এখনই লিংকডিন এ দেও।  তোমার নেটওয়ার্ক বৃদ্ধি করো যা তোমাকে অন্য সবার থেকে আলাদা করে ফেলবে। দ্রুত উঠতে পারবা।

কথা দিচ্ছি একদিন আমায় ফোন দিয়ে ধন্যবাদ দিতে হবে এই পোস্ট এর জন্য।  

Written By: 
Name : Md. Azizur Rahman (Rohan)
Mail: rohanseu30@gmail.com
job

টেক্সটাইল স্টুডেন্টদের লিংকড-ইন ব্যাবহারের কিছু পরামর্শ | Linkidin ID for Textile Engineers

একজন ফ্রেশারের নতুন অবস্থায় কাজ কি ? 

আমাদের দেশের যারা জুনিয়র  এবং টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং শেষ করেছেন অফিসার হিসেবে জবে ঢোকেননি তাদের সবারই একটা কমন চিন্তা মাথার ভেতরে থাকে !! 

আমি প্রথমে ঢুকে কি করবো ? 

আমাকে কি করতে দেয়া হবে ? 

আমার কোন রিক্স হবে এতে ?  

এখনো তো ফ্লোরে কি করে তা জানিনা ?  

ফ্লোর কিভাবে চালাবো ? 

একটা পর্যায়ে স্টুডেন্ট অবস্থা আমাদের মাথায় এসব চিন্তা আসে । মনে হয় যে পুরোপুরি দায়িত্বটা আমার ঘাড়ে দিয়ে দেওয়া হবে কিনা ? এমন চিন্তায় অনেকে নার্ভাস হয়ে পড়েন এফ্যাক্টরিতে কাজ ভুল করেন 

নতুন অবস্থায় কি কাজ দেয়া হয় আজকে এগুলি ব্যাখ্যা করার চেস্টা করবো।  

সাধারণত একজন প্রেশারের ফ্যাক্টরিতে নতুন অবস্থায় কি কি কাজ দেয়া হয় একজন প্রেসার সম্পূর্ণভাবে একটি ফ্যাক্টরিতে দায়মুক্ত ভাবে কাজ করেন স্বাধীনতা ফ্যাক্টরিতে ট্রেইনি মার্চেন্ডাইজার এপিও বা ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি হিসেবে জয়েন করেন ।  তো যে যেই সেকশনেই জব করবেন প্রথমত আপনারা 6 মাস থেকে 1 বছর চিন্তা মুক্ত হবে আপনার ডিউটি করতে পারবেন ।  আপনাদের রেস্পন্সিবিলিটি হবে আপনাদের সিনিয়রদের কাছে রিপোর্ট করা সিনিয়র যা যা করতে বলবেন তাদের কাজে সহযোগিতা করা । এটা ভাবার কারণ নেই যে আপনার একটি দায়িত্ব আপনার উপর বর্তাবে কোন ভুল হলে এর দায় আপনার নিতে হবে ।  আপনার ভুল এবং আপনার ভালো কাজের ক্রেডিট সম্পূর্ণ আপনার সিনিয়র ৷  এর অর্থ হচ্ছে যে আপনি যদি কোনো ভুল করেন এর জন্য জবাবদিহিতা করতে হবে আপনার সিনিয়রকে বা আপনি যদি কোন কাজ ভালো করে থাকেন এর ক্রেডিট পাবে সম্পূর্ণ আপনার সিনিয়ার ।  নতুন অবস্থায় আপনি তাদের এসিস্ট করবেন ।  

সাধারণত ডাইং ডিপার্টমেন্টে আপনাকে যা করতে বলা হয় সেটা হচ্ছে সাধারণ কিছু কাজ যেমন প্রোডাকশন রিপোর্টিং ,  রেসিপি ক্যালকুলেশন, সিম্পল পৌঁছে দেয়া, ডাইং ফিনিশিং প্রোগ্রাম প্রোগ্রাম দেয়া, এ কাজ গুলো মধ্যে কো-অর্ডিনেট করা ।  এগুলো খুবই সাধারণ কাজ একটি ফ্যাক্টরির জন্য আপনাকে প্রথম অবস্থায় এই ছোট ছোট কাজগুলো দেয়া হবে যাতে করে আপনি একটু ফ্লোর সম্পর্কে সম্পূর্ণ আইডিয়া নিতে পারেন ।  

 এরই মাঝে আপনার কালার ম্যাচিং পরিচালনা শিফট পরিচালনা ফিনিশিং সম্পর্কে অভিজ্ঞতা অর্জন করতে হবে ।  সিনিয়র প্রোডাকশন অফিসার হিসেবে আপনি যদি প্রমোট যদি না করা হয় তবে আপনাকে ফ্লোর পরিচালনার সরাসরি দায়িত্ব দেয়া হবে না ।  একজন সিনিয়র হিসেবে পদোন্নতি জন্য আপনাকে ন্যূনতম দুই বছর জব করতে হবে ।  

তাই প্রথম অবস্থায় আমাদের ফ্রেশারদের ভয় পাওয়ার কোন কারণ নাই যে আমি ভূল করলে কোন অসুবিধা হবে কিনা বা বিপদ হবে কিনা এটা ভাবার কোন কারন নেই ।  সাধারণত যেকোন বিপদে আপনাকে বিচারাধীন করা হবে না । 

এর জন্যই আমাদের জুনিয়রদের সাজেস্ট করব আপনারা নতুন অবস্থায় হতাশ না হয়ে নার্ভাস না হয়ে  এই চিন্তা মাথায় রাখুন যে 

" আমার সিনিয়র যা করতে বলবে আমাকে যা দায়িত্ব দেয়া হবে তার সফলভাবে করাই আমার কাজ এবং এর বাড়তি কোনো কিছু না করাই আমার দায়িত্ব এবং এর বাড়তি কিছু করতে গেলে আপনি বিপদে পড়বেন কম করতে গেলেও আপনি সমস্যায় পড়তে পারেন ।  কিন্তু আপনাকে যা করতে বলা হবে তাই যদি করেন তবে আপনি কোন সমস্যায় পড়বেন না ।  আপনার মেজর দায়িত্ব টাইম টু টাইম সিনিয়রকে রিপোর্ট করা ।   ফ্লোরের প্রসেস শিখা । লোকজনের সাথে পরিচিতি বাড়ানো ।

বিদ্রঃ 
এসব ভয় তাদেরি হয় যারা ভালো করে ইন্টার্নিশিপ করেন নি ।  করলে তারা একজন জুনিয়রের দায়িত্ব কি ভালো করে দেখতেন তাদের সাথে থাকতেন তবে তারা এমন ভয় পেতেন না  ।  জুনিয়রদের প্রতি সাজেশন ভালো করা ইন্টার্নিশিপ করবেন ।  প্রডাকশন অফিসারদের একটিভিটি গুলি কাছ  থেকে দেখবেন তাদের সাথে থাকার ট্রাই করবেন ফ্লোরে ।  তবে জবের আগে জবের পরিবেশ এবং কাজ গুলি আপনার মাথায় ঢুকে যাবে ।
job

Fresher Textile Engineer | একজন ফ্রেশার টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারের নতুন অবস্থায় কাজ কি ?

দেশে চাকরি খোঁজার নির্ভরযোগ্য কয়েকটি ওয়েবসাইট


আপনি যদি বর্তমানে বেকার বা অল্প বেতনের চাকরিজীবী হয়ে থাকেন তবে হতাশ হবেন না, বাংলাদেশে রয়েছে চাকরি খোঁজার কয়েকটি সেরা ওয়েবসাইট

কোভিড-১৯ এর বহুমুখী প্রভাব বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন দেশের অর্থনীতি বিপর্যস্ত করে দিচ্ছে। বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়। প্রতিদিন চলমান মহামারির কারণে বহু মানুষ চাকরি হারাচ্ছে।

চাকরির বাজার কখন তার স্বাভাবিক গতিতে ফিরে আসবে তা কেউ জানে না। আপনি যদি বর্তমানে বেকার বা অল্প বেতনের চাকরিজীবী হয়ে থাকেন তবে হতাশ হবেন না! বাংলাদেশে রয়েছে চাকরি খোঁজার কয়েকটি সেরা ওয়েবসাইট।


বিডিজবস.কম

এটি দেশের বৃহত্তম চাকরির সাইট। এখানে অ্যাকাউন্টিং, ব্যাংক, ইঞ্জিনিয়ার, শিক্ষা / প্রশিক্ষণ, হিউমেন রিসোর্স, অ্যাডমিন, মেডিকেল, আইটি, ড্রাইভিং, আইন ইত্যাদির মতো চাকরির বিভিন্ন ক্যাটাগরিগুলো ব্রাউজ করা যায়। বিডিজবস.কম বাংলাদেশের বিভাগীয় চাকরি খোঁজার সুযোগ দেয়। তাই রাজধানীর বাইরে থাকলেও এই চাকরির সাইটের মাধ্যমে বাংলাদেশের যেকোনো জায়গায় উপযুক্ত চাকরির সন্ধান করা সম্ভব হয়।

বিডিজবস.কম চাকরিপ্রার্থীদের বিভিন্ন কি-ওয়ার্ড, ক্যাটাগরি, শিল্প, স্থান, সময়সীমা, সংবাদপত্রের চাকরি ইত্যাদির মত বিভিন্ন ফিল্টার প্রয়োগের মাধ্যমে সুনির্দিষ্ট চাকরির সার্কুলার বাছাই করতে দেয়।


এই অপশনগুলো কেবল সময় সাশ্রয় করে না, সঠিক সার্কুলারগুলো খুঁজতেও সহায়তা করে। তবে যদি আপনি কোনো প্রাসঙ্গিক ক্যাটাগরি বাছাই করতে না পারেন, সুনির্দিষ্ট কাজের ধরন-যেমন, ব্যবসায় লেখক, যোগ প্রশিক্ষক, বা লোগো ডিজাইনার-সার্চ উইন্ডোতে রাখুন এবং তারপরে “সার্চ” বোতামে ক্লিক করুন। এখন এই সিস্টেমটি আপনাকে প্রাসঙ্গিক সুযোগগুলো প্রদর্শন করবে।

