TEXTILE LAB| Textile solutions
শিপমেন্টের গাড়িতে চুরি ঠেকানোর কিছু পরামর্শ 
১. প্রতেক গাড়িতে ড্যাশকেম ও পিছনে ক্যামেরা লাগানো বাধ্যতামুলক করা এবং ট্রান্সপোর্ট কম্পানি গুলো ১০০% ভিডিও করা বাধ্যতামুলক করা উচিৎ । কোটি টাকার প্রোডাক্ট ডেলিভারির জন্য এই ক্রাইটেরিয়া বাধ্যতামূলক । 

২. যে সকল কভার্ড ভ্যান ট্রাকে শিপমেন্টের মাল লোড দেয়ার পুর্বে কভার্ড ভ্যানের পাল্লার জয়েন্ট বডির বাহিরে কিনা চেক করে নিবেন। যদি বাহিরে হয় আর রিভিট মারা থাকে তাহলে সেই ট্রাক নির্দ্বিধায় রিজেক্ট করুন। এই ট্রাকে মাল দিলে তালা লক মারলেও তালা লক অখ্যাত রেখে পাল্লার বাহিরের জয়েন্টের রিভিট খুলে কার্টুন থেকে মাল চুরি করে নতুন গাম টেপ মেরে দিবে ? চুরি শেষে আবার নতুন রিভিট লাগিয়ে দিবে আর আপনি বুঝতেও পারবেন না কিভাবে চুরি হয়েছে। চট্রগ্রামে যদি মাল চেক না হয় তাহলে বায়ারের কাছে শিপমেন্টের পরে তার স্টোরে ধরা খাবে তাই যে সব কভার্ড ভ্যানের দরজার পাল্লা কন্টেইনারের সাথে  এটাচ করা যা লাগানোর পারে বাহির থেকে দেখা যাবে না সেই সব ট্রাক নির্বাচন করে লক সীল করে মাল পাঠাবেন। মাল নিরাপদ থাকবে। তবে এটা নিশ্চিত হতে হবে ট্রান্সপোর্ট কোম্পানি/ এজেন্ট এর  গাড়ি কেমন, চালক মালিক কে,কাগজ পত্র ঠিক আছে কিনা, নাকি মামলা খেয়েছে, গাড়ির কন্ডিশন কেমন,রাস্তায় বসে যাবে কিনা,ছাদ বা পাতাটন ফুটা কিনা, গাড়ি ছাড়ার পর কোথায় কোথায় থামবে কতক্ষণ বিরতি দিবে এই সব  মনিটর করতে হবে?ভুক্ত ভোগীরাই জানে এই সব অভিজ্ঞতা কেমন।

৩. রপ্তানী পন্যবাহি গাড়িতে নিজস্ব  সিকিউরিটি বা ফেক্টরি স্টাফ দিয়ে স্কট দিতে হবে।

৪. রপ্তানী পন্যবাহি কভারভ্যানের পিছনের দরজায় কেন প্রকার নাট/বেল্ট সিষ্টেম থাকতে পারবে না।
পিছনের দরজার সবকিছু Fixed 🔩 হবে। অর্থাৎ এই নাট বোল্ট Punch করার পর ওয়েল্ডিং করে ফিক্সড করা থাকবে। সর্বশেষ দরজার লক থাকবে onetime system with serial numbers,

৫. গাড়ি লক করার সময় ড্রাইভার এবং হেলপার গাড়ির পিছনে দাঁড়াবেন, এরপর এমনভাবে ছবি তুলবেন যেন, গাড়ির নম্বর, লক নম্বর, দরজার নাট সিষ্টেম সহ সবকিছু থাকে।  এই ছবিগুলি মেইল করে Forwarder কে পাঠিয়ে দিবেন এবং সেখানে এই বিষয়গুলি চেক করে তারপর লক খুলবে।

৬. কারখানার দায়িত্বপ্রাপ্ত লোকজন এই নিয়ম তদারকি করলে, মাল চুরি হবে না। এভাবে তদারকি করলে স্কট লাগবে না। কারন স্কট সবসময় দেওয়া সম্ভব না। আজ আমার ১০ গাড়ি সিপমেন্ট, আবার ৭ দিন পর ৬ গাড়ি সিপমেন্ট, এভাবে স্কট রাখা সম্ভব না। গাড়িতে ফ‍্যাক্টারির নিজস্ব লোক বা সিকিউরিটি গার্ড পাঠাতে হবে ।

৭. লক সিল ব‍্যাবহার করতে হবে, এবং লক সিলে একটা নাম্বার থাকে, ঐ নাম্বার ফ‍্যাক্টরি প্যাডে কম্পোজ করে সাথে গাড়ির নাম্বার দিয়ে দিতে হবে, চট্টগ্রাম পৌঁছনোর পরে গাড়ি নাম্বার এবং লক সিল নাম্বার মিলিয়ে তারপর লক কাটতে হবে, যাহা ২০০৭সালে ওয়ালমার্ট বায়ার  এর পণ্য এ পদ্ধতিতে শিপমেন্ট করেছি।
৮. আমি ব্যক্তিগতভাবে তদন্ত করে দেখেছি, লক/সিল করার পরও মাল চুরি হয়েছে এবং এই চোর আমি ধরেছি। কভার ভ্যানের পিছনের দরজার পাল্লা এবং লক এর জাইগা নাট সিষ্টেম থাকে, আপনি লক/সিল করার পরও ঐ নাট খুলে মাল বের করে নেয় । এজন্য আপনি গাড়ির পিছনের পাল্লা এবং লক এর জাইগা চেক করবেন, যদি দেখেন এগুলি সবই বোল্ট সিষ্টেম তাহলে Ok, যদি দেখেন এখানে নাট সিষ্টেম - যেটা খুলা যাই - তাহলে চুরি করার জন্য এটা করেছে।

৯. অনেক উপায় আছে এর মধ্যে অন্যতম  একটি  উপায়  --- আমি মনে করি বাংলাদেশের সব গার্মেন্টস  শিপমেন্টের গাড়ীর কালার  এক হতে হবে, এবং তা  জনগণকে এবং  আইন  শৃঙ্খলা  বাহিনীকে টেলিভিশনের মাধ্যমে অবহিত  করতে হবে। যে এগুলো  বাংলাদেশের সম্পদ  এগুলো  চুরি কিংবা  হারিয়ে গেলে  দেশের ভাবমূর্তি  নষ্ট  হবে। তাহলে হয়তো  সম্ভব।

১০. C&F কিছু কার্টুন random চেক করতে পারে। রোজার ঈদের আগে ১০ তারিখের একটা শিপমেন্ট থেকে আমাদের প্রায় ৫০০০ পিছ টিশার্ট চুরি হয়েছে। প্রতি কার্টুন থেকে ৮-১০ পিছ চুরি করেছে।

১১. লক মাস্ট লাগাতে হবে, গাড়িতে জিপিএস সিস্টেম থাকতে হবে বাধ্যতামূলক, বড় লটে অবশ্যই ফ্যাক্টরির প্রতিনিধি থাকতে হবে , ফ্যাক্টরি টু পোর্ট পৌঁছানোর একটা আনুমানিক সময় জানা থাকতে হবে সাথে প্রতি বার ড্রাইভার কে জিজ্ঞেস করতে হবে কতক্ষনে পোর্টে পৌছবে আর সার্বক্ষণিক যোগাযোগ থাকতে হবে তাহলে তার ভেতর ভয় কাজ করবে ।

১২. প্রতিটি প্রতিষ্ঠান তার নিজস্ব ট্রান্সপোর্টে করে শিপমেন্ট করলে চুরি ঠেকানো সম্ভব।

১৩. সেনসরকে বাইপাস করা যায় সো চাইলেও ডোর কাউন্ড একবারে পসিবল না। আইপি ক্যামেরা ঠিক আছে। কিন্তু আইপি ক্যামেরার টেকনিক্যাল ডিফল্ড ঐ চোর গুলা ঠিকই খুজে বের করে নিবে। দুই স্টেপ সিকিউরিটি স্টিস্টেম পলিসি এপ্লাই করলে রেজাল্ট ভাল হবে।

যেমনঃ দুই প্রান্তে দুইটা মানুষ থাকবে কর্ভার্ড ভ্যানের কি নিয়ে এক প্রান্ত থেকে লোডিং হবার পরে সম্পূর্ণ কি লক সিস্টেম চেঞ্জ করে ফেলতে হবে।  নতুন কী ঐ প্রান্তের মানুষের কাছে থাকবে।  মাঝে কেউ চাইলেও আর ওপেন করতে পারবে না।

১৪.  কী গার্ড সিস্টেমঃ সম্পূর্ণ কী লক সিস্টেম ডিজিটালাইজড করে ফেলতে হবে। যাতে ফিঙার প্রিন্ট এবং আইডি নাম্বার এক্সেস ব্যাতীত কেউই কী গার্ড ব্রেক করতে পারবে না। এই কী গার্ড সিস্টেম চায়না তাদের পোর্ট এবং ভেহিকেল গুলোতে এপ্লাই করে তাদের চুরির ৯০% কমাইয় ফেলছে।

একটা গ্রুপের অভিজ্ঞতায় দেখা যায় মালিক পক্ষের লোকেরা ট্রান্সপোর্ট গুলি নিয়ন্ত্রণ করে এদের আত্নীয় রাই পীঠ পিছে ছুরি মারে ।  ট্রান্সপোর্ট কোম্পানিগুলোর সাথে কাজ দেবার আগে তাদের কাছে সিকিউরিটি এর বিষয়ে আলোচনা করে নিতে হবে ।

গার্মেন্টস শিপমেন্টের গাড়িতে চুরি ঠেকাতে কিছু পরামর্শ

সাংবাদিকতা ছেড়ে ২ হাজার কোটি টাকার ব্যবসা তাঁর
২৬ বছর আগে চাকরি ছেড়ে ব্যবসা শুরু করা এস এম খালেদ এখন একজন সফল ব্যবসায়ী। গড়ে তুলেছেন স্নোটেক্স গ্রুপ। রপ্তানির পাশাপাশি স্থানীয় বাজারের জন্য গড়েছেন ‘সারা লাইফস্টাইল’ নামের পোশাকের খুচরা বিক্রির ব্র্যান্ড। এ নিয়েই এবারের মূল আয়োজন।

বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার পাশাপাশি মোটরসাইকেল নিয়ে এখানে-সেখানে ছুটে বেড়াতেন। সংবাদ সংগ্রহে। দেশসেরা রাজনীতিবিদদের সাক্ষাৎকারও নিয়েছেন পেশাগত কাজে। সেসব সাক্ষাৎকার ও বিভিন্ন সংবাদ ছাপা হয় জাতীয় এক ইংরেজি পাক্ষিকে। বেতন ছিল মাসে দেড় হাজার টাকা। এই টাকার পুরোটাই আবার মোটরসাইকেলের জ্বালানি আর রক্ষণাবেক্ষণেই শেষ।

সাংবাদিকতা ছেড়ে দিয়ে দুই বছরের কম সময়ে আরও তিনটি প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছেন। চাকরির ফাঁকে ফাঁকে বন্ধুদের সঙ্গে ব্যবসার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। চাকরি, বন্ধুদের সঙ্গে ব্যবসা—কোথাও যখন সফলতার দেখা মিলছিল না, তখন একপর্যায়ে শূন্য হাতে একাই নেমে পড়েন ব্যবসায়। পুঁজি বলতে একটি কম্পিউটার, একজন কর্মী আর জমানো সামান্য কিছু অর্থ। শুরুতে নিজের বাসাকেই বানালেন ব্যবসায়িক কার্যালয়। সেই ব্যবসায়ী এস এম খালেদ রপ্তানিমুখী পোশাকশিল্পের সামনের সারির একজন উদ্যোক্তা। ২৬ বছর আগে দেড় হাজার টাকা বেতনের সাংবাদিকতা ছেড়ে আসা এস এম খালেদ এখন একজন সফল ব্যবসায়ী। রপ্তানির পাশাপাশি স্থানীয় বাজারের জন্য গড়ে তুলেছেন ‘সারা লাইফস্টাইল’ নামের পোশাকের খুচরা বিক্রির ব্র্যান্ড।

একনজরে স্নোটেক্স গ্রুপঃ 

প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৯৮

কারখানা ৪টি

কর্মীর সংখ্যা ১৬,০০০

বার্ষিক রপ্তানি - ২৫ কোটি মার্কিন ডলার

সহযোগী দেশীয় ব্র্যান্ড - সারা লাইফস্টাইল

এস এম খালেদের গড়ে তোলা স্নোটেক্স গ্রুপের চারটি পোশাক কারখানায় বর্তমানে কাজ করেন প্রায় ১৬ হাজার কর্মী। বছরে তাঁর প্রতিষ্ঠানের তৈরি পোশাক রপ্তানির পরিমাণ ২৫ কোটি ডলার বা ২ হাজার ১২৫ কোটি টাকা।

সংবাদকর্মী থেকে সফল উদ্যোক্তা হওয়ার পেছনের গল্প জানতে গত বুধবার স্নোটেক্স গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম খালেদের সঙ্গে প্রথম আলোর দীর্ঘ আলাপ হয়। মিরপুরে স্নোটেক্সের করপোরেট কার্যালয়ে যখন ব্যবসায়ী খালেদ তাঁর ফেলে আসা দিনের কথা শুরু করলেন, বাইরে তখন ঝুম বৃষ্টি। চায়ের কাপে চুমুক দিতে দিতে এগিয়ে চলে আলাপ। একে একে নিজের ছেলেবেলা, সাংবাদিকতা, চাকরির জন্য দৌড়ঝাঁপ, প্রথম ব্যবসায় ব্যর্থতার পর অভিজ্ঞতাকে পুঁজি করে পুনরায় ব্যবসা শুরু, প্রথম ক্রয়াদেশ, নিজের পরিবার, অবসর ইত্যাদি বিষয় নিয়ে কথা বললেন এস এম খালেদ।

এস এম খালেদ বললেন, ‘অনেক টাকা উপার্জন করতে হবে, তেমনটি ভেবে কখনোই কিছু করিনি। তবে ব্যবসার প্রতিটি জায়গায় প্রথম দিন থেকে সততা ও বিশ্বস্ততার সঙ্গে কাজ করেছি। তা ছাড়া নিজের আনন্দের জন্য কাজ করাকে গুরুত্ব দিয়েছি সব সময়। আমি বিশ্বাস করি, নিজে সুখী হলে অন্যকে সুখী করা সম্ভব। তাই আমার প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য হচ্ছে, সুখী হই, সুখী করি।’

শুরুর সংগ্রামের গল্প

বাবা সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য ছিলেন। সেই সুবাদে এস এম খালেদের ছোটবেলা কেটেছে ঢাকার মিরপুরে। কিশোর বয়স থেকে সংগঠনপাগল এই মানুষ ধূমপানের বিরুদ্ধে সচেতনতা বাড়াতে ‘অ্যান্টিস্মোকিং ক্যাম্পেইন অ্যাসোসিয়েশন (আধুনিক)’-এর পক্ষে সাত বন্ধুকে নিয়ে ঢাকা থেকে ২৬৪ কিলোমিটার পায়ে হেঁটে চট্টগ্রাম গিয়েছিলেন। স্কুল-কলেজের গণ্ডি পার হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যবস্থাপনা বিভাগে ভর্তি হন।

স্নাতকোত্তর পড়ার সময় ১৯৯৪ সালে সংগঠনের এক বড় ভাইয়ের প্রস্তাবে দি নেশন টুডে নামের নতুন ইংরেজি পাক্ষিকে যোগ দেন এস এম খালেদ। বেশ আগ্রহ নিয়েই এক বছর সাংবাদিকতা করেন। এই সময়ে আবদুর রাজ্জাক, তোফায়েল আহমেদের মতো বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদের সাক্ষাৎকার নেন। বললেন, ‘সংবাদপত্রে কাজ করাটা আমাদের জীবনের সেরা অভিজ্ঞতা। অনেক অনেক কিছু শিখেছি। সে সময় সচিবালয়ে কোথায় কোন মন্ত্রী বসতেন, সেসব ছিল আমার মুখস্থ।’

সাংবাদিকতা ছাড়ার পর বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের একটি প্রকল্পে আড়াই হাজার টাকা বেতনে চাকরি নেন এস এম খালেদ। কয়েক মাস করার পর সংসারের আর্থিক সচ্ছলতার জন্য নতুন চাকরি খুঁজতে থাকেন। একদিন হঠাৎ কী খেয়াল হলো, বাসার পাশের দোকান থেকে ২৫টি খাম কিনলেন। ছবিও প্রিন্ট করে আনলেন। জীবনবৃত্তান্ত তৈরি করে রাখলেন। টানা ১৭ দিন সকালে দৈনিক ইত্তেফাক ও অবজারভার পত্রিকা দেখে তাৎক্ষণিকভাবে আবেদনপত্র লিখে তা নিজে জমা দিয়ে আসতেন।

চাকরির সাক্ষাৎকারও দিতে লাগলেন। ১৭ দিনের দিনের মাথায় প্রথম চাকরি হলো একটি বায়িং হাউসে। ভারতীয় কোম্পানি। পদ ট্রেইনি মার্চেন্ডাইজার। বেতন ৫ হাজার টাকা। তবে বায়িং হাউসটিতে কাজ করে খুব একটা সুবিধা করতে পারছিলেন না। শেষ পর্যন্ত চাকরিই ছেড়ে দিলেন এস এম খালেদ।

তারপর এস এম খালেদ একটি কার্টন কারখানায় চাকরির জন্য চেষ্টা করলেন। বেতন আড়াই হাজার টাকা। কিন্তু প্রতিষ্ঠানটি যোগদান চূড়ান্ত করতে সময় নিচ্ছিল। এই ফাঁকে আরেকটি পোশাক কারখানায় মার্চেন্ডাইজার হিসেবে চাকরি পেয়ে যান খালেদ। এবারও বেতন ৫ হাজার টাকা। খালেদ বললেন, ‘পোশাক কারখানায় কাজ করার সময়ই আমি ভাবতে লাগলাম, কবে আমি নিজে কিছু শুরু করব। সে জন্য পোশাক কারখানার কাজগুলো ভালোভাবে শেখার চেষ্টা করতাম।’

১৯৯৭ সালে পাঁচজন বন্ধু মিলে লেবেল তৈরির কারখানা গড়ার উদ্যোগ নেন। বনানীতে অফিস। কিন্তু তিন মাস না যেতেই বুঝে ফেলেন সময় নষ্ট হচ্ছে। তখনো উৎপাদন শুরু হয়নি। সেখান থেকে বের হয়ে আবার এক বন্ধুকে নিয়ে পোশাক খাতের সরঞ্জাম (এক্সেসরিজ) উৎপাদনের কারখানার চেষ্টা করেন। সেটিও সফল হয়নি। তারপর নিজেই সরঞ্জামের ব্যবসা করবেন বলে মনস্থির করলেন। বাসায় কার্যালয় করলেন। একটা কম্পিউটার কিনলেন। নিয়োগ দিলেন একজন কর্মী। এভাবেই যাত্রা শুরু ‘স্নোটেক্সের’।

কথায় কথায় এস এম খালেদ বলেন, একেবারে পুঁজি ছাড়াই ব্যবসা শুরু করেছিলাম। বায়িং হাউস ও পোশাক কারখানায় কাজ করায় কিছু অভিজ্ঞতা ছিল। কিছু লোকজনকেও চিনতাম। তারপরও টানা তিন সপ্তাহ কোনো অর্ডার (ক্রয়াদেশ) পাইনি। একদিন পরিচিত একজন খবর দিল, ওই কারখানায় যাও। তাদের ২ হাজার পিস লেবেল লাগবে। ক্রয়াদেশের আশায় তখনই ছুটলাম। ক্রয়াদেশটা পেলাম। দিন-রাত খেটে পরের দিনই লেবেল তৈরি করে সরবরাহ করলাম।

