টেক্সটাইলের টেকনিক্যাল নলজের গুরত্ব কেমন - Textile Lab | Textile Learning Blog
টেক্সটাইল বিষয়ে কারিগরি / টেকনিক্যাল নলজের গুরত্ব :

পোশাক তৈরী করা একটি শৈল্পিক কাজ আর যারা এই কাজের সাথে জড়িত তারা প্রত্যেকেই এক,এক জন নিপুণ ও দক্ষ শিল্পী বা কারিগর। কাজের মধ্যে যদি শৈল্পিকতার ছোয়া না থাকে তাহলে পোশাক যেমন মা্নসম্পন্ন হয়না তেমনি যারা এই কাজের সাথে জড়িত তাদের মধ্যে যদি শিল্পের ছোয়া না থাকে তবে তারাও দক্ষ শিল্পী হতে পারে না।
পোশাক কারখানায় যারা সুপারভাইজার হিসেবে কাজ করে তাদের যে সকল টেকনিক্যাল বা কারিগরি জ্ঞান থাকা দরকার তা হচ্ছেঃ-

১.  পোশাক তৈরির কাপড় সম্পর্কে ধারণা।

২.  কাপড়ের রং বা কালার সম্পর্কে ধারণা।

৩.  কাপড় ও এক্সসরিজ সাপ্লাই সম্পর্কে ধারণা।

৪. পোশাক কিভাবে তৈরী করা হয় বা পোশাক তৈরির ধাপ সমূহ বা লে-আউট সম্পর্কে ধারণা।

৫. সেলাই কাজে বাস্তব অভিজ্ঞতা।

৬.  যে মেশিন দ্বারা পোশাক তৈরী করা হয় তা সম্পর্কে ধারণা।

৭. পোশাকের গুনগত মান সম্পর্কে ধারণা।

৮. শ্রমিকদের কাজের দক্ষতা সম্পর্কে ধারণা।

৯.  শ্রমিক পরিচালনা সম্পর্কে ধারণা।

১০. শ্রমিক বাছাই ও নিয়োগ সম্পর্কে ধারণা।

১১.  পোশাক আমদানী ও রপ্তানী সম্পর্কে ধারণা।

১২. পোশাক তৈরির কাপড় সম্পর্কে ধারণা।

১৩. কাপড় তৈরির সূতা ও বুনন ভেদে কাপড়ের ভিন্নতা দেখা যায়।


যেমনঃ-
সূতি ,টুইল ,ডেনিম ,পিকে,জার্সি ইত্যাদি।সূতার কাউন্ট বা মোটা এবং চিকনের জন্যও কাপড় মোটা চিকন হয়।পোশাক তৈরির সময় মেশিন,গাইড ও ফোল্ডার সেট করতে হলে কাপড়ের তারতম্য বা ভীন্নতা জানা দরকার তা না হলে পোশাকের সেলিয়ের মান ও ধরন মানসম্পন্ন হবে না।
যেমন,মোটা ও শক্ত কাপড়ের জন্য ভারী ও মোটা প্রেসার ফিড এবং ফিড ডগ(দাঁত) ব্যবহার করতে হবে তা না হলে মেশিন কাপড়কে সেলাই করে টেনে সামনে দিকে নিতে পারবেনা।যার ফলে একই স্থানে একাধিক সেলাই হয়ে কাপড় ছিদ্র বা ছিঁড়ে যাবে। হালকা ও নরম কাপড়ে ছোট ও হালকা প্রেসার ফিড ও ফিড ডগ (দাঁত)ব্যবহার করতে হবে তা না হলে কাপড় সেলাই করার সময় কাপড় অতিরিক্ত টেনে নিয়ে সেলাই মাপ বড় ও আঁকাবাঁকা হবে।যার কারনে পোশাকের মান ঠিক থাকবেনা।

সব কাপড়েই বুননের ওয়ে বা দিক থাকে যা ঠিক রেখে পোশাক সেলাই করতে হয় তা না হলে পোশাকের গুনগত মান ঠিক থাকবে না। এছাড়াও আরো অনেক ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। অতএব পোশাক সুপারভাইজারের অবশ্যই কাপড়ের ধরন সম্পর্কে পরিপুর্ন জ্ঞান থাকা বাঞ্ছনীয়।
কাপড়ের রং বা কালার সম্পর্কে ধারণা।

