Textile Lab | Textile Blog: Campus
ক্যাম্পাস রিভিউ - নাটোর টেক্সটাইল ইন্সটিউট, নাটোর


আসসালামু আলাইকুম।

নাটোর টেক্সটাইল ইন্সটিউট,নাটোর।
বাংলাদেশের উওরের জেলা নাটোরে অবস্থিত একটি সরকারি ডিপ্লোমা টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ।

নাটোর টেক্সটাইল ইন্সটিউট,নাটোর বস্তু অধিদপ্তর,বস্তু ও পাট মন্ত্রালয় কতৃক পরিচালিত। টেক্সটাইল ভিত্তিক ক্লাস গুলো নেন বুটেক্স,ডুয়েট,বিটেক ও টেক্সটাইলে সর্বোচ্চ ডিগ্রি অর্জনকৃত  সম্মানিত স্যাররা। এছাড়াও ফিজিক্স, কেমিস্ট্রি, ম্যাথ, ইংলিশ, কম্পিউটারের  জন্যেও দক্ষ শিক্ষক রয়েছেন। তাছাড়া নতুন সব মেশিনাদি স্বয়ংসম্পূর্ণ ল্যাবরেটরি, ইঞ্জিনিয়ারিং পরিবেশ হচ্ছে প্রতিষ্ঠানটির অন্যতম বৈশিষ্ট্য। ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষে ১২০জন শিক্ষার্থী নিয়ে কলেজটি একাডেমিক কার্যক্রম শুরু হয়। বর্তমানে এই কলেজে চারটি ব্যাচ অধ্যায়নরত আছে।

নাটোর জেলার সদরে  রাজশাহী-নাটোর-ঢাকা মহাসড়কের গা ঘেষে ৫ একর জমির ওপর নির্মিত  অবস্হিত এই ক্যাম্পাসটি। বাংলাদেশের যেকোনো জায়গা থেকে নাটোর বাস টার্মিনাল আসার পর মাত্র ২ কিলোমিটার পরই দৃষ্টি আকর্ষণ করবে ক্যাম্পাস । এছাড়াও ট্রেন স্টেশন থেকেও ২-৩ কিলোমিটার পরই দৃষ্টি আকর্ষণ করবে আমাদের সুন্দর ক্যাম্পাসটি। ক্যাম্পাসটির চারদিকে সবুজ গাছ গাছালিতে আচ্ছাদিত। তাছাড়া এর আবাসিক হলগুলোর পিছনে রয়েছে নয়াভিরাম প্রাকৃতিক উন্মুক্ত পরিবেশ।আবাসিক হলগুলোর সামনেই রয়েছে একটি খেলার মাঠ। অত্র ক্যম্পাসের নিরাপত্তা ব্যবস্থা অন্য যেকোন পাবলিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে উন্নত। তাছাড়া ক্যাম্পাস সম্পূর্ণ আবাসিক সুবিধা রয়েছে। যেকোনো ধরনের রাজনীতির প্রচলন নেই এবং সম্পূর্ণ র‍্যাগিং মুক্ত ক্যাম্পাস।



প্রতিষ্ঠানের সুবিশাল ভবন সমূহ : 

১) একাডেমিক কাম - প্রশাসনিক ভবন

২)ডরমিটরি ভবন 

৩)ছাত্র হোস্টেল 

৪) ছাত্রী হোস্টেল 

৫) পাওয়ার প্লান্ট

৬)লাইব্রেরী

৭)বাস গ্যারেজ

৮)মসজিদ 



অত্যাধুনিক ল্যাবরেটরি ও ওয়ার্কশপ সমূহ-

১)কার্পাস(ইর্য়াণ মেনুফ্যাকচারিং ল্যাব)

২)বর্ণালী (ওয়েট প্রসেসিং ল্যাব)

৩) জামদানী (ফেব্রিক মেনুফ্যাকচারিং ল্যাব)

৪) সোনালী (জুট স্পিনিং ল্যাব)

৫) গার্মেন্টস ল্যাবরেটরি

৬) টেস্টিং ল্যাবরেটরি

৭) কম্পিউটার ল্যাবরেটরি

৮) ফিজিক্স ল্যাবরেটরি

৯) কেমেস্ট্রি ল্যাবরেটরি

১১) ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ












খুব অল্পদিনের মধ্যেই সবার মাঝে ভালোবাসার স্থান করে নেয় আমাদের কলেজ। যদিও কলেজের ইতিহাস খুব দীর্ঘ নয়। তবে আমাদের ক্যাম্পাস গোছালো, পরিকল্পিত একটা  সবুজ ক্যাম্পাস । তাছাড়া ল্যাব ফ্যাসিলিটিতে স্বয়ংসম্পূর্ন ।
ধন্যবাদ।

লেখক :
মোঃআবিকুজ্জামান
(৩য় ব্যাচ)
নাটোর টেক্সটাইল ইন্সটিউট,নাটোর।

ক্যাম্পাস রিভিউ - নাটোর টেক্সটাইল ইন্সটিউট

ক্যাম্পাস রিভিউ

Bangladesh Handloom Education &Training Institute  (Narsingdi)


বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে টেক্সটাইল  ইঞ্জিনিয়ারদের চাহিদা এবং চাকরি  সুবিধা অত্যন্ত ভালো। বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় এর অধিভুক্ত একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ।কলেজটি দেশের অন্যতম শিল্প এলাকা নরসিংদী তে অবস্থিত।দেশের বস্ত্র সম্পর্কিত শিক্ষার একটু অন্যতম বিদ্যাপীঠ এটি।


সংক্ষিপ্ত নাম:BHETI

ওয়েবসাইটঃ www.bheti.portal.gov.bd

ধরনঃ সরকারী

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের
বাংলাদেশ তাঁত বোর্ড এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রনালয়ের এর তত্ত্বাবধানে পরিচালিত।

অবস্থানঃ ঢাকা- সিলেট মহাসড়কের পাশে , শিল্প এলাকায় সাহেপ্রতাপ মোড় থেকে ১০০ মিটার সামনে নরসিংদী শহরের প্রবেশদ্বারে।

শিক্ষার্থীঃ স্নাতক ৮১ জন

ডিপ্লোমাঃ ৪৮০+জন

শিক্ষাঙ্গনঃ শহরের পাশে ৬.৫ একর জমির উপর অবস্থিত। 

বর্তমান অধ্যক্ষঃ ইঞ্জিনিয়ার মোঃমতিয়ার রহমান

#ইতিহাস #ও #শিক্ষা #কার্যক্রম #সমূহঃ
১৯৮১ সালে centre for Handloom products and equipment devolopment নামে- বাংলাদেশে তাঁত বোর্ড এর তত্ত্বাবধানে ট্রেড কোর্স প্রশিক্ষণ প্রদান এর মাধ্যমে ।

২০০৯সালে ২ বছর মেয়াদি এইচ এস সি ভোকেশনাল কোর্সে উন্নীত করা হয়। দেশের উন্নয়নের অগ্রগতির সাথে সাথে বস্ত্রখাতে উন্নয়নের সহযোদ্ধা হতে বাংলাদেশ তাঁত বোর্ড ও বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড এর আওতাধীনে, ২০১০ ডিপ্লোমা ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স চালু করা হয়।পরে এইচএসসি ভোকেশনাল কোর্স বন্ধ করা হয় ।আরো গতিশীল হয়ে উঠে  ডিপ্লোমা ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং।