পোশাকের ব্যবসায় হাতেখড়ি

পোশাকের সরঞ্জামের ব্যবসা বাড়তে লাগল। ছয় মাসের মধ্যে বেশ কিছু অর্থ চলে আসে খালেদের হাতে। অংশীদারি ব্যবসায় শেষ চেষ্টা হিসেবে দুই বন্ধুকে নিয়ে পোশাক খাতের লেবেল উৎপাদনের কারখানা করার উদ্যোগ নিলেন। এই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক একটি বায়িং হাউস থেকে কমিশনভিত্তিক কাজ করার সুযোগ পান খালেদ। এই ব্যবসা নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ায় লেবেল উৎপাদনের কারখানা আর আলোর মুখ দেখেনি। অন্যদিকে বায়িং হাউসের প্রথম দিকে কয়েকটি ক্রয়াদেশ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেননি খালেদ। তবে হাল ছাড়েননি।

স্নোটেক্সের এই কর্ণধার বললেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের বার্ন অ্যাপারেলস কোম্পানির শীর্ষ কর্মকর্তারা ঢাকায় এসেছিলেন। খবর পেয়ে আমি মিরপুর থেকে স্কুটারে করে সোনারগাঁও হোটেলে গেলাম। প্রথমে পাত্তা পেলাম না। কয়েক মাস পর তাঁরা আবার এলেন ঢাকায়। আমি গেলাম। শেষ পর্যন্ত ৫ হাজার পিস জ্যাকেটের ক্রয়াদেশ পেলাম। ২০০১ সালের পাওয়া সেই ক্রয়াদেশের পোশাক সফলভাবে প্রস্তুত করে নির্ধারিত সময়ে সরবরাহ করার পর প্রতিবছরই ক্রয়াদেশ বাড়াতে থাকে বার্ন।

বার্নের কাজ পাওয়াটা ব্যবসায়িক জীবনের বড় টার্নিং পয়েন্ট বলে মনে করেন এস এম খালেদ। কারণ, তাদের সহযোগিতাতেই ২০০৫ সালে মিরপুরে প্রথম কারখানা স্থাপন করেন। ৮০০ জনের কর্মসংস্থান হয়। এর আগে কর্মী ছিলেন ৮-৯ জন। বার্ন আগে চারটি কারখানা থেকে পোশাক প্রস্তুত করত। বর্তমানে তাদের সব কাজই করে স্নোটেক্স। বার্নের সহযোগিতায় ২০০৯ সালে মালিবাগে আরেকটি কারখানা করেন। সেখানে কর্মসংস্থান হয়েছে ১ হাজার ২০০ কর্মীর। আবার বার্নের কর্তাব্যক্তিদের কল্যাণেই দ্বিতীয় আরেকটি ব্র্যান্ডের কাজ পান খালেদ। রিচলু নামের সেই ব্র্যান্ডের বড় সরবরাহকারী হয়ে ওঠে স্নোটেক্স।

তারপর আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি। ধামরাইয়ে ৬০ বিঘা জমির ওপর গড়ে তোলেন পরিবেশবান্ধব দুটি পোশাক কারখানা। স্নোটেক্স আউটারওয়্যার নামের প্রথম কারখানা উৎপাদনে যায় ২০১২ সালে। ৮ হাজার শ্রমিক কাজ করেন সেখানে। আর স্নোটেক্স স্পোর্টসওয়্যার নামের দ্বিতীয় কারখানাটি যাত্রা শুরু করে বছর দুয়েক আগে। সব মিলিয়ে কারখানা দুটিতে কাজ করেন ১৪ হাজার শ্রমিক।

বর্তমানে স্নোটেক্স গ্রুপ বার্ন, রিচলু ছাড়াও ১৩টি ব্র্যান্ডের জ্যাকেট, খেলার পোশাক, শ্রমিকদের পোশাক, নিরাপত্তামূলক পোশাক, ডেনিম, টুইল প্যান্ট ইত্যাদি প্রস্তুত করে। করোনার সময়ে গত দেড় বছরে ক্রয়াদেশ থাকায় নতুন করে আড়াই হাজার শ্রমিক নিয়োগ দিয়েছে খালেদের গড়ে তোলা এই প্রতিষ্ঠান।


মুনাফার ভাগ পান শ্রমিকেরা

শ্রমিকদের সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার ক্ষেত্রেও অন্যদের তুলনায় এগিয়ে রয়েছে স্নোটেক্স। তিন বছর ধরে প্রতিষ্ঠানটির শ্রমিক-কর্মচারীরা দক্ষতার বোনাস নামে মুনাফার ভাগ পাচ্ছেন। প্রথম দিকে মুনাফার ১০ শতাংশ দেওয়া হলেও বর্তমানে সেটি বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করা হয়েছে। তাতে শ্রমিকেরা সপ্তাহে গড়ে ২০০ অর্থাৎ মাসে ৮০০ টাকা বাড়তি পাচ্ছেন। প্রতি সপ্তাহে এই টাকা পরিশোধ করে প্রতিষ্ঠানটি।

অন্যদিকে ধামরাইয়ে কারখানার প্রথম দিন থেকে দুপুরে শ্রমিকদের বিনা মূল্যে খাবার সরবরাহ করছে স্নোটেক্স। বর্তমানে শ্রমিকসংখ্যা ১৪ হাজারে গিয়ে ঠেকলেও সেটি চলমান রয়েছে। কারখানার ভেতরেই শ্রমিকদের জন্য প্রতিদিন রান্না হয়। সেই খাবারই শ্রমিক, কর্মকর্তা ও মালিকপক্ষের লোকজন একসঙ্গে খেয়ে থাকেন।

অন্য কারখানার শ্রমিকেরা যেখানে এক মাসের মজুরি পরের মাসের ১০ তারিখের মধ্যে পান, সেখানে স্নোটেক্সের কর্মীরা মাসের মজুরি মাসেই পান। তবে গত বছর সরকারের প্রণোদনা তহবিল থেকে মজুরি দেওয়ার সময় প্রক্রিয়াগত কারণে তিন মাস কিছুটা বিলম্ব হয়েছিল। স্নোটেক্সের ইতিহাসে বেতন দেরিতে দেওয়ার ঘটনা সেটিই প্রথম বলে জানালেন এস এম খালেদ।

দক্ষতা বৃদ্ধিতে বিশেষ নজর

নতুন নতুন উদ্যোগে জড়ানোর চেয়ে চলমান ব্যবসাকে টেকসই করতে বেশি জোর দিচ্ছেন এস এম খালেদ। দক্ষতা উন্নয়নের পাশাপাশি উৎপাদন ব্যবস্থায় আধুনিক প্রযুক্তির যন্ত্রপাতি, ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিং টুলস, লিন ম্যানেজমেন্ট ও ডিজিটাল ব্যবস্থা সংযোজনে নজর দিচ্ছেন। পাশাপাশি সংযোগশিল্পেও বিনিয়োগের চিন্তাভাবনা চলছে।

স্নোটেক্সের এই ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে, ব্যবসা এমনভাবে করব যেন ক্রেতারা সুবিধা পায়। আর যাঁরা কাজটি করেন, তাঁরাও যেন সুবিধা পান।’ বললেন, ‘আমি আমার কাজটি ঠিকঠাক করার চেষ্টা করছি। ব্যবসা আপনাআপনি বড় হচ্ছে।’

অবসর কাটে যেমন

স্ত্রী শরিফুন নেসা আর দুই সন্তান সারাফ সাইয়ারা ও রাফান নাসমীকে নিয়ে এস এম খালেদের সংসার। সপ্তাহের ছয় দিন কাজ করলেও শুক্রবার তাঁর জন্য ফ্যামিলি ডে। সেদিন অতি জরুরি না হলে অফিসের কোনো কাজ করেন না। ব্যবসা নিয়ে কথাবার্তাও না। মাঝেমধ্যেই বন্ধুদের সঙ্গে লম্বা আড্ডায় ডুবে যান।

এস এম খালেদ বলেন, ‘অবসরে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাই। বছরে দুবার বাচ্চাদের নিয়ে দেশের বাইরে ঘুরতে যাই। দেশের ভেতরেও ঘুরতে যাওয়া হয়। ছোটবেলা থেকেই ঘোরাঘুরি খুব পছন্দের। করোনার আগে প্রতি সপ্তাহে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা হতো। তাঁদের সঙ্গে এখনো বাচ্চাকালের মতো দুষ্টুমি করতে পছন্দ করি।’

স্নোটেক্সের কার্যালয় থেকে যখন বের হলাম, তখন বৃষ্টি নেই। আকাশে ঝকঝকে রোদ। তবে ফুটপাত ভেজা। হাঁটতে হাঁটতে এস এম খালেদের একটি কথা মনে পড়ছিল বারবার, নিজের আনন্দের জন্য কাজ করাকে গুরুত্ব দিয়েছি সব সময়। আমি বিশ্বাস করি, নিজে সুখী হলে অন্যকে সুখী করা সম্ভব...।

তরুণদের জন্য এস এম খালেদের পরামর্শ
মানুষ যেটি করতে চায় সেটিই করতে পারে। সে জন্য ইচ্ছাটা থাকতে হবে। আর কাজ করতে হবে। আমার ব্যবসার জন্য পুঁজি দরকার হয়নি। ধীরে ধীরে সেই পুঁজি এসেছে।

অনেকেই হুট করে বিনিয়োগ করে বিপদে পড়ে যান। আমার মনে হয়, প্রথমেই বিনিয়োগ করা উচিত নয়। ব্যবসা করতে হলে সেই ব্যবসাটা আগে জানতে হবে। বুঝতে হবে। আবারও বলি, ব্যবসার জন্য অভিজ্ঞতা ও নিজের ইচ্ছাটা গুরুত্বপূর্ণ। আরেকটি কথা মনে রাখতে হবে, ব্যবসার শুরুটা সব সময়ই কঠিন হয়।

আমি প্রথম যখন সরঞ্জামের ব্যবসায় নামলাম, তখন মুনাফার দিকে তাকাইনি। আমি আমার কাজটা সঠিকভাবে করার চেষ্টা করেছি। সময়মতো সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানকে সঠিক সময়ে অর্থ পরিশোধ করেছি। আমি বিশ্বাস করি, আমার কাজই আমাকে ব্যবসা দ্বিগুণ করে দেবে। সেই প্রমাণ আমি বারবার পেয়েছি।

কপিরাইটঃ
শুভংকর কর্মকার
স্বত্ব © ২০২১ প্রথম আলো

আমাদের কিছু লার্নিং সাইট এপস এর তালিকা আপনাদের জন্য দিলাম ।  সময় সুযোগ অনুযায়ী লার্নিং টিউটোরিয়াল গুলি থেকে অনেক কিছু শিখতে পারেন 

📌 ভিজিট করুন আমাদের টেক্সটাইল লার্নিং ব্লগ : 

📌  আমাদের YouTube Channelঃ

📌 Bunon ইউটিউব চ্যানেলঃ 

📌 টেক্সটাইল এপস ডাউনলোড করে রাখুন :

1. Textile Viba Apps Download : 

2. Textile Lab Apps Download : 

3. Textile Sites Apps : 

সাংবাদিকতা ছেড়ে ২ হাজার কোটি টাকার ব্যবসা তাঁর | স্নোটেক্স গ্রুপ | SnowTex Group | SaRa

How ZARA implements a ‘Fast Fashion’ marketing ? 
Fast fashion is all about being fast, not first.