তৈরী পোশাক কারখানায় সুপারভাইজার হিসেবে কাজ করতে হলে কাপড়ের কালার বা রং এবং কালার বা রং এর তারতম্য সম্পর্কে পূর্নাঙ্গ ধারণা থাকা বাধ্যতামূলক।কারন কাপড় যখন তৈরী করা হয় তখন সকল প্রকার কাপড়ের রং একই গ্রে বা ধূসর থাকে পড়ে ক্রেতার চাহিদা অনুসারে তাতে ভিন্ন-ভিন্ন রং করা হয়।আর এই রং যে কারখানায় করা হয় তার নাম ডাইং কারখানা।ডাইং করার সময় রঙের মিশ্রণের কোন কম-বেশী হলে কাপড়ের রঙের ভিন্নতা দেখা দেয়।এছাড়া আরও অনেক কারনে রঙের তারতম্য ঘটতে পারে।কিন্তু পোশাক তৈরী করতে গিয়ে যদি একাধিক রঙের কাপড়ের মিশ্রন ঘটে তবে পোশাকের মান ঠিক থাকবেনা ক্রেতা পোশাক ক্রয় করবে না।তাই যাতে একই পোশাকে একাধিক রঙের মিশ্রন না ঘটে সেজন্য বিশেষ খেয়াল রাখা হয়,আর যদি সুপারভাইজারের কালার না চেনে বা ধারণা না থাকে তবে কালার বা রঙের মিশ্রন বন্ধ করা সম্ভব না।

পোশাক কারখানায় উৎপাদন লাইনে কাপড় এবং মেশিন ছাড়া আর অন্য সব কিছুই ট্রীম এবং এক্সসরিজ হিসেবে গণ্য হবে।

নিচে কিছু ট্রীমস এর নাম দেওয়া হলঃ-
১. লেবেল :-
          ক.সাইজ লেবেল ( Size label )
          খ.ওয়াশ কেয়ার লেবেল ( Wash care label )
          গ.মেইন লেবেল ( Main label )
          ঘ.ব্রান্ড লেবেল ( Brand label )
          ঙ.ফ্লাগ লেবেল ( Flag label )
          চ.লুপ লেবেল ( Loop label )
          ছ.সিকিউরিটি লেবেল ( Security label )
২.সূতা ( Thread )
৩.জিপার / চেইন ( Zipper )
৪.বাটন/বোতাম ( Button )
৫.আইলেট ( Eyelet )
৬.স্নাপ বাটন ( Snap button )
৭.রিভেট ( Rivet )
৮.হেরিংবোন টেপ ( Herringbone tape )
৯.টূইল টেপ ( Twill tape )


নিচে কিছু এক্সসরিজ এর নাম দেওয়া হলঃ-
১.সকল প্রকার স্টিকার যেমন;
          ক.প্রাইজ স্টিকার ( Price sticker )
          খ.সাইজ স্টিকার ( Size sticker )
          গ.বার কোড স্টিকার (Bar-code sticker )
২.পলি ( Poly )
৩.ট্যগ ( Tag )
৪.ব্যক বোর্ড ( Back bord )
৫.নেক বোর্ড ( Neck bord )
৬.হ্যঙ্গার ( Hanger )
         