বিডিজবস.কমের মাধ্যমে চাকরি পাওয়ার জন্য আপনাকে এই প্ল্যাটফর্মে একটি প্রোফাইল খুলতে হবে।

এখানে আপনি একটি পূর্বনির্ধারিত জীবনবৃত্তান্ত বিন্যাস পাবেন যা আপনাকে আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা, পেশাদার অভিজ্ঞতা, দক্ষতা, রেফারেন্স, পরিচিতি, ইত্যাদি লিখতে বলবে। আপনি এমএস ওয়ার্ড বা পিডিএফ ফরমেটে আপনার জীবন বৃত্তান্ত বা সিভি আপলোড করতে পারেন। বিডিজবস.কম একচেটিয়া ব্যবহারকারী-বান্ধব বিকল্পগুলোর সাথে তৈরি করা হয়েছে যেমন নিম্নলিখিত নিয়োগকর্তাদের চাকরি-বিজ্ঞপ্তি, সংক্ষিপ্ত তালিকাভুক্ত চাকরি, আপনার দরখাস্তের কাজের উপর নিয়োগকর্তার কার্যকলাপ পরীক্ষা করা ইত্যাদি।

এই প্ল্যাটফর্মে বেশিরভাগ কাজ একক ক্লিকের মাধ্যমে অনলাইনের মাধ্যমে সহজে প্রয়োগ করা যায়। তবে কিছু কাজ আপনাকে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ইমেইল ঠিকানার মাধ্যমে আবেদন করতে বলতে পারে। এগুলো যুক্ত করে, বিডিজবস.কম চাকরিপ্রার্থীদের নতুন দক্ষতা শিখতে এবং তাদের যোগ্যতা বাড়াতে সহায়তার জন্য বিভিন্ন অর্থ প্রদত্ত অনলাইন প্রশিক্ষণ কোর্স সরবরাহ করে।

লিঙ্ক- https://www.bdjobs.com/

লিঙ্কডইন জবস

লিঙ্কডইন পেশাদারদের মধ্যে সর্বাধিক জনপ্রিয় সামাজিক নেটওয়ার্কিং ওয়েবসাইট। এখানে আপনি এমন ব্যক্তিদের আমন্ত্রণ জানাতে পারেন যারা আপনার পেশাগত ক্ষেত্রে সম্পর্কিত কাজ করছেন। এছাড়াও এই ডিজাইনের সামাজিক নেটওয়ার্কিং প্ল্যাটফর্মটি আপনাকে এমন কিছু লোক খুঁজে বের করার সুযোগ দেয় যা আপনার সাথে কিছু সাধারণ বিষয় রয়েছে যেমন, একই প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষা গ্রহণ করা, একই কর্মক্ষেত্রে কর্মসংস্থানের ইতিহাস ইত্যাদি। অন্যান্য সামাজিক নেটওয়ার্কিং সাইটগুলোর বিপরীতে লিঙ্কডইন হতে পারে চাকরি সন্ধানে লোকদের সাহায্য করার দীর্ঘ পথ।


এগুলো ছাড়াও, লিঙ্কডইনের একটি অপশন রয়েছে যেখানে আপনি এই সম্পর্কিত চাকরি সন্ধান করতে পারেন। এই প্ল্যাটফর্মটি “অল ফাইলার্স” নামক একটি চৌকস চাকরি ফিল্টারিং অপশনের সঙ্গে সম্পর্কিত যা প্রাসঙ্গিকতা, পোস্টের তারিখ, প্রয়োজনীয় অভিজ্ঞতা, কোম্পানির ধরন, কাজের অবস্থান, চাকরির প্রকৃতি ইত্যাদির মতো বিভিন্ন মানদণ্ডের ভিত্তিতে আপনাকে চাকরির আওতায় আনতে সহায়তা করবে। এছাড়াও এই ট্রেন্ডি প্ল্যাটফর্মগুলো ‘চাকরির সতর্কতা’ অপশন সরবরাহ করে যা আপনাকে ইমেইলের মাধ্যমে সর্বশেষ প্রাসঙ্গিক চাকরির বিষয়ে অবহিত করবে।

আপনি “সহজে দরখাস্ত” এই পদ্ধতির মাধ্যমে বেশিরভাগ চাকরিতে আবেদন করতে পারেন। এটি আপনাকে এমএস ওয়ার্ড বা পিডিএফ ফরমেটে পুনরায় আপলোডের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করতে দেয়। আপনি পরে আবেদন করার জন্য বেছে নেয়া চাকরিগুলো সংরক্ষণ করতে পারেন। “মাই জবস” বোতামটি ক্লিক করে আপনি ইতোমধ্যে দরখাস্ত করা চাকরিগুলো দেখেতে পারেন। চাকরি প্রত্যাশীদের একটি দক্ষ জীবন বৃত্তান্ত প্রস্তুত করতে সহায়তা করার জন্য ‘রিজ্যিউম বিল্ডারের’মাধ্যমটি সরবরাহ করা হয়েছে।

লিঙ্ক- https://www.bdjobs.com/

লিঙ্কডইন জবস

লিঙ্কডইন পেশাদারদের মধ্যে সর্বাধিক জনপ্রিয় সামাজিক নেটওয়ার্কিং ওয়েবসাইট। এখানে আপনি এমন ব্যক্তিদের আমন্ত্রণ জানাতে পারেন যারা আপনার পেশাগত ক্ষেত্রে সম্পর্কিত কাজ করছেন। এছাড়াও এই ডিজাইনের সামাজিক নেটওয়ার্কিং প্ল্যাটফর্মটি আপনাকে এমন কিছু লোক খুঁজে বের করার সুযোগ দেয় যা আপনার সাথে কিছু সাধারণ বিষয় রয়েছে যেমন, একই প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষা গ্রহণ করা, একই কর্মক্ষেত্রে কর্মসংস্থানের ইতিহাস ইত্যাদি। অন্যান্য সামাজিক নেটওয়ার্কিং সাইটগুলোর বিপরীতে লিঙ্কডইন হতে পারে চাকরি সন্ধানে লোকদের সাহায্য করার দীর্ঘ পথ।

এগুলো ছাড়াও, লিঙ্কডইনের একটি অপশন রয়েছে যেখানে আপনি এই সম্পর্কিত চাকরি সন্ধান করতে পারেন। এই প্ল্যাটফর্মটি “অল ফাইলার্স” নামক একটি চৌকস চাকরি ফিল্টারিং অপশনের সঙ্গে সম্পর্কিত যা প্রাসঙ্গিকতা, পোস্টের তারিখ, প্রয়োজনীয় অভিজ্ঞতা, কোম্পানির ধরন, কাজের অবস্থান, চাকরির প্রকৃতি ইত্যাদির মতো বিভিন্ন মানদণ্ডের ভিত্তিতে আপনাকে চাকরির আওতায় আনতে সহায়তা করবে। এছাড়াও এই ট্রেন্ডি প্ল্যাটফর্মগুলো ‘চাকরির সতর্কতা’ অপশন সরবরাহ করে যা আপনাকে ইমেইলের মাধ্যমে সর্বশেষ প্রাসঙ্গিক চাকরির বিষয়ে অবহিত করবে।

আপনি “সহজে দরখাস্ত” এই পদ্ধতির মাধ্যমে বেশিরভাগ চাকরিতে আবেদন করতে পারেন। এটি আপনাকে এমএস ওয়ার্ড বা পিডিএফ ফরমেটে পুনরায় আপলোডের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করতে দেয়। আপনি পরে আবেদন করার জন্য বেছে নেয়া চাকরিগুলো সংরক্ষণ করতে পারেন। “মাই জবস” বোতামটি ক্লিক করে আপনি ইতোমধ্যে দরখাস্ত করা চাকরিগুলো দেখেতে পারেন। চাকরি প্রত্যাশীদের একটি দক্ষ জীবন বৃত্তান্ত প্রস্তুত করতে সহায়তা করার জন্য ‘রিজ্যিউম বিল্ডারের’মাধ্যমটি সরবরাহ করা হয়েছে।

লিঙ্ক- https://www.linkedin.com/



আরও কিছু সেরা চাকরির সাইট

বিডিজবসডটকমের পাশাপাশি আরও কিছু চাকরি খোঁজার ওয়েবসাইট বাংলাদেশের চাকরিপ্রার্থীদের সহায়তা করার জন্য কাজ করছে। আপনার কাঙ্ক্ষিত চাকরি সন্ধান করতে নিম্নলিখিত লিঙ্কগুলো সহায়ক হতে পারে।







সতর্কতা

১. কোনো চাকরির সাক্ষাৎকারপ্রাপ্তির আগে বা চূড়ান্ত কর্মসংস্থানের প্রস্তাব গ্রহণের আগে সম্ভাব্য নিয়োগকর্তার ব্র্যান্ড খ্যাতি ও প্রতিষ্ঠানের ইতিহাস জেনে নেওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। একইসাথে, কাজের প্রয়োজনে যেকোনো ধরনের অননুমোদিত আর্থিক লেনদেনও অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও নিষিদ্ধ।

২. প্রচলিত জীবনবৃত্তান্ত খুব কমই নিয়োগকারীদের আকর্ষণ করে। অতএব, পেশাদার ফরমেটগুলোতে জীবনবৃত্তান্ত লেখার চেষ্টা করুন। প্রযুক্তির অগ্রগতির সাথে আপনার নতুন দক্ষতা ও জ্ঞান অর্জন করতে হবে। জ্ঞান ও দক্ষতার স্তরকে অবিচ্ছিন্নভাবে উন্নীত করা আপনার কাছে স্বপ্নের চাকরির সুযোগ পাওয়ার জন্য চমকপ্রদ হয়ে আসতে পারে।
job