Zara' আমরা অনেকেই নাম জানি আবার জানিনা ,দুনিয়ার সবচাইতে ফাস্ট ক্লোথিং ফ্যাশন ব্র্যান্ড এর নাম আসলেই ZARA and H & M এর নাম আসবে। " ZARA"যাদের একটা নতুন ফ্যাশন ডিজাইন করে রেডি করে মার্কেটে আনতে সময় লাগে মাত্র ২ সপ্তাহ। এবং মার্কেটে আসার ৪৮ ঘন্টার মধ্যে বিশ্বের সবগুলা স্টোরে মাল সাপ্লাই চলে যায়।

Inditex তাদের মাদার কোম্পানি, একটা ব্র্যান্ড তাদের মেইন পলিসি হচ্ছে জিরো এডভারটাইজিং।বর্তমানে অনলাইনে আসার পর থেকে প্রমোশনাল মার্কেটীং করে , যদিও এটা বিজ্ঞাপনের ক্যাটগরিতেই পরে ,
যেখানে অন্য রিটেইলার ৩.৫% টাকা স্পেন্ড করে বিজ্ঞাপনে সেখানে ZARA করে মাত্র ০.৩ % ( Info from Medium.com)

বিজ্ঞাপনের বদলে তারা তাদের রেভিনিউর একটা অংশ নতুন স্টোর খোলার পিছনে ব্যয় করে । ২০২০ পর্যন্ত ৯৬ টা দেশে তাদের মোট ২২৭০ টা স্টোর আছে।(ওইকিপিডিয়া)

যেখানে দুনিয়াতে বিজ্ঞাপন দিয়েও পণ্য বেচা হয়না সেখানে একটা কোম্পানি বিজ্ঞাপন ছাড়াই বিশ্বের সবচয়ে দ্রুতগামী ফ্যাশন রিটেইলার ব্র্যান্ড হয়ে বসে আছে। কীভাবে তা নিয়েই আজকের পর্ব
কাপড়ের ইন্ডাস্ট্রিটা বেসিকেলি পুরাটাই ফাস্ট কাস্টমার ডিমান্ডের উপর চলে ,অন্য কোন ইন্ডাস্ট্রির প্রোডাক্ট এত দ্রুত চেঞ্জ হয়না যতটা ফ্যাশনের ব্রাণ্ডে হয়।

ZARA মার্কেটিং এর Customer Pull Strategy কে এপ্লাই করে rather than Customer Push Strategy.

কী রকম ?

তারা বিজ্ঞাপন দিয়ে কাস্টমারকে পুশ করেনা উল্টা কাস্টমার'ই স্টোরে যায় আর তখন'ই Zara indirectly customer কে পুশ করে তার Lucrative unique Design, Quality and Customer Experience কে বৃদ্ধি করে যার ফলে কাস্টমার বারবার ফিরে আসে।

"যে ব্যাক্তি একবার যারা থেকে পন্য কিনে গড়ে সে প্রতি বছর ৬ বার Zara স্টোরে ভিজিট করে যেখানে অন্যান্য রিটেইল স্টোরে ২/৩ বার ভিজিট করে।(Information from Forbes)"

কিভাবে তাদের এত নাম হয়ে গেল বিজ্ঞাপন ছাড়া ?

পুরাটাই হয়েছে Referrals & WOM (Word Of Mouth ) দ্বারা। এখন এই Referral আর WoM জেনারেট করার জন্য তো কাজ করতে হয়েছে তা সেই কাজগুলো কি ছিল সেইটাই এখন বলব।

1.Fast Product Design & Supply Within 2 weeks all over the world.

2.Limitd Edition Of Same Design Product

3.Providing Lots of options to purchase with different design of products.

এখন এই ৩ টা কাজ করার জন্য Supply Chain কিভাবে কাজ করে তা নিয়ে পরের পর্বে লিখব, ওইদিকে আজকে আমি যাচ্ছিনা। আগ্রহ থাকলে Zara র সাপ্লাই চেইন নিয়ে গুগলে সার্চ করে পড়তে পারেন।

Zara Change Their 4P into 4 E
৪ পি কে চেঞ্জ করে ৪ ই তে কনভার্ট হয়েছে। কী সেগুলা ?

এই ৪ টা পয়েন্টে নিয়ে আজকের আলোচনাঃ

1.Product Replace with Experience

2.Price Replace with Exchange

3.Promotion Replace with Evangelism ( এইটা খুব মজার একটা স্টেপ )

4.Place Replace with Every Place
এই ৪ টা আইটেম আসলে কেন করল তারা ?



1.Product Replace with Experience

আধুনিক যুগে কাস্টমার পন্যের চাইতে পন্য কেনার এক্সপেরিয়েন্সকে বেশি প্রাধান্য দেয়
কিছু উদাহরণ দেই যেগুলো আমি দেখেছি পড়েছি
"MacDonald "বার্গার অনেক পপুলার দুনিয়াতে ম্যাকডোনাল্ডের বার্গার থেকে মজার বার্গার কি নাই? অবশ্যই আছে তবে তারা কেন এত জনপ্রিয়?
কারন "দে প্রোভাইড গ্রেট কাস্টমার এক্সপেরিয়েন্স উইথ লিস্ট টাইম অফ ডেলীভারী" গাড়ীতে বসে এক কাউন্টারে বার্গার অর্ডার দিলে আরেক কাউন্টারে যেতে যেতে বার্গার রেডি হয়ে যায় ।

"Star bucks "পপুলার কফি শপ সবাই চিনি ,স্টার বাক্স তার কাস্টমারের জন্য #whatsyourname campaign নিয়ে আসে" , যেখানে প্রত্যেকের নাম অনুযায়ী আলাদা আলাদা কফি মগ। আপনি কফি অর্ডার করলে মগে আপনার নাম লিখা থাকবে এবং সেই নাম ধরেই অর্ডার ডেলিভারীতে ডাক হয় আসলেই মজার তাইনা।

"CocaCola " ক্যান শেয়ারিং ক্যাম্পেইন নিয়ে আসে "
যেখানে একটা ক্যান মাঝখানে ডিভাইডার দেয়া কিন্তু বোঝার কোন উপায় নাই একটা ক্যানের মধ্যে ২ টা ভাগ ,দেখতে একটা সিঙ্গেল ক্যানের মত, টান দিলেই ২ টা আলাদা ক্যান হয়ে যায়। এক ক্যান কিনে ২ জনে শেয়ার করে খাচ্ছে। গ্রেট ইউজার এক্সপেরিয়েন্স।
"আখতার সেলুন ও্য়ালা ভাই" কে অনেকেই চিনেন টিক্যাটক "অপু ভাইয়ের" চুলের কালার করে দিয়েছে তার সেলুনে সেলিব্রেটিরাও চুল কাটায় ।এখন এই আখতার ভাই নাকি ২০০০ টাকা সর্বনিম্ন চার্জ করে চুল কাটাতে কেন এত টাকা নেয় ? কারন পরিবেশ ,লাইটিং ,এসির বাতাস ,হাল্কা সাউন্ডের গান, ব্লা ব্লা । এলাকার নরমাল একটা দোকানে সেইম আখতার ভাই চুল কাটলে ৫০-১০০ টাকার বেশি কেউ দিবেনা। আখতার ভাই একজন'ই। জাস্ট সার্ভিস ডেলিভারী মডেল তার প্রাইস কে হাই করে দিয়েছে।

দেখেন একজন কাস্টমার সেইম আখতার ভাইকে দিয়ে চুল কাটালে এলাকার দোকানে দেয় ১০০ টাকা আর হাই ফাই এসি ডেকোরেশন পরিপাটি লাইটিং ওয়ালা দোকানে গিয়ে দিচ্ছে ২০০০ টাকা, জাস্ট বিকয অফ গ্রেট কাস্টমার এক্সপেরিয়েন্স।

Zara জানে কাস্টমার গ্রেট এক্সপেরিয়েন্স ভুলে না আর তাই তারা ফাস্ট ফ্যশনে নিজেদের কনভার্ট করেছে ।কাস্টমার যত দ্রুত তার চয়েসকে খুজে বের করতে পারবে তত বেশি তার বায়িং এক্সপেরিয়েন্স তাকে বারবার Zara তে আসতে বাধ্য করবে।
"আমাদের এলাকায় এক মামা খুব ভাল ফুচকা বানায় সারাদিন কাস্টমার লেগেই থাকে একজন বানায় যার কারনে অনেকক্ষণ অপেক্ষা করতে হয় , যার কারনে আমি এত মজার জেনেও কখনো ফুচকা খেলে আশে পাশের অন্য কারো কাছ থেকে খেয়ে ফেলি । ভালো প্রোডাক্ট হবার পরেও বিক্রি হয়নি আমার কাছে ,কারন খারাপ ইউজার এক্সপেরিয়েন্স" কাস্টমার ৩ টা জিনিস অপছন্দ করে, এর মধ্যে একটাও যদি আপনার বিজনেসে থাকে একজন কাস্টমার একবার ফেরত গেলে ২য় বার তাকে ফিরিয়ে আনতে কাঠ খর পোড়াতে হবে।

১.Delay - মাল /সার্ভিস ডেলিভারীতে দেরি হলে

২.Defect - খারাপ কোয়ালিটির পন্য বা সার্ভিস হলে

৩.Out of Stock - সার্ভিস বা মাল স্টকে না থাকলে
Zara প্রতি বছর ৪০ হাজার ডিজাইন তৈরী করে তার মধ্যে ১২ হাজার এর ও বেশি ডিজাইন সিলেক্ট করে সেগুলোকে তাদের স্টোরে নিয়ে আসে , এবং এক রকম ডিজাইনের খুব অল্প সংখ্যক প্রোডাক্ট তারা বের করে।

এতে কী হয়?