নিচে কিছু ট্রীমস এবং এক্সসরিজ এর নমুনা ছবি দেয়া হলঃ-


কাপড় ও এক্সসরিজ সাপ্লাই সম্পর্কে ধারণা।
পোশাক তৈরির প্রধান উপাদান হচ্ছে ফেব্রিক বা কাপড় ও এক্সসরিজ।বায়ার বা ক্রেতা এবং উৎপাদন কারখানার মধ্যেকার চুক্তি অনুসারে পোশাক তৈরী এবং রপ্তানী করা হয়,রপ্তানী চাহিদা এবং সময় বিবেচনায় কার্যাদেশ এবং কাপড় ও এক্সসরিজ প্রেরণ করা হয়।তবে সাধারণত রপ্তানী সময়ের তিন মাস পূর্বে কার্যাদেশ প্রদান করা হয়।তবে কোন কোন ক্ষেত্রে এর ভিন্নতাও হয়ে থাকে তা বায়ার/ক্রেতা ও উৎপাদন কারখানার প্রতিনিধিদের আলোচনার মাধ্যমে হয়ে থাকে। বাংলাদেশে থেকে যে সকল বায়ার/ক্রেতাগন পোশাক আমদানী করেন তাদের মধ্যে অনেকেই কাপড় ও এক্সসরিজ নিজে বা তাদের মনোনীত কোন উৎস বা মিল থেকে সাপ্লাই বা প্রেরণ করে থাকে।তবে অনেকে আবার উৎপাদন কারখানার প্রতিনিধির মাধ্যমেও সাপ্লাইর বাবস্থা করে থাকে।  কারখানায় পোশাক তৈরির তারিখ থেকে অন্তত দুই সপ্তাহ বা পনের দিন পূর্বে কাপড় এবং এক্সসরিজ কারখানার ভান্ডার বা গুদামে এনে মজুদ করে রাখতে হবে,যাতে কাজ শুরু হলে কোন কিছু সাপ্লাই কম না পরে।যদি পূর্ব মজুদ নিশ্চত না হয় তবে উৎপাদন কাজ ব্যহত হবে। 

নিচে কিছু গুদামের নমুনা ছবি দেওয়া হলঃ-


 
পোশাক কিভাবে তৈরী করা হয় বা পোশাক তৈরির ধাপ সমূহ বা লে-আউট সম্পর্কে ধারণা।
পোশাক তৈরিতে বিভিন্ন ধাপ বা পদক্ষেপ অবলম্বন করা হয়ে থাকে।প্রতিটি ধাপে ভিন্ন ভিন্ন ধরনের কাজ হয়।কাজের ধাপগুলো নিচে বর্ণনা করা হলঃ-
১.স্টোর/ভান্ডার/গুদাম ( Store )
২.ফেব্রিক চেক/ইন্সপেকশণ ( Fabric Inspection )
৩.ক্যড মার্কার ( Auto cad )
৪.স্যম্পল ( Sample )
৫.কাটিং ( Cutting )
৬.সুইং/সেলাই করা ( Sewing Line )
৭.ফিনিশিং ( Finishing )
৮.শিপিং গুদাম ( Shipping store/X-bond )



কার্টেসি : নেট থেকে নেয়া

টেক্সটাইলের টেকনিক্যাল নলজের গুরত্ব কেমন

টেক্সটাইল বিষয়ে কারিগরি / টেকনিক্যাল নলজের গুরত্ব :

পোশাক তৈরী করা একটি শৈল্পিক কাজ আর যারা এই কাজের সাথে জড়িত তারা প্রত্যেকেই এক,এক জন নিপুণ ও দক্ষ শিল্পী বা কারিগর। কাজের মধ্যে যদি শৈল্পিকতার ছোয়া না থাকে তাহলে পোশাক যেমন মা্নসম্পন্ন হয়না তেমনি যারা এই কাজের সাথে জড়িত তাদের মধ্যে যদি শিল্পের ছোয়া না থাকে তবে তারাও দক্ষ শিল্পী হতে পারে না।
পোশাক কারখানায় যারা সুপারভাইজার হিসেবে কাজ করে তাদের যে সকল টেকনিক্যাল বা কারিগরি জ্ঞান থাকা দরকার তা হচ্ছেঃ-

