Textile Lab | Textile Blog: Printing
ব্লক প্রিন্ট 
কাঠের উপর খোদাই বিভিন্ন ধরনের নকশার ব্লক দিয়ে রং লগিয়ে হাতের সাহায্যে কাপড়ে পছন্দ অনুযায়ী প্রিন্ট করাকে ব্লক প্রিন্ট বলে। ব্লককের সঠিক ইতিহাস বলা মুশকিল। তবে ধারনা করা হয়ে থাকে যে প্রাচ্যদেশ থেকে এই ব্লককের প্রচলন শুরু হয়। যা পরবর্তীতে ধীরে ধীরে সারা বিশেষ ছড়িয়ে পড়ে। হাত বা মেশিনের মাধ্যমে এই ব্লক দেয়া হয়ে থাকে। বর্তমানে এই শিল্পের উপর নির্ভর করে বংলাদেশে বিশাল বানিজ্য গড়ে উঠেছে।

 

ব্লক করার প্রয়োজনীয় কিছু জিনিস:

ব্লক করতে যে সকল জিনিসের প্রয়োজন হয় তার তালিকা নিচে দেয়া হলো।

উপকরণের নাম সমূহ:

টেবিল চামচ ও চা চামচ কাঠের স্কেল (৩৬-৪০ ইঞ্চি)

ছালা বা কম্বল বিছানো টেবিল চারকোনা ফ্রেমের তলায় রেক্সিন লাগানো ট্রে

পাতলা ফোম ব্রাউন পেপার

পেন্সিল কাঠের ব্লক

ইঞ্চি টেপ চট

রং মেশানোর জন্য কয়েকটি বাটি ব্রাশ

১টি বড় সাইজের টেবিল এপ্রোন



কি কাপড়ে ব্লক করা যায়:

সাধারণত সব ধরনের কাপড়েই ব্লক করা যায়। সুতি, পপলিন, জর্জেট ইত্যাদি কাপড় কিন্তু পশমী কাপড়ের বøক করা যায় না।

ব্লক করার আগে কাপড়ে করণীয়:

১. কাপড়টি যদি সুতি হয় তাহলে মাড়মুক্ত করে নিতে হবে। এর ফলে বøক স্থায়ী হবে।

২. কাপড়টি শুকানো পর আয়রন করতে হবে।
অন্য কাপড়ের ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য নয়।

ব্লক শেষে কাপড়ে করণীয়:

সব কাপড় ব্লক শেষে ২/৩ দিন কড়া রোদে দিতে হবে। রোদে দিতে না পারলে উল্টো পাশে ভালোভাবে আয়রন করে নিতে হবে।

ব্লকের টেবিল তৈরির নিয়ম:

আপনি যখন কাজ করবেন তখন কাপড়ের অনুপাতে টেবিল বা জায়গা নির্বাচন করে নিতে হবে। যে স্থানটি নির্বাচন করবেন সেটি যেন আলো বাতাসপূর্ণ হয়। কাঠের উপর একটি কম্বল বিছিয়ে তার উপর ছালা বিছিয়ে টেবিল তৈরি করতে হবে।

কালার ট্রে:

ব্লক করার সময় কালার ট্রে লাগে। এটি চারকোনা ফ্রেমের তলায় রেক্সিন লাগানো একটি ট্রে। পাতলা ফোম ভিজিয়ে পানি চেপে বের করে কালার এই ট্রের মধ্যে বিছিয়ে নিয়ে ২ ইঞ্চি ব্রাশের সাহায্যে ফোমের উপর রং লাগিয়ে দিতে হবে।

রং তৈরির নিয়ম:

হোয়াইট পেস্ট তৈরির নিয়ম নিউটেক্স তৈরির নিয়ম

টি. টি. পাউডার ৩ টেবিল চামচ নিউটেক্স ৩ টেবিল চামচ

অকজেল হাফ টেবিল চামচ অকজেল হাফ টেবিল চামচ

এপিটন ২ টেবিল চামচ এপিটন ২ টেবিল চামচ

বাইন্ডার ৫ টেবিল চামচ বাইন্ডার ৫ টেবিল চামচ

এন. কে ১ চা চামচ এন. কে ১ চা চামচ

রং মেশানোর সময় ভালোভাবে মেশাতে হবে। মেশানোর পর যদি আঠালো হয় তাহলে রং মেশানো ঠিক আছে। আর যদি পাতলা হয় তাহলে এর মধ্যে আরো একটু এপিটন দিয়ে মিশিয়ে নিতে হবে।

এফ-৫৩ + এপিটন + এন কে + আফসান (সোনালী/সিলভার) এক সাথে মিশিয়ে কাপড়ে আফসানের কাজ করতে হয়।

রং পরিবর্তন করার নিয়ম:

১. রং যদি বেশি ঘন হয় তবে বাইন্ডার দিয়ে পাতলা করতে হবে।

২. পাতলা হলে এপিটন বা নিউটেক্স দিয়ে ঘন করতে হবে।

৩. যদি বেশি গাড় হয় তবে অনেক সময় পানি ব্যবহার করা যাবে।

৪. কালো রং করার সময় বাইন্ডার কম দিতে হবে।

ব্লককের রং এই দুই পদ্ধতিতে হয়ে থাকে। এই রং এবং এই পদ্ধতিতে কামিজ, সালোয়ার এবং ওড়নাতে ব্লক করে দেখানো হবে।

বিভিন্ন ধরনের ছাপার পদ্ধতি:

ব্লক প্রিন্ট ছাড়াও অন্যান্য বহুবিধ পদ্ধতিতে কাপড়ে ছাপা করা হয়ে থাকে।

১. মেশিনে ব্লক পিন্ট

২. মেশিনে স্কিন পিন্ট

৩. হাতে ব্লক পিন্ট

৪. বাটিক প্রিন্ট

৫. কপার রোলার প্রিন্ট ইত্যাদি।

বাটিকের নিয়ম ও পদ্ধতি

কাপড়কে বেঁধে বিভিন্ন রংয়ে ভিজিয়ে যে নকশা করা হয় তাকে বাটিক বলে। বাটিক বিভিন্ন ধরনের হয়ে থকে।

১. সালফার বাটিক

২. ভ্যাট বাটিক

৩. প্রুশিয়ান বাটিক

৪. মোম বটিক ইত্যাদি।

 

সালফার বাটিক:

ক্রমিক নং উপকরণ পরিমান

১ সালফার রং ১ তোলা

২ সোডিয়াম ১ তোলা

৩ লবণ ১ টেবিল চামচ

৪ পানি ১.৫ লিটার

৫ কাপড় ১ গজ

প্রণালী: 
পছন্দমতো কাপড় ভাঁজ করে ভালোভাবে বেঁধে নিতে হবে। কাপড়টি ঠান্ডা পানি দিয়ে ভিজিয়ে নিতে হবে। এবার চুলায় পানি ফুটাতে হবে। পানি ফুটে গেলে প্রথমে লবণ, সোডিয়াম ও রং দিয়ে মিশিয়ে কাপড়টি দিয়ে দিতে হবে। এবার ৩০ মিনিট জ্বাল দিতে হবে। ৩০ মিনিট পর কাপড়টি তুলে ঠান্ডা পানিতে ভাল করে ধুয়ে রোদে শুকাতে হবে। এই ধরনের বাটিকের রং সহজে উঠে যায় না। এটি ৬টি রং এর হয়ে থাকে, যেমন: হলুদ, সবুজ, কালো, ব্রাউন, নীল ও জলপাই রংয়ের। এ ধরনের বাটিক শুধুমাত্র সুতি কাপড়ে করা হয়ে থাকে।

ভ্যাট বাটিক:

ক্রমিক নং উপকরণ পরিমান

১ ভ্যাট রং ১ তোলা

২ কস্টিক সোডা ৩ তোলা

৩ হাইড্রোজ ৩ তোলা

৪ পানি ১ লিটার

৫ কাপড় ১ গজ

প্রণালী: 