কাস্টমারের মধ্যে সব সময় ফিয়ার অফ স্কেয়ারসিটি( Fear Of Scarcity ) থাকে, আগে গেলে আগে পাব এরকম বেপারটা।

আরেকটা হচ্ছে তার মধ্যে স্পেশাল ফিলিং কাজ করে যে তার কেনা ডিজাইন টা ইউনিক।
লিমিটেড স্টক থাকার কারনে তাদের ডেড স্টক থাকেনা , ইনভেন্টরি ক্লিয়ার করার কোন ঝামেলা থাকেনা। কোন প্রোডাক্ট যদি নাও চলে লিমিটেড এডিশন থাকার কারনে স্পেসিং ও জায়গা খুব কম লাগে এবং দ্রুত ক্লিয়ার করে স্টোরে নতুন আইটেম সাজিয়ে দিতে পারে।

এখন এখানে ছোট করে একটু সাপ্লাই চেইনকে নিয়ে আসি, Zara র Dead Stock কেনো এত লিমিটেড? মানে বছর শেষে ইনভেন্টরি ক্লিয়ার করার ঝামেলা থাকেনা,
কাস্টমার ডিমান্ড এবং সাপ্লাইয়ের মাঝে কেনো এত বেশি পার্থ্যক্য হয়না?

Zara র প্রতিটা স্টোরের সাথে হেড কোয়ার্টারের লিংক রয়েছে প্রতিদিনের বিক্রি শেষে রিপোর্ট হেডকোয়ার্টারে যায়, কাস্টমার ফিডব্যক এবং তাদের বায়িং বিহেবিয়ার পর্যবেক্ষন করার জন্য বিক্রেতার রিপোর্টের অপেক্ষায় থাকা লাগেনা, প্রতিটা স্টোরে হাই টেকনোলজি সেটাপ আছে।

তাদের ডিমান্ডের সাথে সাপ্লাইয়ের মিল কেন?
Bullwhip Effect এর তারতম্য খুব বেশি হয়না তাই ।
এই নামটা আমরা অনেকেই জানি আবার জানিনা,
এই Bullwhip ইফেক্ট টা কিরকম?

ধরেন একটা দোকানে দোকানদার ১০০ পিস শার্ট রাখে এখন সেখান থেকে ৪০ পিস করে বিক্রি হচ্ছে, হঠাত করে কোন কারনে বিক্রি বেড়ে ৭০ পিস হয়ে গেল, তো রিটেইলার কি করবে কাস্টমারের ডিমান্ড বাড়তে পারে ভেবে সে হোলসেলারকে বা ডিস্ট্রিবিউটর কে ডাবল অর্ডার দিল ২০০ পিসের যেন বিক্রি বাড়লেও সাপ্লাই দিতে পারে।  এখন ডিস্ট্রিবিউটর কি করবে, সে কোম্পানিকে বাড়িয়ে ২৫০ পিসের অর্ডার দিলো যেন রিটেইলার যদি বেশি চায় সে যেন সাপ্লাই দিতে পারে।

" এখন দেখেন অরিজিনালি মাল বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৭০ পিস , বাজারে সেই ৭০ পিসের বিপরীতে মাল উৎপাদন রাখতে হচ্ছে ২৫০ পিস"

এখন যখন দিন শেষে এগুলা বিক্রি না হবে ধীরে ধীরে বছর শেষে স্টক মালের সংখ্যা বাড়বে, একদিকে স্টকের কারনে গোডাউনে মাল পড়ে থাকবে আরেকদিকে খরচ বেড়ে গেলো. এখন এই ডেড স্টক ক্লিয়ার না করে তো নতুন মাল বানালে কোম্পানি লসে পড়বে ,ডিমান্ড আর সাপ্লাইয়ের মধ্যে বেমিল ঘটে এই ইফেক্টের কারনে।

আর এই  এই কাজটাই Zara র করা লাগেনা , কারন সে রিটেইলারের ফিডবেকের জন্য বসে থাকেনা। তারা প্রচুর রিসার্চ করে ,আলাদা রিসার্চ টিম আছে স্পেশালিস্ট আছে ফলে অতিরিক্ত কিছু তৈরী করেনা আর যদি শর্ট পড়েও যায় তখন তাদের যেই বিশাল টীম ৭ দিনের মধ্যে মাল বানিয়ে সাপ্লাই দেবার ক্ষমতা তাদের আছে ।

2.Price Replace with Exchange

বর্তমান যুগে কাস্টমার কেবল বেশি দাম দিয়ে পন্য কিনলেই খুশি না, এক সময় ছিল কাস্টমার কম দামে পন্য কিনতে আগ্রহী ছিল কিন্তু এখন ভিন্ন। এখন আমরা অনলাইনে বেশি টাকা দিয়েও পন্য কিনি যেইটা মার্কেট ঘুরলে কমে পাব কিন্তু সেখানে আমার সময়, আর শরীরের ঘাম ঝড়বে তাই বেশি দিয়ে অনলাইন থেকেই কিনে ফেলি।

Zara র কাস্টমার যারা তারা মেক্সিমাম লেস প্রাইস সেন্সিটিভ তাদের কাছে দামের চাইতে কোয়ান্টিটি, কত দ্রুত ডেলিভারী পাচ্ছে আর ব্রান্ড ভ্যালু বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

ধরেন মার্সিডিজ গাড়ি আপনি কিনবেন এখন সেইম সব কিছু হুবহু কপি এনে চায়নাতে গাড়িটা বানালাম কিন্তু সেখানে মার্সিডিজ নাম বা লোগো থাকবেনা ,কিন্তু ২ টা গাড়ী একই ,একটাতে লগো আছে আরেক টাতে নাই। মার্সিডীজ ট্যাগ ছাড়া আপনি কিনবেন? অবশ্যই না , কারন প্রোডাক্টের চাইতে আপনার কাছে ব্র্যান্ড ভ্যালুর দাম বেশি।
ZARA কাস্টমারের এই সাইকোলজিকেই কাজে লাগিয়ে প্রাইস কে চেঞ্জ করে এক্সচেঞ্জে কনভার্ট হয়েছে । তারা কেবল এফোরডেবল দামেই কাপড় দিচ্ছেনা বরং ব্র্যান্ড ভ্যালু ,প্রোডাক্ট ইউনিকনেস ও সাথে দিচ্ছে যার কারনেই কাস্টমার বারবার ফিরে যায় ZARA স্টোরে ।


🎯 বিশ্বের অন্যতম ফ্যাশন ব্রান্ড ZARA নিয়ে কেস স্টাডির 

𝐙𝐀𝐑𝐀 কেন 𝟒𝐏 থেকে 𝟒𝐄 তে গেলো এবং 𝐌𝐨𝐬𝐭 𝐖𝐚𝐢𝐭𝐞𝐝 𝐚𝐧𝐝 𝐀𝐭𝐭𝐫𝐚𝐜𝐭𝐢𝐨𝐧 𝐏𝐚𝐫𝐭 তাদের 𝐒𝐮𝐩𝐩𝐥𝐲 𝐂𝐡𝐚𝐢𝐧 যার উপর বেইস করে ব্যবসা চলছে
গত পর্বে ২ টা স্টেপ নিয়ে বলেছিলাম। যারা আজকে নতুন তারা আগের পর্ব টা আমার প্রফাইলে পাবেন।  

𝟑. 𝐏𝐫𝐨𝐦𝐨𝐭𝐢𝐨𝐧 𝐑𝐞𝐩𝐥𝐚𝐜𝐞 𝐖𝐢𝐭𝐡 𝐄𝐯𝐚𝐧𝐠𝐞𝐥𝐢𝐬𝐦 :

𝐄𝐯𝐚𝐧𝐠𝐞𝐥𝐢𝐬𝐦 এর অর্থ ধর্মপ্রচারক, দেখেন 𝐙𝐀𝐑𝐀 যেহেতু বিজ্ঞাপন করেনা,তার প্রমোশন চলে 𝐖𝐎𝐌 আর 𝐑𝐞𝐟𝐞𝐫𝐫𝐚𝐥 দিয়ে। আমাদের দেশের রসমালাই /চমচম/দই এগুলার মত। একজন মৌলভী/পন্ডিত/ফাদার যেভাবে ধর্ম মুখে, মুখে/ সোসাল মিডিয়াতে দাওয়াতের মাধ্যমে একজন থেকে আরেকজনের কাছে পৌছায়, তেমনি 𝐙𝐀𝐑𝐀 একজন কাস্টমারকে এমন পারচেজিং এক্সপেরিয়েন্স দেয় সে মনের আনন্দে জেনেই হোক আর অজান্তেই হোক যারার প্রচারে লেগে যায়।

𝟒. 𝐏𝐥𝐚𝐜𝐞 𝐑𝐞𝐩𝐥𝐚𝐜𝐞 𝐖𝐢𝐭𝐡 𝐄𝐯𝐞𝐫𝐲 𝐏𝐥𝐚𝐜𝐞 :

ধরেন আপনার একটা কাপড়ের শো রুম আছে তার শাখা পৃথীবির ১০-২০ টা দেশে আছে। এখন একজন কাস্টমার চাইলেন যে সে আমেরিকার শো রুম থেকে তার ড্রেস টা কিনবে বাংলাদেশের শো রুম থেকে নিব না, তো তাকে কিনতে হলে আমেরিকা যাইতে হবে৷ আর যদি সেটা 𝐙𝐀𝐑𝐀 হয় তাহলে বাংলাদেশে বসেই কিনতে পারবেন, কিভাবে? তাদের অনলাইন ওয়েবসাইটে। 𝐙𝐀𝐑𝐀 ওয়েবসাইটে ঢুকলে সবার আগে দেখবেন আপনার লোকেশন সিলেক্ট করতে বলবে মানে কোন দেশের মার্কেটে আপনি যেতে চান, সম্পুর্ন ক্ষমতা আপনার হাতে দিয়ে দিয়েছে, একজন 𝐒𝐡𝐨𝐩𝐩𝐞𝐫 তার ইচ্ছামত দেশের মার্কেটে ,অনালাইনে ঘুরতে পারে কিনতে পারে।