বস্ত্র খাতে বিভিন্ন চাাহিদা ও শিল্পের উন্নয়ন এর  কথা বিবেচনা করে কালের পরিক্রমায় যখন বস্ত্র শিল্পের বিপ্লবের সাথে সাথে অধ্যক্ষ ইঞ্জিনিয়ার মতিয়ার রহমান স্যারের বিচক্ষণতায়, ২০১৮ সালের ডিসেম্বর মাসে ৩ টি ডিপার্টমেন্ট এবং ১২০ টি আসনের অনুমোদন নিয়ে বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় (বুটেক্স) অধিভুক্ত -বিএসসি ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স চালু করা হয় এবং বুটেক্স অধিভুক্ত ৮ ম কলেজ হিসেবে ২০১৯ সালের জানুয়ারী মাসে যাএা শুরু ১ম ব্যাচ এ ১২০ জন ও ৩ টি ডিপার্টমেন্ট ( অ্যাপারেল, ওয়েট ও ফেব্রিক) অনুমোদন থাকলেও এডমিশনের সুযোগ পায় ২ টি ডিপার্টমেন্ট ( অ্যাপারেল ইন্জিনিয়ারিং এবং ওয়েট প্রসেসিং ) এ ৮১ জন ছাত্র- ছাত্রী, নিয়ে ২০১৭-২০১৮ সেশনে ১ম ব্যাচের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত হয় ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ সালে। বর্তমানে দুইটি অনুষদের অধীনে  বি.এসসি. ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স চালু আছে, যা আট সেমিস্টারে বিভক্ত৷ প্রতিবছর ৬ মাস অন্তর অন্তর ২টি সেমিস্টার হয়। সাধারণত বছরগুলোকে লেভেল এবং সেমিস্টার গুলোকে টার্ম বলা হয়, অর্থাৎ ৪টি লেভেল-এ ৮টি টার্ম পরীক্ষা হয়ে থাকে।



স্নাতক ভর্তির যোগ্যতাঃ

ডিপ্লোমা ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়াটিং পাসকৃত ছাত্র/ছাত্রী প্রতিবছর এমসিকিউ প্রশ্ন পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে ভর্তি করানো হয়।




ভর্তি পরীক্ষার বিষয়ঃ

১)উচ্চ মাধ্যমিক ইংরেজি 

২)উচ্চ মাধ্যমিক গনিত

৩)উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন

৪)উচ্চ মাধ্যমিক ফিজিক্স

৫)ডিপ্লোমা ডিপার্টমেন্টএর সাবজেক্ট সমূহ 

ক্যাম্পাসটি তে বর্তমানে চালু #রয়েছেঃ

1.বিএসসি ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং,ডিপার্টমেন্ট অফ

১)অ্যাপারেল ম্যানুফ্যাকচারিং ইঞ্জিনিয়ারিং

2.ওয়েট প্রসেস ইঞ্জিনিয়ারিং

2.ডিপ্লোমা ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং।

3. ফ্যাশন ডিজাইন ট্রেনিং ইনস্টিটিউট







অন্যান্য কোর্স সমূহঃ

4 ব্লক-বাটিক সহ।

5. ক্লথ উইভিং অ্যান্ড মার্কেটিং।

6. টাই অ্যান্ড ডাই।

7. ইয়ার্ন ডাইং।

8. স্ক্রিন প্রিন্টিং।

বাংলাদেশ তাঁত বোর্ড এর তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয় বিভিন্ন ট্রেড কোর্স। ট্রেড কোর্স গুলো তে প্রশিক্ষণ শেষে সার্টিফিকেট সহ থাকা খাওয়া ও যাতায়াত এর জন্য সম্মানী ভাতা হিসাবে প্রতি কার্যদিবসের জন্য ২৪০ টাকা প্রদান করা হয়।
এছাড়াও প্রতিটি সেমিস্টারে অধ্যায়নরত শিক্ষার্থীদের বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য মিল ভিজিটে নিয়ে যাওয়া হয়।

প্রতিষ্ঠানের ভবন সমূহঃ

1) একাডেমিক ভবন।

2)প্রশাসনিক ভবন।

3) অফিসার্স কোয়ার্টার।

4) স্টাফ কোয়ার্টার।

5) টিচার্স ডরমেটরি।

6) অধ্যক্ষের বাস ভবন।

7) ছাত্র হল-২ টি।

8)ছাত্রী হল-১ টি।

ল্যাবরেটরি ও ওয়ার্কশপ সমূহঃ

1) উইভিং ল্যাবরেটরি।

2) নিটিং ল্যাবরেটরি।

3) ওয়েট প্রসেসিং ল্যাবরেটরি।

4) গার্মেন্টস ল্যাবরেটরি।

5) টেস্টিং ল্যাবরেটরি।

6) কম্পিউটার ল্যাবরেটরি।

7) ফিজিক্স ল্যাবরেটরি।

8)কেমেস্ট্রি ল্যাবরেটরি।










ছাত্র সংগঠন সমূহঃ

১) বিএইচবি ব্লাড ডোনারস ইউনিট।


সংগ্রহেঃ
মোঃমোয়াজ্জেম হোসেন নয়ন
মোঃশাহিদুল ইসলাম

ছবি সংগ্রহে ঃ
মোঃআব্দুল্লাহ আল নোমান
১ম ব্যাচ বিএসসি ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং
ডিপাঃ অ্যাপারেল ম্যানুফ্যাকচারিং।

Bangladesh Handloom Education & Training Institute (Narsingdi)

ক্যাম্পাস রিভিউঃ
শহীদ আবদুর রব সেরনিয়াবাত টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ বরিশাল।

বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় এর অধিভূক্ত একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ।কলেজটি বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের বিভাগীয় শহর বরিশালে অবস্থিত। বাংলাদেশের বস্ত্র সম্পর্কিত শিক্ষার একটি অন্যতম বিদ্যাপীঠ এটি।

ইতিহাস:
১৯৮০ সালে বরিশালের প্রাণকেন্দ্র সি এন্ড বি রোডে জেলা টেক্সটাইল ইন্সটিটিউট নামে প্রতিষ্ঠানটির যাত্রা শুরু হয়। তখন ২ বছর মেয়াদী সার্টিফিকেট ইন টেক্সটাইল কোর্স চালু ছিল।১৯৯৪ সালে টেক্সটাইল ডিপ্লোমার ব্যাপকতার কথা বিবেচনা করে বস্ত্র দপ্তর প্রতিষ্ঠানটিতে ৩ বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা কোর্স চালু করে। তখন প্রতিষ্ঠানটির নাম দেওয়া হয়েছিল ইন্সটিটিউট অব টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি (ITET)।১৯৯৬ সালে নামকরণ করা হয় টেক্সটাইল ইন্সটিটিউট, বরিশাল। 

বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির নাম শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ,বরিশাল।২০১০ সালে কলেজটিতে বি.এসসি ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স চালু করে।বাংলাদেশ সরকারের তৎকালীন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১১ কলেজটির শুভ উদ্বোধন করেন।বর্তমানে এখানে ৪টি ব্যাচ অধ্যয়নরত রয়েছে এবং ৪টি ব্যাচ বের হয়েছে।এছাড়াও IEB এর সদস্য ITET এর অনুমোদন ও রয়েছে অত্র ক্যাম্পাসের।

অবস্থান:
বরিশালের সি এন্ড বি রোড সংলগ্ন টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার (টিটিসি) এর বিপরীত দিকে অবস্থিত।এটি ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক নামেও পরিচিত।এটি বরিশাল কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল (নথুল্লাবাদ) থেকে ০.২ কিমি দক্ষিণে,বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১ কিমি উত্তরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির অবস্থান।

আবাসিক ব্যবস্থা:
কলেজ সংলগ্ন মেসে শিক্ষার্থীদের জন্য উন্নতমানের আবাসন ব্যবস্থা আছে। এছাড়াও বর্তমানে কলেজ ক্যাম্পাসে ছাত্র ছাত্রীদের জন্য ৪তলা ভবন বিশিষ্ট পৃথক হোস্টেল নির্মান করা হয়েছে।যেখানে রয়েছে পড়াশোনার জন্য মনোরম পরিবেশ এবং উন্নত সুযোগ-সুবিধা।

কোর্স সমূহ:
বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে এই কলেজটিতে যেসব বিষয়ে চার বছর মেয়াদী বিএসসি ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স চালু রয়েছেঃ-

১.ইয়ার্ন ইঞ্জিনিয়ারিং(YE)
২.ফেব্রিক ইঞ্জিনিয়ারিং(FE)
৩.ওয়েট প্রসেস ইঞ্জিনিয়ারিং(WPE)
৪.অ্যাপারেল ইঞ্জিনিয়ারিং(AE)
৫.ফ্যাশন ডিজাইন এন্ড টেকনোলজি(প্রক্রিয়াধীন)

একাডেমিক কার্যক্রম:

ভর্তি প্রক্রিয়া:
বিএসসি ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং এ এসএসসি এবং এইচএসসি এর ফলাফলের ভিত্তিতে বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ভর্তি পরীক্ষা দেয়ার মাধ্যমে  ছাত্র-ছাত্রী ভর্তির সুযোগ পেয়ে থাকে।

বিএসসি ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সের আসন বিন্যাস নিম্নরূপ :
১.ইয়ার্ন ইঞ্জিনিয়ারিং (৩০)

২.ফেব্রিক ইঞ্জিনিয়ারিং (৩০)

৩.ওয়েট প্রসেস ইঞ্জিনিয়ারিং (৩০)

৪.অ্যাপারেল ইঞ্জিনিয়ারিং (৩০)

মোট আসন সংখ্যা- ১২০

শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন:

প্রতি পর্ব এবং বর্ষোন্নয়ন পরীক্ষাতে ৪০ শতাংশ নম্বর পেলে ছাত্রছাত্রীরা পরবর্তী পর্বে বা বর্ষে উত্তীর্ণ হতে পারে। সকল পর্বে শ্রেণিকুইজ এবং বোর্ড নির্বাচনী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে পরবর্তী পর্বে অংশগ্রহন করার সুযোগ পায়।

শহীদ আবদুর রব সেরনিয়াবাত টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, বরিশাল এর গ্রেডং পদ্ধতি
নাম্বার শ্রেণী গ্রেড লেটার গ্রেড পয়েন্ট

৮০-১০০    A+ ৪.০০
৭৫-৮৯      A ৩.৭৫
৭০-৭৪      A- ৩.৫০
৬৫-৬৯      B+ ৩.২৫
৬০-৬৪      B ৩.০০
৫৫-৫৯      B- ২.৭৫
৫০-৫৪      C+ ২.৫০
৪৫-৪৯      C ২.২৫
৪০-৪৪      D ২.০০
০০-৩৯      F ০.০০

সহপাঠক্রমিক কর্মকান্ড:
ক্রিড়া প্রতিযোগীতা
প্রতিবছর অক্টোবর-ডিসেম্বর এর মধ্যে কলেজের বার্ষিক ক্রিড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্টিত হয়।

শিক্ষা সফর:
কলেজ কতৃপক্ষ প্রতি বছরই বাংলাদেশের বিভিন্ন দর্শনীয় জায়গায় শিক্ষা সফর অর্থাৎ ভ্রমনের ব্যবস্থা করে। পাশাপাশি প্রতি পর্বে বাংলাদেশের বিভিন্ন সুপ্রতিষ্ঠিত টেক্সটাইল মিল গুলোতে ভ্রমনের সুযোগ দেয়।যেখানে যাতায়াতের জন্য রয়েছে ক্যাম্পাসের নিজস্ব পরিবহন ব্যবস্থা।
ক্যাম্পাসে একাডেমিক পড়াশুনার পাশাপাশি রয়েছে বিভিন্ন সচেতনতা ও সামাজিক সহয়তামূলক সংগঠন।

ছাত্র সংগঠন:

প্রয়াস- সামাজিক সংগঠন

সার্সটেক ক্যারিয়ার ক্লাব-SCC

উচ্ছ্বাস-সাংস্কৃতিক সংগঠন

Campus Radio -SARSTEC RADIO 00.08 FM

দেয়াল পত্রিকা-সুঁই-সুতা

Sarstec Blood Donner's Club-রক্তদাতা সংগঠন
সার্সটেক বিজ্ঞান ক্লাব
Sarstec debating club
Sarstec sports club
সার্সটেকশিয়ান মিডিয়া এন্ড ফটোগ্রাফি সোসাইটি-SMPS

গ্রন্থাগার:

এ কলেজে সুসজ্জিত গ্রন্থাগার আছে। এখানে স্থান পেয়েছে দেশি ও বিদেশী সহস্রাধিক টেক্সটাইল ও সাহিত্য বিষয়ক বই। রয়েছে ধর্মীয় ও অন্যান্য জ্ঞান মূলক বই। লাইব্রেরী কার্ড জমাদান সাপেক্ষে যে কেউ প্রয়োজনীয় বই নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ইস্যু করে নিতে পারে। লাইব্রেরিতে দৈনিক, সাপ্তাহিক পত্রিকার ব্যবস্থা রয়েছে। লাইব্রেরিতে পৃথক পৃথক টেবিলে বসে পুস্তক এবং পত্র পত্রিকা পাঠ করা যায়।
এছাড়াও ক্যাম্পাসে যা যা রয়েছে:-

১. একটি নতুন একাডেমিক ভবন

২. একটি জুট স্পিনিং শেড

৩.একটি কটন স্পিনিং শেড

৪. একটি পুরাতন একডেমিক ভবন

৫. একটি টিচার্স ডরমিটরি

৬. টিচার্স কোয়াটার

৭. স্টাফ কোয়াটার

৮. ৪তলা বিশিষ্ট ছাত্র হল

৯. ৪ তলা বিশিষ্ট ছাত্রী হল

১০. কম্পিউটার ল্যাব

১১. ফেব্রিক ল্যাব

১২. ওয়েট ল্যাব

১৩. রসায়ন ল্যাব

১৪. পদার্থ ল্যাব

১৫. মেকানিক্যাল মেশিন ল্যাব

১৬. এপ্যারেল ল্যাব

১৭. একটি মসজিদ

১৮. অডিটোরিয়াম

১৯. গেষ্ট ডরমিটরি

২০. একটি শহীদ মিনার

২১. একটি সুবিশাল পুকুর


পরিশেষে,বর্তমানে ৬টি টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজই পারে একজন ছাত্র/ছাত্রীকে তার ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার গন্তব্যে পৌছে দিতে।তবে এক্ষেত্রে কিছুটা হলেও এগিয়ে আছে শহীদ আবদুর রব সেরনিয়াবাত টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, বরিশাল(SARSTEC)।তাই জীবনের লক্ষে পৌছাতে অন্যদের থেকে একধাপ এগিয়ে রাখতে এই ক্যাম্পাসে জানাই স্বাগতম।

Proud to be an SARSTECian

শহীদ আবদুর রব সেরনিয়াবাত টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ বরিশাল