পছন্দমতো কাপড় ভাঁজ করে ভালোভাবে বেঁধে নিতে হবে। কাপড়টি ঠান্ডা পানি দিয়ে ভিজিয়ে নিতে হবে। এবার চুলায় পানি ফুটাতে হবে। পানি ফুটে গেলে প্রথমে কস্টিক সোডা, হাইড্রোজ ও রং দিয়ে মিশিয়ে কাপড়টি  দিয়ে দিতে হবে। এবার চুলা থেকে হাড়ি নামিয়ে ঐ গরম পানিতে ৩০ মিনিট রাখতে হবে। ৩০ মিনিট পর কাপড়টি তুলে সাথে সাথে পানি দিয়ে ধোয়া যাবে না। ১০ মিনিট অপেক্ষা করার পর ঠান্ডা পানিতে ভাল করে ধুয়ে রোদে শুকাতে হবে। এই ধরনের বাটিকের রং সহজে উঠে যায় না। এই ধরনের বাটিক সালফারের তুলনায় বেশি টেকসই হয়ে থাকে। পানি ফোটার পর ক্যেমিকেল দিতে হবে। তবে কস্টিক সোডা দেয়ার সময় চুলার জ্বাল কমিয়ে দিতে হবে। এটা পানিতে দেয়ার সাথে সাথে পানি ফুলে দ্বিগুন হয়ে যায়।

প্রুশিয়ান বাটিক:

ক্রমিক নং উপকরণ পরিমান

১ প্রæশিয়ান রং ১ তোলা

২ কাপড় ধোয়ার সোডা ২ টে. চা.

৩ লবণ ১.৫ টে. চা.

৪ পানি ৩ লিটার

৫ কাপড় ১ গজ


প্রণালী: 

প্রথমে সুতা দিয়ে কাপড়টিকে পছন্দমতো নকশা দিয়ে ভালোভাবে বেঁধে নিতে হবে। পরিমানমতো গরম পানি দিয়ে রং গুলে নিতে হবে। এবার একটি প্লাস্টিকের গামলায় ৩ লিটার পানি নিতে হবে। এবার এতে গোলানো রং দিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিতে হবে। এবার এর মধ্যে কাপড় দিয়ে একটি কাঠি দিয়ে নেড়ে চুবিয়ে দিতে হবে। এবার ১৫ মিনিট কাপড়টি ভিজিয়ে রাখবো। এরপর কাপড়টি তুলে অন্য একটি পাত্রে লবন গুলে গামলার পানিতে দিতে হবে। এবার কাপড়টি আবার ভিজিয়ে রাখবো ১৫ মিনিট। আবার কাপড়টি তুলে অন্য একটি পাত্রে সোডা গুলে গামলার পানিতে দিতে হবে। এবার কাপড়টি আবার ভিজিয়ে রাখবো ৩০ মিনিট। সুতি ও জর্জেট কাপড়ে এই রং ভালো হয়।
এই পদ্ধতিগুলো অনুসরন করে কামিজ, সেলোয়ার, ওড়না ও শাড়ীতে বাটিক করা যাবে।

মোম বটিক:

ক্রমিক নং উপকরণ পরিমান

১ সাদা মোম ১ পোয়া

২ লাল মোম হাফ পোয়া

৩ রজন ১ তোলা

৪ ব্রাশ ১টি

৫ ডাইস পছন্দমতো

প্রণালী: 

প্রথমে একটি কাপড়ে পছন্দমতো নকশা এঁকে নিতে হবে। একটি দস্তার বা সিলভারের পাত্রে মাপ মতো সাদা মোম, লাল মোম ও রজন নিয়ে চুলায় দিয়ে গলিয়ে নিতে হবে। এবার চুলা থেকে না নামিয়ে ব্রাশের সাহায্যে নকশার উপর মোম ব্রাশ করতে হবে। অথবা একটি পলিথিন বিছিয়ে তার উপর কাপড়টি রেখে ডাইসের সাহায্যে গোলানো মোম দিয়ে ব্লককের মতো করে ছাপ দিতে হবে। ছাপ দেয়া হয়ে গেলে মোম চুলা থেকে নামিয়ে রাখতে হবে। এই মোম এভাবে অনেকদিন পর্যন্ত ভালো থাকে। মোম লাগানোর একদিন পর রং করতে হয়। মোম কাপড়ে এমনভাবে লাগাতে হবে যেন কাপড়ের উভয় দিকেই লাগে।

রং করার  পদ্ধতি: 

মোম বাটিকের কাপড় প্রুশিয়ান রংয়ের মাধ্যমে করলে ভালো হয়। ভ্যাট রং দিয়েও করা যায় তবে সেক্ষেত্রে পানি একটু ঠান্ডা করে নিতে হবে।

ব্লক প্রিন্ট | Block Print

Screen print &  Heat Transfer: 
এই ২টা জিনিস খুব কাছাকাছি কিন্তু এক নয়। ফিনিশ গুডস বা ফাইনাল গুডস এ আমরা দুটাই দেখতে প্রায় একই দেখি।

Screen print হলো এক প্রকারের বলা যায় মেনুয়াল একটা কাজ। যা আপনাকে বায়ার এর রিকোয়ার্মেন্ট অনুযায়ী করতে হবে। এবং এর জন্য আপনাকে পুরা একটা সেকশন বানিয়ে সেখানে যাবতীয় ইনস্ট্রুমেন্ট সেট করে করতে হবে। এজন্য স্ক্রিন প্রিন্ট যেসব ফেক্টরিতে করে সেখানে পুরা আলাদা একটা ডিপার্টমেন্ট ই থাকে এটার জন্য। 

Screen print এবং Heat transfer দুটির ফলাফল প্রায় একই। 

আবার কিছু Screen print এর ক্ষেত্রে Heat transfer এর মেশিন ও প্রয়োজন হয়।

যেমন আমরা অনেক টি শার্ট দেখি যেখানে প্রিন্ট টা Puffed অর্থাৎ ফুলে উঠা। ঐসব Screen print করার পরে আবার হিট প্রেস করে এটি করতে হয়। 

আবার কোন কোন ক্ষেত্রে Screen print এ প্রলেপ বেশি দিলে অর্থাৎ Thickness বাড়িয়ে দিলে তখন সেটা অনেক সময় Heat transfer এর মতো লাগলেও তা নয়।

Heat transfer এর জন্য বড় কোন স্পেস বা একেবারে ডিপার্মেন্টাল আয়োজন করতে হয়না কারণ এটি হচ্ছে যাস্ট একটা সাপ্লায়ার কর্তৃক রেডি আইটেম যা ঐ আইটেম এর Data sheet ফলো করে একটা প্রেসিং মেশিনে ইজি ওয়ে তে করা যায়।

Heat transfer এর ক্ষেত্রে ২ ধরনের হয়।

একটি হলো একটা রেডিমেড আইটেম টা আপনি সরাসরি হিট দিয়ে বসিয়ে দিবেন।
যেটা অনেক টা ট্যাটু র মতো বলা যায়। এটাকে Heat seal ও বলা হয়।

আরেকটি হলো ঐ রেডিমেড আইটেম টা গার্মেন্টস এ বসিয়ে হিট দিলে ঐ আইটেম থেকে একটা কালার ট্রান্সফার হয়ে তা গার্মেন্টস এ ফিক্সড হয়ে যায়। সেক্ষেত্রে ফলাফল টা Screen print এর মতো লাগে। 

Heat transfer এবং screen print এই ২ টা জিনিস বুঝার জন্য শব্দ গুলোর দিকে তাকালে আরও ক্লিয়ার হবে। 

Heat Transfer > Heat এর সাহায্যে কোন একটা আইটেম কে লাগানো। Transfer এর মিনিং হলো হিট ট্রান্সফার এর আইটেম টা যখন আমরা লাগাই তখন সাপ্লায়ার এর আইটেমের ঐ লগো বা ডিজাইন টা গার্মেন্টস এ লেগে যায় অর্থাৎ মূল প্রয়োজনীয় আইটেম টা ট্রান্সফার হয়ে যায়। আর বাকিটা অপ্রয়োজনীয় অংশ হিসেবে আমরা তুলে ফেলি। 

