Textile Lab | Textile Blog: News
টেক্সটাইল আবিষ্কার
প্রত্নতাত্ত্বিকেরা সনাক্ত করা টেক্সটাইলের প্রাচীনতম উদাহরণটি হ'ল প্রাক্তন সোভিয়েত জর্জিয়া রাজ্যের জজডজুয়ানা গুহায়। সেখানে এক মুঠো ফ্ল্যাক্স ফাইবার আবিষ্কার করা হয়েছিল যা মোচড়, কাটা এমনকি বিভিন্ন রঙের রঙিন করা হয়েছিল। তন্তুগুলি 30,000 থেকে 6,000 বছর আগে রেডিওকার্বন-তারিখের ছিল।

প্রথমদিকে কাপড়ের বেশিরভাগ ব্যবহার শুরু হয়েছিল স্ট্রিং তৈরির মাধ্যমে। আজ অবধি প্রাথমিকতম স্ট্রিং তৈরির বিষয়টি আধুনিক ইস্রায়েলের ওহালো II সাইটে চিহ্নিত করা হয়েছিল, যেখানে ১৯,০০০ বছর পূর্বে বাঁকানো ও প্লাইড প্ল্যান্ট ফাইবারের তিনটি টুকরো আবিষ্কার করা হয়েছিল এবং তারিখ পেয়েছিল।

জাপানের জোমোন সংস্কৃতি - বিশ্বের প্রথম মৃৎশিল্পীদের মধ্যে বিশ্বাসী - প্রায় 13,000 বছর আগে তারিখের ফুকুই গুহ থেকে সিরামিক জাহাজের ছাপ আকারে কর্ড তৈরির প্রমাণ দেখায়। প্রত্নতাত্ত্বিকেরা প্রাচীন এই শিকারি-সংগ্রহের সংস্কৃতি বোঝাতে জোমন শব্দটি বেছে নিয়েছিলেন কারণ এর অর্থ "কর্ড-প্রভাবিত"।

পেরুর অ্যান্ডিস পর্বতমালার গিটারেরো গুহায় আবিষ্কৃত দখল স্তরগুলিতে অ্যাগাভ ফাইবার এবং টেক্সটাইল টুকরা রয়েছে যা প্রায় 12,000 বছর আগে তারিখের ছিল। এটি আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সটাইল ব্যবহারের প্রাচীনতম প্রমাণ।

উত্তর আমেরিকার কর্ডেজের প্রথম উদাহরণটি হ'ল ফ্লোরিডার উইন্ডোভার বগে, যেখানে ৮,০০০ বছর আগে তারিখের বগ রসায়নটির বিশেষ পরিস্থিতিতে টেক্সটাইল সংরক্ষণ করা হয়েছিল (অন্যান্য জিনিসের মধ্যে)।

রেশম তৈরি, যা উদ্ভিদ উপাদানের চেয়ে পোকামাকড়ের ক্ষেত্রে উদ্ভূত সুতো থেকে তৈরি, চিনে লংশান আমলে খ্রিস্টপূর্ব ৩০০০০-২০০০ সালে আবিষ্কার করা হয়েছিল।

অবশেষে, দক্ষিণ আমেরিকার স্ট্রিংয়ের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ (এবং বিশ্বে অনন্য) ব্যবহার ছিল কমপক্ষে 5000 বছর আগে বহু দক্ষিণ আমেরিকান সভ্যতার ব্যবহৃত নট এবং রঙ্গিন তুলা এবং লামা উলের স্ট্রিং সমন্বিত যোগাযোগ ব্যবস্থা।

টেক্সটাইলের প্রচীন আবিষ্কার | The Ancient Invention of Textiles

**চলমান করোনা সংকট এবং আমাদের টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রি**


চলমান করোনা সংকটে টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রি নিয়ে অনেক স্ট্যাটাস নিউজফিডে ভেসে বেড়াচ্ছে।এই ভেসে বেড়ানো স্ট্যাটাসে যেমন সমালোচকদের বুদ্ধিদীপ্ত লেখা দেখেছি ঠিক তেমনি যারা কখনো এই সেক্টরে জব করেনি এমনকি কখনো কোন ম্যানুফ্যাকচারিং প্ল্যান্টেও জব করেনি তাদেরও অনেক নাতিদীর্ঘ স্ট্যাটাসও দেখেছি। এর অনেকগুলোই যৌক্তিক আবার অনেকগুলো এতোটাই অযৌক্তিক যে বিবেকের তাড়নায় ক্ষুদ্র জ্ঞানে এই সেক্টরের একজন ক্ষুদ্র সদস্য হিসেবে কিছু কথা লেখার প্রয়োজন অনুভব করছি। 


১) প্রথমে একটা কথা বলে নেই সেটা হচ্ছে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ইন্ডাস্ট্রি হচ্ছে টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রি এই কথা আমরা সবাই জানি। কিন্তু ঠিক কতটুকু বড়? BGMEA র ওয়েবসাইটের দেয়া তথ্যানুযায়ী ২০১৮-১৯ সালে বাংলাদেশের টোটাল এক্সপোর্ট ছিলো ৪০.৫ বিলিয়ন ডলার যেখানে এককভাবে রেডিমেড গার্মেন্টস সেক্টরের অবদান ছিলো ৩৪.১ বিলিয়ন ডলার যেটা কিনা টোটাল এক্সপোর্টের ৮৪.২১%।পার্সেন্টেজের হিসেবে তো বড় বটেই সংখ্যার হিসাবটা কিন্তু আরো বড়।আমরা জানি ১ মিলিয়ন সমান ১০ লাখ, ১০০০ মিলিয়ন সমান এক বিলিয়ন। অর্থাৎ ১০০ কোটিতে এক বিলিয়ন। তার মানে ২০১৮-১৯ সালে রেডিমেড গার্মেন্টস সেক্টর থেকে রপ্তানি বাবদ দেশে অর্থ এসেছে  মোটামুটিভাবে ৩৪০০ কোটি ডলার বা ২ লাখ ৭৮ হাজার ৮০০ কোটি টাকা (1 USD = 82 BDT হিসাবে)। এই টাকার পুরোটা কিন্তু দেশে রাখা যায়নি কেননা ফেব্রিক অথবা অন্যান্য ট্রিমস হয়তো বাহিরের দেশ থেকে ইমপোর্ট করা লেগেছে। যদি গড়ে ইমপোর্টেড আইটেম কস্টের ৬০% বাদও দেই তাহলেও দেখা যাবে  ৪০% অর্থ দেশে থেকে যাবে যার পরিমাণ ১ লাখ ১১ হাজার ৫২০ কোটি টাকা। এই টাকা ম্যানুফ্যাকচারিং ফ্যাক্টরি এবং তারা যেসব লোকাল সাপ্লায়ারের কাছ থেকে ম্যাটারিয়াল কিনেছে তাদের কাছে থাকছে। 


কেউ কি ধারনা করতে পারেন যে এই যে আনুমানিক ১ লাখ ১১ হাজার ৫২০ কোটি টাকা দেশে থাকছে তার দ্বারা কারা কারা উপকৃত হচ্ছে। সরাসরি বললে যারা গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রিতে জব করছে তারা উপকৃত হচ্ছে। সেই সংখ্যাটা কারো কারো মতে ৪.৫ মিলিয়ন বা ৪৫ লক্ষ। এখানে পোশাক শ্রমিক আছে, আছে মার্চেন্ডাইজার,আছে অফিস পিয়ন থেকে শুরু করে গার্মেন্টস ফ্যাক্টরির সবাই। আর কারা আছে? আছে যেসব সাপ্লায়ারদের কাছ থেকে গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিগুলো লোকাল ট্রিমস কিনে তাদের সাথে সংশ্লিষ্ট সবাই, আছে ব্যাংকগুলো। কেননা ব্যাংকগুলো সরাসরিভাবে এলসির মাধ্যমে ফ্যাক্টরিগুলোর প্রাথমিক অর্থের যোগান দেয়, তাছাড়া তাদের মাধ্যমে এতো পোশাক শিল্পের বিশাল সংখ্যক মানুষের মান্থলি স্যালারি ট্র্যানজেকশন হচ্ছে, নতুন একাউন্ট ওপেন হচ্ছে, সেভিংস একাউন্টে টাকা জমা হচ্ছে, নতুন নতুন ক্রেডিট কার্ড ওপেন হচ্ছে। আর কারা হচ্ছে? ফাইভ স্টার হোটেল থেকে শুরু করে, ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল, ডেভেলপার কোম্পানি, বাড়িওয়ালা, মুদি দোকানদারসহ আরো নানা স্তরের মানুষ এই পোশাক শিল্পের বৈদেশিক মুদ্রা থেকে উপকৃত হচ্ছে। এর মূল কারন হচ্ছে যেখানে ক্যাশ ফ্লো থাকে সেখানে বেনিফিটেড মানুষও বেশি থাকবে। আল্লাহ পাক না করুন যদি কোন কারনে পোশাক শিল্পের এই বৈদেশিক মুদ্রা আসা বন্ধ হয়ে যায় তবে যাদের কথা বললাম তারা কম বেশি সবাই ক্ষতিগ্রস্ত হবে। 


২)  প্রথম অংশে আমরা এই বিশাল সেক্টরের বিশালতা জানলাম। কিন্তু এই বিশালতার পিছনেও অন্ধকার আছে। দীর্ঘ চল্লিশ বছরে গড়ে উঠা এই সেক্টর আমার মতে এখনো সাসটেইনেবল ইন্ডাস্ট্রি হিসেবে পুরোপুরিভাবে গড়ে উঠতে পারে নাই। কারনটা কি হতে পারে? আমার কাছে যেই কারনটা মনে হয় সেটার আশীর্বাদ এবং অভিশাপ দুইটা দিকই আছে। আগে অভিশাপের ব্যাপারটা বলি। এই যে আমরা কথায় কথায় অনেকেই বলি যে মালিকরা এতো টাকা কি করে যে অনেকসময় ফ্যাক্টরি বন্ধ করে দিতে হয়,অনেক সময় স্যালারি দিতে পারে না। অধিকাংশ ফ্যাক্টরিগুলোতেই প্রভিডেন্ট ফান্ড কিংবা গ্র্যাচুইটির মতো সুবিধা নাই যার ফলে দীর্ঘ ১৫/২০ বছরও এই সেক্টরে জব করার পরও শেষ বেলায় অনেককেই শূন্য হাতেই বিদায় নিতে হয়। আবার অনেককেই মালিকরা মুখের কথায় কোন সময় দেওয়া ছাড়াই বিদায় করে দেয়।যার ফলে সেসব এম্পলয়ির জীবনে হঠাৎ করে ঘোর অন্ধকার নেমে আসে। আবার প্ল্যানিং ঠিক না থাকার কারনে কিংবা অতিরিক্ত ব্যাংক লোনের সাথে অর্ডার না থাকলে অনেক ফ্যাক্টরিকেই পথে বসে যেতে হয়। কেনো গার্মেন্টস মালিকরা প্ল্যানিং এবং সুনির্দিষ্ট কাঠামো এতো দিনেও দাড় করতে পারলেন না যার ফলে এই ধরনের ঘটনার সম্মুখীন হতে হয়? আজকে যদি এম্পলয়ীদের প্রভিডেন্ট ফান্ড আর গ্র্যাচুইটি থাকতো তাহলে ফ্যাক্টরি কোন কারনে বন্ধ হয়ে গেলেও প্রভিডেন্ট ফান্ড আর গ্র্যাচুইটির টাকা দিয়ে এম্পলয়িরা চাকরি হারানোর সেই প্রাথমিক ধাক্কা সামাল দিতে পারতো। পাশাপাশি তারাও মালিকের দুর্দিনে কিছুটা হলেও সহমর্মিতা দেখাতো। আর কারন ছাড়া এম্পলয়ি ছাটাইয়ের ব্যাপারেও মালিকদের দাম্ভিকতার সুনির্দিষ্ট কোন জবাব এই দীর্ঘ চল্লিশ বছরে এই সেক্টরের এম্পলয়িরা জানতে পারে নাই।






অভিশাপের পর যদি কিছুটা আশির্বাদের কথা বলতে চাই তাহলে সেটাও শুনুন। এই সেক্টরটা এমনি এমনি গড়ে উঠে নাই। এই সেক্টরের শ্রমিকরা যেমন ঘাম ঝড়িয়েছেন তেমনি মালিকদেরও হয়তো রাতের পর রাত ঘুম হারাম হয়েছে তার ইন্ডাস্ট্রিকে দাড় করাতে। কিছু কিছু মালিক আছেন যারা বিদেশে টাকা পাচার করেছেন কিংবা দুর্নীতি করেছেন। কিন্তু অধিকাংশ মালিকই দেখবেন তাদের টাকাগুলো আবার রিইনভেস্ট করেছেন।আমার কথা বিশ্বাস না হলে খোজ নিয়ে দেখবেন দেশের অধিকাংশ নতুন অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতে দেশের বড় বড় গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিগুলো নতুন করে ইনভেস্ট করছে যাতে কিনা লক্ষ লক্ষ মানুষ নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। যদিও তারা শ্রমিকদের টাকা কম দিয়ে লাভ বেশি করেছেন অথবা অন্যান্য যেসব সুযোগ সুবিধা দেওয়া উচিত ছিলো সেই অর্থ দিয়ে নতুন আরেকটা ইন্ডাস্ট্রি দাড় করিয়েছেন কিন্তু সেই ইন্ডাস্ট্রিতে দেখেন নতুন করে আবার ঠিকই আরো অনেক মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে। ফলে ধরুন যাদের ভাতের সাথে প্রতিবেলা মাছ খাওয়ার কথা ছিলো তারা সেটা পারছেনা কিন্তু যারা ভাত থেতে পারতো না তারা সেই ভাতের সুযোগ পেয়েছে। এই সেক্টরের শ্রমিক থেকে শুরু করে অন্যান্য এম্পলয়িরা অন্য অনেক সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত তাতে কোন সন্দেহ নাই কিন্তু দিনশেষে এটাও সত্য কথা যে এই সেক্টরের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নিন্ম শিক্ষিত শ্রমিক যারা রয়েছেন তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা আল্লাহ তায়ালা আজকে ঠিকই এই সেক্টরের মাধ্যমে করাচ্ছেন। আজকে আমরা আমাদের ন্যায্য অনেক দাবির কথাই বলছি এবং বলবো কিন্তু একইসাথে এটাও আমাদের মাথায় রাখা উচিত যে কালকে যদি এই ইন্ডাস্ট্রি না থাকে তবে দাবি তো দূরের কথা মাসের বাজারের টাকাও আদায় করতে পারবো না। সুতরাং এই ইন্ডাস্ট্রিকে মালিকদের স্বার্থে না বর্ং আমাদের নিজেদের স্বার্থেই আমাদের বাচিয়ে রাখতে হবে। 

৩) এবার আসুন চলমান করোনা প্রসঙ্গে কথা বলি। করোনা প্রসংগ শুরু করার আগে দুইটা ব্যাপারে আপনাদের ধারনা দিতে চাই। প্রথমটি হচ্ছে আপনারা অনেকেই হয়তো জানেন আমাদের দেশে টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রি চলছে প্রচলিত এলসির মাধ্যমে বা বলা চলে বাকির মাধ্যমে।একটু ভেঙ্গে বলি। বায়ার আপনাকে অর্ডার দেওয়ার সাথে সাথেই কিন্তু টাকা পাঠায় দেয় না। 


গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিগুলোকে প্রাথমিকভাবে ব্যাংকের সহায়তায় ব্যাক টু ব্যাক এলসির মাধ্যমে সবকিছু নিজেকে কিনে আনতে হয়।এরপর শিপমেন্ট করার পর প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস সাবমিট করলে বায়ার টাকা ট্রান্সফার করে। এখানে কিন্তু গার্মেন্টস ফ্যাক্টরি গুলোর অনেক বড় রিস্ক থেকে যায় যা কিনা করোনার কারনে আমাদের গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিগুলো পড়তে যাচ্ছে। দ্বিতীয় ব্যাপারটি হচ্ছে বহির্বিশ্বের সাপ্লাই চেইন কিংবা পন্য ব্যবস্থাপনা আর আমাদের দেশেরটা কিন্তু এক না। আমরা বছরের পর বছর একই জামা পড়ি, ছিড়ে গেলে পট্টি লাগায় পড়ি।ফ্যাশন হাউজগুলোর দুই তিন বছর ধরে ঝুলে থাকা জিনিসও আমরা পছন্দ হলে একই দামে কিনি। আবার এক সিজনের জামা অন্য সিজনেও একই দামে কিনি। কিন্তু বহির্বিশ্বের মার্কেট এবং কনজিউমার অনেক আপডেটেড এবং ফাস্ট। তারা প্রতি সিজনের শুরুতেই নতুন প্রোডাক্ট কিনার জন্য মার্কেটে হুড়োহুড়ি শুরু করে,আমাদের দেশ থেকে ১০ ডলারে কিনে ৫০ ডলারে বিক্রি করা প্রোডাক্ট ও তাদের স্টোরে কয়েক সপ্তাহ যাওয়ার পর ডিসকাউন্টে দাম কমতে থাকে। যাহোক যেটা বলতে চাচ্ছিলাম, তারা তাদের প্রোডাক্টের ইনভেনটরি খুব সুন্দরভাবে মেইনটেইন করে। আমাদের দেশ থেকে গার্মেন্টস গুলো শুরুতে তারা তাদের ডিস্ট্রিবিউশন সেন্টার বা সেন্ট্রাল ওয়ারহাউজে রাখে। সেখান থেকে তারা বিভিন্ন ছোট ছোট স্টোরগুলোতে পাঠিয়ে দেয়। ছোট ছোট স্টোরগুলোর চাহিদার ব্যাপারে তাদের আগে থেকেই মার্কেট এনালাইসিস করা থাকে ফলে সবকিছু মোটামুটি প্ল্যানমাফিক করা থাকে যে কখন বাংলাদেশ থেকে গার্মেন্টস শিপ করা হবে, কবে তাদের পোর্টে পৌছাবে, কবে তাদের ডিস্ট্রিবিউশন সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হবে আর কবে তাদের স্টোরে ডিসপ্লে করবে।
উপরের দুইটি ব্যাপার আগে থেকে বলে নিলাম এই কারনে যাতে করোনা ক্রাইসিস সম্পর্কে বলতে সুবিধা হয়। আরেকটা ব্যাপার একটু বলে নেই, গত বছরের ৩৪.১ বিলিয়ন ডলার রেডিমেড গার্মেন্টস এক্সপোর্টের মধ্যে USA তে ৬.১ বিলিয়ন ডলার, জার্মানিতে ৫.৮ বিলিয়ন ডলার, UK তে ৩.৮ বিলিয়ন ডলার, স্পেনে ২.৪ বিলিয়ন ডলার, ফ্রান্সে ২ বিলিয়ন ডলার, ইটালিতে ১.৫ বিলিয়ন ডলারের প্রোডাক্টস এক্সপোর্ট করা হয়েছিলো। অর্থাৎ যেসব দেশে করোনা সবচেয়ে মারাত্মক ভাবে আঘাত হেনেছে সেসব দেশগুলোতেই প্রায় ২২ বিলিয়ন ডলারের উপর প্রোডাক্টস এক্সপোর্ট করা হয়েছিলো। এবার আসি মূল পয়েন্টে। করোনা যখন দেশগুলোতে আঘাত হানলো তখন কি সমস্যা দেখা দিলো? ফেব্রুয়ারি - মার্চের দিকেই মারাত্মক করোনা আক্রান্ত দেশগুলোতে সুপারশপ আর প্রয়োজনীয় স্টোরগুলো ছাড়া বাকিগুলো বন্ধ করে দিতে হলো। ফলে স্টোরে যেসব পন্য ছিলো সেগুলো স্টোরেই পড়ে রইলো।অন্যদিকে কেউ তো আর বুঝে নাই যে করোনা এতো বাজেভাবে আঘাত হানবে তাই ডিস্ট্রিবিউশন সেন্টারগুলো আগের শিপমেন্ট করা গুডস লোড করলো। এখন সমস্যা হয়ে দাড়ালো যে স্টোরগুলো যেহেতু বন্ধ তাই নতুন করে ডিস্ট্রিবিউশন সেন্টার থেকেও প্রোডাক্ট স্টোরগুলোতে যাচ্ছে না ফলে বায়াররা নতুন করে যেগুলো বাংলাদেশ থেকে শিপমেন্ট করার কথা সেই অর্ডারগুলো নিয়ে বিপাকে পড়ে গেলো।যেহেতু বাংলাদেশ থেকে প্রচুর পরিমানে প্রোডাক্টস বায়ারদের নির্দিষ্ট ডিস্ট্রিবিউশন সেন্টারে যায় সেহেতু তারা নতুন প্রোডাক্ট রাখতে পারবে না দেখে যেসব অর্ডার কনফার্ম করা হয়েছিলো সেই অর্ডার বাতিল করা শুরু করলো। এখন কথা হচ্ছে এভাবে হুট করে বায়ার অর্ডার বাতিল করলে বাংলাদেশের গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিগুলোই বা কেনো মেনে নিবে? কেননা তারা তো অলরেডি এলসির মাধ্যমে সাপ্লায়ারদের কাছ থেকে ফেব্রিক এবং অন্যান্য ট্রিমস কিনে নিয়ে আসছে। এখন বায়ার অর্ডার বাতিল করলে সেটার দায়ভার তো বায়ারের নেওয়ার কথা।


বহুত গুনীজন এখন বলবেন এতোদিন গার্মেন্টস মালিকরা অনেক কামাইছে এইবার অর্ডার বাতিল করলে তাদের সমস্যা নাই কিংবা এইটা মালিকদের ব্যাপার। এইসব গুনীজনদের বলছি আপনার কি ধারনা আছে যে এতো অর্ডার বাতিল করলে সেটার লোকসান গার্মেন্টস মালিকরা কিভাবে সামাল দিবে? অনেকে আমাকে বলতে পারেন আমি মালিকদের হয়ে দালালি করছি। কেউ যদি এটা ভেবে থাকেন তাহলে বলবো, অন্য আরো আটদশজন এম্পলয়ির মতো আমিও এই সেক্টরের একজন খেটে খাওয়া এম্পলয়ি। এতোগুলো কথা বলছি এই কারনে যে, গার্মেন্টস মালিকদের অবশ্যই দোষ আছে কিন্তু যতটুকু বাস্তবতা আমি নিজে বুঝতে পারছি ঠিক ততটুকু আপনাদেরও জানানো যাতে কোন ভুল ধারনা নিয়ে না থাকেন। 


যাহোক গার্মেন্টস মালিকদের লোকসান নিয়ে যেটা বলছিলাম।যদিও আমি সরাসরি কোন মালিকপক্ষের সাথে কথা বলি নাই। কিন্তু একটু ধারনা নেওয়ার চেষ্টা করি যে ফ্যাক্টরিগুলো কি পরিমানে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। আমি প্রথমে যেই কোম্পানিতে জব শুরু করি তাদের ইয়ারলি টার্নওভার ৫০০ মিলিয়ন ডলার। তাহলে গড়ে প্রতিমাসে টার্নওভার ৪১.৬৬ মিলিয়ন ডলার। যদি এই ফ্যাক্টরির সব বায়ার দুই মাসের অর্ডার বাতিল করে যার অর্ডারের সবকিছু অলরেডি ফ্যাক্টরিটি এলসির মাধ্যমে নিয়ে আসে তাহলে সেই দুই মাসের শিপমেন্টযোগ্য অর্ডারের ভ্যালু আসে ৮৩ মিলিয়ন ডলারের মতো। এখন যদি ধরেও নেই যে, মালিক প্রতি অর্ডারের বিপরীতে ১৫% লাভ করেন তবে তার লাভের অংক বাদ দিলেও এই বাতিল অর্ডারের জন্য তার লায়াবেলিটি ৭০.৮৩ মিলিয়ন ডলার বা বাংলা টাকায় ৫৮০ কোটি ৮০ লাখ টাকা (!!!!)। আপনার কাছে কি এই টাকাটা নিতান্তই সামান্য মনে হয়? এই কোম্পানির ম্যানপাওয়ার ৫০ হাজারেরও বেশি এবং আমি যদ্দুর জানি মীরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলে তারা নতুন ইন্ডাস্ট্রি করার জন্য কয়েকটি প্লটও কিনেছে। এখন যদি বায়াররা আদতেও ক্ষতিপূরণ দেওয়া ছাড়াই এই কোম্পানির পুরো দুই মাসের অর্ডার বাতিল করে তাহলে নিঃসন্দেহে এটা তাদের জন্য অনেক বড় একটা ধাক্কা হবে এবং একইসাথে তাদের নতুন প্রজেক্টসহ বর্তমান এমপ্লয়িদের উপরও এটার বিরূপ প্রভাব পড়বে। এরকম করে ছোট বড় সব গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিগুলো বিপদে পড়বে যদি বায়াররা কোন ক্ষতিপূরণ দেওয়া ছাড়াই অর্ডার বাতিল করে। 


যেহেতু মাননীয় প্রধানমন্ত্রী রপ্তানিমুখী শিল্পের এমপ্লয়ীদের বেতন বাবদ ৫০০০ কোটি টাকার একটি প্রনোদনা দিয়েছে সেহেতু এটা আমাদের জন্য অবশ্যই একটা আশার আলো তবে এই দুঃসময়ে মন থেকে অন্তত এতোটুকু দোয়া করবেন যাতে এই বেতন নেওয়া যাতে আমাদের এই ইন্ডাস্ট্রি থেকে শেষ বেতন নেওয়া না হয় এবং আমাদের গার্মেন্টস মালিকগুলো যাতে এই দু:সময় থেকে ঘুরে দাড়াতে পারে। এটা গার্মেন্টস মালিকদের জন্য দোয়া না বরংচ আমাদের নিজেদের জন্য নিজেদের দোয়া।

লিখেছেনঃ আসিফ আজগর 

চলমান করোনা সংকট এবং আমাদের টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রি

যে কারখানায় ৮ হাজার শ্রমিককে খাবার দেওয়া হয় বিনামূল্যে



ঘড়ির কাঁটা বেলা ১২টায় পৌঁছানো মাত্রই সব ব্যস্ততা ছুটি নিলো কারখানার। শ্রমিকরা একে একে পৌঁছতে শুরু করলেন ডাইনিং-এ। সারিবদ্ধভাবে প্লেটে নিতে শুরু করলেন সবজি, মাংস। তারপর যে যেখানে জায়গা পাচ্ছেন, সেখানে বসেই খাচ্ছেন ও গল্প করছেন। এদৃশ্য ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের পাশেই ধামরাইয়ে সারা’র মাদার ব্রাঞ্চ স্নোটেক্স আউটারওয়্যারে নিত্যদিনই দেখা যায়। 



টিফিন বক্স ছাড়াই প্রতিদিন অফিসে আসেন অন্তত ৮ হাজার শ্রমিক। দুপুরে খাবার খান অফিসেই। সাড়ে ৮ হাজার কর্মীর মানসম্মত খাবারের ব্যবস্থা করা হয় প্রতিষ্ঠানটির নিজস্ব অর্থায়নে। কর্মীদের খাবারের পেছনে ব্যয়কে কোম্পানির জন্য ইতিবাচক বলেই মনে করছে প্রতিষ্ঠানটি। স্নোটেক্সের দায়িত্বশীলদের মতে, কর্মীরা ভালো খেতে পারলেই সুস্থ থাকবে।



ডাইনিংয়ে পরিবেশিত খাবার স্বাস্থ্যসম্মত। খাবার পরিবেশনের আগে নিরীক্ষা করা হয় নিজস্ব ল্যাবে। তারপর করা হয় বিতরণ। খাবারে পার্থক্য নেই কোনও পদ অনুযায়ী, একই খাবার থাকে সবার জন্য।
এত মানুষের বিনামূল্যে খাবার আয়োজনের চিন্তা কিভাবে এলো জানতে চাইলে স্নোটেক্সের এমডি এস.এ.খালেদ বলেন, ‘তারা সেই সকালে খাবার বাসা থেকে আনে, সে খাবারটা দুপুর পর্যন্ত রাখলে পুষ্টিমান ঠিক থাকে না। আবার বাসা থেকে খেয়ে আসাও কষ্টকর। আমরা যদি এখানে খাবারের ব্যবস্থা করি, ওরা ওদের ব্রেকের ১ ঘন্টার ১০-১৫ মিনিটে খেয়ে নিয়ে বাকি সময় বিশ্রাম করতে পারে। এই বিশ্রাম ও পুষ্টিকর খাবার স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে। ওদের প্রতি এইটুকু দৃষ্টি দেওয়াকে আমরা নিজেদের দায়িত্ব মনে করি।’


প্রতিদিনই শ্রমিক-কর্মকর্তা-কর্মচারী সবার জন্য রান্নার আয়োজন করা হয়। খাবারের তালিকায় ভাত, মাছ,  শাক-সবজি, ডাল মুরগি ও ডিম থাকে। সপ্তাহে প্রতিদিন ভাত, ডাল ও সবজি, একদিন মাংস, একদিন ডিম ও একদিন স্পেশাল খিচুড়ি। বছরের প্রথম দিন কর্মীদের খাওয়ানো হয় বিরিয়ানি।
ডাইনিংয়ে খাবার খেতে আসা জিপিকিউসি আল মামুন বলেন, ‘আগে বাসায় গিয়ে খেয়ে আসতে কষ্ট হতো,  ক্লান্তি আসতো। এখন খাবার খেয়ে বিশ্রাম করতে পারি। খাবারের  মান-স্বাদ দুইটাই ভালো।’
ডি ফ্লোরে কাজ করেন সুমি। তিনি বলেন, ‘আগে যেখানে কাজ করতাম খাবার পেতাম না। এখানে খাবার দেওয়া হয়। খাবারের মানও ভালো। গরম খাবার খাওয়ার পর কাজেও মন বসে।’


স্নোটেক্স আউটারওয়্যারের সাত তলায় ডাইনিং। ডাইনিংয়ে লম্বা বেসিনে বিশুদ্ধ খাবার পানি ও হাত ধোয়ার পানির ব্যবস্থা। হুড়োহুড়ি ছাড়াই লাইনে দাঁড়িয়ে শ্রমিকরা নেন সবজি এবং ডিমের ঝোল বা মাংস। তরকারি নিয়ে যে যেখানে জায়গা পাচ্ছেন সেখানেই বসে যাচ্ছেন। প্রতিটা টেবিলেই আছে গরম ধোঁয়া ওঠা ভাত ও ডাল। যতখুশি নেওয়া যাবে ভাত ও ডাল। খাওয়া শেষে প্লেট ধোয়ার জন্যও আছে নির্দিষ্ট জনবল।




ডাইনিং এর দায়িত্বে থাকা সহকারী পরিচালক জয়নুল হোসেন বলেন, ‘মোট ৫ ব্যাচে আমরা খাওয়ানো সম্পূর্ণ করি,  প্রতি ব্যাচে ১৪০০ জন একসাথে বসে। প্রতিটা ডেকের খাবার খাওয়ানোর আগে ল্যাবরটরিতে মাইক্রোবাইয়োলজিস্ট চেক করে নেন। এছাড়াও আমাদের কোয়ালিটি টিম খাবার ও কাঁচামালের মান যাচাই করে।’
স্নোটেক্সের আউটারওয়্যারে আছে সবজি ও ফুল বাগান, সবুজ মাঠ, খেলাধুলার জন্য প্লে-গ্রাউন্ড, বাঁধানো পুকুর। এছাড়াও কর্মচারীদের শিশুদের জন্য আছে ডে-কেয়ার।



এতবড় আয়োজন কীভাবে করেন জানতে চাইলে প্রধান বাবুর্চি আব্দুর সবুর একগাল হেসে বলেন, ‘আমার সাথে আরও ২৫ জন আছে। প্রতিদিন ভোর ৫টা থেকে কাজ শুরু করি। আগের দিনই সবজিগুলো প্রসেস করে রাখা হয়। ১১টা থেকে সাড়ে এগারোটার মধ্যে রান্না শেষ করে ডাইনিংয়ে আনি। এখানে ৫ বছর কাজ করছি, খুব ভালো লাগে স্নোটেক্স।  এখানে একই খাবার ক্লিনার যেমন খান, এমডিও খান।’


মাইক্রোবাইয়োলজিস্ট রাকিবুর রহমান বলেন, ‘আমি ১ বছর ধরে এখানে কাজ করছি। প্রত্যেক দিনই প্রতিটা কন্টেইনার থেকে স্যাম্পল এনে সার্ভের আগে টেস্ট করা হয়। মূলত প্রেস্টিসাইড ডিটেকশন কার্ড ও ইউএসএ থেকে আমরা একটা কিট আনি যা দিয়ে পয়জন আছে কিনা দেখা হয়।’




স্নোটেক্স আউটওয়্যারের প্রবেশ ফটকের ডান পাশে ডে কেয়ার। ডে কেয়ারে দেখা মিললো ৪ বছর বয়সী বায়েজিদ ব্যস্ত বল খেলতে। বায়েজিদের সাথে আরও আছে ৩ বছর বয়সী তামিম ও রাফিদ, ২ বছর বয়সী লামি। রাফিদ-লামিদের মা কারখানায় ব্যস্ত সময় পার করলেও ডে কেয়ারে ইলোয়ারা আপাদের সাথে আনন্দের সময় কাটছে তাদের। সকাল থেকে তাদের খাওয়া-গোসল সবই ডে কেয়ারে। কেয়ার গিভার ইলোয়ারা জামান বলেন, ‘ডে কেয়ারে আমরা দায়িত্বে আছি তিন জন। বাচ্চাদের খাওয়া-ঘুম সবকিছুই আমরা দেখি। ওদের দুধ-সুজি থেকে ওষুধ কোম্পানি থেকেই দেওয়া হয়।’
শ্রমিকদের পিছনে এত ব্যয় করেও লাভবান হচ্ছেন কী করে এমন প্রশ্নের জবাবে স্নোটেক্সের এমডি এস.এ খালেদ বলেন, ‘এখানে যারা কাজ করছে তাদের জন্য ভালো একটা কাজের পরিবেশ নিশ্চিত করা আমাদের উদ্দেশ্য। লেবার ল অনুযায়ী সকল সুবিধা নিশ্চিত করার পরও আমরা ফ্রিল্যান্স দিই, প্রভিডেন্ট ফান্ড দিই। এ বছর পারফর্মেন্সের উপর ১৫% শেয়ার দেওয়া হবে লাভের। এতে আমাদের উৎপাদনশীলতা বাড়ে, আমরা বায়ারকে একটু কমে দিতে পারি। মূলত, সবার ভালোবাসার পাশাপাশি শ্রমিকদের শ্রমেই আমরা এতদূর আসতে পেরেছি। সেটি ভুলে গেলে চলবে না।’



Welcome to Snowtex Group


Dhaka-based Snowtex Outerwear Ltd. is the partner factory from Bangladesh for Decathlon

CONTACT US
 INFO@SNOWTEX.ORG
 01777335242
 SNOWTEX (CORPORATE OFFICE), AVENUE - 02, ROAD -13,HOUSE -1322, MIRPUR DOHS, DHAKA-1216, BANGLADESH.

10,000 TOTAL WORKERS  

1,800 TOTAL STAFF

17 TOTAL PARTNERS  

04 TOTAL FACTORIES


সুবর্ণ আসসাইফ
Bangla Tribune 

যে কারখানায় ৮ হাজার শ্রমিককে খাবার দেওয়া হয় বিনামূল্যে : Snowtex Group | Snowtex Outerware Ltd

গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রিতে রোবোটিক্স।



১৯৯৮ সালে ইয়াংওয়ান ঢাকা ইপিজেড ফ্যাক্টরিতে এসিস্টেন্ট ম্যানেজার মার্চেন্ডাইজিং হিসেবে জয়েন করার পর থেকেই একটা মাস্টার্স পাস কেরানী মনে হতে লাগলো নিজেকে। ডিপার্টমেন্ট এ লোকবল এর তুলনায় কম্পিউটার কম ছিল তখন। তারপরেও সারাদিন শুধুই এক্সেল আর ইমেইলের উপরেই জীবনযাপন , একটার পর আরেকটা স্ট্যা
টাস রেডি করা, 

সাপ্লায়ার দের অনবরত ফোন কল, শিপমেন্টের রাতে, বারোটা পর্যন্ত এসোর্টমেন্ট মিলানো, রুটিন মাফিক নুরুর রহমান ভাইয়ের ঝাড়ি খাওয়া। অঘটনের সংবাদ পেয়ে ফ্লোরে ছুঁটে যাওয়া, জিপার অর্ডার ভুল, সুতা কম আসছে , ফ্যাব্রিক কনসাম্পশন ঠিক মতো দেয়া হয়নি, বায়ারের একটা ইম্পর্টেন্ট মেইলের এনসার করার কথা মনেই নাই, এক্সেল আপডেটে বেশ কয়েকটা ভুল, ৭৬৭ টা মেইল এখনো আনরিড ! এই সকল কিছু মিলিয়ে ত্যাক্তবিরক্ত জীবন। 

তবে একটা বিষয় আমাকে ভীষণ ভাবে চিন্তিত করে রাখতো , এর একটা সমাধান বের করতেই হবে, এইভাবে কাজ করলে আমাদের ইন্ডাস্ট্রির কোনদিন উন্নতি হবেনা, অবশ্যই নতুন কিছু করতেই হবে। যেমন কিভাবে একটা এক্সেল শিট এ সকল ডাটা রাখার ব্যবস্থা রাখা যায়, এত এত এক্সেল শিট তৈরী করতে আর ভালোই লাগেনা , সবার জন্য একটা শিট আপডেটেড রাখার কি ব্যবস্থা করা যায়, এবং একটা এক্সেল শীটের সাথে আরেকটা শিটের কোন কানেকশান নেই , পুরোপুরি ডিসকনেক্টেড একটা সিস্টেম ! এমন কি কোন সল্যুশন পাওয়া যাবে যা আমার জীবন কে একটু স্বস্তি দিবে , নিম্নোক্ত কাজ গুলো করে দিবে :   

১। আমার হয়ে রুটিন মাফিক সাপ্লায়ার কে ফোনে , ইমেইলে রিমাইন্ডার পাঠাবে। মেটেরিয়াল আমার ফ্যাক্টরিতে না পৌঁছানো পর্যন্ত তাকে বিরক্ত করে মারবে।  

২। আমার ২০০ প্রকার টিএন্ডএ এর চেক লিস্ট করে আমাকে রিমাইন্ডার পাঠাবে , কোনটা এখনো করা হয়নি তার লিস্ট আলাদা করে দিবে।   

৩। আমার ইমেলগুলো রাতভর চেক করে ইম্পর্টেন্ট মেইলগুলো আলাদা করে দিবে।  

৪। বায়ারকে আমার হয়ে কার্টেসি উত্তর দিয়ে দিবে। 

৫। ইমেইল চেক করে পিডিএফ গুলো ডাউনলোড করে ইআরপি তে ডাটা এন্ট্রি করে দেবে, এক্সেল ফাইল তৈরী করে প্রোডাকশন, স্যাম্পল , কোয়ালিটি তে আমার হয়ে মেইল করে দেবে। 

৬। অর্ডারশিট রিভাইস হলে নিজে থেকে মেইল চেক করে পিও শিট ডাঊনলোড করবে এবং যে ইফর্মেশন গুলো চেঞ্জ হয়েছে শুধু সেই জায়গাগুলো আপডেট করে , সবাইকে মেইলে পাঠিয়ে দিবে।

 ৭। বাংলাদেশ ব্যাংকের পোর্টালে ঢুকে সবগুলো ইএক্সপি চেক করবে , ইনসেনটিভ চেক করবে আর মিলিয়ে মিলিয়ে বলে দেবে কোনটার পেমেন্ট ম্যাচুরিটি কবে। ইত্যাদি ইত্যাদি অনেক আকাশ কুসুম কল্পনা করতাম। জীবনটা না কোটি সহজ হতে পারতো , আমি নিজেকে আরো ইফিসিয়েন্ট মার্চেন্ডাইজার হিসেবে গড়ে তুলতে পারতাম , আরো অনেক বেশি অর্ডার হ্যান্ডেল করতে পারতাম !  
দুই দশক পার হয়ে গেলো কোন সমাধান খুঁজে পেলাম না। কিন্তু ২০১৮ সালে এসে একটা আলোর মুখ দেখতে পেলাম। একটা রোবট আমার হয়ে এই সকল কাজ গুলো নির্ভুল হয়ে করে দিতে পারে এমন একটা বিষয় একটা সেমিনার এ আলোচনা হচ্ছিলো। হাসপাতাল, ইন্স্যুরেন্স, ব্যাংকিং, টেলিকম ইত্যাদি সেক্টরে তারা এই জাতীয় সমাধান নিয়ে ইতিমধ্যে কাজ শুরু করে দিয়েছে।  শুরু করলাম পড়াশুনা, রিসার্চ, নেট ঘাটা , এই রিলেটেড লিংক খুঁজে তাদের সাথে বন্ধুতা পাতানো , লিংকডিনে অনবরত বিরক্ত করতে থাকা।  

অনেক গুলো সমাধান খুঁজে বের করা সম্ভব হয়েছে। রোবোটিক প্রসেস অটোমেশনের মাধ্যমে এই সকল কাজের সল্যুশন নিয়ে কিছু পাইলট প্রজেক্ট করার দরকার , কিছু অর্থ কড়ি দরকার এই সকল রিসার্চ এন্ড ডেভেলপমেন্টের জন্য। আমার কানেকশনে থাকা সকলের প্রতি উদাত্ত আহবান আসুন সকলে মিলে এই নতুন দিনের স্বপ্ন দেখি , ইন্ডাস্ট্রিটাকে আরো গতিশীল করে তুলি।  

ইন্ডাস্ট্রিটা বাঁচলে দেশ টা বাঁচবে....

Published on January 15, 2020
Author’s photo
Habibur Rahman
Transformation Consultant for Textile Apparel Industries.

গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রিতে রোবোটিক্স | Robotics on Garments Industry

পেশাগত সম-সাময়িক ভাবনা

এই বছর অনেক দেশ ঘুরে নিজস্ব অভিজ্ঞতার আলোকে যা দেখছি ,২০১৯ শুরু থেকেই গার্মেন্স শিল্পে কেমন যেন একটা স্থবির অবস্হা শুরু হয়েছে যা অনেকটা slow recession আর এখন তা আসল দানব  রুপ ধারন করতে যাচ্ছে , শত শত ফ্যক্টরি কাজের অভাবে line gape যাচ্ছে, বেতন দেয়া যাচ্ছে না আবার প্রাইজ না থাকার কারনে এমন কোন saving ও হাতে নেই যে লম্বা সময় চালিয়ে যাবে। এখন ব্যংকের loan ছাড়া বাঁচা বা বাচানোর কোন উপায় নেই । কিন্তু ব্যাংক ও এখন বলছে আগের টাকা ফেরত দেন নাই তাই আমি ও পারব না, তাহলে মালিকের যাবার জায়গা কই ? 

আমাদেরও লোভ কম না, বেশী লাভের আশায় ব্যংকের টাকা দিয়ে ১০ লাইন কে ২০/৩০/৪০ লাইন করেছি কিন্তু একবারও ভাবিনি কাজ না থাকলে কি হবে । 

আপনি হয়ত বলবেন export value ত বাড়ছে ! তাহলে কমল কি ? 
Quantity আর value এক না । আমরা গত কয়েক বছরে অনেক high value product শুরু করেছি যেমন হেভি জ্যাকেট , high value sportswear, outwear, সু্ট্য আরো অনেক কিছু যার একটার দাম ১০০ টা টি-শার্টের সমান । 

So , export value figure দেখে আপনি order Volume চিন্তা করতে পারবেন না ।কাজ থাকলে আজ শত ফ্যক্টরি লাইল খালি থাকার কথা না । 

তার মধ্য আরো প্রবলেম , 

1. অর্ডার কমে যাওয়া , স্টাইল বেড়ে যাওয়া
2. প্রাইজ কম দেয়া তার উপর ডিসকাউন্ট প্রবনতা 

3. Deferred ব্যবসা বা L/C না দিয়ে ব্যবসা করার প্রবনতা 

4. খুব ছোট খাট বা অপ্রয়োজনীয় কমপ্লায়েন্সের বিষয় নিয়ে ফ্যক্টরি গুলিকে অযথা খরচ করানো 

5. Cost of production ত চিন্তাই করা যায় না । 

উপরের বিষয় গুলি কখনো বায়ার নিজে করে আবার কিছু তার কন্ট্রোলের বাইরে। যেমন -

১. মাল বিক্রি করতে না পারলে সে অর্ডার কম দেবে এটাই স্বাভাবিক । মানুষ স্টোরে গেলে অনেক বৈচিত্র খুঁজে এমনকি এই মাসে শপিং এসে গত মাসের মাল দেখতে চায় না। যেহেতু তাকে কাস্টমার ধরে রাখতে হবে তাই তার একই quantity তে অনেক style ছাড়া উপায় নেই । তারা মুখে ethical business এর কথা বল্লেও বেশী  লাভের আশায় deferred বা বাকী ব্যবসার offer করে সাথে আছে discount . 

বাজারের হিসাবে যদি বলি, 

২. USA - ২০১৯ তাদের ইকোনমি যদিও তেমন খারাপ যায়নি তবুও তারা আফ্রিকান দেশ গুলিকে Duty free সুবিধা দিয়ে encourage করছে। অনেক পকেট manufacturing country তৈরি করেছে, Maximum buyer landed goods চায় যা আমাদের মত exporter দের দ্বারা এই risky and high cost business সম্ভব না ,তাই এই বাজার নিয়ে আমাদের ভাবতে হবে !

৩.England -  গত কয়েক বছর তাদের অবস্হা দিনের পর দিন খারাপ অবস্হার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে । গত মাসে যখন UK ছিলাম যত buyer দের সাথে কথা বলেছি তারা বলেছে আমরা স্টক ক্লিয়ার করেছি নতুন তেমন কোন মাল কিনব না কারন আমাদের duty এবং আমাদের selling forecast ভাল না।

৪. Europe এর মধ্যে জার্মান, ফ্রান্স উল্লেখযোগ্য কিন্তু তাদের মধ্য Germany GDP growth down almost 0.5% আর France slow , আমার ধারনা UK ব্রেকজিট এরপর পুরা ইউরোপ একটা বিশাল ধাক্কা খাবে, যা আমাদেরকে এখনই ভাবতে হবে । 

৫. India - গত কয়েক বছরে ঐ দেশে আমাদের গার্মেন্স export অনেক গুন বেড়েছে যা সত্যিই আমাদের জন্য সুখকর কিন্ত হটাৎ তাদের economy u turn করাতে তাদের sale কমে যাচ্ছে অন্য দিকে রুপি আর টাকার পার্থক্য কমাতে export slow down হতে যাচ্ছে । তাছাড়া direct sea shipment না থাকা ও একটা বিষয় । 

তাই আবারো বলছি , 

১. লাভের আশায় ফ্যক্টরি বড় না করে মধ্যম ই উত্তম। 

২. High tac আর High efficiency ছাড়া এই ইন্ডাট্রি বাঁচানো সম্ভব না । 

৩. High Value product আর multi product skill বাড়াতেই হবে। 

৪. Small cut efficiency with no MOQ। 

5. সর্বাপরি buyer , মালিক , শ্রমিক আর শ্রমিক ইউনিয়নের অনেক ধৈর্য শীল, দায়িত্বশীল আর মানবিক হতে হবে । price নাই , কথায় কথায় বন্দ্ব আর ভাংচুর কখনো সমাধান নয় । রুটি রিজিক কে সন্মান দিতে হবে । 

না হলে ,কোটি মানুষের garment industry যা কিনা back bone of our economy তা একটা অভিশাপ হিসেবে দেখা দেবে। সকল সেক্টরে তা ছড়াবে ব্যংক, বীমা, শিপিং, কুরিয়ার ,সি এন্জএফ  , গার্মেন্স এক্সেসোরিজ কেউ এর বাইরে নয় ।

মনে রাখতে হবে একটা গার্মেন্স ফ্যক্টরি দেয়া যত সহজ তার চেয়ে শত কঠিন তা বন্দ্ব করা because there is no safe exit plan or way out  from any organisation!

From 
AKM Saifur Rahaman Farhad Sir  

পোশক শিল্পের পেশাগত সম-সাময়িক ভাবনা | RMG sectorof Bangladesh

গার্মেন্টস সেক্টরে আমাদের দুচিন্তা ও করণীয়।



বর্তমানে আমরা যারা গার্মেন্টস শিল্পের সাথে জড়িত বিশেষ করে Mid-level management খুবই চিন্তিত কারণ ভিয়েতনাম ঘাড়ে খুব কাছে নিঃশ্বাস ফেলছে আর আমরা ভাবছি এই বুঝি ব্যবসা গেল সাথে গেল চাকরি, যদি তাই হয় তবে তা হবে আমাদের এই সেক্টরের বিজ্ঞজনের দূরদর্শিতার অভাবে, ধরেণ আপনে যদি গার্মেন্টস ব্যবসার সাথে জড়িত থাকেন সেটা হতে পারে চাকুরে বা মালিক সেক্ষেত্রে আপনাকে অব্যশই এর ভবিষ্যৎ সম্পর্কে ধারণা রাখার দরকার আছে কারণ মাঝে মাঝে ব্যবসার গতি প্রকৃতি বাড়তে থাকে বা কমতে থাকে, যদি বাড়তে থাকে তবে কেন বাড়ে? এবং যদি এটি নিচের দিকে যায় বা কমতে থাকে, তবে কেন? কখন কি চিন্তা করে দেখেছেন! 

আমাকে এই প্রশ্নের উত্তর দেবার আগে, আমি আপনাকে মাসালোর থিয়রির কথা জানাতে চাই। আশা করি আপনি জানেন মাসালো কে ছিলেন। তিনি ছিলেন একজন আমেরিকান মনোবিজ্ঞানী যিনি মাসালোর চাহিদা তত্ত্বের জন্য সবচেয়ে বেশি পরিচিত ছিল। মাসালো তার চাহিদা সোপান তত্ত্বে মানুষের বেসিক প্রয়োজনের কথা বলেছিলেন যেমনঃ অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান ইত্যাদি মনে পড়েছে নিশ্চয়। 




প্রত্যেকটা মানুষের কিন্তু পোষাকের প্রয়োজন আছে সেটি অন্তত লজ্জা নিবারণের জন্য হলেও। সারাবিশ্বে যেভাবে দিন দিন জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। পোষাকের প্রয়োজনীয়তা বাড়বে না কমবে তা আপনার নিকট আমার প্রশ্ন রইল? 

এই ভাবেই পোশাক শিল্পের ব্যবসা বেড়েই যাচ্ছে এবং আশা করা যায় এটি কখন কমবে না, যদি না লজ্জা নামক বস্তুটি একবারে পৃথিবী থেকে বিদায় না নেয়। আপনি যদি আমার সাথে একমত না হন তবে গুগলে সার্চ করতে পারেন কি পরিমাণ জনসংখ্যা বাড়ছে প্রতি সেকেন্ডে। 


পোশাক শিল্প যে দিন দিন বাড়বে বইকি কমবে না তার দ্বিতীয় আরেকটি কারণ আছে তা হল ফ্যাশন (Fashion) । মানুষের চিরাচরিত রূপ হল একই ধরণের পোষাক পরিধাণ না করা। পোশাকের স্টাইল, বিভিন্ন ফাব্রিকেশন, স্টাইলিং ও সিজনের উপর ভিত্তি করে তারা পোশাক পরিধান করে থাকে। বিশেষত মহিলারা পুরুষের চেয়ে বেশি কেনাকাটা করতে পছন্দ করে এবং তারা সবসময় পুরুষদের তুলনায় বেশি স্টাইলের পোশাক খোঁজে ও পরিধান করতে পছন্দ করে। 

মোটাদাগে গার্মেন্টস ব্যবসা বৃদ্ধি পাবার দুটি বড় কারণ হল, প্রথমত পোশাক মানুষের মৌলিক চাহিদা, দ্বিতীয়ত হল ফ্যাশন, Fashion তার নিজ প্রয়োজনে পোষাক শিল্পকে সামনের দিকে এগিয়ে যাবার জন্য জোরে ধাক্কা দিবে। চীন, বাংলাদেশ, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, মালয়শিয়া, কম্বোডিয়া, থাইল্যান্ডের পোশাক শিল্পের বড় বাজার হল USA এবং EU। যার কারণে আজকের দিনে পোশাক শিল্পে প্রতিযোগিতা খুবই বেশী । বর্তমানে গ্রাহক সর্বদাই চায় Good quality of product, In cheap piece and fast delivery. 




যেটাকে আমি সংক্ষেপে QCD বলতে পারি। Q is standing for Quality, C is standing for Cost যদি উৎপাদন খরচ কম তবে বিক্রয়মূল্য আপনা আপনি কমে যাবে এবং শেষেরটি হল D, D is standing for Delivery। QCD প্রতিটি কারখানায় ভবিষ্যৎ সম্প্রসারণ বা বৃদ্ধিতে এবং প্রফিট নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে। আলরেডি আমরা এখন সেই অবস্থায় উপনীত হয়েছি। আছে কি কোন উপায়?




অব্যশই আছে এই শিল্পটাকে টিকিয়ে রাখতে গেলে আপনাকে অব্যশই The Six Ms ভালোভাবে কাজে লাগাতে হবে। Six Ms হল:

1. Man (Staff & Workers)

2. Materials 

3. Machine

4. Methodology

5. Management

6. And Money (Investment)

১. মানুষ (Man): এটি শ্রমিকদের দক্ষতা, জ্ঞান এবং মনোভাব সম্পর্কে নির্দেশ করে।  

২. উপাদান (Materials): এটি উপাদান সামগ্রীর গুণগত মান, স্থানীয় বাজারে এর প্রাপ্যতা যা প্রস্তুতকারকের পক্ষে এটি কেনা সহজ, উপাদান সামগ্রীর মানের স্থায়িত্ব এবং এর দামের সাথে জড়িত। 

৩. মেশিন (Machine): এটি পোশাক, প্রযুক্তি এবং এর মান ও দক্ষতা উত্পাদন করতে মেশিনের ধরণ সম্পর্কে নির্দেশ করে।

৪. পদ্ধতি (Methodology): কারখানাটি কীভাবে পোশাক তৈরি করে, কীভাবে এটি দ্রুত অথচ কম ত্রুটিযুক্ত এবং কম রিজেক্টে করা যায় সে সম্পর্কে নির্দেশ করে। এটি আরও নির্দেশ করে Sustainability এবং Compliance ধরে রাখতে। 

৫. ব্যবস্থাপনা (Management): ব্যবস্থাপনা পরিচালনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, কারণ বিভিন্ন ব্যবস্থাপক ব্যবস্থাপনাকে বিভিন্ন পদ্ধতির মাধ্যমে বিভিন্ন ধরণের আউটপুট দিয়ে থাকে। একজন গুড ম্যানেজার কোম্পানিকে সাফল্যের দিকে চালিত করে, কারণ ম্যানেজার হল তিনি যিনি প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য সম্পদের সর্বচ্চো ব্যবহারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।   

৬. অর্থ (Money): এটি ব্যবসায় বিনিয়োগ সম্পর্কে নির্দেশ করে। কিভাবে অর্থ বিনিয়োগ করলে অল্প ঝুঁকিতে লাভসহ রিটার্ন আসবে সেটিই এর মূল বিবেচ্য বিষয়।  

উপরের 6Ms এর মধ্য ম্যানেজমেন্ট সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসাবে বিবেচ্য, কারণ ব্যবস্থাপক হলেন যিনি পরিকল্পনাটি নির্ধারণ করেন, কর্মীদের দায়িত্ব অর্পণ করেন, নিরীক্ষণ করেন এবং ফলাফল লক্ষ্যের সাথে একত্রিত না হলে তা বাস্তবায়নে তাত্ক্ষণিক পদক্ষেপ নেন এবং এটি একটি কঠোর পরিশ্রমের ব্যাপার। গার্মেন্টস শিল্পে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে আমাদেরকে এগুলোর সমন্বয়ে Fancy আইটেমের দিকে ধবিত হতে হবে শুধু বেসিক নিয়ে পরে থাকলে চলবেনা এবং আমরা কীভাবে আমাদের সবগুলো রিসোর্স দিয়ে পণ্যের কোয়ালিটি ম্যানেজ করে অন-টাইম শিপমেন্ট করব, কীভাবে ত্রুটি এবং রিজেক্টের হার হ্রাস করব সে সম্পর্কে গভীরভাবে ভাবতে হবে শুধু আমরা ভাবলেই হবে না সরকারকে ভাবতে হবে কিভাবে লিড-টাইম কমানো যায় পোর্টের আমলাতান্ত্রিকতা ঝেটিয়ে বিদায় করে। তাছাড়া বর্তমান প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে Motion এবং Waiting লস কমিয়ে কিভাবে Automation বা Poko Yoga এর ব্যবহার বাড়ানো যায় সে বিষয়ে এবার মালিকদের চিন্তাভাবনা করা প্রয়োজন। আমাদের ও ভাবতে হবে কিভাবে আরো বেশি বেশি ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ বাড়ানো যায় যেমনঃ Good quality Fabric produce করা, উন্নতমানের Thread, Sewing m/c produce করা Fancy trim and accessories produce করা ইত্যাদি।  

 পরিশেষে একটা কথায় বলব, “The result always comes from the way of working and the ways of working is always come from the mindset and the management style of the managers”.




Tauhid Khan
QMS (QS+Technical Audit) Responsible at SF Denim
SF Denim Govt. Rajbari College

গার্মেন্টস সেক্টরে আমাদের দুচিন্তা ও করণীয়

সফলতার গল্প  | গার্মেন্টসকর্মী থেকে যেভাবে বিসিএস ক্যাডার হলেন সবুজ


ঠাকুরগাঁওয়ের ছেলে সবুজ আহম্মেদ ২০০৮ সালে রাণীশনকৈল ডিগ্রি কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাস করেন। পারিবারিক সমস্যার কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির কোচিং করার সুযোগ হয়নি। এমনকি শেষমেশ বিশ্ববিদ্যালয়েও ভর্তি হওয়া হলো না।

সহপাঠী ও বন্ধুদের অনেকেই উচ্চশিক্ষার জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হয়েছে তখন। এসব দেখে সবুজ প্রচণ্ড হতাশ হলেন। পরে ঢাকায় এসে এক আত্মীয়ের সহযোগিতায় তামিশনা ফ্যাশন নামের একটি সোয়েটার গার্মেন্টসে চাকরি নিলেন। বেতন মাত্র সাড়ে চার হাজার টাকা। টঙ্গীর চেরাগ আলী এলাকায় ফ্যাক্টরি, আর কাছেই এক টিনের ঘরে থাকার ব্যবস্থা হলো। একরুমে গাদাগাদি করে ৬ জন। এভাবেই প্রায় দশমাস কেটে গেল। একদিন তিনি তার এক বন্ধুর সাথে কথা বলে জানতে পারেন, সেই বন্ধুটির আর্থিক অবস্থা খারাপ থাকা সত্ত্বেও তিনি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে অনার্সে ভর্তি হয়েছেন। গার্মেন্টসের চাকরি ছেড়ে দিয়ে জমানো টাকা নিয়ে ওই বন্ধুর কাছে চলে গেলেন সবুজ। ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজে ভর্তির ফরম জমা দিলেন।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার মাত্র সতেরো দিন আগে প্রস্তুতি নিয়েও পরীক্ষা দিয়ে সাড়ে ৪ হাজার শিক্ষার্থীর মধ্যে হলেন ১৩তম। পছন্দের বিষয় বাংলায় ভর্তি হয়েই শুরু করলেন টিউশনি। প্রায় দেড় বছর পর প্রথম বর্ষের ফাইনাল পরীক্ষা দিয়ে ডিপার্টমেন্টে ফার্স্ট হওয়ার পাশাপাশি সারাদেশে প্রথম পাঁচজনের একজন হলেন। বিভাগীয় প্রধান ড. আমির আলী আজাদের সহযোগিতায় এক্সিম ব্যাংকের স্কলারশিপ পেলেন এবং ড. আমিরের পরামর্শেই টিসি নিয়ে চলে গেলেন রংপুরের কারমাইকেল কলেজে। একাডেমিক পড়াশোনার পাশাপাশি চাকরির প্রস্তুতি চলছিল। অনার্স শেষ করে ঢাকা কলেজে মাস্টার্সে ভর্তি হলেন। এর কয়েকমাস পরেই ৩৭তম বিসিএস প্রিলিমিনারিতে অংশ নিলেন।


মাঝে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি নিয়োগ পরীক্ষা দিয়ে বিমানবন্দরে গ্রাউন্ড সার্ভিস অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে চাকরি হলো তার। এরমধ্যে ক্যাডেট কলেজের লেকচারার হিসেবে যোগদানের পরীক্ষা দিয়ে উত্তীর্ণ হলেন। প্রথম শ্রেণির পদ হওয়ায় বিমান ছেড়ে ক্যাডেট কলেজে যোগ দিলেন। সিলেট ক্যাডেট কলেজের বাংলার প্রভাষক হিসেবে যোগ দিলেন, পাশাপাশি পড়াশোনা চলছিল।

পর্যায়ক্রমে বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা, এমএ পরীক্ষা দিলেন। ডাক এলো বিসিএসের ভাইভার। গত ১২ জুন ৩৭তম বিসিএসের ফলাফল প্রকাশিত হয়, সবুজ এতে সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের জন্য সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন, অর্জন করেছেন ষষ্ঠ স্থান।

সবুজ বললেন, ‘অনেক সমস্যা পার করে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করে বিসিএসে উত্তীর্ণ হয়েছি। পরিশ্রম করলে সাফল্য আসবেই। পাশাপাশি সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করতে হবে।’

ফারজানার বিসিএস ক্যাডার হওয়ার গল্প: নৌবাহিনী কর্মকর্তা বাবার হাত ধরে ১৯৯৫ সালে প্রথম স্কুলে যান উম্মে হাবিবা ফারজানা। ভর্তি হন চট্টগ্রামের বাংলাদেশ নৌবাহিনী স্কুল ও কলেজে। সেখান থেকে বেরিয়েছেন ১২ বছর পর, ২০০৭ সালে। তবে তার এই এক যুগের শিক্ষা জীবনে শিক্ষক হিসেবে সবচেয়ে বেশি প্রভাব রেখেছেন তার বাবা। পড়াশোনা আর জানার প্রতি আগ্রহ তৈরিতে বাবার অবদান বেশি। এটিই ছিল ফারজানার সাফল্যের মূলমন্ত্র, যে কারণে নানা ঘাত-প্রতিঘাত পেরিয়েও তিনি ৩৭তম বিসিএসে প্রশাসন ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন।

এস এম মাহবুবুর রহমান ও বিলকিস খানম দম্পতির বড় সন্তান ফারজানা। বরিশালের পিরোজপুরে পৈত্রিক বাড়ি হলেও বাবার চাকরিসূত্রে বেড়ে ওঠা চট্টগ্রামে।

পরিবারের স্বপ্ন ছিল মেয়ে ডাক্তার হবে। কিন্তু উচ্চমাধ্যমিকের পর ফারজানা তেমন পড়াশোনাই করেননি। মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি হওয়া হলো না। যেহেতু সাধারণ জ্ঞান ও বাংলা-ইংরেজি ভালোই পারতেন, তাই সুযোগ হলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ঘ’ ইউনিটে। অনার্স সেকেন্ড ইয়ারে পড়ার সময় মাত্র ১৯ বছর বয়সেই হুট করে বিয়ে হয়ে গেল। শুরুতে এ নিয়ে অনেকরকম জল্পনা-কল্পনা থাকলেও বাস্তবে সংসার সামলানোর পাশাপাশি পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়াটা কঠিন—এটা উপলব্ধি করলেন।

মাঝে মাঝে বিষণ্নতা অনুভব করলেও তা কাটিয়ে উঠে নিজেই নিজেকে অনুপ্রেরণা দিতেন। মাস্টার্স ফাইনালের সময় সন্তান গর্ভে। আসল সংগ্রাম শুরু হলো তখন থেকে। পারিবারিক ব্যস্ততায় মাও সময় দিতে পারেননি। পুরোটা সময় নিজেই নিজেকে সামলেছেন। মেয়ের জন্মের পর দু’বছর পোস্ট-ন্যাটাল ডিপ্রেশনে ভুগছিলেন, তবে এর প্রভাব মেয়ের ওপর পড়তে দেননি। এভাবেই চার বছর কাটল, মেয়ে কিছুটা বড় হলো। এই চার বছরে ফারজানা কোনো পড়াশোনা করেননি। আত্মবিশ্বাস হারিয়ে হতাশ হয়ে পড়ছিলেন, কিন্তু সংগ্রাম করে বিসিএস ক্যাডার হওয়া অন্যদের গল্প পড়ে অনুপ্রাণিত হয়ে নিজের মনে শক্তি সঞ্চার করলেন। নতুন করে পড়াশোনা শুরু করলেন। সারাদিন বিরামহীনভাবে সংসার সামলে বই ধরার ফুসরত মিলত যখন, তখন অন্যরা ঘুমের রাজ্যে।

ফারজানা ভাবলেন, সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে জনগণের করের টাকায় পড়াশোনা করে তিনি ঋণী হয়েছেন, সেই ঋণ তাকে শোধ করতে হবে। সমাজের প্রতি তার দায়বদ্ধতা আছে। ৩৭তম বিসিএসে আবেদন করার পর যখন প্রিলিমিনারির প্রস্তুতি শুরু করলেন, তখন পরীক্ষার মাত্র ২ মাস বাকি। পরীক্ষার আগে হঠাৎ জলবসন্ত হল, এ অবস্থাতেই পরীক্ষা দিলেন। উত্তীর্ণ হলেন এই ধাপে। পরে দেড়মাস দিনরাত পড়াশোনা করে লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেন। এসময় তার স্বামী, মা ও বোন সহযোগিতা করেছেন। এই ধাপেও উত্তীর্ণ হলেন ফারজানা। রাতে মেয়েকে ঘুম পাড়িয়ে পড়তে বসতেন। এভাবেই পরিক্ষার ভাইভা’র সময় এসে গেল। অবশেষে ফলাফল প্রকাশের পর ফারজানা দেখলেন তিনি প্রশাসন ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। এটি যে তার প্রথম বিসিএস ছিল তাই নয়, এটি ছিল প্রথম চাকরির পরীক্ষাও!

ফারজানা বললেন, ‘আমি নিজের স্বপ্নপূরণ করতে পেরেছি। শুরুতে আমাকে নিয়ে কেউ তেমন আশাবাদী ছিলেন না। কিছুটা এগিয়ে যাওয়ার পর আমার বাবা-মা, স্বামী, শ্বশুরসহ সবাই সহযোগিতা করেছেন, উত্সাহ দিয়েছেন, আমি তাদের কাছে কৃতজ্ঞ।’

তিনি বলেন, ‘সফলতার জন্য নারীদের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন আত্মবিশ্বাস। আমি মানুষ, আমি একটা আলাদা সত্ত্বা। আমাকে আমার লক্ষ্যে পৌঁছতে হবে। আর এজন্য যা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন তা হলো পরিশ্রম। সে বিষয়ে কখনোই পিছপা হওয়া যাবে না।’

বিসিএস পরীক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে ফারজানা বলেন, ‘থেমে গেলে চলবে না। ধৈর্য্য ধরে এগিয়ে যেতে হবে, বিশ্বাস রাখতে হবে। যে সময়টা পাওয়া যায় তার পুরোটা সঠিক ব্যবহার করতে হবে। কাজে লাগাতে হবে। আর পড়াশোনা চলাকালে সব রকম ডিভাইস থেকে দূরে থেকে একাগ্রচিত্তে যতটুকু সময় পড়ার, সে সময়টা পুরোপুরি পড়লে সফলতা আসবেই।

dhaaka times
September 1, 2019
Tipu Sultan
Source Link:
https://dhaakatimes.com/archives/649

সফলতার গল্প | গার্মেন্টসকর্মী থেকে যেভাবে বিসিএস ক্যাডার হলেন সবুজ

গতকাল ঢাকার উত্তরা ক্লাবে টেক্সটাইল টেলেন্ট হান্ট ২০১৭-১৮ সেশনের (6th session) গ্রান্ড ফাইনাল উৎযাপিত হয়। 

টেক্সটাইল টেলেন্ট হান্ট মূলত টেক্সটাইল টুডে কর্তৃক আয়োজিত একটি প্রতিযোগীতা যেখানে টেক্সটাইলের কিছু লিভিং লিডার খুঁজে বের করা হয়। 

এই 6th session এ রাশেদুল ইসলাম চ্যম্পিয়ন হয় যিনি একটি হাল্কা এবং সহজে বহনযোগ্য লাইফ জ্যাকেট তৈরী করেন যেটিতে লোকেশন ট্রেকিং এর ব্যবস্থা আছে। 

১ম রানার্সআপ হয়েছে ফাইজা ফাহমি যিনি।আলুর স্টার্চ দিয়ে সুলভ মুল্যে সাইজিং করা আবিষ্কার করেছেন এছাড়াও ২য় রানার্সআপ নিপা খাইর তেরী করেছেন এনার্জি হারভেস্টিং সিস্টেম যা শরীরের নড়াচড়ায় ফাইজো ইলেক্টিক পিভিডিএফ এর মাধ্যমে এনার্জি স্টোর করতে পারে।

এই ফাইনালে চ্যম্পিয়ন, ১ম রানার্সআপ ও ২য় রানার্সআপ কে যথাক্রমে ৭০০০০, ৪০০০০ ও ২৫০০০ টাকা পুরষ্কার দেয়া হয়। 

এছাড়াও টেলেন্ট হান্ট 6th session এর সেরা ১২ জনকে সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন টেক্সটাইল টুডের সিইও তারেক আমিন।





এই অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এটিএম মাহবুবুল আলম ( এক্সিকিউটিভ ডিরেক,মাস্কো গ্রুপ), আব্দুস সোবহান ( ম্যনেজিং ডিরেক্টর, অউকো টেক্স গ্রুপ), এমডি হাসিব উদ্দিন ( চেয়ারম্যান, এপিএস গ্রুপ), আমানুর রহমান ( ডিরেক্টর, ডাইসিন গ্রুপ), আব্দুল্লাহ হিল রাকিব ( ম্যনেজিং ডিরেক্টর, টিম গ্রুপ) , এ এস এম হাবিবুর রহমান নিক্সন ( চিফ অপারেটিং অফিসার, সুইস কালার) , প্রফেসর সৈয়দ ফকরুল হাসান ( চেয়ারম্যান, সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটি টেক্সটাইল ডিপার্টমেন্ট), প্রফেসর এম ডি আবুল কাশেম ( ভাইস চ্যন্সেলর, বুটেক্স), প্রফেসর ড. ইঞ্জিনিয়ার আইয়ুব নবী খান ( ভাইস চ্যন্সেলর, বিউএফটি)।
অনুষ্ঠানের শুরুতে সেরা ৫ প্রতিযোগীরা তাদের প্রেসেন্টেশন উপস্থাপন করেন যেখানে একটি বিচারক প্যনেল ছিলো মার্কিং দেয়ার জন্য।


ফাইনাল রেসাল্ট টি মূলত এই পুরো সিজন জুড়ে যা যা ধাপ পাড় হয়ে এসেছে সেগুলার মার্কিং এবং রিসার্চের উপর ফাইনাল প্রেসেন্টেশনের মার্কিং এর সম্মিলিত নাম্বারে তৈরী। 

এই টেক্সটাইল টেলেন্ট হান্ট নতুন নতুন তরুণ টেক্সটাইল লিডার তৈরী করে দিচ্ছে এবং টেক্সটাইল নিয়ে গবেষণার দ্বার উন্মোচিত করে দিচ্ছে যা সামনের দিন গুলোতে আমাদের টেক্সটাইল সেক্টরে সুফল বয়ে নিয়ে আসবে।






ব্লগারঃ ওয়েজ আহমাদ রিপন 
টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ বেগমগঞ্জ নোয়াখালী

টেক্সটাইল টেলেন্ট হান্ট 6th session গ্রান্ড ফাইনালে