ক্যাম্পাস ভার্স্কয


ঐতিহ্যের স্মারক "চরকা" বঙ্গবন্ধু টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ  ,টাঙ্গাইল আবহমানকাল থেকেই বাংলার তাঁতশিল্পের সাথে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িয়ে আছে চরকা। এই চরকাকে অবলম্বন করেই প্রাচীনকালে তাঁতশিল্পের সাথে জড়িতরা তাদের ভাগ্যের চাকা ঘোরাতো। অধুনা প্রযুক্তিসমৃদ্ধ মেশিনের কাছে হার মেনে এই যন্ত্রটি বিলুপ্তপ্রায়। শহর থেকে তো বটেই আজকাল গ্রামে-গঞ্জেও এর দেখা মেলা ভার।

বাংলার হারিয়ে যাওয়া এই ঐতিহ্যকে স্মরণীয় করে রাখার লক্ষ্যে নির্মিত হয়েছে "চরকা"। এর কারিগর ভাস্কর সৈয়দ সাইফুল কবীর রঞ্জু। প্রতিষ্ঠানের মূল প্রবেশদ্বার দিয়ে প্রবেশ করলে চোখে পড়বে ভাস্কর্যটিকে। শ্বেতবর্ণের ভাস্কর্যটি বেদিসহ ১৭ ফুট বাই ১২ ফুট জায়গার ওপর নির্মিত। চরকার অংশটি মূল ভিত্তি থেকে ৫ ফুট উপরে।

ভাস্কর্যের বিষয়বস্তুতে শাশ্বত বাংলার চরকায় সুতা কাটারত এক রমনী এবং সুতা ভরার নলী দিয়ে সাহায্যকারী বালকের প্রতিকৃতি স্থান পেয়েছে। ২০১৪ সালের মার্চে পূর্ণোদ্যমে ভাস্কর্যটির নির্মাণ কাজ শুরু হয় এবং শেষ হয় একই বছরের অক্টোবর মাসে।

অতীতে তাঁতবস্ত্র তৈরির জন্যে প্রধান এই যন্ত্রটির প্রচলন ছিল। হস্তচালিত তাঁতশিল্পের স্বর্ণযুগে তো বটেই নব্বই দশকের দিকেও বাংলার প্রায় প্রত্যেক ঘরে এই বুনন যন্ত্রটি ছিল। বয়নকারীরা ব্যবহার্য শাড়ি, লুঙ্গিসহ যাবতীয় কাপড় প্রস্তুতে যন্ত্রটি ব্যবহার করতেন। কিন্তু বর্তমানে প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ সাধনের ফলে এটি কালের গর্ভে হারিয়ে গেছে।

তাঁত শিল্পের ঘাঁটি বলে পরিচিত টাঙ্গাইল। এই শিল্পের সাথে চরকা জড়িয়ে থাকায় এরকম ভাস্কর্য যেমন তাঁতী সম্প্রদায়ের জীবনযাত্রা সম্পর্কে ধারণা দিচ্ছে তেমনি জেলার ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির বাহক হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে।

News Source : TEXineer

ক্যাম্পাস ভার্স্কয : "চরকা" | বঙ্গবন্ধু টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ , টাঙ্গাইল


MH NOYON:
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের,
বাংলাদেশ তাঁত বোর্ড এর তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এক মাত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সবুজে ঘেরা  মনোরম পরিবেশে ঢাকা- সিলেট মহাসড়কের পাশে ,  শিল্প এলাকায় সাহেপ্রতাপ মোড় থেকে ১০০ মিটার সামনে নরসিংদী শহরের ( পৌরসভার) প্রবেশদ্বার বঙ্গবন্ধু সড়কের পাশে সাড়ে ছয় (৬.৫) একর জমির উপর অবস্থিত ।
এ প্রতিষ্ঠান টি যাএা শুরু করে  ১৯৮১ সালে centre for Handloom products and equipment devolopment নামে  বাংলাদেশে তাঁত বোর্ড এর তত্ত্বাবধানে ট্রেড কোর্স প্রশিক্ষণ প্রদান এর মাধ্যমে ।২০০৯সালে ২ বছর মেয়াদি এস এস সি ভোকেশনাল কোর্স এ উন্নীত করা হয়। দেশের উন্নয়নের অগ্রগতির সাথে সাথে বস্ত্রক্ষাতে উন্নয়নের সহযোদ্ধা হতে বাংলাদেশ তাঁত বোর্ড আওতাধীন ২০১০ ডিপ্লোমা ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স চালু করা হয়েছে।

পরে এসএসসি ভোকেশনাল কোর্স বন্ধ করা হয় ।আরো গতিশীল করা হয় ডিপ্লোমা ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং ।কালের পরিক্রমায় যখন বস্ত্র শিল্পের বিপ্লবের সাথে সাথে  অধ্যক্ষ ইন্জিনিয়ার মতিয়ার রহমান স্যারের বিচক্ষণতায়  ২০১৯ সালে ৩ টি ডিপার্টমেন্ট এবং ১২০ টি আসনের অনুমোদন নিয়ে বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় (বুটেক্স) অধিভুক্ত  বিএসসি ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স চালু করা হয়েছে । বুটেক্স অধিভুক্ত ৮ ম কলেজ হিসেবে ২০১৯ সালে যাএা শুরু ১ম ব্যাচ এ ১২০ জন ও ৩ টি ডিপার্টমেন্ট ( অ্যাপারেল, ওয়েট ও ফেব্রিক) অনুমোদন থাকলেও এডমিশনের সুযোগ পায় ২ টি ডিপার্টমেন্ট ( অ্যাপারেল ইন্জিনিয়ারিং এবং ওয়েট প্রসেসিং ) এ ৮১ জন ছাত্র- ছাত্রী, নিয়ে ২০১৭-২০১৮ সেশনে ১ম ব্যাচের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত হয় ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ সালে ।



ক্যাম্পাসটি তে  বর্তমানে চালু রয়েছে :

*বিএসসি ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং ।
* ডিপ্লোমা ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং।
* ফ্যাশনে ডিজাইন ট্রেনিং ইনস্টিটিউট।
* ব্লক-বাটিক সহ
*Cloth weaving and marketing.
*Tie and Dye.
*Yarn Dyeing
*Weaving in S.A Loom.
*Screen Printing
বাংলাদেশ তাঁত বোর্ড এর তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয় বিভিন্ন বিভিন্ন ট্রেড কোর্স। ট্রেড কোর্স গুলো তে প্রশিক্ষণ শেষে সার্টিফিকেট সহ  থাকা খাওয়া ও যাতায়াত এর জন্য সম্মানী ভাতা হিসাবে  প্রতি কার্যদিবসের জন্য ২৪০ টাকা প্রদান করা হয প্রশিক্ষনার্থীদের

✔ বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিতে ডিপ্লোমা ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স এ প্রতি ব্যাচে ১০০ জন ছাত্র- ছাত্রী ভর্তির সুযোগ পায়।


ভর্তির প্রক্রিয়া: অফ লাইনে স্বহস্তে আবেদনের মাধ্যমে এস এস সি  এর রেজাল্ট এর ভিওিতে।

✔ বিএসসি ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স এ ১ম ব্যাচ ২০১৭-১৮ সেশনে  লেবেল ১ ,টার্ম ২ তে ৮০ জন শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত।