Screen print হলো কোন একটা স্ক্রিনে (অর্থাৎ ফেব্রিকস এ) পেইন্টিং এর সাহায্যে প্রিন্ট করা। এবং এটাতে অনেক বড় একটা প্রসেসিং আছে। 


Thanks & Regards
Ishfaqul Wadud Khan
Senior Executive QA Auditor
LEVI'S (Denim Tops & Bottoms)
Ananta group.

Screen print এবং Heat Transfer এর পার্থক্য

প্রিন্টিং মেশিনের ক্লিনিং একটিভিটিঃ

আমাদের অল ওভার প্রিন্ট মেশিনের বন্ধের আগে ক্লিন করা হচ্ছে । এর ক্লিন প্রসেসটা একটু ডিফারেন্ট । প্রিন্টিং মেশিন হলে প্রিন্ট ডিপার্টমেন্ট এর মেজর মেশিন । প্রিন্ট মেশিনের মেজর পার্ট হচ্ছে এর ব্লাংকেট । বন্ধের আগে বা অনেক দিন অফ থাকলে মেশিন এর ব্লংকেট এবং তার ড্রায়ার পরিস্কার করা লাগে ৷ ড্রায়ার এর ফাইবার ডাস্ট গুলি এয়ার দিয়ে ক্লিন করা হয় ।

ব্লাংকেট পরিস্কার করার সময় এর আরো দুটা পার্ট ভালো করে পরিস্কার করা হয় সেটা হচ্ছে গামিং ডিডাইস আর ওয়াসিং ডিভাইস সাথে ব্লাংকেট আছেই।


একটা ব্লংকেটের দাম ১৫ লক্ষ টাকা । ব্লাংকেট নস্ট হলে পুরো মেশিনটা ইউজলেস হয়ে যায় ৷ ব্লাংকেট এর বেতর যে ময়লা থাকে সেটা হচ্ছে পিভিএ গাম সাথে পিগমেন্ট কালার এবং কালার পেস্টের ময়লা ।


প্রথমে ব্লাংকেট ভিম পাউডার দিয়ে নরম নীট ফেব্রিক দিয়ে ব্লাংকেট মাজা হয় ৷ ভিম দিয়ে পরিস্কার শেষ হলে এর পর এর জন্য থিনার ইউজ করতে হয় পিগমেন্ট কালার দুর করার জন্য । থিনার দেয়ার নিয়ম হচ্ছে ব্লাংকেটে স্ক্রিন আর রড দিয়ে প্রেশার দেয়া থাকে এর ভেতরে একটা ফেব্রিক দেয়া হয় প্রিন্ট করার মতো । ওই ফেব্রিক থিনার দিয়ে ভেজানো হয় । পরে ব্লাংকেট চালানো হয় আর স্ক্রিনের রড দিয়ে ফেব্রিক কে চেপে রাখা হয় ব্লাংকেটের সাথে ফেব্রিক ফিক্সড থাকে যেহেতু একে টানা হয়না । ব্লাংকেট ঘুরতে ঘুর‍তে এটা পরিস্কার হতে থাকে । ফাইনালি জেট পাউডার দিয়ে থিনার পরিস্কার করা হয় । গামিং ওয়াসিং ব্রাশ গুলি দাত মাজার ব্রাশ দিয়ে পরিস্কার করা হয় ।



এই গাম পেস্ট ব্লাংকেট এর গা থেকে পরিস্কার না করলে সেটা দৈর্ঘ দিন থেকে প্লাস্টিকের মতো হয়ে যাবে শুকিয়ে । তাই বন্ধের আগেই এটা ক্লিন করে নিতে হবে ।

প্রিন্ট মেশিনের ব্লাংকেট ক্লিন খুবি সেনসেটিভ অন্য মেশিনের তুলনায় । তাই অফিসার স্টেন্ডবাই দাড়িয়ে থেকে ক্লিন তদারকি করা উচিৎ ।