গার্মেন্টস টেক্সটাইলের চাকরি খোঁজার নির্ভরযোগ্য কয়েকটি ওয়েবসাইট

দেশে চাকরি খোঁজার নির্ভরযোগ্য কয়েকটি ওয়েবসাইট some reliable websites for searching textile and garments jobs

আপনি যদি বর্তমানে বেকার বা অল্প বেতনের চাকরিজীবী হয়ে থাকেন তবে হতাশ হবেন না, বাংলাদেশে রয়েছে চাকরি খোঁজার কয়েকটি সেরা ওয়েবসাইট

কোভিড-১৯ এর বহুমুখী প্রভাব বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন দেশের অর্থনীতি বিপর্যস্ত করে দিচ্ছে। বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়। প্রতিদিন চলমান মহামারির কারণে বহু মানুষ চাকরি হারাচ্ছে।

চাকরির বাজার কখন তার স্বাভাবিক গতিতে ফিরে আসবে তা কেউ জানে না। আপনি যদি বর্তমানে বেকার বা অল্প বেতনের চাকরিজীবী হয়ে থাকেন তবে হতাশ হবেন না! বাংলাদেশে রয়েছে চাকরি খোঁজার কয়েকটি সেরা ওয়েবসাইট।


বিডিজবস.কম

এটি দেশের বৃহত্তম চাকরির সাইট। এখানে অ্যাকাউন্টিং, ব্যাংক, ইঞ্জিনিয়ার, শিক্ষা / প্রশিক্ষণ, হিউমেন রিসোর্স, অ্যাডমিন, মেডিকেল, আইটি, ড্রাইভিং, আইন ইত্যাদির মতো চাকরির বিভিন্ন ক্যাটাগরিগুলো ব্রাউজ করা যায়। বিডিজবস.কম বাংলাদেশের বিভাগীয় চাকরি খোঁজার সুযোগ দেয়। তাই রাজধানীর বাইরে থাকলেও এই চাকরির সাইটের মাধ্যমে বাংলাদেশের যেকোনো জায়গায় উপযুক্ত চাকরির সন্ধান করা সম্ভব হয়।

বিডিজবস.কম চাকরিপ্রার্থীদের বিভিন্ন কি-ওয়ার্ড, ক্যাটাগরি, শিল্প, স্থান, সময়সীমা, সংবাদপত্রের চাকরি ইত্যাদির মত বিভিন্ন ফিল্টার প্রয়োগের মাধ্যমে সুনির্দিষ্ট চাকরির সার্কুলার বাছাই করতে দেয়।


এই অপশনগুলো কেবল সময় সাশ্রয় করে না, সঠিক সার্কুলারগুলো খুঁজতেও সহায়তা করে। তবে যদি আপনি কোনো প্রাসঙ্গিক ক্যাটাগরি বাছাই করতে না পারেন, সুনির্দিষ্ট কাজের ধরন-যেমন, ব্যবসায় লেখক, যোগ প্রশিক্ষক, বা লোগো ডিজাইনার-সার্চ উইন্ডোতে রাখুন এবং তারপরে “সার্চ” বোতামে ক্লিক করুন। এখন এই সিস্টেমটি আপনাকে প্রাসঙ্গিক সুযোগগুলো প্রদর্শন করবে।

বিডিজবস.কমের মাধ্যমে চাকরি পাওয়ার জন্য আপনাকে এই প্ল্যাটফর্মে একটি প্রোফাইল খুলতে হবে।

এখানে আপনি একটি পূর্বনির্ধারিত জীবনবৃত্তান্ত বিন্যাস পাবেন যা আপনাকে আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা, পেশাদার অভিজ্ঞতা, দক্ষতা, রেফারেন্স, পরিচিতি, ইত্যাদি লিখতে বলবে। আপনি এমএস ওয়ার্ড বা পিডিএফ ফরমেটে আপনার জীবন বৃত্তান্ত বা সিভি আপলোড করতে পারেন। বিডিজবস.কম একচেটিয়া ব্যবহারকারী-বান্ধব বিকল্পগুলোর সাথে তৈরি করা হয়েছে যেমন নিম্নলিখিত নিয়োগকর্তাদের চাকরি-বিজ্ঞপ্তি, সংক্ষিপ্ত তালিকাভুক্ত চাকরি, আপনার দরখাস্তের কাজের উপর নিয়োগকর্তার কার্যকলাপ পরীক্ষা করা ইত্যাদি।

এই প্ল্যাটফর্মে বেশিরভাগ কাজ একক ক্লিকের মাধ্যমে অনলাইনের মাধ্যমে সহজে প্রয়োগ করা যায়। তবে কিছু কাজ আপনাকে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ইমেইল ঠিকানার মাধ্যমে আবেদন করতে বলতে পারে। এগুলো যুক্ত করে, বিডিজবস.কম চাকরিপ্রার্থীদের নতুন দক্ষতা শিখতে এবং তাদের যোগ্যতা বাড়াতে সহায়তার জন্য বিভিন্ন অর্থ প্রদত্ত অনলাইন প্রশিক্ষণ কোর্স সরবরাহ করে।

লিঙ্ক- https://www.bdjobs.com/

লিঙ্কডইন জবস

লিঙ্কডইন পেশাদারদের মধ্যে সর্বাধিক জনপ্রিয় সামাজিক নেটওয়ার্কিং ওয়েবসাইট। এখানে আপনি এমন ব্যক্তিদের আমন্ত্রণ জানাতে পারেন যারা আপনার পেশাগত ক্ষেত্রে সম্পর্কিত কাজ করছেন। এছাড়াও এই ডিজাইনের সামাজিক নেটওয়ার্কিং প্ল্যাটফর্মটি আপনাকে এমন কিছু লোক খুঁজে বের করার সুযোগ দেয় যা আপনার সাথে কিছু সাধারণ বিষয় রয়েছে যেমন, একই প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষা গ্রহণ করা, একই কর্মক্ষেত্রে কর্মসংস্থানের ইতিহাস ইত্যাদি। অন্যান্য সামাজিক নেটওয়ার্কিং সাইটগুলোর বিপরীতে লিঙ্কডইন হতে পারে চাকরি সন্ধানে লোকদের সাহায্য করার দীর্ঘ পথ।


এগুলো ছাড়াও, লিঙ্কডইনের একটি অপশন রয়েছে যেখানে আপনি এই সম্পর্কিত চাকরি সন্ধান করতে পারেন। এই প্ল্যাটফর্মটি “অল ফাইলার্স” নামক একটি চৌকস চাকরি ফিল্টারিং অপশনের সঙ্গে সম্পর্কিত যা প্রাসঙ্গিকতা, পোস্টের তারিখ, প্রয়োজনীয় অভিজ্ঞতা, কোম্পানির ধরন, কাজের অবস্থান, চাকরির প্রকৃতি ইত্যাদির মতো বিভিন্ন মানদণ্ডের ভিত্তিতে আপনাকে চাকরির আওতায় আনতে সহায়তা করবে। এছাড়াও এই ট্রেন্ডি প্ল্যাটফর্মগুলো ‘চাকরির সতর্কতা’ অপশন সরবরাহ করে যা আপনাকে ইমেইলের মাধ্যমে সর্বশেষ প্রাসঙ্গিক চাকরির বিষয়ে অবহিত করবে।

আপনি “সহজে দরখাস্ত” এই পদ্ধতির মাধ্যমে বেশিরভাগ চাকরিতে আবেদন করতে পারেন। এটি আপনাকে এমএস ওয়ার্ড বা পিডিএফ ফরমেটে পুনরায় আপলোডের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করতে দেয়। আপনি পরে আবেদন করার জন্য বেছে নেয়া চাকরিগুলো সংরক্ষণ করতে পারেন। “মাই জবস” বোতামটি ক্লিক করে আপনি ইতোমধ্যে দরখাস্ত করা চাকরিগুলো দেখেতে পারেন। চাকরি প্রত্যাশীদের একটি দক্ষ জীবন বৃত্তান্ত প্রস্তুত করতে সহায়তা করার জন্য ‘রিজ্যিউম বিল্ডারের’মাধ্যমটি সরবরাহ করা হয়েছে।

লিঙ্ক- https://www.bdjobs.com/

লিঙ্কডইন জবস

লিঙ্কডইন পেশাদারদের মধ্যে সর্বাধিক জনপ্রিয় সামাজিক নেটওয়ার্কিং ওয়েবসাইট। এখানে আপনি এমন ব্যক্তিদের আমন্ত্রণ জানাতে পারেন যারা আপনার পেশাগত ক্ষেত্রে সম্পর্কিত কাজ করছেন। এছাড়াও এই ডিজাইনের সামাজিক নেটওয়ার্কিং প্ল্যাটফর্মটি আপনাকে এমন কিছু লোক খুঁজে বের করার সুযোগ দেয় যা আপনার সাথে কিছু সাধারণ বিষয় রয়েছে যেমন, একই প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষা গ্রহণ করা, একই কর্মক্ষেত্রে কর্মসংস্থানের ইতিহাস ইত্যাদি। অন্যান্য সামাজিক নেটওয়ার্কিং সাইটগুলোর বিপরীতে লিঙ্কডইন হতে পারে চাকরি সন্ধানে লোকদের সাহায্য করার দীর্ঘ পথ।

এগুলো ছাড়াও, লিঙ্কডইনের একটি অপশন রয়েছে যেখানে আপনি এই সম্পর্কিত চাকরি সন্ধান করতে পারেন। এই প্ল্যাটফর্মটি “অল ফাইলার্স” নামক একটি চৌকস চাকরি ফিল্টারিং অপশনের সঙ্গে সম্পর্কিত যা প্রাসঙ্গিকতা, পোস্টের তারিখ, প্রয়োজনীয় অভিজ্ঞতা, কোম্পানির ধরন, কাজের অবস্থান, চাকরির প্রকৃতি ইত্যাদির মতো বিভিন্ন মানদণ্ডের ভিত্তিতে আপনাকে চাকরির আওতায় আনতে সহায়তা করবে। এছাড়াও এই ট্রেন্ডি প্ল্যাটফর্মগুলো ‘চাকরির সতর্কতা’ অপশন সরবরাহ করে যা আপনাকে ইমেইলের মাধ্যমে সর্বশেষ প্রাসঙ্গিক চাকরির বিষয়ে অবহিত করবে।