১.  পোশাক তৈরির কাপড় সম্পর্কে ধারণা।

২.  কাপড়ের রং বা কালার সম্পর্কে ধারণা।

৩.  কাপড় ও এক্সসরিজ সাপ্লাই সম্পর্কে ধারণা।

৪. পোশাক কিভাবে তৈরী করা হয় বা পোশাক তৈরির ধাপ সমূহ বা লে-আউট সম্পর্কে ধারণা।

৫. সেলাই কাজে বাস্তব অভিজ্ঞতা।

৬.  যে মেশিন দ্বারা পোশাক তৈরী করা হয় তা সম্পর্কে ধারণা।

৭. পোশাকের গুনগত মান সম্পর্কে ধারণা।

৮. শ্রমিকদের কাজের দক্ষতা সম্পর্কে ধারণা।

৯.  শ্রমিক পরিচালনা সম্পর্কে ধারণা।

১০. শ্রমিক বাছাই ও নিয়োগ সম্পর্কে ধারণা।

১১.  পোশাক আমদানী ও রপ্তানী সম্পর্কে ধারণা।

১২. পোশাক তৈরির কাপড় সম্পর্কে ধারণা।

১৩. কাপড় তৈরির সূতা ও বুনন ভেদে কাপড়ের ভিন্নতা দেখা যায়।


যেমনঃ-
সূতি ,টুইল ,ডেনিম ,পিকে,জার্সি ইত্যাদি।সূতার কাউন্ট বা মোটা এবং চিকনের জন্যও কাপড় মোটা চিকন হয়।পোশাক তৈরির সময় মেশিন,গাইড ও ফোল্ডার সেট করতে হলে কাপড়ের তারতম্য বা ভীন্নতা জানা দরকার তা না হলে পোশাকের সেলিয়ের মান ও ধরন মানসম্পন্ন হবে না।
যেমন,মোটা ও শক্ত কাপড়ের জন্য ভারী ও মোটা প্রেসার ফিড এবং ফিড ডগ(দাঁত) ব্যবহার করতে হবে তা না হলে মেশিন কাপড়কে সেলাই করে টেনে সামনে দিকে নিতে পারবেনা।যার ফলে একই স্থানে একাধিক সেলাই হয়ে কাপড় ছিদ্র বা ছিঁড়ে যাবে। হালকা ও নরম কাপড়ে ছোট ও হালকা প্রেসার ফিড ও ফিড ডগ (দাঁত)ব্যবহার করতে হবে তা না হলে কাপড় সেলাই করার সময় কাপড় অতিরিক্ত টেনে নিয়ে সেলাই মাপ বড় ও আঁকাবাঁকা হবে।যার কারনে পোশাকের মান ঠিক থাকবেনা।

সব কাপড়েই বুননের ওয়ে বা দিক থাকে যা ঠিক রেখে পোশাক সেলাই করতে হয় তা না হলে পোশাকের গুনগত মান ঠিক থাকবে না। এছাড়াও আরো অনেক ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। অতএব পোশাক সুপারভাইজারের অবশ্যই কাপড়ের ধরন সম্পর্কে পরিপুর্ন জ্ঞান থাকা বাঞ্ছনীয়।
কাপড়ের রং বা কালার সম্পর্কে ধারণা।

তৈরী পোশাক কারখানায় সুপারভাইজার হিসেবে কাজ করতে হলে কাপড়ের কালার বা রং এবং কালার বা রং এর তারতম্য সম্পর্কে পূর্নাঙ্গ ধারণা থাকা বাধ্যতামূলক।কারন কাপড় যখন তৈরী করা হয় তখন সকল প্রকার কাপড়ের রং একই গ্রে বা ধূসর থাকে পড়ে ক্রেতার চাহিদা অনুসারে তাতে ভিন্ন-ভিন্ন রং করা হয়।আর এই রং যে কারখানায় করা হয় তার নাম ডাইং কারখানা।ডাইং করার সময় রঙের মিশ্রণের কোন কম-বেশী হলে কাপড়ের রঙের ভিন্নতা দেখা দেয়।এছাড়া আরও অনেক কারনে রঙের তারতম্য ঘটতে পারে।কিন্তু পোশাক তৈরী করতে গিয়ে যদি একাধিক রঙের কাপড়ের মিশ্রন ঘটে তবে পোশাকের মান ঠিক থাকবেনা ক্রেতা পোশাক ক্রয় করবে না।তাই যাতে একই পোশাকে একাধিক রঙের মিশ্রন না ঘটে সেজন্য বিশেষ খেয়াল রাখা হয়,আর যদি সুপারভাইজারের কালার না চেনে বা ধারণা না থাকে তবে কালার বা রঙের মিশ্রন বন্ধ করা সম্ভব না।

পোশাক কারখানায় উৎপাদন লাইনে কাপড় এবং মেশিন ছাড়া আর অন্য সব কিছুই ট্রীম এবং এক্সসরিজ হিসেবে গণ্য হবে।