অলওভার প্রিন্টিং মেশিনের ক্লিনিং প্রসেস All Over Printing

রিয়েক্টিভ প্রিন্ট ফেব্রিক রেডিশ হয়ে যাবার প্রবনতা কেনো হয় সমাধানের উপায় কি?
🔶 এই প্রোবলেম অনেক বিষয়ের উপর নির্ভর করতে পারেঃ

১।ফেব্রিক কন্সট্রাকশন (যদি কটন,ভিসকস ছাড়া অন্য কোন উপাদান থাকে যেমন পলিয়েস্টার,নাইলন ইত্যাদি)

২। কালার কম্বিনেশনের প্রোবলেম।

৩। সোডিয়াম বাই কারবোনেট সহ বাকি কেমিক্যাল ভাল আছে কি না তা চেক করা।

৪। ফেব্রিকের ph প্রোবলেম

৫। ডাইসের প্রোবলেম।

৬। রিয়্যাক্টিভ ওয়াশিং প্রোসেস প্রোবলেম

৭। রিয়্যাক্টিভ ওয়াশিং ইনগ্রিডেন্টস এর প্রোবলেম।।
ইত্যাদি।।

৮। রিয়্যাক্টিভ প্রিন্ট প্রোপারলি ড্রাই না হলে।।
ইত্যাদি কারনে হতে পারে।


সমাধানের উপায়ঃ

1.রোটারি মেশিনের টেম্পারেচার ১৩০°c এর ঐ
উপরে দেয়া যাবেনা,

২.অনলাইন প্রসেস রাখতে হবে,প্রিন্ট এর পরে সাথে সাথে স্টীম, ওয়াশ করতে হবে,

৩.স্টেনটার এ ১ প্যাডার এ ফিক্সিং ই সি ও ২/৩% ব্যবহার করতে হবে,তাহলে রেডিশ ভাব অাসার সম্ভাবনা কমে যাবে

৪. কালার কম্বিনেশন সামান্য পরিমানে ব্লু+লেমন ইয়োল দিতে হবে। বা টার্কিশ এড করে দেয়া যেতে পারে গ্রীনিশ করার জন্য।

৫. কালার পেষ্টে ইউরিয়ার % ঠিক রাখতে হবে।

৬. বিফোর প্রিন্ট ফেব্রিক Ph চেক করে নিতে হবে।

৭. প্রিন্ট করার সময় ড্রায়ারের টেম্পারেচার ১২০°C - ১৩০°C রাখতে হবে।

৮. লুপ মেশিনে ষ্টীম কম বেশি করে দেখা যেতে পারে।যেমন (৮০০/১০০০/১২০০/১৫০০ ) Second টাইম (৭-১০)মিনিট।

৯. ফিনিশিং এর সময় H.Fixing ECO দিতে হবে। আশা করি রেডিস ভাব আসার সম্ভাবনা থাকবে না ।

১০. ভিসকোস ফেব্রিকের জন্য সঠিক ডাইজ কম্বিনেশন হচ্ছে MCT বা মনো ক্লোরো ট্রাইএজিন গ্রুপের ডাইজ । সেখানে ভিনাইল সালফোন গ্রুপের ডাইজ ইউজ করলে এটা কম্পলেক্স সল্ট ফর্ম করে । একারনে ফেব্রিক ফাইবার অনুযায়ী ডাইজ সিলেক্ট করতে হবে।

১১. রিয়েক্টিভ ডাইজ ব্লাকের টোন দুই রকম যেমন রেডিশ আরেকটা গ্রীনিশ । রেডিশ ব্লাকের সাথে রেড + গোল্ডেন ইয়োলো ইউজ না করাই ভালো । ভিসকোস হিটে ব্রাউন হয়ে রেড এমনিতেই বাড়িয়ে দেয় কটনের তুলনায়।

১২. ইউরিয়া 30 gram per liter দিয়ে স্টেনটারে ফিনিশ করলে রেড কেটে যাবে।

১৩. পিউর ব্লাকের জন্য নোভাক্রন Huntsman এর ব্লাক ডাইজ টা ভালোই।

উপরোক্ত বিষয়গুলো চেক করে দেখতে পারেন।



রিয়েক্টিভ প্রিন্টেড ফেব্রিক রেডিশ হয়ে যায় কেনো হয় সমাধানের উপায় কি ?