আপনি “সহজে দরখাস্ত” এই পদ্ধতির মাধ্যমে বেশিরভাগ চাকরিতে আবেদন করতে পারেন। এটি আপনাকে এমএস ওয়ার্ড বা পিডিএফ ফরমেটে পুনরায় আপলোডের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করতে দেয়। আপনি পরে আবেদন করার জন্য বেছে নেয়া চাকরিগুলো সংরক্ষণ করতে পারেন। “মাই জবস” বোতামটি ক্লিক করে আপনি ইতোমধ্যে দরখাস্ত করা চাকরিগুলো দেখেতে পারেন। চাকরি প্রত্যাশীদের একটি দক্ষ জীবন বৃত্তান্ত প্রস্তুত করতে সহায়তা করার জন্য ‘রিজ্যিউম বিল্ডারের’মাধ্যমটি সরবরাহ করা হয়েছে।

লিঙ্ক- https://www.linkedin.com/




আরও কিছু সেরা চাকরির সাইট

বিডিজবসডটকমের পাশাপাশি আরও কিছু চাকরি খোঁজার ওয়েবসাইট বাংলাদেশের চাকরিপ্রার্থীদের সহায়তা করার জন্য কাজ করছে। আপনার কাঙ্ক্ষিত চাকরি সন্ধান করতে নিম্নলিখিত লিঙ্কগুলো সহায়ক হতে পারে।

https://chakrirkhobor.net/

https://chakri.com/

http://job.com.bd/

http://bdjobstoday.com/

https://bd-career.com/

https://thousand.careers/

সতর্কতা

১. কোনো চাকরির সাক্ষাৎকারপ্রাপ্তির আগে বা চূড়ান্ত কর্মসংস্থানের প্রস্তাব গ্রহণের আগে সম্ভাব্য নিয়োগকর্তার ব্র্যান্ড খ্যাতি ও প্রতিষ্ঠানের ইতিহাস জেনে নেওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। একইসাথে, কাজের প্রয়োজনে যেকোনো ধরনের অননুমোদিত আর্থিক লেনদেনও অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও নিষিদ্ধ।

২. প্রচলিত জীবনবৃত্তান্ত খুব কমই নিয়োগকারীদের আকর্ষণ করে। অতএব, পেশাদার ফরমেটগুলোতে জীবনবৃত্তান্ত লেখার চেষ্টা করুন। প্রযুক্তির অগ্রগতির সাথে আপনার নতুন দক্ষতা ও জ্ঞান অর্জন করতে হবে। জ্ঞান ও দক্ষতার স্তরকে অবিচ্ছিন্নভাবে উন্নীত করা আপনার কাছে স্বপ্নের চাকরির সুযোগ পাওয়ার জন্য চমকপ্রদ হয়ে আসতে পারে।
job

গার্মেন্টস টেক্সটাইলের চাকরি খোঁজার নির্ভরযোগ্য কয়েকটি ওয়েবসাইট | Textile jobsite

প্রিয় শাহআলম,


গত কাল তুৃমি এসএমএস করে পরিচয় দিলা তুমি শাহঅালম,সান্জি টেক্সটাইলের প্রোডাকশন সুপারভাইজার । জানতে চাইলা অামরা কেমন অাছি।অামি কোন উত্তর দিতে পারিনাই। সারাদিন তোমাকে সহ সফিউল,স্টোরের অালিম,ড্রাইভার দুলাল,ড্রাইভার পলাশ, সহ অারো যারা অামার সাথে ১৯৯২-৯৩ সালে সাভারের কর্ণপাড়ায় ছোট পরিসরে ইস্কান্দার ইন্জিনিয়ারিং এর বানানো সেলাই সুতার মেশিন দিয়ে স্থাপিত অামার প্রথম কারখানা ' ওয়েল থ্রেড লিঃ এ কাজ করতে।অামার এখনো মনে অাছে তোমার পাশের মেশিনটা অামিও চালাতাম।অামি তোমাদের কাউকে ভূলিনি।১৯৯৬-৯৭ সালে ওয়েল থ্রেডের মেশিনপত্র পাঠিয়ে দিলাম অামার শহর চট্টগ্রামে।নতুন করে শুরু করলাম সান্জি টেক্সটাইল মিলস লিঃ নামে।' ওয়েল থ্রেড' রয়ে গেল ব্র্যান্ড হিসাবে। তুৃমি, সফিউল ও অালীম সহ অারো ক'জন চলে অাসলা চট্টগ্রামে অামার মায়ায়।তোমরা এখনো অাছ!! অামি থেকে গেলাম ঢাকায় তোমাদের বানানো সূতা বিক্রির কাজে।

ড্রাইভার দূলাল এখনো অাছে।অামার গাড়ি চালায়।ড্রাইভার পলাশও অাছে।
অাছে।কোমরের ব্যাথা নিয়ে গাড়ি চালাতে পারেনা বলে ঢাকা অফিসে বসে থাকে।ডেলিভারী শাখার নতুন ২০-২৫ ড্রাইভারের সাথে পুরামো সোবহান ও রাজ্জাকও অাছে।ক'দিন অাগে ড্রাইভার সোবহানের সাথে দেখা ঢাকা অফিসে। কেমন বুড়া হয়ে গেছে।কাছে ডেকে জানতে চাইলাম,কি সোবহান বুড়া হয়ে গেলে যে! বায়স কত? বলল, এই সত্তুরের কাছাকাছি। হাসতে হাসতে বললাম, তোমার সত্তুর হলে অামার কি ৮০?জানতে চাইলাম, এখনো কি গাড়ি চালাও? বলল, হ স্যার।তবে দুরের ডিউটি করিনা।হাত কাপে।চোখেও দেখিনা।কিছু না বলে লজিস্টিক ম্যানেজার কে বললাম,ড্রাইভার সোবহান অার গাড়ি চালাবেনা।ড্রাইভার পলাশের মত অফিস থাকবে। অামার কেনা প্রথম গাড়ি চট্টমেট্রো ম-৩৭, যেটা চালিয়ে ড্রাইভার দুলাল সারাদিন সুতা ডেলিভারি দিয়ে বিকেল অামাকে দিয়ে যেত। সন্ধ্যায় অামি তোমার ভাবিকে নিয়ে ঐ গাড়ি চালিয়ে সংসদ ভবনের পেছন ক্রিসেন্ট লেকে ফুসকা খেতে যেতাম, এখনো অাছে।ডেলিভারি অফিসার
হেলাল এখনো ঢাকা অফিসে অাছে।কথা একটু বেশী বলে, তাই সবাই পাগলা হেলাল বলে ডাকে।অামি কিছু বলিনা।কথা অামিও বেশী বলি।কিন্তু অামি পাগল না।কারণ অামিতো সিইও!! হেলাল পাগল।কারণ সে....

HR Manager ক'দিন অাগে এসে বলল,স্যার,হেলাল সাহেবের কোন অাউটপুট নেই। কাজ কর্ম করেনা। বিদায় করে দিলে ভাল হয়।অামি হেসে বললাম,না থাক।যেটুকু পারুক করুক।অার মনে মনে বললাম,হেলালের চাকুরী অামি বেঁচে থাকতে কোনদিন যাবেনা।১৯৯২-৯৩ তে যেই হলাল অামার সাথে রিক্সা ভ্যানে করে মালিবাগ, মিরপুরের গার্মেন্টস কারাখানায় সুতার ডেলিবারি দিয়ে ওয়েল থ্রেডকে অাজ দেশের বিখ্যাত ব্র্যান্ড বানিয়েছে সেই হেলালের চাকুরী যাবে? বল কি ম্যানেজার?শামীমও এখনো অাছে।মতিনকে ছেড়ে দিতে হল।তার ব্রেইন স্ট্রোক হয়েছিল।নিজে দাড়িয়ে থেকে ব্রেইন ওপারেশন করালাম।সুস্থ হয়ে ফিরে অাসল।কিন্তু পরে কাজের লোড নিতে পারছিলনা।নিজে কিছু করবে বলে চাকুরী ছেড়ে দিল।মোয়াজ্জেম এখনো একাউন্টস দেখে।মন্জুর সাহেবও অাছেন এখনো। কারখানাগুলোতে কাজ করা হাজার হাজার শ্রমিক কর্মচারীদের মাঝে তুৃমি,অালিম, শফিউল সহ অন্যরা যেমন অামার স্মৃতিতে এখনো অম্লান তেমনি ঢাকা অফিসে শত শত কর্মকর্তার মাঝে অামি এখনো এদের খোঁজি।

শাহআলম,
তুৃমি জানতে চেয়েছ অামি কেমন অাছি?অাছি, অনেক ভাল অাছি।পল্টনের ৬০০০ টাকার ভাড়া বাসা থেকে ধানমন্ডির এপার্টমেন্টে উঠেছিলাম ১৯৯৬ এ।এখনো ঐ বাসায় অাছি।মেয়েটার বিয়ে হয়ে গেছে। চট্টগ্রামে থাকে।ছেলে বিদেশে নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে।ব্যবসাটা তোমাদের হাতের উপর অনেক বড় হয়ে গেছে।তোমাদের সেই দেশীয় লক্কর ঝক্কর মেশিন গুলোর যায়গায় বসেছে সুইজারল্যান্ডের অত্যাধুনিক এসএসএম মেশিন।পুরানো ডাইনিং মেশিনগুলোর যায়গায় সব অাধুনিক ডাইনিং মেশিন।তোমরা মেশিনের যন্ত্রণায় এখন অার এদিক সেদিক ছুটাছুটি করনা।মেশিন চলে চোখের পলকে।তোমরা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখ। মান্নান সাহেবের কাঁচা সুতার জন্য এখন অার তোমাদের অপেক্ষা করতে হয়না।নিজেদের স্পিনিং মেশিনে সুতা তৈরী হয়ে চলে অাসে সরাসরি তোমাদের ডাইনিং ইউনিটে।সেখান থেকে তোমাদের মেশিনে।অাহারে,কোথায় ছিলাম। অার এখন কোথায়!! অাল্লহুঅাকবর।