𝐂𝐮𝐬𝐭𝐨𝐦𝐞𝐫 𝐂𝐨𝐦𝐞𝐬 𝐅𝐢𝐫𝐬𝐭

পুরান মডেলের 𝟒𝐏 ছিল কোম্পানি বেইজড যেখানে 𝐏𝐫𝐨𝐝𝐮𝐜𝐭, 𝐏𝐫𝐢𝐜𝐞, 𝐏𝐥𝐚𝐜𝐞,𝐏𝐫𝐨𝐦𝐨𝐭𝐢𝐨𝐧 সব কোম্পানির সুবিধামত করা হত আর 𝐙𝐀𝐑𝐀 র 𝟒 𝐄(𝐄𝐱𝐩𝐞𝐫𝐢𝐞𝐧𝐜𝐞
,𝐄𝐱𝐜𝐡𝐚𝐧𝐠𝐞 𝐕𝐚𝐥𝐮𝐞,𝐄𝐯𝐚𝐧𝐠𝐞𝐥𝐢𝐬𝐦,𝐄𝐯𝐞𝐫𝐲 𝐏𝐥𝐚𝐜𝐞)হচ্ছে কাস্টমার বেইজড যেখানে সব কিছু কাস্টমারকে মাথায় রেখে করা হয়, 𝐇𝐞𝐫𝐞 𝐂𝐮𝐬𝐭𝐨𝐦𝐞𝐫 i𝐬 𝐭𝐡𝐞 𝐛𝐫𝐚𝐧𝐝 𝐌𝐚𝐧𝐚𝐠𝐞𝐫.

𝐌𝐚𝐧𝐮𝐟𝐚𝐜𝐭𝐮𝐫𝐢𝐧𝐠 𝐌𝐨𝐝𝐞𝐥 𝐎𝐟 𝐙𝐀𝐑𝐀??

তাদের বিজনেস সাকসেসের পিছনে বড় অবদান তাদের 𝐀𝐮𝐭𝐨𝐦𝐚𝐭𝐞𝐝 𝐃𝐢𝐬𝐭𝐫𝐢𝐛𝐮𝐭𝐢𝐨𝐧 𝐂𝐞𝐧𝐭𝐫𝐞 (𝐃𝐂)
যাকে তাদের ভাষায় 𝐓𝐡𝐞 𝐂𝐮𝐛𝐞 বলা হয়। এই 𝐌𝐚𝐧𝐮𝐟𝐚𝐜𝐭𝐮𝐫𝐢𝐧𝐠 ইউনিট টা স্পেনের 𝐍𝐨𝐫𝐭𝐡𝐰𝐞𝐬𝐭𝐞𝐫𝐧 এ অবস্থিত যেখানে তাদের হেড কোয়ার্টার।

এই কিউব কিভাবে কাজ করে এর আয়তন কত?

𝐏𝐮𝐫𝐜𝐡𝐚𝐬𝐢𝐧𝐠 𝐑𝐚𝐰 𝐌𝐚𝐭𝐞𝐫𝐢𝐚𝐥𝐬 : 𝐙𝐀𝐑𝐀 নির্দিষ্ট ৪/৫ ধরনের বড় এমাউন্টের 𝐅𝐚𝐛𝐫𝐢𝐜 অর্ডার করে (ইতালি, স্পেন,পর্তুগাল,গ্রিস থেকে বেশিরভাগ) 𝐌𝐚𝐧𝐮𝐟𝐚𝐜𝐭𝐮𝐫𝐞𝐫 অর্ডার ৫-৬ দিনের মধ্যে ডেলিভারী করে দেয় তাদের 𝐃𝐂 𝐂𝐮𝐛𝐞 এ ।
এই কিউব এর আয়তন(𝟓 𝐦𝐢𝐥𝐥𝐢𝐨𝐧 𝐒𝐪𝐮𝐚𝐫𝐞 𝐟𝐢𝐭) এবং অটোমেটেড , আর এই কিউব 𝐙𝐀𝐑𝐀 র ১১ টা ফ্যাক্টরির সাথে ১৬ কিলোমিটার রেডিয়াসের মধ্যে আন্ডারগ্রাউন্ড টানেলের 𝐌𝐨𝐧𝐨𝐫𝐚𝐢𝐥 𝐥𝐢𝐧𝐤 দ্বারা কানেক্টড এবং সকল 𝐫𝐚𝐰 𝐦𝐚𝐭𝐞𝐫𝐢𝐚𝐥𝐬 এই কিউব থেকে ফ্যাক্টরিতে ওই মনোরেল দ্বারা পাস করা হয় 𝐂𝐮𝐭𝐭𝐢𝐧𝐠 𝐚𝐧𝐝 𝐃𝐲𝐞𝐢𝐧𝐠 করে কাপড়ের শেইপে আনার জন্যে। তাদের 𝐈𝐧 𝐡𝐨𝐮𝐬𝐞 𝐂𝐮𝐭𝐭𝐢𝐧𝐠,𝐃𝐞𝐬𝐢𝐠𝐧 এবং 𝐃𝐲𝐞𝐢𝐧𝐠 এর কাজ হয়, কাউকে হায়ার করা লাগেনা এসবের জন্যে।

সাপ্লাই চেইনে এ কিভাব 𝐃𝐂 𝐂𝐮𝐛𝐞 কাজ করে?

𝐃𝐂 𝐂𝐮𝐛𝐞(তারা অর্ডার দেয় সাপ্লাইরকে)
^
𝐑𝐚𝐰 𝐌𝐚𝐭𝐞𝐫𝐢𝐚𝐥 𝐒𝐮𝐩𝐩𝐥𝐢𝐞𝐫(ডেলিভারী করে 𝐂𝐮𝐛𝐞 এ)
^
𝐅𝐚𝐬𝐡𝐢𝐨𝐧 𝐃𝐞𝐬𝐢𝐠𝐧𝐞𝐫𝐬 (ডিজাইন স্কেচ বানিয়ে কিউবের কাছে দেয় কিউব রিভিউ করে সেগুলো ফেরত পাঠায়)
^
𝐂𝐥𝐨𝐭𝐡𝐢𝐧𝐠 𝐅𝐚𝐜𝐭𝐨𝐫𝐢𝐞𝐬( কিউব থেকে গার্মেন্টস অর্ডার এবং ফেব্রিক কাটিং এর জন্যে পাঠায় এরপর ফিনিসড গার্মেন্টস গুলো ফ্যাক্টরি আবার কিউবের কাছে পাঠায়)
^
𝐒𝐭𝐨𝐫𝐞 𝐌𝐚𝐧𝐚𝐠𝐞𝐫𝐬( তার স্টোরের জন্যে কতগুলা অর্ডার লাগবে কিউবের কাছে জানায় এবং কিউব থেকে সেগুলো ডেলীভারী পাঠানো হয়)

𝐈 𝐭𝐡𝐢𝐧𝐤 𝐲𝐨𝐮 𝐚𝐫𝐞 𝐜𝐥𝐞𝐚𝐫 𝐧𝐨𝐰, 𝐈𝐬𝐧'𝐭 𝐢𝐭? 𝐨𝐤 𝐭𝐡𝐞𝐧 𝐋𝐞𝐭'𝐬 𝐠𝐨 𝐚𝐡𝐞𝐚𝐝 😐

এখন এই 𝐂𝐮𝐛𝐞 থেকে মাল কিভাবে দুনিয়াতে 𝐃𝐢𝐬𝐭𝐫𝐢𝐛𝐮𝐭𝐢𝐨𝐧 হয়?

কিউব থেকে ডিরেক্টলি মাল তাদের বিশাল সেন্ট্রালাইজড 𝐖𝐚𝐫𝐞𝐡𝐨𝐮𝐬𝐞 আছে সেখানে যায় সেটা স্পেনের 𝐙𝐚𝐫𝐚𝐠𝐨𝐳𝐚 অবস্থিত, এখান থেকেই মাল ট্রাকে, এবং 𝐏𝐥𝐚𝐧𝐞 করে তার স্টোরে পাঠানো হয়।

𝐙𝐀𝐑𝐀 একটা সিজনের জন্যে এডভান্স ডিজাইন এবং কাপড় মাত্র ৫০-৬০% বানায় (যেখানে বাকিরা ৮০-৯০% এডভান্স বানিয়ে রাখে) আর বাকি ডিজাইন বছরের মাঝপথে বানায়।

কেনো অর্ধেক ডিজাইন ফেলে রাখে আর অর্ধেক করে?

তারা মার্কেট অবজার্ভ করে, প্রতিটা কাস্টমারের ফিডব্যাক নেয়, বাজারে কি ট্রেন্ড চলছে, কাস্টমারের হাইপ বোঝার চেষ্টা করে সে অনুযায়ী যদি ধরনা পায় মার্কেটে নতুন একটা ট্রেন্ড আসার দরকার ইন্সট্যান্ট রেডি করে সাপ্লাই দিয়ে দেয়। বর্তমান শতাব্দীর সবচে বড় শক্তি 𝐃𝐚𝐭𝐚। 𝐀𝐦𝐚𝐳𝐨𝐧 এর বিজনেস মডেল পুরাটাই ডেটার উপর বেইস করে চলছে (এইটা নিয়ে পড়ে একদিন আলোচনা হবে)। তাদের 𝐃𝐚𝐭𝐚 𝐂𝐞𝐧𝐭𝐫𝐞 থেকে সব পর্যবেক্ষন করা হয় সোসাল মিডিয়াতে কাস্টমার কি পোস্ট দিচ্ছে, তা থেকে ধরে বর্তমানে বাজারে কোন ট্রেন্ড চলবে সব কিছু মনিটর করে আর এ কারনেই অর্ধেক ডিজাইন করে সিজনের উপর বেইজ করে আর বাকি অর্ধেক চলমান বাজারের উপর বেইজ করে বানাবে বলে রেখে দেয়।

তাদের সাপ্লাই চেইন মডেল কী?