ডিসচার্জ প্রিন্টিং এ কেমিকেল রিএ্যাকশন টা কিভাবে হয়? কোন মূলক সক্রিয় মূলক হিসেবে কাজ করে??
Discharge agent বা Reducing agent এর কাজ হল ajo Group এর dyes দ্বারা কোন dark shade ডাইং করার পর তার উপর যদি কোন bright shade এর print করতে হয় তাহলে এই reducing agent dyed fabrics কে bleach করে এবং কাঙ্খিত shade আনতে সহায়তা করে। Discharge এজেন্টে মূলত zink sulphoxylates formaldehyde বিদ্যমান যা dyed fabric কে bleach করে


Sulphoxylate মুলক কি তাহলে আসল রিডউসিং এজেন্ট হিসেবে কাজ করে? নাকি ফরমালডিহাইড? আর ডাইস এর ক্রোমোফর গ্রুপের সাথে এই ২ মুলক এর কোনটা বিক্রিয়া করে? কম টেম্পারেচার এ কেন করে না?





Sulfoxylate হচ্ছে মেইন রিডিউসিং এজেন্ট formaldehyde না. আপনারা thioureadioxide যেটা ফরমালডিহাইড এমিট করে না . এটা পপুলার কারন এটা ইউজ করলে ফেব্রিক ওয়াস করা লাগেনা।





Discharge Printing এর কেমিকেল রিএ্যাকশনটা কিভাবে হয়?

ডিজাইন,  প্রিন্ট মেশিন,  কাপড়ের প্রকার  এবং এর shrinkage ভেদে প্রাথমিক ভাবে screen এ রিপিট কত %  বেশি রাখা উচিত।
রিপিট থেকে ২% বেশি রাখতে হবে
যদি লেকড়া কাপড় হয় তাহলে ৮ থেকে ১০% দিতে হবে

jodi Rotary screen er dai 64cm hoy. tobe 16cm .21cm o 32cm repeat a shrinkage deowa jabe na, woven fabrics  shrinkage dete hoy na. S/j fabrics 5% shrinkage dite hobe R Ly S/j  fafrics hou tobe 15 hote 20% shrinkage dite hobe.

Stripe design ar R/R 50 cm or 25 cm ,  L/sj or sj holay. Ai rokomoi hobe.

Rotary Screen এর ক্ষেত্রে Ly-S/J fabric Ly% এর উপর ভিত্তি করে 10-20% increase করা হয়ে থাকে। S/J fabric এর ক্ষেত্রে 6% দেয়া হয়ে থাকে।Flatbet M/C এ Shrinkage কম হয়ে থাকে তাই S/J fabric এ increase প্রয়োজন হয় না। Ly-S/j fabric এ 3-10% increase করা হয়ে থাকে।

সুতরাং: 640, 819, 914, 1020 এই চারটি reapeat এ measurement করা হয়ে থাকে।

বিশেষ দ্রষ্টব্য: সকল M/C এ Shrinkage  সমপরিমাণ  হয় না।

ধন্যবাদ সকলকেই, ভুলত্রুটি ক্ষমা দৃষ্টিতে দেখবেন।

ডিজাইন, প্রিন্ট মেশিন, কাপড়ের প্রকার এবং এর shrinkage ভেদে প্রাথমিক ভাবে screen এ রিপিট কত % বেশি রাখা উচিত

রেসিষ্ট প্রিন্ট কি? রেসিষ্ট প্রিন্ট কিভাবে করা হয় ?
যাই হোক রেসিস্ট এর মানে প্রতিহত করা।।
মানে যে কালার টা রেসিস্ট করা হবে তার উপরে অন্য কোন কালার বসতে পারবে না।