সাভারের কর্নপাড়ার ছোট একচালা ঘর থেকে অাজ কত বড় দালানে তোমরা।পাশে স্পিনিং, টুইস্টিং,ডাইং,হাজার হাজার মেশিনের গার্মেন্টস কারখানা। প্রায় পুরা কালুরঘাট বিসিক জুড়েই তোমরা।
সেলাই সুতার কারাখানা দিয়ে শুরু ওয়েল গ্রুপ এখন কতবড় , মাশাল্লাহ। সুতা বানাও।কাপড় বানাও।সেই কাপড় কেটে গার্মেন্টস বানাও,সেই গার্মেন্টস ধুয়ে মুছে নিজেদের বানানো পলিব্যাগ ও কার্টন ভরে বিদেশে পাঠাও।রুটি বানাও,কেক বিস্কুট বানাও। অারও কত কি?প্রায় ২৫০০০ হাজার পরিবারের ঠিকানা তোমদের ওয়েল গ্রুপ।

অামি ভাল নাই কি ভাবে বলি? 

চারিদিকে নাম ডাক।সরকার কতবার যে সিঅাইপি সনদ দিয়েছে তার হিসাব এখন অার রাখিনা।রিক্সা বাস ছেড়ে দামি গাড়িতে চড়ি।পল্টনের এক রুমের অফিস থেকে মহাখালীতে এসে বিশাল অফিসের এসি রুমে বসে কাজ করি।দেশ বিদেশ ঘুরে বেড়াই।

সবতো তোমাদের হাতে গড়া। অাজ এই দুঃসময়ে খবর নেওয়ার কথা অামার।খবর নিলা তুমি!!লজ্জায় গত তিনদিন ঘুমাতে পারিনি।ভাবছি অামার অামিত্ব অার অাভিজাত্য অামাকে কোথায় নিয়ে ঠেকেছে!!!

তোমার একটি এসএমএস অামার জীবনবোধ বদলে দিয়েছে। এবার যদি এই মহামারী থেকে বেঁচে যাই ফিরে যাব অাগের যায়গায়। তোমাদের হাতে গড়া ওয়েলগ্রুপের প্রধান নির্বাহী হিসাবে তোমাদের জন্য গত ২৮-৩০ বছরে কি করতে পেরেছি জানিনা।এবার যদি বেচে যাই ফিরে এসে তোমাদের হিসাবের খাতাটা নিয়ে বসব প্রথমে।অাকাশের দিকে তাকিয়ে অমার নিশ্বাসের মালিকের সাথে কথা বলব।অার নিচের দিকে তাকিয়ে তোমাদের খোঁজব।মাঝখানের পৃথিবীটা অার দেখবনা।

অনেক হয়েছে।অনেক দেখেছি। অার না।যদি এবার বেঁচে যাই নতুন সুর্য্য উঠা দেখব।নতুন হাওয়ায় শ্বাস নেব।নতুন করে শুরু করে তোমাদের সাথে নিয়ে নাফিরার দেশে যাব।


তোমরা সবাই ভাল থেকো।সাবধানে থেকো।সবাইকে নিয়ে বাসায় থেকো।কিছুক্ষন পর পর সাবান পানি দিয়ে হাত ধোয়া টা এখন অনেক জরুরী। অকারনে যেওনা।প্রয়োজনে বাহিরে যেতে হলে মুখে মাস্ক দিও।



Syed Nurul Islam | Well Group


job

একজন শিল্প মালিকের সাবেক সহকর্মীদের স্মৃতিচারন | Syed Nurul Islam | Well Group

হেড অফিসের নিয়োগ


হেড অফিসের নিয়োগ বলতে বোঝায় যে সার্কুলার এর মাধ্যমে নিয়োগ , আর ফেক্টরির নিয়োগ হয় পার্সোনাল রেফারেন্স এর উপর  এটা ফেক্টরির যারা আছেন তাদের মাধ্যমে নিয়োগ করা হয় ।  হেড অফিসের এর মাধ্যমে যারা আসেন তাদের নিয়োগে জড়িত থাকেন হেড অফিসের টপ ম্যানেজমেন্ট । 

হেড অফিসের টপ ম্যানেজমেন্ট  নিয়োগে জড়িত থাকায় এদের সাহস অনেক বেশি থাকে , এরা এক প্রকার ইগো সমস্যায় ভোগে ।

হেড অফিসের ম্যানেজমেন্ট এর সাথে সব সময় ফেক্টরির একটা দুরুত্ব থাকে আর হেড অফিসের লোকজন নিজেকে এক্সট্রা পন্ডিত ভাবেন ।  যার ফলে তারা যাদের নিয়োগ করেন তাদের নিজেদের লোক ভেবে তাদের ফোনের একসেস দিয়ে দেন ফেক্টরির খোজ খবর নেয়ার জন্য । 

যদি আপনি বুদ্ধিমান হয়ে থাকেন তবে তারা ফ্লোরের সাথে মিশে যান এবং তারা সেইভ থাকেন । 

যাদের ইগো সমস্যা থাকে তারা বাকি সবাইদের সাথে মিশতে পারে না এরা কাওকে গেইট পাস দিতে চান না ছুটি দিতে চান না, আউট পাস দিতে চান না ।  এদের পেছনে লেগে যায় অপারেটর হেল্পার সুপারভাইজার, সাথে অফিসার রাও ।  হেড অফিসের নিয়োগে ভালো বেতন পদ ধরে যার ফলে ফ্লোরের দৈর্ঘ দিনের পদ বঞ্চিত রা এদের বিরোধী হয়ে ওঠে ।

টেক্সটাইল মিলের হেড অফিসের নিয়োগ প্রাপ্ত কর্মকর্তা কেমন

টেক্সটাইল ফ্রেশারদের ফ্লোরে নার্ভাসনেস কাটানোর উপায়ঃ 


যারা ফ্রেশার জব করেন বেশিরভাগ ফ্লোরে নতুন জবের শুরু শুরুতে তারা নার্ভাস থাকেন । এর মুল কারন হচ্ছে আমাদের পরিবেশ  যার সাথে আমাদের সাথে পরিচিত না ।  আমরা যখন ইন্টার্ন করি তখনকার সময় মুলত আমাদের আমাদের সাথে এই পরিবেশ এর সাথে পরিচিত হবার সুযোগ থাকে । কিন্ত আমাদের স্টুডেন্টরা প্রপারলি সে সুযোগ পাননা এবং তারা খুব কম সময় ফ্লোরে থাকেন আর জব লাইফে তারা ফেকো কে অনেক আরামের যায়গা ভাবেন ।  এদের টোটাল ভুল ধারনা ভাংগে জবে ঢুকলে ।

কিছু করনীয় বিষয়ঃ

১. আপনার প্রথম বছর নিজের সিনিয়র ইঞ্চার্জ  ব্যাতিত অন্য কারো অর্ডার ফলো না করা বা কমান্ড না শুনা ।  শুধুমাত্র আপনার সিনিয়র যা করতে বলবে তা করা । 

২. মেশিনের কোন লোকের সাথে কথা না বলা এটা মোটেই করা যাবে না ।  আর সমস্যা শুনলেই সাথে সাথে আপনার রিপোর্ট বসকে জানাতে হবে  ।  নিজের মাঝে কোন কথা চেপে রাখা যাবে না । আগে বলে আসেন পরে বাকি সব কাজ । 

৩. অনেক সময় আপনার ডেসিগনেশন না ভালো হতেই পারে এর জন্য হতাস না হওয়া ।  এটা সাময়িক এটা ১-২ বছরের ভেতরে চেইঞ্জ হয়ে যাবে। এই নিয়ে এতো স্ট্রেস নেবার কিছু নাই । 

৪. আপনার ফেব্রিকের দুনিয়ায় যতো ফল্ট আসুক না কেনো আপনার তা নিয়ে চিন্তা করার কোন প্রয়োজন নাই ।  আপনাকে এর জন্য কেও জিজ্ঞেস করতে আসবে না ।  জুনিয়ররা ফল্ট এর বিষয়ে বেশি নার্ভাস হয় যায়। তারা মনে করেন কি হবে আমাদের যা আমরাও ফিল করে ছিলাম এক সময়। 

৫. রেগুলার রুটিনের বাইরে বস কিছু বললে এটা স্পেশাল কেয়ার নিন, কারন সমস্যা হতে পারে বিধায় আপনাকে একটু লুক আফটার করতে বলসে তাই ।  আপনার উচিৎ এই সময় অন্তত কাজ করা । 

৬. ওভার টাইম নিয়ে হতাস হবার কিছু নেই করুন করতে থাকুন ফ্লোর আয়ত্ত হলে আপনি বুঝতে পারবেন কখন আপনি চলে যেতে পারবেন । আর কি বেশি গুরুত্বপূর্ণ । তাই কয়মাস অপেক্ষা করুন । 





টেক্সটাইল ফ্রেশারদের ফ্লোরে নার্ভাসনেস কাটানোর উপায় | fresher textile engineer

বস খারাপ ব্যাবহার করলে কি করবেন


রিসেন্ট একটা মাল্টি ন্যাশনাল টেস্টিং হাউসের একজন স্টাফারের সাথে একজন ম্যানেজার এর গায়ে হাত তোলার ঘটনা ঘটে যা কোম্পানির এবং স্টাফের সম্মানে  নামটা গোপন করা হলো । একটা ভুলের কারনে তার জন্য এমন খারাপ আচরণ করা হলো।  এর পরো সে তার চাকুরী চালিয়ে যান । 