ভর্তির প্রক্রিয়া : শুধুমাত্র ডিপ্লোমা ইন টেক্সটাইল/ গার্মেন্টস/ জুট ইঞ্জিনিয়ারিং এ নুন্যতম ২.৭৫ (৪.০০) আবেদন করতে পারবেন । আবেদনের পর নেগেটিভ  মার্কসহ এমসিকিউ পরিক্ষার মাধ্যমে নির্বাচিত করা হয়।

২য়  ব্যাচের এডমিশনের সম্ভাব্য তারিখ ( নভেম্বর- ডিসেম্বর ২০১৯) , ১২০ জন  ৩ টি ডিপার্টমেন্ট।
এই প্রতিষ্ঠান টি বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় বুটেক্স অধিভুক্ত বাংলাদেশ তাঁত বোর্ড এর তত্ত্বাবধানে পরিচালিত বিএসসি কোর্স ( BHETI ) Bangladesh Handloom Education & training institute  নামে পরিচিত।


প্রতিষ্ঠানের বিএসসি ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং এর জন্য শিক্ষক না থাকায় প্রতি সেমিস্টারে ১৫০০০ টাকা প্রদান করতে হয়, মাননীয় অধ্যক্ষ ইন্জি. মতিয়ার রহমান স্যার জানান আমি আমার শিক্ষার্থীদের দেশের সর্বোচ্চ মানের শিক্ষকদের মাধ্যমে পাঠদান ল্যাব সহ সকল শিক্ষাকার্যক্রম পরিচালিত হবে। সেই প্রেক্ষিতেই ১ ম ব্যাচ লেবেল ১ টার্ম ১ এ বুটেক্স এর  স্বনামধন্য শিক্ষক ডিপার্টমেন্ট হেড সহ ডক্টরেট ডিগ্রী অর্জনকৃত শিক্ষকদের মাধ্যমে পাঠদান ও ল্যাব করানো হয় ।এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকবেন বলেও তিনি জানান। ১ ম ব্যাচের লেবেল ১ টার্ম ২ এর জন্য রয়েছেন বুটেক্স এর ৪ জন শিক্ষক সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনামধন্য শিক্ষক মন্ডলী।

বুটেক্স অধিভুক্ত ৮  টি  টেক্সটাইল ইন্জিনিয়ারিং কলেজ, ডিপ্লোমাধারীদের উচ্চ শিক্ষার জন্য ২ টি ইন্জিনিয়ারিং কলেজ রয়েছে  ( BHETI & BTEC)
সকল কার্যক্রম প্রশ্ন পত্র বুটেক্স নিয়ন্ত্রনাধীন দুই ক্যাম্পাসের সকল কার্যক্রম একই সাথে এক ভাবে নিয়ন্ত্রন করে থাকেন।

BHETI সম্পুর্ন সরকারি ইন্জিনিয়ারিং কলেজ বুটেক্স অধিভুক্ত অন্যান্য ৭ টি কলেজের মত । আগে ইতিহাস জানোন ইন্সটিটিউট থেকে যে গুলো ইন্জিনিয়ারিং কলেজ হয়েছে।
যারা না জেনে বিভিন্নcomment করছেন আপনাদের বলছি টেক্সটাইল সেক্টর কত দিন আসছেন ।জেনে বুঝে মন্তব্য করুন।

লিখছেন:
মোঃ মোয়াজ্জেম হোসন ( নয়ন)
১ম ব্যাচ , বিএসসি ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং
(অ্যাপারেল ইন্জিনিয়ারিং)
Bangladesh Handloom Education & training institute ( BHETI) Narsindhi.
মোবাইল : 01771186336
                  01971186336
ক্যাম্পাস রিভিউ থাকছে পরবর্তী পোস্টে।

বাংলাদেশ তাঁত শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট | Bangladesh Handloom Education & training institute ( BHETI )

NITER posted:
দেখতে দেখতে ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের এইচএসসি'র রেজাল্ট ও প্রকাশ করা হয়ে গেছে হয়তো অনেকেরই আশানুরূপ ফলাফল হয় নি তাদের জন্য আজকের এই পোস্ট টি।

স্বপ্ন যাদের ইঞ্জিনিয়ার হওয়া তাদের জন্য বিশাল সুযোগ হলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের 'প্রযুক্তি ইউনিট'
কেননা এখানে তোমার সার্টিফিকেটের নয় মূল্যায়ন করা হয় মেধার, যার ফলস্বরুপ মাত্র (এসএসসি+এইচএসসি মিলে ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষ অনুযায়ী) ৬.০ পয়েন্ট হলেই তোমাকে ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে নিজেকে প্রমাণ করার একটা সুযোগ দেয়া হয়।

ঢাবি প্রযুক্তি ইউনিটে তুমি চাইলেই নিজেকে তুলে ধরতে পারো, দেখিয়ে দিতে পারো সার্টিফিকেটে গোল্ডেন অথবা প্লাস না থাকলেও তুমি একজন সফল বি.এস.সি ইঞ্জিনিয়ার হয়ে।

ঢাবি প্রযুক্তি ইউনিট থেকে গড়তে পারো তোমার সোনার স্বপ্ন গুলো হতে পারো সফলদের একজন।
ঢাবি প্রযুক্তি ইউনিটে অনেক ছাত্রছাত্রী আছে যারা অনেক নামকরা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে চান্স পেয়েও এখানে এসে ভর্তি হয়েছে শুধু মাত্র একজন সফল ব্যাক্তি বা সফল ইঞ্জিনিয়ার হয়ে নিজেকে সবার সামনে তুলে ধরতে।

এখন বলতে পারো পাবলিকে বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পেয়ে কেনো ঢাবির প্রযুক্তি ইউনিটে ভর্তি হয়েছে তারা??
উত্তর টা হলো আমরা সকলেই চাই ভবিষ্যৎ এ পড়ালেখা শেষ করে যেনো একটা ভালো চাকরি করতে পারি বেকার না থাকতে হয়। সেই ইচ্ছা শক্তি থেকেই পাবলিকের নন ইঞ্জিনিয়ার সাবজেক্ট গুলো ছেড়ে এই ইউনিটের ইঞ্জিনিয়ারিং সাবজেক্ট গুলোতে ভর্তি হয়েছে তারা।

আর তোমরা যারা বর্তমানে রেজাল্ট খারাপ হওয়ার ফলে মনে করতেছে  আমার বুটেক্স এ পরীক্ষা দেয়া হবে না বা তোমার ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার স্বপ্ন শেষ হয়ে গেছে তবে তাদের কে বলবো নিজেকে নতুন করে প্রমান করার বিশাল সুযোগ রয়েছে সামনে ঢাবির প্রযুক্তি ইউনিটের মাধ্যমে, আর তোমার ইচ্ছে যদি থাকে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং, ইন্ডাস্ট্রিয়াল এন্ড প্রােডাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং (আইপিই), ফ্যাশন ডিজাইন এন্ড অ্যাপারেল ইঞ্জিনিয়ারিং (এফডিএই) নিয়ে পড়ার তাহলে এই পোস্ট টা বিশেষ করে তোমার জন্যই,,,
কেননা আজকে আমি বর্তমানে সর্ববৃহত টেক্সটাইল বেজ ক্যাম্পাস নিটার সম্পর্কে কিছু কথা শেয়ার করবো তোমাদের সাথে, চলো জেনে নেয়া যাক কিছু তথ্য নিটার সম্পর্কে।

ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড রিসার্চ - (নিটার)


গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত একটি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন শিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান, যা বর্তমানে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশীপ (পিপিপি) এর মাধ্যমে দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পদ্যোক্তাদের সংগঠন বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস্ এসােসিয়েশন (বিটিএমএ)' এর ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হচ্ছে। দেশের বস্ত্র ও সহায়ক শিল্পখাতে দক্ষ প্রকৌশলীর চাহিদা পূরণের মহতী উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ‘পিপিপি এর মাধ্যমে বিটিএমএ-এর ব্যবস্থাপনায় রাজধানীর অদূরে সাভারের নয়ারহাট এলাকায় ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক সংলগ্ন স্থানে প্রায় ১৭.৭ একর আয়তন বিশিষ্ট নিজস্ব ক্যাম্পাসে নিটার এর শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। বস্ত্রখাতে গবেষণা ও বিভিন্ন মেয়াদী প্রশিক্ষণের পাশাপাশি দেশের বস্ত্র ও সহায়ক শিল্পখাতে দক্ষ প্রকৌশলীর চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনােলজী অনুষদ -এর অধীনে ২০১০-১১ শিক্ষাবর্ষ হতে ‘বি.এসসি.ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং', ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষ হতে ‘বি.এসসি.ইন ইন্ডাস্ট্রিয়াল এন্ড প্রােডাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং (আই.পি.ই)', এবং ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষ হতে ‘বি.এসসি.ইন ফ্যাশন ডিজাইন এন্ড অ্যাপারেল ডিজাইন (এফডিএই) কোর্স পরিচালিত হচ্ছে। নিটার দেশব্যাপি "সেন্টার অব এক্সিলেন্স" নামেও পরিচিত।


উল্লেখিত বিভাগ সমূহে অনুমােদিত আসন সংখ্যা নিম্নরূপঃ

১. টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং -২৭৫ টি

২. ইন্ডাস্ট্রিয়াল এন্ড প্রােডাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং (আই.পি.ই) -১২৫ টি

৩. ফ্যাশন ডিজাইন এন্ড অ্যাপারেল ইঞ্জিনিয়ারিং -৭৫ টি

মোট আসন সংখ্যা ৪৭৫ টি.

নিটার-এ ছাত্র-ছাত্রীদের অধ্যায়ন ও গবেষণার জন্য টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্টে রয়েছে সর্বাধুনিক "স্টেট অফ দ্য আর্ট" ল্যাবরেটরী, যা বাংলাদেশে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রী প্রদানকারী বিশ্ববিদ্যালয় সমূহের মধ্যে সর্বোত্তম। নিটার এর রয়েছে অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি/ ইকুইপমেন্ট সমৃদ্ধ ইয়ার্ন ইঞ্জিনিয়ারিং ল্যাব,
আধুনিক উইভিং ও নিটিং যন্ত্রপাতি সমৃদ্ধ ফেব্রিক ইঞ্জিনিয়ারিং ল্যাব, অ্যাপারেল ইঞ্জিনিয়ারিং ল্যাব, ওয়াশিং ল্যাব, টেক্সটাইল টেস্টিং এন্ড কোয়ালিটি কন্ট্রোল ল্যাব, কম্পিউটার CAD-CAM ল্যাব।

ইন্ডাস্ট্রিয়াল এন্ড প্রােডাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং (আইপিই) ডিপার্টমেন্টের জন্য রয়েছে অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি/ইকুইপমেন্ট সমৃদ্ধ ফ্লুইড মেকানিক্স এন্ড মেশিনারি ল্যাব, থার্মোডিনামিক্স এন্ড হিট ট্রান্সফার ল্যাব, ইঞ্জিনিয়ারিং UTM ও CNC সমৃদ্ধ ম্যাটেরিয়ালস এন্ড সলিড মেকানিক্স ল্যাব, ফাউন্ড্রি এন্ড কাস্টিং ল্যাব ও আর্গনােমিক্স ল্যাব, এছাড়া কম্পিউটার ল্যাব ও রয়েছে।

ফ্যাশন ডিজাইন এন্ড অ্যাপারেল

ইঞ্জিনিয়ারিং (এফডিএই) ডিপার্টমেন্টের জন্য রয়েছে ডিজাইন স্টুডিও এবং প্যাটার্ন ল্যাব, অ্যাপারেল ম্যানুফেকচারিং ল্যাব, উন্নত মানের কম্পিউটার সমৃদ্ধ কম্পিউটার ল্যাব।

নিটার-এর ছাত্র-ছাত্রীদের অধ্যায়নের জন্য
রয়েছে ১৫ হাজারের অধিক বই সমৃদ্ধ আধুনিক লাইব্রেরী। আবাসিক শিক্ষার্থীদের জন্য নিটারে রয়েছে পৃথক ছাত্র ও ছাত্রী হােস্টেল।

নিটার সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্যের জন্যঃ
Website: www.niter.edu.bd,
Email: ad.niter@gmail.com,
মােবাইল: ০১৭৫৫০৬০২৭৫, ০১৮২০০০৮৮৭৬।

মেনশন  | | শেয়ার
সোর্সঃ নিটার পেইজ

NITER - ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রযুক্তি ইউনিটে টেক্সটাইল এডমিশনের সুযোগ

যেকোনো ধরনের ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষায় শিক্ষার্থীদের ল্যাব ক্লাসে কার্যকর ও ব্যক্তি পর্যায়ে অংশগ্রহণ খুবই জরুরি। টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিংও তার ব্যতিক্রম নয়। শুধুমাত্র ল্যাব ক্লাসের মাধ্যমেই ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের শিক্ষার্থীরা তাদের পাঠ্যবিষয়ের অধ্যায়গুলি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারনা লাভ করতে পারে। আর এটার জন্য দরকার নিজ হাতে ব্যবহারিক ক্লাসের কাজগুলি সম্পন্ন করা। কিন্তু নিজ হাতে কাজ করতে হলে একই যন্ত্র অনেকগুলি থাকতে হবে যেটা বাস্তবে অনেক ক্ষেত্রে সম্ভব হয়না। তবে ডাইং, প্রিন্টিং এবং ফিনিশিং ল্যাবে প্রয়োজনীয় রঙ ও রাসায়নিক দ্রব্য, কাঁচের সরঞ্জামাদি যেমন বিকার, টেস্ট টিউব ইত্যাদি তুলনামূলকভাবে সস্থা ও আকারে ছোট এবং ল্যাবে বেশী জায়গার প্রয়োজন হয়না বিধায় প্রায় প্রতিটি ছাত্রেরই নিজ হাতে ল্যাবের কাজগুলি করা সম্ভব হয়ে থাকে। গার্মেন্টস ল্যাবেও ঠিক অনেকটা তাই অর্থাৎ ছাত্রদের নিজ হাতেই ল্যাব কর্মকান্ড করা সম্ভব হয়ে থাকে।




কিন্তু বেশ বিছু ল্যাব যেমন স্পিনিং, উইভিং, নিটিং ও টেক্সটাইল টেস্টিং ইত্যাদির জন্য যেসব যন্ত্রপাতির প্রয়োজন সেগুলো অত্যন্ত ব্যয়বহুল এবং আকারে অনকে বড় হয়ে থাকে ফলে বিশ্ববিদ্যালয় সমূহ উক্ত ল্যাব সমূহে ব্যবহৃত যন্ত্রগুলি একটরি বশেী ক্রয় করনো বা কেনার সামর্থ্য রাখেনা। ফলে এইসব ল্যাবে ব্যবহারকি ক্লাস করার ক্ষেত্রে সকল শিক্ষার্থীকে (ক্ষত্রেবিশেষে ২০-৩০ জন বা তার বশেী) একটি মেশিনে একসাথে ক্লাস করতে হয়। ফলে দেখা যায়, এসব ল্যাব ক্লাসে প্রত্যক শিক্ষার্থীর পক্ষে হাতে-কলমে শেখাটা সম্ভব হয়ে উঠনো। এসব ক্লাসের গুটিকয়েক শিক্ষার্থী যন্ত্র ব্যবহার করে হাতে-কলমে শিখতে পারছে। বেশিরভাগ শিক্ষার্থী হাতে কলমে শেখার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এবং যারা কিছুটা অমনোযোগী এবং লেখা পড়ায় আগ্রহ কম তাদরেক্ষেত্রে ল্যাব ক্লাস একেবারেই  অকার্যকর থেকে যাচ্ছে। তারা তেমন একটা শিখতে পারছে না। ফলস্বরূপ, একটি বড় অংশের শিক্ষার্থী ল্যাব ক্লাসের প্রকৃত শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এই সমস্যাকে বিবেচনায় রেখে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ বাংলাদেশের টেক্সটাইল শিক্ষাঙ্গনে একটি নতুন  ল্যাব ক্লাস পদ্ধতি প্রবর্তন করেছে যা নিম্নে বর্ণনা করা হলো।

ধারনাটি হচ্ছে, আগে প্রতদিনি প্রতি ল্যাব সেশনে একটি এক্সপরেমিন্টে করান হতো এবং প্রতি সেমিস্টারের এ ধরণের প্রায় ১২-১৫টি এক্সপেরিমেন্ট করান হয়ে থাকে। নতুন পদ্ধতিতে প্রতদিন প্রতি ল্যাব সেশনে সবগুলি এক্সপেরিমেন্টে র্অথাৎ ১২-১৫ টি এক্সপেরিমেন্ট করান হবে। এই লক্ষে ক্লাসের সব শিক্ষার্থীকে ছোট ছোট গ্রুপে ভাগ করা হয়। সর্বোচ্চ তিন/চারজন শিক্ষার্থী মিলে একটি গ্রুপ হয় এবং প্রত্যেক গ্রুপ কোনো একটি যন্ত্রে আলাদা আলাদাভাবে শিক্ষণীয় বিষয়ের ওপর হাতে-কলমে দীক্ষা অর্জন করবে। ঠিক পরের ল্যাব ক্লাসে এই গ্রুপটি ভিন্ন কোনো বিষয়ে অন্য যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে পরীক্ষা চালাবে। এরফলে প্রত্যেক ব্যাচের শিক্ষার্থীরা এক সেমিস্টারে, ধরা যাক ১৩ সপ্তাহে ১৩টি ভিন্ন ভিন্ন এক্সপেরিমেন্ট হাতে-কলমে শিখতে পারবে, যেটা তারা আগে পারতোনা বা সম্ভব ছলিনা।


যেহেতু সরাসরি ল্যাবে অংশগ্রহণ সম্ভব ছিল না এ কারণে অতীতে দেখা গেছে, শিক্ষার্থীরা ল্যাব ক্লাসে হাতে-কলমে কাজ করার পরিবর্তে তাকিয়ে তাকিয়ে দেখা বা গল্পগুজব করে সময় কাটাত। কিন্তু এই নতুন পদ্ধতিতে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর ল্যাব ক্লাসে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়ে থাকে। এই নতুন পদ্ধতির ল্যাব ক্লাস এমনভাবে পরিকল্পনা করা হয়েছে যে এতে প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে তথ্য সংগ্রহ, তথ্য বিশ্লেষণ এবং সমাধান করতে হয়। এখানে অন্য কারো দেখে কপি বা নকল করার সুযোগ নেই। সর্বোপরি ল্যাব ক্লাস বর্জন বা অবজ্ঞা করারও কোনো সুযোগ নেই। আরো একটি বিষয়, যদি কেউ একটি ক্লাস মিস করে তাহলে সে পরবর্তীতে সেটা সহজেই করে নিতে পারবে।

নতুন এই ক্লাস পদ্ধতিটি চালু করতে গিয়ে পরিচালনা কার্যক্রমে কিছু অসুবিধা দেখা দিয়েছিল, যা পরবর্তীতে সফলভাবে সমাধান করা গেছে। আগে, একজন শিক্ষক পুরো ল্যাব ক্লাস একাই পরিচালনা করতেন। কারণ তখন একটি ক্লাসে একটিমাত্র এক্সপেরিমেন্টে হাতেকলমে শেখানো হতো। কিন্তু নতুন ল্যাব ক্লাস পদ্ধতিতে একইসময়ে ১২-১৫টি এক্সপেরিমেন্ট চলমান থাকে, ফলে একজন শিক্ষকের পক্ষে পুরো ক্লাস সামলানো কঠিন। এই সমস্যার সমাধান করা হয়েছে দুটি উপায়ে। এক. প্রথম দিকে পর পর দুইটি ল্যাব ক্লাসে সাধারণ তাত্ত্বিক ক্লাসের মতো সব শিক্ষার্থীকে সেমিস্টারের সবগুলো এক্সপেরিমেন্ট কিভাবে করতে হবে সে ব্যাপারে পরিপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়। এই ক্লাসগুলিতে শিক্ষকরা ল্যাব শিট, ল্যাবের তথ্য সংগ্রহ প্রক্রিয়ার কাগজপত্র, ডাটা এনালিসিস করা ইত্যাদি শিক্ষার্থীদেরকে ভালোভাবে বুঝিয়ে দেয়া হয়। সুতরাং শিক্ষার্থীরা ল্যাব ক্লাস শুরুর আগেই ল্যাব ক্লাসের কার্যাবলী সম্পর্কে একটি পুর্ণাঙ্গ ধারনা পায়।

 দুই. সংশ্লিষ্ট শিক্ষকগণ প্রত্যোক ল্যাব পরীক্ষার ভিডিও তৈরি করে পরে তা ইউটিউব চ্যানেলে আপলোড করা হয়। এতে শিক্ষার্থীরা পরবর্তীতে তাদের ল্যাব ক্লাস করার সময় পুণরায় দেখতে পারে এবং শিক্ষকের ব্যাপক সাহায্য ছাড়াই ল্যাব ক্লাসে করণীয় বিষয়গুলো সম্পন্ন করতে পারে। আরো একটি সমস্যা দেখা দিয়েছিল এই নতুন ল্যাব ক্লাস পদ্ধতিতে। সেটা হলো যেহেতু প্রথম ল্যাব ক্লাসেই সবগুলি (১২-১৫) এক্সপেরিমেন্ট করানো হয় র্অথাৎ শষে তাত্ত্বিক ক্লাসের বিষয় গুলিও প্রথম ক্লাসে পড়ানো হয়। ফলে দেখা যায়, তাত্ত্বিক ক্লাসে এখনো পড়ানো হয়নি এমন বিষয়গুলি, একটু দুর্বল শিক্ষার্থীর কাছে, অপরিচিত মনে হয়। আমরা এই সমস্যার সমাধান করেছি কোর্স কারিকুলাম নতুনভাবে বিন্যাস করার মাধ্যমে। যে সেমিস্টারে তাত্ত্বিক ক্লাস রয়েছে, ঠিক তার পরের সেমিস্টারেরই ওই তাত্ত্বিক ক্লাসের সম্পূরক ল্যাব ক্লাসগুলি রাখা হয়েছে। তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক ক্লাস পরপর দুই সেমিস্টারে হওয়ার ফলে শিক্ষার্থীদের হাতে-কলমে জ্ঞানার্জন কার্যকর এবং উপকারী হবে বলে আশা করা যায়।

আশা করা যায়, দেশের সকল টক্সেটাইল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই নতুন ল্যাব পদ্ধতি কার্যকর করতে পারলে প্রত্যেক শিক্ষার্থীই টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অধিত বিষয়গুলো কার্যকরভাবে হাতেকলমে শিখতে পারবে। এতদব্যতিত নতুন এই পদ্ধতিটি ডাটা সংগ্রহ, ডাটা এনালসিসি সহ যাবতীয় কার্যাদি এমনভাবে পরকিল্পনা করা হয়েছে যে কোনো শিক্ষার্থীই উদ্দেশ্যমূলকভাবে ল্যাব ক্লাস ফাঁকি দিতে পারবে না। ফলে তারা শিখতে পারবে অনেক বেশি। তারা নিজহাতে যন্ত্রপাতি ব্যবহার করার ফলে অনেক বেশি শিখতে পারে এবং নিজেদের দুর্বলতাগুলো সনাক্ত করার মাধ্যমে নিজেদের মেধাকে শানিত করতে পারে। আমরা আরো লক্ষ্য করে দেখেছি যে, ল্যাবের হাতে কলমে শিক্ষা শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দেয় বহুগুণ। আর এই আত্মবিশ্বাসের কারণে কর্মজীবনে যখন তারা নতুন নতুন মেশিনে কাজ করে তখন তারা কিংকর্তব্যবিমুঢ় না হয়ে ঠাণ্ডা মাথায় ধীরেসুস্থে মেশিনের ক্রুটি নিরূপণ ও ক্রুটিমুক্ত করণের কাজে মনোনিবেশ করতে পারবে বলে আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি।




অধ্যাপক মো. মাহবুবুল হক, পিএইচডি
বিভাগীয় প্রধান, 
টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, 
ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে চালু হয়েছে নতুন পদ্ধতির টেক্সটাইল ল্যাব ক্লাস

ডঃ  এম এ ওয়াজেদ মিয়া টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, রংপুর

প্রতিষ্ঠাকালঃ ২০১৮

সার্বিক দায়িত্বেঃ বাংলাদেশ আর্মি

অবস্থানঃ পীরগঞ্জ শহর থেকে ২২ কি মি ভিতরে,প্রায় দিনাজপুর সীমান্ত ঘেষে(পীরগঞ্জ শহর রংপুর শহর থেকে ৩৩ কি মি দূরে) যার পাশ দিয়ে বয়ে গেছে করতোয়া নদীর এক শাখা যা কলেজটিকে আরো দৃষ্টিনন্দন করেছে। 

ব্যাচ সংখ্যাঃ ২০১৮ তে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর এইবার ই ভর্তিকৃত,ভর্তিচ্ছু ও পরবর্তীতে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীরাই হবে এইবার প্রথম ব্যাচ।




বিশদ আলোচনাঃ 
কলেজটি বর্তমানে বুটেক্স(BUTex- Bangladesh University of Textile) কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত ৬ টি টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের মধ্যে একটি টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং  কলেজ যা এইচ এস সি বা সমমান পরীক্ষায় ন্যূনতম পয়েন্ট প্রাপ্তদের ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে বাছাইকৃত শিক্ষার্থীদের ৪ বছর মেয়াদী  বি এস সি ইঞ্জিনিয়ারিং ( BSC Engineering ) কোর্সে অধ্যয়ন করানো হয়। বিশিষ্ট পরমাণু বিজ্ঞানী ডঃ এম এ ওয়াজেদ মিয়া এর নামে তৈরীকৃত এই কলেজটির প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিজ তত্ত্বাবধানে কাজ চলছে।


ক্যাম্পাসটি তে রয়েছে ৬ তলা একাডেমিক ভবন,লাইব্রেরী,অত্যাধুনিক ল্যাব, সেমিনার, রয়েছে ছাত্রদের জন্যে ২ টি   ও ছাত্রীদের জন্যে একটি পূর্ণ সুবিধাযুক্ত আবাসিক হল, কর্মচারী ও শিক্ষকদের জন্যে আলাদা আবাসিক জায়গা।




এছাড়াও কলেজটির প্রকল্পে রয়েছে একটি মসজিদ,একটি ফুটবল খেলার মাঠ,একটি ভলিবল ও একটি বাস্কেটবল খেলার মাঠ। 

হলগুলোতে রয়েছে ৪৫০ টি সিট যা নিশ্চিত করে ১ম দিন থেকে আবাসিক হলে আসন সুবিধা। ২০১৮ সাল প্রথম ব্যাচ হওয়ায় এই কলেজটি একটি র‍্যাগিং ও রাজনীতিমুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। কলেজটিতে নিশ্চিত করা হয়েছে উন্নত যাতায়াত সুবিধার জন্যে কলেজ বাস।




২০১৮ সালে নির্মাণকৃত এই কলেজটির জন্যে নিয়োগ করা হয়েছে দক্ষ শিক্ষকবৃন্দ, যাদের  মধ্যে রয়েছেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় এ দীর্ঘদিন শিক্ষকতা করার অভিজ্ঞতাপূর্ণ শিক্ষক।

অনেকেই মনে করতেসেন নূতন এই কলেজে সুবিধাসমূহ অন্যান্য কলেজ এর থেকে কম হবে। কথাটি গ্রহনযোগ্য। কারন অন্যান্য কলেজ স্থাপিত হওয়ার দীর্ঘদিন ধরে চাহিদা অনুসারে প্রয়োজন মিটাতে পেরেছে। যেখানে এই কলেজের জন্যে ছিল খুব ই কম সময়। তবে প্রয়োজন সাপেক্ষে আমরা যেকোন সময় আমাদের চাহিদানুরুপ সামগ্রী পাব বলে আশ্বস্ত করেছেন কলেজের বর্তমান অধ্যক্ষ।



দ্রুত এগিয়ে চলছে কলেজটির নির্মান এর সম্পূর্ণতার কাজ। নিয়োগ করা হচ্ছে পর্যাপ্ত পরিমান ও পূর্ব অভিজ্ঞতাসম্পন্ন শিক্ষকদের।  

কলেজের প্রথম ব্যাচ হিসেবে আমরা শিক্ষার্থীরা সবাই ই আপনাদের কাছে সাহায্যপ্রার্থী। সকল ব্যাচমেট যারা রংপুর টেক্সটাইল কলেজে(আমাদের কলেজে) চান্স পেয়েও দো টানে আছো যে "নতুন এ সব পাব না" তাদের অনুরোধ জানাচ্ছি,"আসূন আমাদের কলেজে। সব দিক বিবেচনা ও পর্যবেক্ষন শেষে সিদ্ধান্ত আপনার।"


বড় ভাই-বোন,শিক্ষক শিক্ষিকাদের কাছে আমরা আশা করি পর্যাপ্ত সহযোগিতা পাব৷
সবার সহযোগিতা ই পারে একটি নতুন কলেজকে দেশের সামনে তুলে ধরতে।
সবার শুভ কামনা ও আয়ুস্কাল বৃদ্ধিকামনায়,

আমরা ডঃ এম এ ওয়াজেদ মিয়া টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের  শিক্ষার্থীবৃন্দ-২০১৮।
ভুল ত্রুটি ক্ষমাসুলভ দৃষ্টিতে দেখবেন।

Written credit :  
S.A. Shuvo
& Yeasir Arafat





ডঃ এম এ ওয়াজেদ মিয়া টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, রংপুর