𝐋𝐞𝐚𝐧 𝐒𝐮𝐩𝐩𝐥𝐲 𝐂𝐡𝐚𝐢𝐧 (মানে হচ্ছে 𝐮𝐩𝐬𝐭𝐫𝐞𝐚𝐦 𝐚𝐧𝐝 𝐝𝐨𝐰𝐧𝐬𝐭𝐫𝐞𝐚𝐦 সবাই এক সাথে একটা চেইনের মত কাজ করে যেমন প্রত্যেকটা স্টোর তাদের হেড কোয়ার্টারের সাথে লিংক করা) 𝐚𝐧𝐝 𝐀𝐠𝐢𝐥𝐞 𝐒𝐮𝐩𝐩𝐥𝐲 𝐂𝐡𝐚𝐢𝐧( মানে দ্রুত এবং রেসপন্সিভ এবং কম্পিটেন্সির সাথে ডেইলি সাপ্লাই চেইন প্রসেস কাজ করে)

তাদের ইউনিক কোয়ালিটি হচ্ছে 𝐒𝐡𝐨𝐫𝐭 𝐋𝐞𝐚𝐝 𝐓𝐢𝐦𝐞, (মানে কম সময়ে মাল বানিয়ে ডেলিভারী দিতে পারে) 𝐀𝐧𝐝

𝐉𝐮𝐬𝐭 𝐈𝐧 𝐭𝐢𝐦𝐞 𝐢𝐧𝐯𝐞𝐧𝐭𝐨𝐫𝐲 (𝐉𝐈𝐓) ইনভেন্টরি ওইযে উপরে বলেছি না 𝐃𝐂 𝐂𝐮𝐛𝐞 ফেব্রিকের বিশাল 𝐁𝐮𝐥𝐤 𝐨𝐫𝐝𝐞𝐫 করে রাখে ফলে যখন লাগে তখনই দ্রুত ফ্যাক্টরিতে মাল মনোরেলের মাধ্যমে পাঠাতে পারে।

তাদের বছর শেষে 𝐔𝐧𝐬𝐨𝐥𝐝 𝐈𝐧𝐯𝐞𝐧𝐭𝐨𝐫𝐲 থাকে মাত্র ১০% যেখানে অন্যদের থাকে ১৭-২৩%, এখন এখানে একটা প্রশ্ন আছেনা যে

কেন এত কম 𝐔𝐧𝐬𝐨𝐥𝐝 𝐩𝐫𝐨𝐝𝐮𝐜𝐭 থাকে?

এর কারন হচ্ছে 𝐁𝐮𝐥𝐥𝐰𝐡𝐢𝐩 𝐄𝐟𝐟𝐞𝐜𝐭 এর তারতম্য কম থাকার কারনে।

ধরেন একটা দোকানে দোকানদার ১০০ পিস শার্ট রাখে এখন সেখান থেকে ৪০ পিস করে বিক্রি হচ্ছে, হঠাত করে কোন কারনে বিক্রি বেড়ে ৭০ পিস হয়ে গেল, তো রিটেইলার কি করবে কাস্টমারের ডিমান্ড বাড়তে পারে ভেবে সে হোলসেলারকে বা ডিস্ট্রিবিউটর কে ডাবল অর্ডার দিল ২০০ পিসের যেন বিক্রি বাড়লেও সাপ্লাই দিতে পারে। এখন ডিস্ট্রিবিউটর কি করবে, সে কোম্পানিকে বাড়িয়ে ২৫০ পিসের অর্ডার দিলো যেন রিটেইলার যদি বেশি চায় সে যেন সাপ্লাই দিতে পারে, এখন দেখেন অরিজিনালি মাল বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৭০ পিস , বাজারে সেই ৭০ পিসের বিপরীতে মাল উৎপাদন রাখতে হচ্ছে ২৫০ পিস"

এখন যখন দিন শেষে এগুলা বিক্রি না হবে ধীরে ধীরে বছর শেষে স্টক মালের সংখ্যা বাড়বে, একদিকে স্টকের কারনে গোডাউনে মাল পড়ে থাকবে আরেকদিকে খরচ বেড়ে গেলো. এখন এই ডেড স্টক ক্লিয়ার না করে তো নতুন মাল বানালে কোম্পানি লসে পড়বে ,ডিমান্ড আর সাপ্লাইয়ের মধ্যে বেমিল ঘটে এই ইফেক্টের কারনে।আর এই এই কাজটাই 𝗭𝗮𝗿𝗮 র করা লাগেনা

শ্রমিকের মজুরি

তাদের মেক্সিমাম প্রোডাক্ট ইউরোপেই তৈরী হয় যেখানে মজুরি এশিয়া, চায়না থেকে অনেক গুন বেশি সবাই জানেন।

#তারপর ও কিভাবে তারা এত কম দামে প্রোডাক্ট বেচে?

১. তাদের পন্যের ৮০ ভাগের ও বেশি অরিজিনাল প্রাইসে বিক্রি হয় মানে ডিসকাউন্ট লাগেনা তাই লাভ ও বেশি হয় এবং 𝐃𝐞𝐚𝐝 𝐒𝐭𝐨𝐜𝐤 থাকেনা তাই লস কম।

২.প্রোডাকশন কস্ট কম কারন অটোমেটেড সব মেশিন, নিজদের ডিজাইনার, 𝐃𝐲𝐞𝐢𝐧𝐠 𝐚𝐧𝐝 𝐂𝐮𝐭𝐭𝐢𝐧𝐠 𝐓𝐞𝐚𝐦 এবং এক জায়গার মধ্যে সব ফ্যাক্টরি গুলো আন্ডারগ্রাউন্ড রেল দ্বারা কানেক্ট যার কারনে এখানে কস্টিং কমে যায়, ফলে কম টাকা দিয়ে লেইট মাল ডেলিভারি পাবার জন্যে এশিয়া বা চায়নাতে কেন দিবে? সে কারনে মজুরি বেশি দিয়ে নিজদের শহরেই বেশি মাল তৈরী করে ফেলে। মজুরি বেশি যাচ্ছে কিন্তু অন্যদিকে সব খরচ কম। (৫৬% উৎপাদন হয় স্পেনে,২৬% ইউরোপে,২৪% এশিয়াতে)

প্রতিটা স্টোর সপ্তাহে ২ বার অর্ডার করতে পারে এবং মাল ডেলিভারিতে ২৪ ঘন্টা ইউরোপে, স্পেনে আর বাকি দেশে ৪০-৭২ ঘন্টা (কম বেশি)

এখন লাস্ট প্রশ্ন কি হতে পারে?

মাল গাড়ি থেকে নামিয়েই স্টোরে বিক্রির জন্য সাজিয়ে দেয় কিভাবে?

ফ্যাক্টরিতেই প্রত্যেকটা পন্য আয়রন করে, প্রাইস ট্যাগ লাগিয়ে এবং কোড লাগিয়ে স্টোরে পাঠানো হয় ফলে আর নতুন করে স্টোর মেনেজারের এই কাজ করে সময় লস করতে হয়না।

তথ্য সংগ্রহ (𝐟𝐨𝐫𝐛𝐞𝐬,𝐭𝐞𝐱𝐭𝐢𝐥𝐞 𝐞𝐱𝐜𝐞𝐥𝐥𝐞𝐧𝐜𝐞, 𝐬𝐜𝐦 𝐠𝐥𝐨𝐛𝐞,𝐦𝐞𝐝𝐢𝐮𝐦,𝐘𝐨𝐮𝐓𝐮𝐛𝐞, 𝐁𝐁𝐂, 𝐁𝐮𝐬𝐢𝐧𝐞𝐬𝐬 𝐅𝐚𝐬𝐡𝐢𝐨𝐧)

Credit: 
𝐑𝐨𝐧𝐲 𝐀𝐡𝐦𝐞𝐝
𝐔𝐧𝐢𝐯𝐞𝐫𝐬𝐢𝐭𝐲 𝐨𝐟 𝐂𝐡𝐢𝐭𝐭𝐚𝐠𝐨𝐧𝐠
𝐃𝐞𝐩𝐚𝐫𝐭𝐦𝐞𝐧𝐭 𝐎𝐟 𝐌𝐚𝐫𝐤𝐞𝐭𝐢𝐧𝐠 (𝐌𝐁𝐀)

জারার মার্কেটিং পলিসি এবং বিজনেস মডেল | ফাস্ট ফ্যাশন | ZARA implements a ‘Fast Fashion" | Inditex

আমাজন.কম এখন বিশ্বের সব চেয়ে বড় বায়ার, বাংলাদেশ কি প্রস্তুত !
আমাজন ইতোমধ্যেই অনলাইনে বিশে^র বৃহত্তম পোশাক বিক্রেতা। খুব শিগগিরই প্রতিষ্ঠানটি ফ্যাশন বিক্রয়েও অধিকাংশ প্রতিদ্বন্দ্বীকে ছাড়িয়ে যাবে।
গত সপ্তাহের নিউইয়র্ক ফ্যাশন সপ্তাহে আমাজন ক্যাটওয়াকে কোনো রানওয়ে মডেল ছিল না। তবে ফ্যাশন শিল্পে কনুই দিয়ে গুঁতিয়ে নিজেদের পথ করে নিতে পর্যবেক্ষণকারী খুচরা নির্বাহীদের মনে ই-কমার্স জায়ান্ট বড় রকমভাবেই জুড়ে বসেছিল।

ফ্যাশন ব্র্যান্ডগুলো গত দশকে আমাজনকে শত্রু হিসেবে দেখেছে। ব্র্যান্ডগুলো আমাজনে পণ্য বিক্রয় না করার শপথ করেছে এবং এর তালগোল পাকানো ওয়েবসাইট ও নকল পণ্যের ঝুঁকির ব্যাপারে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। অনেকে অনীহার সাথে নিজেদের ওয়েবসাইট চালু করেছে, কিন্তু তাদের বিক্রির বৃহৎ অংশের জন্য ডিপার্টমেন্টাল স্টোরগুলোর উপর নির্ভরশীলতা অব্যাহত রেখেছে।

সুতরাং আমাজন তাদের নিজস্ব লেবেলযুক্ত পোশাক তৈরি করতে শুরু করে। প্রতিষ্ঠানটি ২০০৯ সালে টার্বো-চার্জিং শু সেলস জাপ্পোস ক্রয় করে। তারা টি-শার্ট, টাইটস এবং জিন্স-এর মতো মৌলিক জিনিস বিক্রির দিকে মনোযোগ দেয় যেগুলো লোকজন অনলাইনে কিনতে স্বস্তিবোধ করে এবং নিয়মিত কেনে।

ক্রেতারা আমাজনে পোশাক কিনতে অধিকতর আস্থাবান হয়ে ওঠায় ডিপার্টমেন্ট স্টোরগুলো একদা মৌলিক জিনিসপত্রের স্থিতিশীল বিক্রির যে সুবিধা ভোগ করত তা হ্রাস পেয়েছে।

বাণিজ্যবিষয়ক প্রকাশনা ইন্টারনেট রিটেইলার মতে, আমাজন গত বছর তার ওয়েবসাইটে পোশাক ও অ্যাকসেসরি সামগ্রীর সংখ্যা আগের বছরের চেয়ে ৮৭ শতাংশ বৃদ্ধি করে। তার পোশাক বিক্রি ১৬.৩ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছে। এ বিক্রির পরিমাণ তার ৫ বৃহত্তম প্রতিদ্বন্দ্বী ম্যাসি’জ, নর্ডস্ট্রম, কোহলস, গ্যাপ ও ভিক্টোরিয়ার গোপন জনক এল ব্র্যান্ডস-এর সম্মিলিত অনলাইন বিক্রির চেয়েও বেশি।

আমাজনের পোশাক বিক্রির পরিস্থিতি এখনো আমেকিার বৃহত্তম পোশাক বিক্রেতা ওয়ালমার্ট-এর ২৪ বিলিয়ন ডলার মার্কিন পোশাক বিক্রির চেয়ে কম। তবে তা ম্যাসি’জ-এর ২১ বিলিয়ন ডলার ও টিজিএক্স কোং-এর ১৭ বিলিয়ন ডলার বার্ষিক বিক্রির পরিমাণ থেকে বেশি দূরে নয়। আমাজন ২০১৫ সালে পোশাক বিক্রিতে গ্যাপ, কোহলস, টার্গেট, জে.সি. পেনি এবং নর্ডসট্রমকে ছাড়িয়ে গেছে।

আমাজন ও তার বাজার স্থলের বিক্রেতারা ডিপার্টমেন্ট স্টোরগুলোর লাভের পরিমাণ কমিয়ে ফেলার এক সুচতুর পন্থা বের করেছে। একটি জনপ্রিয় পণ্য নিনÑ যেমন তা পার্স বা জ্যাকেট হতে পারে, সেগুলোর সীমিত মজুদ (৫ অথবা ১০টি আইটেম হতে পারে) শুধু আমাজন বিক্রেতাদের কাছেই আছে। এখন বিপুল মূল্যহ্রাসের তালিকায় সেগুলো দিন। রিটেইলাররা, যাদের ওয়েবসাইটগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে আমাজনের মূল্যের সাথে ম্যাচ করে অথবা যাদের মূল্য-সাযুজ্য নিশ্চয়তা আছে, শেষ পর্যন্ত তারা মুনাফা কম পাবে।

ডিপার্টমেন্ট স্টোরগুলো এ যন্ত্রণা উপলব্ধি করছে। মরগান স্ট্যানলি বিশেষজ্ঞ কিমবারলি গ্রীনবার্গার বলেন, আগের বছরের তুলনায় এ বছরের দ্বিতীয় চতুর্মাসিকে যুক্তরাষ্ট্রর ৬টি বৃহত্তম ডিপার্টমেন্ট স্টোরে সম্মিলিত বিক্রয় ৬৬ কোটি ডলার পড়ে গেছে। এ সব বিক্রির একটা বড় অংশই চলে গেছে আমাজনে যাদের পোশাক বিক্রি এক বছর আগের চেয়ে এ বছরের প্রথম চতুর্মাসিকে ১.১ বিলিয়ন ডলার বৃদ্ধি পেয়েছে।
এপ্রিলে মরগান স্ট্যানলি জরিপ মতে, মার্কিন ভোক্তাদের প্রতি ৫ জনের একজন প্রায়ই আমাজন থেকে পোশাক কেনেন। আমাজনের প্রাইম মেম্বারদের জন্য তা ৩৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

জরিপের সবচেয়ে কৌতূহলোদ্দীপক দিক হচ্ছে আমাজনে কেনাকাটার জন্য ক্রেতারা প্রধান যে কারণ দেখাচ্ছেন তা হচ্ছে সহজ ও সুবিধাজনক। অন্য কথায়, আমাজনে বিক্রি বৃদ্ধির কারণ তার সাইটের পোশাক নয়, তার লজিস্টিকস।

এখনো ৬০ শতাংশ ভোক্তা বলছেন যে, তারা আমাজন থেকে আরো পোশাক কিনবেন যদি তারা সুপরিচিত, ফ্যাশনেবল পোশাক ব্র্যান্ডের পছন্দসই ব্যাপক উপস্থিতি ঘটায়।
ব্র্যান্ডগুলোকে উপস্থিত করার জন্য আমাজন ফ্যাশন শিল্পের রিং চুম্বন করছে। তারা নিউইয়র্ক ও ইন্ডিয়া ফ্যাশন সপ্তাহে পুরুষদের ফ্যাশন সপ্তাহ স্পন্সর করেছে। শিগগিরই টোকিও ফ্যাশন সপ্তাহ আমাজন ফ্যাশন সপ্তাহ টোকিও নামে পুনঃনামকরণ হবে। তাদের রয়েছে একটি লাইভ ফ্যাশন ওয়েব শো এবং ফ্যাশন আরবিটার আন্না উইনটুর ও ডায়ানে ভন ফ্রাস্টেনবার্গ-এর সমর্থনে কাউন্সিল অব ফ্যাশন ডিজাইনারস অব আমেরিকা/ভোগ ফ্যাশন ফান্ড বিষয়ে একটি ওয়েব সিরিজ স্পন্সর করছে।
ফ্যাশন তোষামুদি আমাজনের প্রতি আকৃষ্ট হতে ব্র্যান্ডগুলোকে সাহায্য করছে। ইতোমধ্যেই কেট স্পেড, ফেঞ্চ কানেকশন, সেভেন ফর অল ম্যানকাইন্ড এবং ভিন্স এই ই-কমার্স জায়ান্টের ওয়েবসাইটে ব্যাপকভাবে তাদের পণ্য প্রদর্শন করছে।

তবে আমাজনের জন্য বৃহত্তম সাফল্য এখনো উন্মোচিত হয়নি। বহু ব্র্যান্ডই যেখান থেকে তাদের রাজস্বের বৃহত্তম অংশটি পেয়ে থাকে সেই ডিপার্টমেন্ট স্টোরগুলোতে বিক্রি হ্রাস পাওয়ার সাথে পোশাক খাতে আমাজনের প্রাধান্য আগের চেয়ে আরো বৃদ্ধি পাচ্ছে।

লিখেছেনঃ
হাবিবুর রহমান 
লিংকড ইন 

আমাজন.কম এখন বিশ্বের সব চেয়ে বড় বায়ার, বাংলাদেশ কি প্রস্তুত !

অনেক ETP supplier - ই  ZLD এবং MBR technology  নিয়ে Client কে বিভিন্ন ভাবে misguide করে এবং ভুলপথে invest করায় l 
✅ ZLD হচ্ছে Zero Liquid Discharge , অর্থাৎ ETP র Treated water একটুও ডিসচার্জ করা যাবে না , maximum water textile production এ recycle করতে হবে এবং ETP এর অবশিষ্ট পানি Evaporate করতে হবে ll

✅ কিন্তু ZLD process অত্যন্ত expensive এবং operating cost extremely high ,  তাই Textile Dyeing এর ক্ষেত্রে ZLD কোনোভাবেই feasible না ll

✅ Textile dyeing এ Salt ব্যবহার করা হয় যা soluble form এ Dyeing waste water এ TDS ( Total Dissolved Solid ) হিসেবে থাকে এবং এর range থাকে 1800- 3000 ppm. 

✅ ZLD process এর প্রথম শর্ত হলো Functional ETP থাকতে হবে যেন BOD , COD এবং TSS required range এর মধ্যে থাকে ll 

✅ TDS কোনো ETP এর মাধ্যমে remove করা যায় না , TDS remove করতে হলে RO ( Reverse Osmosis) technology apply করতে হয় ll

✅ RO এর মাধ্যমে maximum 95% পর্যন্ত ETP এর পানি recover করা যায় ll

✅ Main problem হলো বাকী 5% পানি নিয়ে যা RO থেকে Reject হিসেবে বের হয় l RO Reject water এ TDS থাকে 50,000 ppm এর বেশি  যা একমাত্র Evaporation এর মাধ্যমে Treat করতে হবে কারণ এতো salty water কোথাও ডিসচার্জ করা যাবে না l 

✅ যদি 20 টনের knit dyeing হয় , তাহলে ETP capacity হয় 100 m3/hr . এর জন্য ZLD investment cost হলো প্রায় 25 কোটি টাকা , এবং monthly operating cost হলো 2 কোটি টাকা l 

অর্থাৎ , ZLD apply করা totally impossible যতক্ষণ না নতুন কোনো reasonable economical technology আবিষ্কার হচ্ছে l 


✅ Conventional Biological ETP এর সাথে UF ( Ultra Filter ) add করে সেই পানি RO তে feed দেয়া যায় ll
✅ MBR ETP এর ক্ষেত্রে treated water direct RO তে feed দেয়া যায় l কিন্তু problem হলো MBR মাত্র 3 বছর পর্যন্ত RO feed water quality deliver করতে পারে l এরপরে MBR replace করতে হবে l 

✅ MBR ETP অনেক Expensive এবং RO feed water এর ক্ষেত্রে 3 বছর পরেই সব MBR replace করতে হবে যা total ETP এর investment এর 65% cost. 

✅ তাই MBR technology ব্যবহার না করে বরং Biological ETP এর সাথে UF technology ব্যবহার করাই সব দিক দিয়ে সুবিধা জনক কারণ খরচ অনেক কম এবং 5 বছর পর্যন্ত RO Feed water deliver করতে পারবে ll 

~ Riad Mahmud

ETP 'র জন্য ZLD এবং MBR টেকনোলজির সুবিধা অসুবিধা