রিসেন্ট একটা ফেক্টরির একজন স্টাফ তার একটা কাগজে সিগনেচার নেয়ার জন্য যান যার রুমে ঢুকতে যায় ।  কিন্ত সে তাকে খারাপ ব্যাবহার করেন । 

প্রথম ইস্যুতে এর বিচার যায় HR বরাবর এবং ফুটেজ দেখে যায় তার জব চলে। 

দ্বিতীয়  ইস্যুতে ছেলেটা সিদ্ধান্ত নেন যে এর বিরুদ্ধে অভিযোগ করবেন এবং অভিযোগ দেন, ফেক্টরির যারা এডমিন আছেন তারা অভিযোগ নিয়ে কাজ শুরু করেন । এবং উক্ত টপ পজিশন এ থাকা ব্যাক্তি কে মৌখিক ওয়ার্ন করা হয় ।  তবে এর আফটার ইফেক্ট আছে সে আবারো তার কাছে গেলে সে এই সে ওই হয়ে গেছে ।  ছেলে জ্বেদী দিয়েছি সে আবার অভিযোগ করে বসেন ।  ফলাফল এবার লিখিত অভিযোগ এবং দ্বিতীয় বার এডমিন গিয়ে সতর্ক করেন  ।  এবার তার শিক্ষা হয় ।  

এভাবে ফেক্টরি গুলিতে অনেকে এমন মানুষিক নির্যাতন  এবং নানান হয়রানির স্বিকার হন । কিন্ত বর্তমানে  লেবার ল অনেক স্ট্রিক্ট ।  এবং কোন মালিক চান না এমন সমস্যা তার ফেক্টরিতে হোক ।  ইভেন এটা নিয়ে যানাযানি হলে  যে সমস্যা করেছে তার জব যাবে বা এটা ম্যানেজমেন্ট উইক পয়েন্ট হিসেবে নিয়ে তাকে সুযোগ সুবিধার ঘাটতি দেখাবে । 

এগুলি হয় আমাদের নিজেদের কারনে অনেক সময় আমাদের জব হারানোর ভয়ে আমরা অভিযোগ করতে চাই না কিন্ত ধুকে ধুকে ডিউটি করা মানুষিক যন্ত্রণার কারনে ডিপ্রেশনে ভুগে । 

আর কথা কথায় মালিক বাদে কেও জব থেকে সাসপেন্ড করার ক্ষমতা কারো নাই । বর্তমানের লেবার ল অনেক কড়া ।  কাচা কাজ করলেই এর বিশাল জরিমানা দিতে হয় ।

টেক্সটাইল জবে বস খারাপ ব্যাবহার করলে কি করবেন | Textile Job

টেক্সটাইলে ফরেইন এক্সপার্ট রিক্রুটিং করার প্রসেস


  • ফেব্রিক সাপ্লাইয়ার কোম্পানিতে জব না করা 


বর্তমানের জব এর ভেতর ফেব্রিক সাপ্লাইয়ার কোম্পানিতে জব অন্যতম কিন্তু এর বিদ্যমান কিছু সুবিধা অসুবিধা আছে । যারা নতুন বা ফ্রেশার আপনাদের জন্য একটি পরামর্শ হচ্ছে আপনারা  ফেব্রিক সাপ্লাইয়ার কোম্পানিতে জব না কারা 

১. এই জবের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে আপনাকে টার্গেট দিয়ে দেয়া হবে  আর ৬ মাসের ট্রেইনিং প্রিয়ড থাকবে যেহেতু আপনি নতুন এই সেক্টরে সেহেতু আপনি প্রথমেই কই যাবেন  কি করবেন সেটা বুঝতেই আপনার ২ মাস লাগবে ।  আপনাকে ডেইলি ভাতা দিবে ভাড়া বাবদ এভাবে চলে যাবে আরো দুই মাস ।  অর্ডার এতো সহজ নয় যে একটা নতুন ছেলের হাতে দিয়ে দেবে যে কোন ফেক্টরি ।  দেখা যাবে অর্ডার সিনিয়রদের দিয়ে ডিল করাতে হবে এর জন্য বায়ার খুজে বের করলেও সেটা হয়ে যাবে তার। 

আপনি যদিও কাজ করলেন এ ক্ষত্রে মেজরিটি লাভ সাপ্লায়ার এর হবে কারন আপনি কাজ আনতে না পারলে নুনতম তো ১০ জায়গায় যাবেন এতে তাদের নাম অন্তত ১০ যায়গায় আপনি প্রচার করে আসলেন ।  

বায়ার অর্ডার না পেলে শর্ত অনুযায়ী আপনি টাকা পাবেন না ।  

ফেব্রিক ডেলিভারি দিলেও LC প্রিয়ড অনুযায়ী আপনি ৩ মাসের আগে স্যালারি পাবেন না ।

এটাতে যাদের আগের অভিজ্ঞতা আছে তারা করতে পারেন একেবারে যারা নতুন তাদের সাজেস্ট করবো আপনারা এই রিক্সে নাই যেতে পারেন।  

ফেব্রিক সাপ্লাইয়ার কোম্পানিতে জবের অসুবিধা

How to write your Business mail with email etiquette (ইমেইল লেখার শিষ্টাচার):





 বর্তমান সময়ে কমিউনিকেশন এর একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও শক্তিশালী মাধ্যম হচ্ছে ইমেইল কেননা একটা ইমেইলের সঠিক সময়ে সঠিকভাবে  রেসপন্সের  উপর ব্যবসায়ীক সম্পর্কের উন্নতি বা অবনতি অনেকাংশে  নির্ভর করে।  আমাদের গার্মেন্টস সেক্টরে ইমেইল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয় হিসাবে বিবেচিত হলে বিষয়টা নিয়ে আমরা অনেকেই কম্প্লেক্সিটিতে হারিয়ে যায় অথবা আমাদের অনেকেই এই বিষয় সম্পর্কে তেমন কিছু জানিনা বা জানা নেই বা মেইল লেখার ক্ষেত্রে অনেকগুলো ভুলের সম্মুখীন হই। আজকে আমি ইমেইল etiquette  সম্পর্কে সংক্ষেপে  আলোচনা করতে চেষ্টা করব। আপনি সর্বপ্রথম যখন কোন ইমেইল কম্পোজ করতে যাবেন ঠিক তখন ইমেইল এর উপরে বেশ কিছু অপশন দেখতে পাবেন যেমন To, CC, BCC এগুলো মূলত কাকে মেইল করবেন তার অপশন। 

 To অপশনটা মূলত যার কাছে আপনি মেইলটা পাঠাবেন বা যাকে উদ্দেশ্য করে মেইলটা পাঠাবেন তার মেইল আইডিটা ওখানে উল্লেখ করতে হয়। অনেকে হয়তো বলবেন এটা আর এমন কি ব্যাপার এটা তো সবাই পারে, ওকে সবাই যখন পারে তাহলে গুড। 

 এর পরের অপশনটা কে একটু কম্পলেক্স যাকে বলা হয় CC বা কার্বন কপি এই অংশটাতে আপনি যার মেইল আইডি উল্লেখ করেছেন এবং To তে যাকে উল্লেখ করেছেন same message উভয়ই দেখতে পাবে। প্রশ্ন আসতে পারে আলাদা কেন শুধু To তে দিলেইতো হত আসলে To তে দিলে আপনি একটা মেসেজ দুজনকে দুবার পাঠালেন আর CC তে দিলে হবে একটা মেসেজই উভয় দেখতে পারবে। এর অবশ্য আরো একটা রিজন আছে তা হল CC তে যিনি আছেন সে যদি ও জানতে পারছে যে মেইলটা অন্য কারো তবে এ বিষয়ে তারও জানা দরকার। সো ওই একটা থ্রেডে  অথবা রিপ্লেতে যতগুলো মেসেজ থাকবে CC তে থাকা ব্যক্তি সবগুলো দেখতে পারবে  এবং  তিনি  প্রয়োজন মনে করলে রিপ্লাই ও দিতে পারবেন।

 নেক্সট অপশন টা কে বলা হয় BCC বা ব্লাইন্ড কার্বন কপি যা অনেকটা কার্বন কপির মতই শুধু পার্থক্য একজন আরেকজনের  তা দেখতে পাবে না, মূলত এই অংশটি তখনই আমরা ব্যবহার করব যখন একজন আরেকজনের মেইল আইডিটা যাতে না দেখতে পারে সে জন্য, যেমন ধরেন আপনি কোন ইভেন্ট আয়োজন করছেন যেখানে আপনি আপনার ফ্রেন্ড লিষ্টে থাকা ৫০/১০০ জনের কাছে আপনি ইমেইল পাঠাবেন অথবা নববর্ষ বা ঈদের কোন শুভেচ্ছা জানাবেন সে ক্ষেত্রে ৫০/১০০ জন ব্যক্তি কিন্তু একজন আরেকজনের সঙ্গে পরিচিত নাও হতে পারে তাই সেই ক্ষেত্রে ইমেলের গোপনীয়তা বজায় রাখার ক্ষেত্রে আমরা BCC ব্যবহার করে থাকি। আরো একটা রিজন আছে দেখা গেল অনেক সময় কেউ রিপ্লে অলে গিয়ে অপনাকে রিপ্লে দিলো সেটি যদি To এবং CC থাকে তাহলে ওই থ্রেডে থাকা সবাই রিপ্লেটা দেখতে পারবে কিন্তু BCC থাকলে এমনটি সম্ভব নয়।

 কারণ একজনের অনুমতি ছাড়া তার মেইল আইডি অন্যকে জানানো নীতিবিরুদ্ধ কাজ।



Email Subject Line:

Email Subject Line:

প্রথম অংশে আমি আপনাদের সাথে To, CC, BCC নিয়ে আলোচনা করেছি এর পরের পার্টে যে অংশটি আসে তাকে বলা হয় সাবজেক্ট বা সাবজেক্ট লাইন (Subject Line)। যে কোন ইমেইল লেখার ক্ষেত্রে সাবজেক্ট লাইন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

 এক গবেষণায় দেখা যায় থার্টি থ্রি (33%) পারসেন্ট ইমেইল খোলা হবে কি হবে না তা decided করে ফেলা হয় ইমেইলের সাবজেক্ট লাইন দেখে। তাছাড়া আমাদের স্প্যাম এ যে ইমেইল আসে তার 69% decided করে ফেলা হয় আমাদের মেইলের সাবজেক্ট লাইন এর উপর ভিত্তি করে আরো ইন্টারেস্টিং ফ্যাক্ট হচ্ছে আমাদের ইমেইলে যে মেইল আসে তার 40% মেইল সর্বপ্রথম খোলা হয়ে থাকে মোবাইলে আর মোবাইলে শুধু মাত্র চারটি থেকে সাতটি ওয়ার্ড দেখা যায়।




সুতরাং আপনার সাবজেক্ট লাইন চারটি থেকে সাতটি টি ওয়ার্ডের মধ্যে হওয়াই বেটার। 

প্রশ্ন আসতে পারে এই যে, ইনফরমেশন আপনি দিলেন তার মূল উদ্দেশ্য কি? এ থেকে আমি কি বুঝতে পারি। ইনফরমেশনের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে খুবই সিম্পল অর্থাৎ আপনার মেইলের ক্ষেত্রে সাবজেক্ট লাইন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং সাবজেক্ট এর উপর ভিত্তি করে নির্ভর করছে আপনার মেইল খোলা হবে কি হবে না। সুতরাং বুঝা যাচ্ছে যে মেইলের ক্ষেত্রে এমন একটি সাবজেক্ট লাইন তৈরি করা দরকার  যা মেইলটি খোলার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বা বোঝাবে যে এটি খুবই দরকারি।

 সঠিক সাবজেক্ট লাইনের প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য। সঠিক সাবজেক্ট লেখার ক্ষেত্রে আমরা একটি সহজ সিম্পল মেথড ব্যবহার করতে পারি, আপনি যখনই আপনার মেইলটি লিখবেন অলওয়েজ দুটো কোশ্চেন বা প্রশ্নের উত্তর দিবেন যার প্রথমটা হচ্ছে What অর্থাৎ আপনার মেইলটি পড়ে যেন বোঝা যায় What is it about? আপনার মেইলটা কিসের ব্যাপারে। দ্বিতীয়টি হচ্ছে why - Why it’s important অর্থাৎ কেন এটি ইম্পরর্টেন্ট কারণ ইম্পরর্টেন্ট না হলে সে আপনার মেইলটি খুলে দেখবে না।

 সুতরাং নেক্সট টাইম আপনি যখনি কোন মেইল লিখবেন সেই মেইলটি যেন দুটো প্রশ্নের উত্তর দেয় প্রথমটি হচ্ছে আপনার মেইলটা কিসের ব্যাপারে এবং কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ, আপনার মেইলটি যদি এই দুটি প্রশ্নের উত্তর দেয় তাহলে সেটা হবে একটা পারফেক্ট মেইল।




Email Acronyms & Shorts Form:

আবার আমরা যখন কোন বিজনেস মেইল পাঠায় তখন সাধারণত আমরা অ্যাক্রনিমস (Acronyms ) বা শর্ট ফর্ম (Shorts Form) ইউজ করিনা। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে আমাদেরকে যারা ইমেইল পাঠাচ্ছে তারা কোন একটি শর্ট ফর্ম বা অ্যাক্রনিমস ইউজ করে ফেলল সে ক্ষেত্রে আমাদের তো জানা দরকার তার ওই শর্ট ফর্ম দিয়ে সে কি বুঝাতে চাচ্ছে, আমি আজকে আপনাদের সাথে একেবারে সবথেকে কমন/ সাধারনত যে অ্যাক্রনিমস (Acronyms)  ব্যবহার করা হয় সেগুলোর মিনিং(Meaning) নিয়ে আলোচনা করব।

Acronyms            - Meaning 

1. FYI         For your Information (তোমাকে তথ্যটা জানানোর জন্য।)

2. ASAP           As soon as Possible (এটা ব্যবহার করা হয় আমার এই জিনিসটা লাগবে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আমাকে পাঠাও।)

3. LMK       Let me Know (আমাকে জানাও।)

4. OOO      Out of Office (সাধারনত দুই অথবা তিন দিনের ছুটিতে বা ভ্যাকেশনে থাকলে এটা ব্যবহার করা হয়।)

5. NRN     No reply Necessary (মেইলের কোন রিপ্লে দেওয়ার দরকার নাই।) 

6. EOM        End of Message (এটি সাধারণত সাবজেক্ট লাইনের পরে ব্যবহৃত হয় তার মানে সাবজেক্ট লাইন হচ্ছে মূল মেসেজ এবং মেইলের বডিতে কিছু লেখা থাকবেনা।)

7. PRB         Please reply by to Night (যদি এমনটি লেখা থাকে তার মানে হচ্ছে আজকে রাতের মধ্যেই  রিপ্লে দিতে হবে।)

8. EOD       End of Day (আজকের মধ্যে।)

9. IMO      In my Opinion (আমার মতে।

10. BTW    By the Way (কথা প্রসঙ্গে।)

অতএব এই কতগুলো ইনফরমেশন যদি আপনি জানেন এবং আপনি যদি এগুলো ইউজ নাও করেন,  যদি অন্যকেউ এগুলো (Acronyms বা Shorts form)  ইউজ করে মেইল পাঠায় তবে রিপ্লে দেওয়ার সময় আপনি প্রপারলি বুঝতে পারবেন সে আসলে কি বুঝাতে চেয়েছে আপনাকে।

Don’t use emoticons /Smiley in mails:

 ই-মেইলে মেইল সাধারণত ইউজ করা হয় বিজনেস কমিউনিকেশন এর ক্ষেত্রে, সো অলওয়েজ মনে রাখতে হবে বিজনেস কমিউনিকেশনের ক্ষেত্রে ইমেইল হবে not to formal অথবা not to friendly।

মানে খুব ফরমাল বা রিসিট হবার যেমন দরকার নেই তেমনি আবার খুব বেশি ফ্রেন্ডলি বা ক্যাজুয়াল হবার দরকার নেই, যেহেতু ক্যাজুয়াল বা ফরমাল হওয়ার দরকার নেই তাই ইমোটিকন বা স্মাইলি দেওয়ার কোন দরকার নেই। এটার দুটো রিজন আছে, নাম্বার ওয়ান ইমোটিকন দিলে জিনিসটা অনেক বেশি ক্যাজুয়াল বা ফ্রেন্ডলি হয়ে থাকে যেটা বিজনেস কমিউনিকেশন ক্ষেত্রে যায় না আর দ্বিতীয় হল কোন ইমোটিকন এর মানে যে আসলে কি সেটা কিন্তু সবাই জানে না। 

আপনি একটা ইমোটিকন দিলেন একটা মিনিং এর জন্য আর একজন যে দেখছে সে ইমোটিকন দেখছে অন্য একটা মিনিংয়ে যেখানে ইনফরমেশন মিসম্যাচ হবার একটা বড় চান্স থাকে। সো প্লিজ আপনাদের ফর্মাল কমিউনিকেশনে বিজনেস মেইলে ইমোটিকন বা স্মাইলি ব্যবহার করবেন না।




E-mail Response time:

সময়ের গুরুত্ব অনুসারে এটিকে তিনটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করা যায়ঃ

১. ASAP (এটা ব্যবহার করা হয় আপনার ইমিডিয়েট টিমমেট এর জন্য।)

২. Office Hours (এটা ব্যবহার করা হয় আপনার অফিসের জেনারেল কলিগের জন্য।)

৩. 24hr. (এ অংশটা ইউজ করা হয় এক্সটার্নাল কন্টাক্ট যারা থাকেন তাদের জন্য।)

ই-মেইল রেসপন্স টাইম মানে একটা ইমেইল যদি আমাদের কাছে আসে তা কতক্ষনের মধ্যে সেটা রেসপন্স করা উচিত সেই জিনিসটা।

আমাদের যদি ইমিডিয়েট টিমমেট থাকে, যাদের সাথে আমরা ডেইলি কাজ করছি, আমাদের অপারেশনাল কাজের সাথে সংযুক্ত তাদের ক্ষেত্রে যত 'Early possible' রেসপন্স করা উচিত As soon as possible-ASAP। কারণ তার কাজ maybe আপনার ইমেইল এর অপেক্ষায় বসে আছে। 

সে যদি জেনারেল কলিগ হয় আপনার অফিসের অন্য ডিপার্টমেন্টের কলিগ সে ক্ষেত্রে অবশ্যই অফিস আওয়ার এর মধ্যেই রিপ্লাই করা উচিত, কারণ সে যেহেতু আপনার অফিস আওয়ারে মেইল করেছে সুতরাং অফিস আওয়ার এর মধ্যে রি-প্লাই করে দিলে maybe তার একটা কাজের জন্য হেল্প হবে। সুতরাং অফিস আওয়ার এর মধ্যেই জেনারেল কলিগের জন্য রিপ্লাইটা is a must। 

অনেক সময় এক্সটার্নাল কন্টাক্ট আসে অফিসের বাইরের কোন একটা লোক কিংবা পার্সোনাল ইভেন্টের জন্য আমাদের কেউ একটা ইমেইল করেছে সে ক্ষেত্রে 24 ঘন্টার মধ্যে ই-মেইলের রিপ্লাই দেওয়া উচিত, কখনো ইমেইলের রিপ্লাই দেবার সময় দেখা উচিত না যে ওয়ান ডে, টু ডে বিফোর। 

So, নরমাল রুলস আপনার যদি ক্লোজ টিম মেট হয় যার সাথে আপনি কাজ করছেন প্লিজ ASAP রিপ্লাই দেন। আপনার যদি অফিসের জেনারেল কলিগ হয় তবে ওই অফিস আওয়ার এর মধ্যেই রিপ্লাই দেন। আর কেউ যদি এক্সটার্নাল কন্টাক্ট হয় অলওয়েজ চেষ্টা করবেন যেন 24 ঘন্টার মধ্যেই আপনার ইমেইলে রিপ্লাই দিয়ে দেওয়া হয়।




Email Signature:

যে কোন ইমেইল এ আপনার লাস্ট যে ক্লোজিং থাকে এই ক্লোজিং এর উপর একটা টেমপ্লেট বানিয়ে আপনি আপনার ইমেইলে রাখতে পারেন একে ইমেল সিগনেচার বলে।  

For an example:

Best Regards,
Md. Tauhid Khan
Asst. Manager (QMS)
XXX Company Ltd.
Cell: 01674xxxxxxxx
Email: tauhid@gmail.com
Website: www.......

 ইমেল সিগনেচার দেবার দুটো রিজন আছে, নাম্বার ওয়ান প্রতিটা মেইলের শেষে বারবার নতুন করে এই জিনিসটা লিখা লাগেনা এবং সেকেন্ড হল একবার সুন্দর করে এটি লেখা থাকলে এখান থেকে আপনার কন্টাক্ট ডিটেলস, যেমন আপনি কোন পদবী হোল্ড করছেন, আপনি কোন কোম্পানিতে কাজ করেন তার পুরো ডিটেলস ইনফরমেশন সে পেয়ে যাচ্ছে।

So, নেক্সট টাইম ইমেইল এর সেটিং এ যেয়ে আপনি যদি এই টেম্পলেট সিগনেচারটা ঠিক করে রাখেন তাহলে প্রতিবার এই জিনিসটা লেখার দরকার হবে না এবং আপনার সাথে যারা কন্টাক্ট করতে চাই সে খুব ইজিলি এখান থেকে ইনফরমেসন কালেক্ট করে আপনার সাথে কন্টাক্ট করতে পারবে।

Three Common mistakes in e-mail writing:

 First of all, আমাদের একটা প্রপার ইমেইল আইডি না থাকা, অনেকের ইমেইল আইডিতে লেখা আছে nilpori@gmail.com, ojanabalok@gmail.com, brokenglass@yahoo.com, আমরা একটা প্রফেশনাল মেইল লিখছি রাইট, এই প্রফেশনাল মেইলে যদি এরকম আইডি থাকে, তাহলে কিন্তু শুরুতে আপনাকে ধরে নিবে যে আপনি আসলে একটা অ্যামেচার, আপনি আসলে কিছুই বোঝেন না।Formal etiquette এর ব্যাপারে আপনার কোন  ধারণা নেই।

So make sure আপনার ইমেল আইডিতে আপনার নাম এবং কোন একটা নাম্বার ছাড়া যেন অন্য কিছুই না থাকে। এটা হল প্রথম অ্যাডভাইস এবং প্রথম মিসটেক এভোয়েড করার রুলস। 

Secondly অনেকগুলো এক্সক্লামেশন (exclamation) মার্ক ইউজ করা হয় যেমন Hey!!!  বলে তিনটা আশ্চর্যবোধক চিহ্ন দেওয়া, প্লিজ এটা দিবেন না এবং আমি  আমার আগের লেখাতেও উল্লেখ করেছি কোনরকম ইমোটিকন বা স্মাইলি বিজনেস মেইলে এটলিস্ট দেওয়া উচিত না। 

ফাইনালি গ্রামার মিসটেক, আপনার ইমেইলে যদি গ্রামার মিসটেক থাকে এটা আপনার ব্যাপারে বিরূপ একটা ধারণা দেয়, কোন গ্রামার মিসটেক যেন না থাকে এবং ইমেইলে যেন কোন নেগেটিভ টোন বোঝা না যায়, ইমেইল পড়ে যেন না বোঝা যায় আপনি অনেক রাগান্বিত হয়ে আছেন, আপনি তার উপর ক্ষেপে আছেন অথবা আপনি খুবই বিরক্ত হয়েই মেইল লিখছেন। So, ইমেলের যে টোনটা থাকবে সেই টোনটা যেন অনেক পজেটিভ হয় এবং পজিটিভ টোন করার জন্য পজিটিভ ওয়ার্ড ইউজ করলেই যথেষ্ট। শেষ করবার আগে তিনটা কমন মিসটেক গুলো এক নজরে আবার দেখে নেই:

1. without using Proper E-mail ID.

2. Using exclamation & smiley.

3. Grammar mistake & Negative tone.




Punctuation & Grammar:

আমরা যখন কোন একটা বিজনেস ইমেইল পাঠাই সে ক্ষেত্রে যখন কোন স্পেলিং মিসটেক (spelling mistake), গ্রামার মিসটেক (grammar mistake) বা পাংচুয়েশন (punctuation) মিসটেক যদি থাকে সেটা কিন্তু দেখতে খুবই খারাপ দেখায়। 

So, আমরা এসব মিসটেক যথাসম্ভব এড়িয়ে যাবার চেষ্টা করব। আমি যতগুলো ইমেইল দেখেছি কিছু কিছু ক্ষেত্রে আমরা কতগুলো ভুল প্রায়ই করে থাকি। আজকে আমি এরকম চারটা খুবই কমন মিসটেক এর কথা বলতে চাই, নাম্বার ওয়ান "কোটেশন মার্ক"। কোটেশন মার্ক এর ভিতরে ফুলস্টপ হয়, আমরা যদি দেখি এই sentence গুলো for an example:

1. His book "Design for puppies". Release tomorrow.

2. His book "Design for puppies.” release tomorrow.

উপরের প্রথম sentence টি কিন্তু ভুল, তার কারণ হলো কোটেশন মার্ক এর বাইরে কমা এসেছে। কমা, ফুল স্টপ যাই আসুক না কেন doesn’t matter but কোটেশন মার্ক এর বাইরে থাকতে পারবে না, এটি কোটেশন মার্ক এর ভিতর থাকতে হবে, তাই নিচের লাইনটা হলো রাইট, তার কারণ হলো কোটেশন মার্ক এর ভিতরে এখানে কমা আছে।ঠিক এই নিয়মের অপজিট (Opposite) রুলটা (Rules) হলো পারেন্থেসিস (Parenthesis) বা ব্র্যাকেটের ক্ষেত্রে, 


For an Example:

1. I got a bonus last week (৳150.)

2. I got a bonus last week (৳150).

ব্র্যাকেটের বাইরে ফুলস্টপ হবে তার মানে নিচের লাইনটা হলো রাইট, কেননা ব্রাকেটের বাইরে ফুলস্টপ আছে আর উপরের লাইনটা ভুল, কেননা তার কারণ হলো ব্রাকেটের ভিতর ফুল স্টপ দেওয়া আছে। তাই বলা যায় ঠিক কোটেশন মার্ক এর অপজিট (Opposite) নিয়ম হলো পারেন্থেসিস এর ক্ষেত্রে।

 তৃতীয়তঃ কোলন, কোলন দুইটা sentence কে আলাদা করে তার মানে কোলন এরপর নতুন আরেকটা sentence শুরু হয় অতএব কোলন এরপরে যে নতুন sentence টা শুরু হবে তার First লেটার (Letter) টা বড় হাতের হতে হয়।

For an Example:

1. Her conclusion was simple: the duck are mad cute.

2. Her conclusion was simple: The duck are mad cute.

So, নিচের লাইনে The এর (T) টা বড় হাতের তার মানে দ্বিতীয় লাইনটা হলো কারেক্ট, আর উপরের লাইনটা ভুল, আর তার কারণ হল কোলনের পর ছোট হাতের (t) ইউজ করা হয়েছে।ফাইনাল মিসটেক হল Semi-colon, সেমিকোলন দুটো independent sentence কে আলাদা করে। 

যেমন:

1. She can call me tomorrow, She can give me an answer then.

2. She can call me tomorrow; she can give me an answer then. 

এখানে She can call me tomorrow একটা independent sentence এবং She can give me an answer then আরেকটা independent sentence।দুটো independent sentence কে আলাদা করে সেমিকোলন। সেমিকোলনের ক্ষেত্রে, কিন্তু সেমিকোলনের পরে যে sentence টি শুরু হচ্ছে তার প্রথম লেটারটা (Letter) কিন্তু ছোট হাতের ই হয়। 

এখানে আরেকটি deadly মিসটেক হল, কমা। অনেক সময় সেমিকোলনের জায়গায় আমরা কমা ইউজ করি যেমন প্রথম sentence টিতে বাট এই sentence টা কিন্তু ভুল, তার রিজন কি জানেন, কারণ তার রিজন হলো একটা Independent sentence আরেকটা Independent sentence বা দুটো ইন্ডিপেন্ডেন্স sentence কে কমা (,) আলাদা করতে পারে না, দুটো ইন্ডিপেন্ডেন্ট sentence কে আলাদা করার ক্ষেত্রে either ফুলস্টপ দরকার অথবা সেমিকোলন দরকার। 

So, নেক্সটাইম Quotation mark, Parenthesis, Colon আর Semi-colon এই চারটা জিনিসে যেন কখনো মিসটেক না হয়।


ধন্যবান্তে,
Tauhid Khan
QMS (QS+Technical Audit) Responsible at SF Denim
(নোট: যে কোন কপি পেস্টের ক্ষেত্রে অরজিনাল লেখকের কার্টেসি দেওয়া আপনার রুচির পরিচয় বহন করে। এটা কোন তাত্ত্বিক কথা নাই উনি বলেছেন।)
Note: (Inspired & sourced by Ayman Sadik and his 10 minute School)
job

টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারদের কিছু ইমেইল লেখার শিষ্টাচার | Textile CV