রিয়্যাক্টিভ রেসিস্ট করতে হইলে ২ টা গ্রুপের ডাইস ইউজ করতে হয়।

১।MCT (মোনো-ক্লোরো-ট্রাইজেন)

২।VNS (ভিনাইল সালফন)

এর সাথে রেসিস্টার ইনগ্রিডেন্ট (Rvs)  ইউজ করতে হয়।।
রেসিস্টার বিভিন্ন ব্রান্ডের হতে পারে। আমি যেহেতু RVS ইউজ করছি তাই rvs লিখলাম।।

আমি রিয়্যাক্টিভ রেসিস্ট করেছি।।অনেকেই বলে পিগমেন্ট রেসিস্ট করা যায়,তবে কিভাবে এটা আমার জানা নাই।

রেসিস্ট মুলত চিকন আউটলাইন ভিজিয়েবল করার জন্য, ক্রিটিক্যাল সিচুয়েশানে  থার্ড কালার আসলে ইত্যাদি কারনে রেসিস্ট করা যেতে পারে।।


রেসিস্ট করা হয় ভিনাইল সালফোনেট ডাইসকে। সোডিয়াম সালফাইট কেমিক্যাল mct ডাইসের সাথে ব্যবহার করতে হয়। সোডিয়াম সালফাইট থাকার কারনে এর উপর যখন ভিনাইল সালফোনেট ডাইস প্রয়োগ হয় তখন ভিনাইল ডাইস বন্ড করতে পারে না। ফলে ওয়াশিং এ ঐসব জায়গা থেকে আউট হয়ে যায়।



রেসিষ্ট প্রিন্ট কি ? রেসিষ্ট প্রিন্ট কিভাবে করা হয় ?

হোয়াইট পেস্ট এ বেরিয়াম এর মাএা বেশি হলে কমানোর উপায় কি?
H&M মেথড এ ৩০/৫০ হলেও Ovease এর মেথড এ ৩০০ প্লাস হয়,,তাদের রিকোয়েরমেন্ট ২৫০ এর নিচে,,, সাপ্লায়ার বলে হোয়াইট পেস্ট এ বেরিয়াম থাকবে, তাহলে করনীয় কি ? কিভাবে রিকভার করা যায়, অাশাকরি সবাই জানাবেন,

উত্তরঃ

প্রবলেমটা আমার কাছে একেবারে নতুন। বেরিয়াম ক্লোরাইড সাদা পাউডার তাই হয়তো টাইটানিয়াম ডাই অক্সাইডের সাথে মিশানো হয়। তবে আমার মনে হয় বেরিয়াম ছাড়াও সাদা পেস্ট হয়। আপনি অন্য সাপ্লায়ারের পেস্ট ট্রাই করতে পারেন। আমরা যেগুলি ব্যবহার করতাম সেগুলিতে কিন্তু এই সমস্যা হয় নাই। অনেকবার হেভি মেটাল টেস্ট করা হয়েছে কিন্তু বেরিয়াম পায় নাই।

আপনারা ব্রেন্ডেড আসুটেক্স হোয়াইট ERN & ERW ব্যবহার করতে পারেন । এর কোয়ালিটি ট্রাস্টেড ।


বেরিয়াম ক্লোরাইড টাইটেনিয়াম ডাই অক্সাইডের চেয়ে সস্তা । এই কারনে কস্ট সেইভিং এর জন্য টাইটেনিয়াম ডাই অক্সাইডের সাথে বেরিয়াম ক্লোরাইড ইউজ করা হয় । এই কারনে হোয়াইট পেস্ট কিনার আগে তার MSDS ম্যাটেরিয়াল সেইফটি ডাটা সিট দেখে কিনতে হবে তাতে উল্লেখ থাকে এটা কি দিয়ে তৈরী । ভালো কোয়ালিটির পেস্ট এই সমস্যা দুর করতে পারে ।



প্রিন্টিংয়ের হোয়াইট পেস্টে বেরিয়ামের মাএা বেশি হলে কমানোর উপায় কি?