নিচে কিছু ট্রীমস এর নাম দেওয়া হলঃ-
১. লেবেল :-
          ক.সাইজ লেবেল ( Size label )
          খ.ওয়াশ কেয়ার লেবেল ( Wash care label )
          গ.মেইন লেবেল ( Main label )
          ঘ.ব্রান্ড লেবেল ( Brand label )
          ঙ.ফ্লাগ লেবেল ( Flag label )
          চ.লুপ লেবেল ( Loop label )
          ছ.সিকিউরিটি লেবেল ( Security label )
২.সূতা ( Thread )
৩.জিপার / চেইন ( Zipper )
৪.বাটন/বোতাম ( Button )
৫.আইলেট ( Eyelet )
৬.স্নাপ বাটন ( Snap button )
৭.রিভেট ( Rivet )
৮.হেরিংবোন টেপ ( Herringbone tape )
৯.টূইল টেপ ( Twill tape )


নিচে কিছু এক্সসরিজ এর নাম দেওয়া হলঃ-
১.সকল প্রকার স্টিকার যেমন;
          ক.প্রাইজ স্টিকার ( Price sticker )
          খ.সাইজ স্টিকার ( Size sticker )
          গ.বার কোড স্টিকার (Bar-code sticker )
২.পলি ( Poly )
৩.ট্যগ ( Tag )
৪.ব্যক বোর্ড ( Back bord )
৫.নেক বোর্ড ( Neck bord )
৬.হ্যঙ্গার ( Hanger )
         
নিচে কিছু ট্রীমস এবং এক্সসরিজ এর নমুনা ছবি দেয়া হলঃ-


কাপড় ও এক্সসরিজ সাপ্লাই সম্পর্কে ধারণা।
পোশাক তৈরির প্রধান উপাদান হচ্ছে ফেব্রিক বা কাপড় ও এক্সসরিজ।বায়ার বা ক্রেতা এবং উৎপাদন কারখানার মধ্যেকার চুক্তি অনুসারে পোশাক তৈরী এবং রপ্তানী করা হয়,রপ্তানী চাহিদা এবং সময় বিবেচনায় কার্যাদেশ এবং কাপড় ও এক্সসরিজ প্রেরণ করা হয়।তবে সাধারণত রপ্তানী সময়ের তিন মাস পূর্বে কার্যাদেশ প্রদান করা হয়।তবে কোন কোন ক্ষেত্রে এর ভিন্নতাও হয়ে থাকে তা বায়ার/ক্রেতা ও উৎপাদন কারখানার প্রতিনিধিদের আলোচনার মাধ্যমে হয়ে থাকে। বাংলাদেশে থেকে যে সকল বায়ার/ক্রেতাগন পোশাক আমদানী করেন তাদের মধ্যে অনেকেই কাপড় ও এক্সসরিজ নিজে বা তাদের মনোনীত কোন উৎস বা মিল থেকে সাপ্লাই বা প্রেরণ করে থাকে।তবে অনেকে আবার উৎপাদন কারখানার প্রতিনিধির মাধ্যমেও সাপ্লাইর বাবস্থা করে থাকে।  কারখানায় পোশাক তৈরির তারিখ থেকে অন্তত দুই সপ্তাহ বা পনের দিন পূর্বে কাপড় এবং এক্সসরিজ কারখানার ভান্ডার বা গুদামে এনে মজুদ করে রাখতে হবে,যাতে কাজ শুরু হলে কোন কিছু সাপ্লাই কম না পরে।যদি পূর্ব মজুদ নিশ্চত না হয় তবে উৎপাদন কাজ ব্যহত হবে। 

নিচে কিছু গুদামের নমুনা ছবি দেওয়া হলঃ-


 
পোশাক কিভাবে তৈরী করা হয় বা পোশাক তৈরির ধাপ সমূহ বা লে-আউট সম্পর্কে ধারণা।
পোশাক তৈরিতে বিভিন্ন ধাপ বা পদক্ষেপ অবলম্বন করা হয়ে থাকে।প্রতিটি ধাপে ভিন্ন ভিন্ন ধরনের কাজ হয়।কাজের ধাপগুলো নিচে বর্ণনা করা হলঃ-
১.স্টোর/ভান্ডার/গুদাম ( Store )
২.ফেব্রিক চেক/ইন্সপেকশণ ( Fabric Inspection )
৩.ক্যড মার্কার ( Auto cad )
৪.স্যম্পল ( Sample )
৫.কাটিং ( Cutting )
৬.সুইং/সেলাই করা ( Sewing Line )
৭.ফিনিশিং ( Finishing )
৮.শিপিং গুদাম ( Shipping store/X-bond )



কার্টেসি : নেট থেকে নেয়া

কোন মন্তব্য নেই: