কাপড়ের মূল্য 2.25 $/Yrds, ফেব্রিক ডায়া ওপেন অবস্থায় 45 ইঞ্চি, জিএসএম 200 , কাপড়ের কনজাম্পশন 3.20 কেজি/ ডজন হলে প্রতি ডজন পোশাকের জন্য কাপড়ের খরচ কত হবে?
দৈর্ঘ্য=১ গজ =৩৬ ইঞ্চি =০.৯১৪ মিটার
প্রস্থ=৪৫ ইঞ্চি=১.১৪৩ মিটার
ক্ষেত্রফল=০.৯১৪x১.১৪৩
=১.০৪৫ মিটার স্কয়ার।
প্রশ্নমতে,
১.০৪৫ স্কয়ার মিটারের মূল্য ২.২৫ ডলার।
১ ডজন পোশাক বানাতে প্রয়োজন
=৩.২০KG ÷ ২০০GSM
= (৩.২x১০০০)÷ ২০০
=১৬ স্কয়ার মিটার।
মুল্য =(২.২৫÷১.০৪৫) x ১৬
=৩৪.৪৫ ডলার।
প্রতি ডজন পোশাকের জন্য ফেব্রিক কস্টিং বের করার নিয়ম | Fabric Costing
মার্চেন্ডাইজিং এ দুই ধরণের বস/একাউন্ট ম্যানেজার/মার্চেন্ডাইজিং ম্যানেজার দেখা যায়
ধরেন, আপনি এমন একটা ভুল করেছেন,যেটা ম্যানেজবল!
১- আপনার ভুলের জন্যে আপনাকে বকা দিবে,এবং টপ ম্যানেজমেন্টের সামনে আপনাকে হাইলাইট করবে।খুব বাজে ভাবেই হাইলাইট করবে।জবও চলে যেতে পারে!!এরকম বসেরা ম্যানেজমেন্টকে তেল দিয়ে নিজের চাকড়ি টিকিয়ে রাখে আপনাকে কি আর শেল্টার দিবে!এরা খুব কম কাজ বুঝে,এবং আপনার ১০০% নিবে ঠিকই।
নিয়ে তার ক্রেডিটে দেখিয়ে বাৎসরিক ইনক্রিমেন্ট ঠিকই তারটা বাড়িয়ে নিবে।সাবধান,এরকম বস হতে।লাইফ হেল হয়ে যাবে!!অন্য জায়গায় জব খুজতেঁ থাকুন!বেতন ৫ হাজার কম হলেও ক্ষতি নেই।মানসিক শান্তি পাবেন।
২- আপনার ভুলের জন্যে আপনাকে বকা দিবে।কিন্তু টপ ম্যানেজমেন্টের কাছে হাইলাইট করবে না।ফিনান্স জিএম/এমডি কিছু বললে,বেশ ভালোভাবেই হ্যান্ডেল করবে!এনারা কাজ বুঝে।ভদ্রলোক।এদের আন্ডারে কাজ যেমন শিখা যায়,তেমনি নিজের জব লাইফ এনজয় করা যায়।৮ ঘন্টার জায়গায় এনাদের আন্ডারে ১২ ঘন্টা কাজ করলেও, ক্লান্তি আসে না।
মার্চেন্ডাইজিং এ দুই ধরণের বস একাউন্ট ম্যানেজার/মার্চেন্ডাইজিং ম্যানেজার | Merchandiser
একটি লোকাল ব্রান্ডের মার্চেন্ডাইজিং করতে হইলে কোন কোন বিষয় বিবেচনায় আনতে হবে?
মার্চেন্ডাইজিং (Merchandising) শব্দটির ইংরেজি শব্দ (merchant) থেকে এসেছে, যার অর্থ ব্যবসায়ী। মার্চেন থেকে মার্চেন্ডাইজ (Merchandise) যার অর্থ ব্যবসার উদ্দেশ্যে পণ্য দ্রব্য ক্রয় বিক্রয়। মার্চেন্ডাইজিং থেকে মার্চেন্ডাইজার যার কাজই হলো বিক্রয় ডিপার্টমেন্ট পরিচালনা করা।
একজন মার্চেন্ডাইজার এর যেমন যোগ্যতা থাকা চাইঃ
মার্চেন্ডাইজার হওয়ার জন্য যেকোনো বিষয়ে স্নাতক হলেই চলে। তবে অগ্রাধিকার পায় টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বা টেক্সটাইলের যেকোনো বিষয়ের ছাত্রছাত্রীরা। মার্চেন্ডাইজারদের বিভিন্ন দেশের ক্রেতার সঙ্গে যোগাযোগ করতে হয়। এ জন্য ইংরেজিতে যোগাযোগের দক্ষতা থাকতে হয়। পাশাপাশি অন্য দেশের ভাষা জানা থাকলে বাড়তি যোগ্যতা হিসেবে ধরা হয়। কম্পিউটারেও দক্ষতা থাকা চাই।
পোশাক শিল্পে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন একজন মার্চেন্ডাইজার। মার্চেন্ডাইজিং পেশা হিসেবে অনেক গুরুত্বপূর্ণ কারণ একজন মার্চেন্ডাইজার কে সবসময় ক্রেতার সাথে যোগাযোগ স্থাপন ও রক্ষণাবেক্ষণ করতে হয়। শুধু তাই নয় পোশাক তৈরির অর্ডার নেয়া থেকে শুরু করে অর্ডার অনুযায়ী পোশাক সরবরাহ এবং মান নিয়ন্ত্রণের কাজগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভাবে করতে হয় একজন মার্চেন্ডাইজারকে। এছাড়া ক্রেতার চাহিদামত পণ্য তৈরি হচ্ছে কিনা তাও দেখতে হয়।
এক কথায় বলতে গেলে গার্মেন্টস মার্চেন্ডাইজিং বলতে, এক পক্ষ থেকে কাঁচামাল ক্রয় করে সেই কাঁচামাল থেকে পণ্য প্রস্তুত করে সেই প্রস্তুতকৃত অন্য অন্য পক্ষের কাছে বিক্রি করা, এটাই মূলত গার্মেন্টস মার্চেন্ডাইজিং।
▪সফল মার্চেন্ডাইজার হতে প্রয়োজনীয় গুণাবলীঃ
গার্মেন্টস সেক্টরে ক্রেতা এবং প্রস্তুতকারকের মধ্যে যিনি সেতু বা মিডল ম্যানের মতো কাজ করে তিনিই হচ্ছেন মার্চেন্ডাইজার। মোট কথা পণ্যটি তৈরি করতে তিনিই প্রধান দায়িত্বশীল ব্যক্তি। মার্চেন্ডাইজার হতে একজনকে বিশ্বজুড়ে ব্যবসা-বাণিজ্য সম্পর্কে ভাল জ্ঞান রাখতে হবে। মার্চেন্ডাইজার কোন ডিজাইনার নন কিন্তু অনুধাবনের দায়িক্তে তিনিই থাকেন ,যিনি কোন ডিজাইন টি মার্কেটে চলবে আর কোনটি চলবে না তার সিদ্ধান্ত নেন। এজন্য মার্চেন্ডাইজারকে প্রতিটি পণ্যের স্টাইলের ভিতরে ঢুকতে হয় এবং বিশ্লেষণ করতে হয়। আবার মাথায় রাখতে হয় স্টাইলিং এর খরচের দিকেও।
একটি যোগ্যতাসম্পন্ন পোশাক মার্চেন্ডাইজারের পণ্য সম্পর্কে চমৎকার জ্ঞান থাকা প্রয়োজন। যার মাধ্যমে তিনি ক্রেতার কাছ থেকে পণ্যটি সম্পর্কে সঠিক তথ্যটি বুঝতে পারবেন এবং প্রস্তুতকারকের কাছে সঠিক তথ্য তুলে ধরবেন।একটি যোগ্য মার্চেন্ডাইজার হতে, যোগাযোগের দক্ষতা একটি প্রধান এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কোন অর্ডার সঠিক সময়ে শিপমেন্ট সম্পন্ন হওয়া নির্ভর করে মার্চেন্ডাইজারের চমৎকার যোগাযোগ দক্ষতার উপর।কারন যদি আপনি সহজে ক্রেতার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন এবং প্রস্তুতকারীর সাথে বসে সঠিক সময় সিডিউল করতে পারেন তবেই সহজে অর্ডার টি সম্পন্ন হতে পারে।
বিদেশিদের সাথে যোগাযোগের জন্য বর্তমান প্রজন্ম ইংরেজিতে ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল। গার্মেন্টস মার্চেন্ডাইজার হওয়ার জন্য ইংরেজীর দক্ষতা একটি জ্বলন্ত মানদণ্ড। একটি অর্ডার একজিকিউশনের বিভিন্ন সময়ে বাইয়ারের সাথে শত শত বার মেইল কমিউনিকেশন করতে হয়। ডিজাইন, মেজারমেন্ট, কোয়ালিটি, প্রোডাকশন লাইন মেনেজমেন্ট, শিপমেন্টের সমস্ত বিষয়ে ক্রেতার ও মার্চেন্ডাইজারের মধ্যে কাটাছেড়া বিশ্লেষণ চলে। যার প্রধান মাধ্যম মেইল।শুধু প্রাইজ নেগোসিয়েশন ই একটি অর্ডার পাওয়ার পুর্বশর্ত নয়, শিপমেন্ট এর সময় মিট করতে না পারলে পুরো অর্ডার লস প্রোজেক্ট হয়ে দাঁড়ায়। এজন্য অর্ডার নেয়ার পুর্বে গার্মেন্টস কারখানার বর্তমান পরিস্থিতিকে অনুধাবন করতে হবে, সাথে বিভিন্ন আইটেম সঠিক সময় মত সোর্স করা সম্ভব হবে কিনা সেটা যাচাই করে তারপর একটি অর্ডার গ্রহণ করতে হবে। অন্যথায় শিপমেন্ট মিট না করতে পারলে বাইয়ারের কাছে একটি খারাপ ইম্প্রেশন তৈরি করবে। সুতরাং, যোগ্য মার্চেন্ডাইজার হতে, কারখানা সম্পর্কে চমৎকার জ্ঞান রাখা আবশ্যক।
আরো সহজভাবে বলতে গেলে, একটি গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রির মার্চেন্ডাইজার একজন ক্রেতার কাছ থেকে অর্ডার কালেক্ট করে, সেই অর্ডার পরিপূর্ণ করার জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামাল যেমন ফেব্রিক, ইয়ার্ন, কেমিক্যাল, ডাইস, জিপার, বাটন, ইত্যাদি বিভিন্ন জায়গা থেকে ক্রয় করে গার্মেন্টস এর মাধ্যমে ক্রেতার চাহিদা মতো পণ্য তৈরি করে সেই পণ্য ক্রেতার নিকট পৌছানো পর্যন্ত সকল কাজ তত্ববধানে রাখি।
একজন গার্মেন্টস মার্চেন্ডাইজার কে অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মাথায় রাখতে হবে। ক্রেতার নিকট থেকে অর্ডার পাওয়ার পর থেকে শিপমেন্ট পর্যন্ত সব কিছু, তাছাড়া,
১. পণ্য প্রস্তুত করার জন্য কাঁচামালের এর দাম।
২. গার্মেন্টসের শ্রমিকদের খরচ/বেতন।
৩. গার্মেন্টসের বিদ্যুৎ বিল।
৪. গার্মেন্টস এর ভাড়া ইত্যাদি।
৫. সকল স্টাফ অফিসারের বেতন।
৬. সকল মেনটেনেন্স খরচ।
৭. ৭. ক্যাড এর সাথে যোগাযোগ ।
৮. ফ্যাশন ডিজাইনে সাথে যোগাযোগ ।
৯.আর এন ডির সাথে যোগাযোগ ।
১০. কাস্টমারের সাথে কন্টিনিউ কমিউনিকেশন ।
১১. সেম্পল ডেভেলপমেন্ট ।
১২. অর্ডার রিসিভ ।
১৩. পণ্যের মূল্য নির্ধারণ ।
১৪. অর্ডার কনফার্ম ।
১৫. সেম্পল তৈরি করা ।
১৬. পিপি সেম্পল ।
১৭. প্রি প্রোডাকশন মিটিং ।
১৮. লিস্ট চেক ।
১৯. বাল্ক প্রোডাকশন ।
২০. রিসিভ পেমেন্ট । আরো অনেক কিছু মাথায় রাখতে হয় যা নিছে বলার চেষ্টা করা হল ।
টোটাল সব খরচ যেন বিক্রিত পণ্যের দামের থেকে কম হয়। অর্থাৎ ক্রেতার কাছে পণ্য বিক্রয় করে যেন গার্মেন্টসের লাভ থাকে সে বিষয়টি একজন মার্চেন্ডাইজার এর মাথা থাকতে হবে। ক্রেতার থেকে অর্ডার রিসিভ করা থেকে শিপমেন্ট পর্যন্ত গার্মেন্টস
অর্ডার রিসিভঃ
গার্মেন্টস মার্চেন্ডাইজারের সর্ব প্রথম কাজ হলো ক্রেতার কাছ থেকে সবকিছু রিসিভ করা, অর্ডার টির সম্পূর্ণ টেকনিকেল দিক বুঝে নেওয়া।
সেম্পল ডেভেলপমেন্টঃ
ক্রেতার অর্ডার সিট এ যেভাবে অর্ডার দেওয়া আছে ঠিক সেভাবে স্যাম্পল তৈরি করা, এটাই স্যাম্পল ডেভেলপমেন্ট।
পণ্যের মূল্য নির্ধারণঃ
মার্চেন্ডাইজার কে অবশ্যই ক্রেতার থেকে পণ্যের মূল্য নির্ধারণ করার পূর্বে গার্মেন্টসের লাভ এর দিকটা মাথায় রাখতে হবে।
অর্ডার কনফার্মঃ
ক্রেতার নিকট থেকে অর্ডার কনফার্ম করা।
সেম্পল তৈরি করাঃ
অর্ডার কৃত পণ্যের স্যাম্পল তৈরি করে ক্রেতার নিকট দেয়া।
রিকুইজেশন বাল্ক ফেব্রিকঃ
প্রোডাকশন প্রস্তুত করার জন্য কি পরিমান ফেব্রিক লাগবে তার সিট প্রস্তুত করা।
রিকুইজেশন এক্সেসরিজঃ
অর্ডারকৃত পণ্য প্রস্তুত করার জন্য যা যা প্রয়োজন সেগুলোর জন্য পারচেজ অর্ডার তৈরি করতে হবে।
নমুনা বোর্ডঃ
প্রোডাক্টটি প্রস্তুত করার জন্য যা যা অ্যাকেসরিজ প্রয়োজন সেগুলো স্যাম্পল নিয়ে ক্রেতার কাছ থেকে অনুমতি নিতে হবে।
ম্যাটারিয়াল কালেকশনঃ
অর্ডার সম্পূর্ণ করার জন্য যা যা ম্যাটারিয়াল প্রয়োজন হয় তা কালেক্ট করা।
লিস্ট চেকঃ
প্রোডাকশনে যেন কোনো বিঘ্ন না ঘটে সে কারণে বার বার লিস্ট চেক করা যাতে করে কোন ম্যাটারিয়াল বাদ না পড়ে।
পিপি সেম্পলঃ
পিপি সেম্পল ক্ষেত্রে সব একচুয়াল হতে হবে, ক্রেতা যেভাবে চেয়েছে সেভাবেই সেম্পল প্রস্তুত করতে হবে।
প্রি প্রোডাকশন মিটিংঃ
প্রোডাকশন প্রস্তুত করার আগে মিটিং করা হয়। এই মিটিং এ প্রোডাকশনের কর্মরত সব কর্মচারী থাকবে। মিটিং এর মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে প্রোডাকশন টি সম্পন্ন করা।
বাল্ক প্রোডাকশনঃ
বাল্ক প্রোডাকশন অর্থাৎ ক্রেতা যেই অর্ডার করেছে সেই অর্ডার অনুযায়ী পণ্য প্রস্তুত করা।
চেক ডেইলি প্রোডাকশন এন্ড কোয়ালিটি রিপোর্টঃ
ক্রেতার অর্ডারটি নির্ধারিত সময়ে শিপমেন্ট করতে হবে। তাই একজন মার্চেন্ডাইজার কে আগে থেকেই প্ল্যানিং করতে হবে,যে প্রতিদিন কি পরিমান প্রোডাকশন হলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শিপমেন্ট করা সম্ভব।
অনলাইন ইনস্পেকশনঃ
অনলাইন ইনস্পেকশন মানে প্রোডাকশনের কাজ চলাকালীন সময়ে ক্রেতার সাথে কথা বলে ইন্সপেকশন এর ডেট ফিক্সট করতে হবে যাতে করে ক্রেতার নির্ধারিত প্রতিনিধি এসে প্রোডাকশন কৃত পণ্যের কোয়ালিটি ঠিক আছে কিনা তা চেক করে।
ফাইনাল ইনস্পেকশন জন্য বাল্ক প্রোডাকশনঃ
প্রডাকশন শেষ হবার পরে কিন্তু শিপমেন্ট করার আগে ক্রেতার সাথে কথা বলে সর্বশেষ ইনস্পেকশন এর জন্য ডেট ফিক্সট করতে হবে। তার জন্য ফাইনাল ইনস্ট্রাকশন জন্য বাল্ক প্রোডাকশনের সিট প্রস্তুত করতে হবে।
সেম্পল সেন্ড টু থার্ড পার্টি টেস্টিং সেন্টারঃ
সেম্পল গুলোকে থার্ড পার্টির কাছে পাঠাতে হবে সেম্পল এর কোয়ালিটি টেস্ট করার জন্য। ও তার রিপোর্ট সংগ্রহ করতে হবে।
শিপমেন্ট ফাইনাল ইন্সপেকশনঃ
প্রোডাকশন কৃত সকল পণ্য ক্রেতার নিকট পাঠানোর জন্য শিপমেন্ট করতে হবে। এর জন্য ইন্সপেকশন করতে হবে।
সব ডকুমেন্ট ক্রেতাকে পাঠাতে হবেঃ
অর্ডারের কোয়ান্টিটি সহ সবধরনের ডকুমেন্ট ক্রেতার নিকট পাঠাতে হবে।
রিসিভ পেমেন্টঃ
ক্রেতার অর্ডার অনুযায়ী পণ্য বুঝিয়ে দিতে পারলে ক্রেতা ব্যাংকে পেমেন্ট পাঠিয়ে দিবে।
মার্চেন্ডাইজিংকে পেশা হিসেবে নিতে চাইলে কি কি বিষয়ে দক্ষতা ও জ্ঞান থাকা প্রয়োজন সেসব বিষয়গুলো জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চলুন.
১. একজন মার্চেন্ডাইজারকে ইংরেজি ভাষায় দক্ষ হতে হয়। এসপেশালি ইংরেজি ভাষা বোঝার দক্ষতা থাকতে হবে।
২. পোশাক শিল্পের সকল প্রক্রিয়া ও কাঁচামালের দাম সম্পর্কে ধারনা থাকতে হয়।
৩. আমদানি-রপ্তানি প্রক্রিয়ার সাথে সংশ্লিষ্ট শিপিং, কাস্টমস, বায়িং পলিসি এসব কাজে দক্ষতা থাকতে হয়।
৪. ক্রেতার কনভিন্স করার দক্ষতা থাকতে হয়।
৫. হিসাব নিকাশ ও পরিকল্পনায় দক্ষ থাকতে হয়।
৬. সর্বোপরি পরিশ্রম করার মানসিকতা থাকতে হবে।
ধন্যবাদ।
একটি লোকাল ব্রান্ডের মার্চেন্ডাইজিং করতে হইলে কোন কোন বিষয় বিবেচনায় আনতে হবে?
UD / Utilization Declaration কি :
ইউটিলাইজেশন ডিক্লারেশন হল RMG সেক্টরের জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাস্টমস ডকুমেন্ট। সমস্ত কাস্টমস বন্দর থেকে আমদানিযোগ্য কাঁচা-মাল রিলিজ করার জন্য UD প্রয়োজন। এটি রপ্তানি, নগদ প্রণোদনাহব্ব এবং অন্যান্যগুলির জন্যও প্রয়োজন।
UD কোথায় করতে হয় :
BGMEA , BKMEA
বাংলাদেশের জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) BGMEA এবং BKMEA কে এবং তাদের সদস্য ইউনিটকে ইউটিলাইজেশন ডিক্লারেশন ইস্যু করার অনুমতি দিয়েছে।
UD করতে কি কি ডকুমেন্টস প্রয়োজন :
1. Application on company letter head.
2. Consumption Report on company letter head.
3. Export L/C or Contract Copy
4. Back to Back L/c copy (Import/Local)
5. Proforma Invoice (Raw Material)
6. Bank Certificate
7. Measurement Chart.
8. Sample.
9. Money Receipt.
UD Amendment করতে কি কি ডকুমেন্টস প্রয়োজন
1. Application on company letter head.
2. Consumption Report on company letter head. (If need)
3. Export L/C or Contract Copy (Amendment copy)
4. Back to Back L/c copy (Import/Local)
5. Proforma Invoice (Raw Material)
6. Bank Certificate
7. Measurement Chart. (If need)
8. Sample.
9. Previous UD/Amendment copy.
10. Money Receipt.
UD / Utilization Declaration কি
ফ্যাক্টরি কিংবা বায়িং হাউজে একজন মার্চেন্ডাইজারের কাজ কী?
অল্প কথায় কিছু ব্যাখ্যাঃ
বায়িং হাউসের কাজের পরিধি অনেক বড়। বায়িং হাউসের মার্চেন্ডাইজাররা বিদেশি বায়ারদের সঙ্গে যোগাযোগ করে পণ্য বিক্রির প্রস্তাব দেন এবং বায়ার রাজি হলে কোম্পানির প্রোডাক্টের স্যাম্পল দেখান। প্রোডাক্ট তৈরিতে কী কী উপকরণ ব্যবহার করা হবে এবং এর মান কতটুকু টেকসই হবে, প্রোডাক্টের সব গুণাগুণ তুলে ধরে এসব বিষয় নিয়ে কথা বলেন। পছন্দ হলে দামের বিষয়টি চূড়ান্ত করে চুক্তিপত্র করা হয়। বায়ারদের চাহিদা অনুযায়ী ফ্যাক্টরিতে প্রোডাক্ট তৈরি থেকে শুরু করে শিপমেন্ট পর্যন্ত পুরো কাজ দেখতে হয় মার্চেন্ডাইজারদের। ফ্যাক্টরির মার্চেন্ডাইজাররা বায়িং হাউসের মাধ্যমে পাওয়া কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তৈরি ও পণ্যের মানের বিষয়টি দেখভাল করেন। বায়িং হাউসের মার্চেন্ডাইজারদের কাছে পণ্য বুঝিয়ে দেওয়া পর্যন্ত তাদের কাজ।
তবে,অনেক ফ্যাক্টরিতেই মার্চেন্ডাইজার অর্ডার আনা থেকে শুরু করে অর্ডার বায়ারের কাছে পৌঁছে দেওয়া পর্যন্ত পুরো দায়িত্ব পালন করে থাকে।
ফ্যাক্টরি কিংবা বায়িং হাউজে একজন মার্চেন্ডাইজারের কাজ কী | Factory Merchandiser
মার্চেন্ডাইজিং এর জন্য সকল গুরুত্বপূর্ণ ও প্রয়োজনীয় ফাইল । এই ফাইল গুলো দেখলেই মার্চেন্ডাইজিং কাজ সম্পর্কে যথেষ্ট ধারনা পেয়ে যাবেন।
আপনাদের যারা মার্চেন্ডাইজার পরিচিত আছের তাদের কাছ থেকে সংগ্রহ করতে পারেন । কিংবা আপনারা দিতে চাইলে আমাদের গ্রুপে পোস্ট করেন।
1. Costing of Jackets.
2. Costing of basic five pocket denim pant.
3.Costing of Flair denim.
4.Costing of jeggings.
5.Costing of cargo pant.
6. CM price of denim pant and jackets.
7. FOB price of denim pant and Jackets.
8.ERP system details.
9. Merchandising organogram.
10. Gathering plan.
11.Order summary.
12.Shipment summary.
13. Preproduction activities.
14.Order status.
15. LC and others documents.
16. Sample programme.
17. Pricing summary.
18. Proforma invoice of CM and Wash.
19.Subcontract agreement.
20. Wash bill.
21.Contract signing.
22. Consumption sheet.
23. Check list.
24. Size set programme.
25. Inspection report.
26. Inline inspection report.
27. Tech pack.
28. BOM sheet.
29. PI sheet.
30. P.O sheet.
31. Shipment details.
32. Pattern.
33. Measurement spec.
34. Cutting instructions
35. Sewing instructions
36. Washing instructions.
37. Finishings instructions.
38. Packing instructions.
39. Production report.
40. Production planning for monthly.
41. Payment details.
42. Store information.
43. TPX color book.
44. Thread code.
45. TNA planning.
46. Audit report.
47.Fabric booking.
48. Thread booking.
49. Button booking.
50. Carton booking.
51. All trims and accessories booking.
52. Cargo booking.
53. Air booking.
54. Querier booking and information.
55. SMV.
56. Local and international supplier information.
57. Buyer Information of Zara, Walmart, TCP, US.Polo and others.
58. Price of trims accessories of local and foreign suppliers.
মার্চেন্ডাইজিং এর জন্য সকল গুরুত্বপূর্ণ ও প্রয়োজনীয় ফাইল | Merchandizing Documents
*মার্চেন্ডাইজারের ডায়েরি* পর্ব: ১৬ (Email Communication Tips)
আসসালামুয়ালাইকুম। আশা করি কোভিডের এই ক্রান্তিকালেও আপনারা মহান আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমতে ভালো আছেন। অনেকদিন পর আপনাদের মাঝে নতুন একটি পর্ব নিয়ে আসলাম। যদিও পর্বটি শুধুমাত্র মার্চেন্ডাইজিং নয় বরংচ যেকোন সেক্টরের ইমেইল কমিউনিকেশনে কাজে লাগবে। বর্তমান তথ্য প্রযুক্তির এই সময়ে ইমেইল কমিউনিকেশন হচ্ছে যেকোন বিজনেসের হার্ট। হয়তোবা আমরা একেকজন একেকভাবে ইমেইল কমিউনিকেশন করছি। কিন্তু অল্প বিস্তর কিছু টিপস ফলো করে আমরা সেটাকে আরো ফ্রুটফুল করতে পারি।যদিও আমি নিজেও প্রতিনিয়ত শেখার চেষ্টা করছি তারইমাঝ থেকে আজকে কিছু টিপস আপনাদের সাথে শেয়ার করছি। চলুন শুরু করা যাক।
১) Email Subject :
কথায় আছে আগে দর্শনধারী তারপর গুনবিচারী অর্থাৎ শুরুতে যেকোন কিছু দেখেই আমরা অনেকটা ধারনা করে নেই তারপর আমরা গুন বিচার করতে যাই। একটি সুন্দর নাম যেমন যেকোন বিজনেস প্রজেক্টের জন্য ইম্পরটেন্ট ঠিক একইভাবে একটি সুন্দর ইমেইলের সাবজেক্টও সমানভাবে ইম্পরটেন্ট। ইমেইলের সাবজেক্ট লেখার সময় আমাদের সাবজেক্ট এমনভাবে লেখা উচিত যাতে একজন মানুষ ইমেইলের বডি কন্টেন্ট না পড়েই বুঝতে পারে ইমেইলটি কি সংক্রান্ত। আমাদের ইমেইলে অনেক সময় টপ ম্যানেজমেন্টের লোক CC তে থাকে যাদের মেইলবক্সে ডেইলি কয়েকশ মেইল আসে যার সবগুলো তারপক্ষে পড়াও সম্ভব হয় না। আবার না চাইলেও অনেকসময় তাদের মেইলে CC তে রাখতে হয়।
আপনি যদি সঠিক মেইলের সাবজেক্ট সিলেক্ট করতে পারেন তাহলে দেখা যাবে তারা শুধু মেইলের সাবজেক্ট দেখেই বুঝতে পারবে যে কোন মেইলটি তার পড়া উচিত অথবা কোনটি উনি Disregard করতে পারেন। আবার বায়ারকে মেইল পাঠানোর সময়ও আমাদের মেইলের কন্টেন্টের সাথে সংগতিপূর্ণ এমন সাবজেক্ট লেখা উচিত যাতে মেইলের সাবজেক্ট দেখেই তারা বুঝতে পারে মেইলটি কি সংক্রান্ত। এটা যে শুধুমাত্র অন্যের জন্য তা নয় বরংচ এটা নিজের জন্য আরো বেশি ইম্পরট্যান্ট।
একটি উদাহরণ দিয়ে বুঝানোর চেষ্টা করছি। মার্চেন্ডাইজার হিসেবে বিভিন্ন মিলের কাছ থেকে বিভিন্ন প্রোগ্রামের জন্য আমাদের স্যাম্পল ইয়ার্ডেজ অথবা স্যাম্পল ফেব্রিক আনতে হয়। এখন আপনি যদি মেইলের সাবজেক্টে মিলের নাম, ফেব্রিকের কোড এবং যেই বায়ারের যেই প্রোগ্রামের জন্য আনছেন তা একইসাথে Include করতে পারেন তাহলে পরবর্তী যেকোন সময়ে আপনার জন্য সেটা ফলোআপ করাটা সহজ হবে। যেমন Sample Yardage Requirement for Levi's SP'22 Skinny Program (Square#ABCD)। এই সাবজেক্ট লাইন থেকে মেইল না পড়েও যে কেউ বুঝতে পারবে যে আমি Levi's বায়ারের SP'22 সিজনের Skinny Program এর জন্য Square ডেনিম মিলের ABCD আর্টিকেলের স্যাম্পল ইয়ার্ডেজ চাচ্ছি।
২) File Name :
আমরা অনেকসময় মেইলে ফাইল এটাচ করি যেগুলোর কোন সংগতিপূর্ণ নাম থাকে না যা দিয়ে ফাইলটা ওপেন না করার আগ পর্যন্ত মোটেও বুঝা যায় না যে সেটি কি সংক্রান্ত। এটি পুরোপুরি অনুচিত একটা কাজ। এমনকি আমরা যদি কোন স্টাইলের স্যাম্পলের ছবি তুলেও মেইলে এটাচ করতে চাই তাহলে আমাদের উচিত আগে সেই ইমেজের নামটা চেঞ্জ করে তারপর এটাচ করা। যেমন আমি একটি ইমেজের নাম দিলাম Style#XYZ1234-Dark Wash Ad Sample Front Image। এতে করে যাকে পাঠাচ্ছি সে ইমেজ ওপেন না করেই বুঝতে পারবে যে আমি তাকে Style#XYZ1234 এর Dark Wash এর Advertising Sample এর Front Image এর ছবি পাঠাচ্ছি। তাছাড়া আপনি যদি যেকোন ফাইল একটি সঙ্গতিপূর্ণ নাম দিয়ে সেভ করে রাখেন তাহলে পরবর্তীতে আপনি নিজেও সেটা সহজে খুজে বের করতে পারবেন।
৩) Date Record Keeping :
মার্চেন্ডাইজিং এ দেখা যায় আমাদের একই ফাইল অনেকসময় ডেইলি বেসিসে অথবা উইকলি বেসিসে আপডেট করা লাগে। এখন আপনি যদি যেকোন ফাইলের নামের শেষে তারিখটা এড করতে পারেন তাহলে দেখবেন যে সেটা আপনার রেকর্ড কিপিং এ খুব কাজে দিবে। আমার মতে এটা আসলে যেকোন ফাইল সেভ করে রাখার সময় করা উচিত। এতে করে আপনি কয়েকমাস পরেও বুঝতে পারবেন যে আপনি সর্বশেষ কবে এই ফাইলটা নিয়ে কাজ করেছেন। যেমন Costing of Style#XYZ1234-Dark Wash 17.7.21। আপনি এতে কয়েকমাস পরেও বুঝতে পারবেন আপনি এই স্টাইলটির কস্টিং নিয়ে সর্বশেষ জুলাইয়ের ১৭ তারিখ কাজ করেছিলেন।
৪) MS Excel File :
মার্চেন্ডাইজিং এ আপনি অন্য কিছু না জানলেও আপনাকে MS Excel এর কাজ জানা থাকা লাগবে। আমাদের দৈনন্দিন মার্চেন্ডাইজিং লাইফে আমাদের হরহামেশা Excel file নিয়ে কাজ করা লাগে এবং বায়ারকে বিভিন্ন ইনফরমেশন এক্সেল ফাইলে পাঠাতে হয়। অথচ অনেকের ক্ষেত্রে দেখা যায় এক্সেল ফাইল পাঠানোর সময় আমরা সেটিংস কিংবা ভিউ এডজাস্ট করে পাঠাই না। যারফলে আমরা যদি এক্সেল ফাইল ৫০% জুম ভিউ করে সেভ করি তাহলে ফাইল ওপেনের সময় বায়ারকে আবার ১০০% এ এডজাস্ট করে ফাইলটি দেখা লাগবে।
আবার অনেকে দেখা যায় হয়তো সর্বশেষ AZ কলামের ১০০ নং রোতে সর্বশেষ কাজ করেছে। এখন সে যদি ফাইলটি এইভাবে সেভ করে তাহলে দেখা যাবে অন্য যে কেউ ফাইলটি ওপেন করলে সর্বশেষ কাজ করা এরিয়াটা দেখতে পারবে অথচ আমাদের উচিত ছিলো এমনভাবে সেভ করা যাতে অন্য কেউ ফাইলটি ওপেন করলে AA কলামের ১ নং রোর ইনফরমেশন দেখতে পারে। এই ব্যাপারগুলো আমাদের খেয়াল রাখা উচিত।
৫) Picture Alignment :
অনেকসময় দেখা যায় যে বায়ারকে একটি স্যাম্পলের ইমেজ পাঠাতে হবে যেখানে অনেকে বাকা ত্যাড়াভাবে দায়সারাভাবে ছবি তুলে পাঠিয়ে দিচ্ছে। একটা জিনিস মনে রাখা উচিত যে পাসপোর্ট সাইজ ছবি তুলতে গেলে আমরা যেমন চেষ্টা করি মাথা এবং বডি যাতে ক্যামেরার সাথে প্যারালাল স্ট্রেইট ওয়েতে তুলি ঠিক সেভাবে যত্ন নিয়ে যাতে আমরা ছবিগুলো তুলি। আমরা কিন্তু আমাদের নিজেদের ছবি বায়ারকে পাঠাই মা বরংচ আমাদের কাজের মাধ্যমেই কিন্তু বায়ার আমার সম্পর্কে ধারণা পায়। সুতরাং এদিকটায় আমাদের একটু যত্নবান হওয়া উচিত।
৬) Mail Language & Information :
আমার সাবেক এক বস বলেছিলেন মেইল এমনভাবে লিখবেন যাতে করে ডোনাল্ড ট্রাম্পও বুঝতে পারে। কথাটা বলার উদ্দেশ্য এই যে, ডোনাল্ড ট্রাম্প যেমন ব্যবসায়ী থেকে পুরোদস্তুর রাজনীতিবিদ বনে গেছেন তাতে করে যেমন ধরে নেওয়া যায় যে তারমতো লোক রাজনীতির অনেক কিছুই বুঝবেন না ঠিক তেমনি যাকে মেইল পাঠানো হচ্ছে কিংবা মেইলের CC তে এমন কেউও থাকতে পারে যিনি মেইলটির ব্যাকগ্রাউন্ড নাও জানতে পারেন।
তাই মেইলে ইনফরমেশন দেওয়ার সময় কার্পন্য করবেন না। তাই বলে মেইল যাতে রচনা না হয়ে যায় সেদিকেও লক্ষ্য রাখা লাগবে। চেষ্টা করা দরকার যাতে মেইলের বক্তব্য বুলেট পয়েন্ট আকারে অথবা প্রয়োজনীয় ছবি কিংবা এক্সেল ফাইল আকারে দিয়ে অল্প কথায় সর্বোচ্চটুকু ইনফরমেশন দেওয়া যায়।
পাশাপাশি এটা মনে করা অনুচিত যে, আমি আগের মেইলে একটা ইনফরমেশন দিয়েছি সেটা বায়ার আগের মেইল থেকে খুজে দেখুক। চেষ্টা করবেন আগে দেওয়া থাকলেও আপনার বর্তমান মেইলে যদি আবার একই ইনফরমেশন দরকার হয় তাহলে আগের মেইলটা এটাচমেন্ট আকারে সাথে দিয়ে দিতে। এতে পরে মেইলের রিসিভারকে কষ্ট করে আগের মেইল খুজে দেখতে হবে না।
এরকম আরো নানারকম টিপস রয়েছে যা আমি নিজেও চেষ্টা করি প্রতিনিয়ত অন্যের কাছ থেকে শিখতে। মহানগরের ওসি হারুনের মতো বলতে হয়- দুইটি জিনিসে কখনো কার্পন্য করবেন না। একটি হচ্ছে কারো কাছ থেকে কখনো শিখতে কার্পন্য করবেন না এবং কাউকে শিখাতে কখনো কার্পন্য করবেন না।
আসিফ বিন আসগর
মার্চেন্ডাইজার, হংকং বেজড মাল্টিন্যাশনাল ট্রেডিং অফিস
এক্স-টেক্সটাইল স্টুডেন্ট,
এক্স-টেক্সটাইল স্টুডেন্ট, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
কার্যনিবাহী পরিচালক, বুনন
মার্চেন্ডাইজারদের জন্য ইমেইল কমিউনিকেশন প্রসেস এবং টিপস | Email Communication Tips For Merchandiser
বায়ার ভিজিটের সময় করনীয়
1. সেকশন অর্গানিক নিয়ম অনুযায়ী সাজিয়ে রাখতে হবে । প্রতিটি মেশিনে অর্গানিক কার্ড ।
২. সকল প্রসেস চালু আছে কিনা তা নিশ্চিত করাতে হবে হবে । যাতে করে বায়ার রা এসে সব গুলি মেশিন চালু অবস্থায় দেখতে পারেন।
৩. সেকশন অনুযায়ী মেশিন পরিস্কার করে রাখতে হবে । মেশিনের উপরে ধারালো বস্তু বার্নারের পাশে ফেব্রিক রাখা যাবেনা । ক্যামিকেল ড্রাম মেশিনের পাশে রাখা যাবেনা ।
৪. সকল শ্রমিকদের স্টাফদের আইডি কার্ড নিশ্চিত করতে হবে ।
৫. সকল শ্রমিকদের মাস্ক , টুপি স্কার্ফ নিশ্চিত করতে হবে।
৬. জরুরী সকল বহির্গমন রাস্তা সমুহ ফাকা রাখতে পথ যাতে বাধাহীন থাকে কোন মেশিন, বক্স, কাপড় রাস্তায় থাকা যাবেনা ।
৭. চলাচলের সকল রাস্তা সমুহ পরিস্কার করে রাখতে হবে এবং বাধাহীন করে রাখতে হবে ।
৮. সুইং মেশিনের আই গার্ড নিডেল গার্ড, পুলি কাভার মেশিন প্যাডেল ম্যাট ।
৯. ফাস্ট এইড বক্স সমুহ পরিস্কার পরিচ্ছন্ন এবং বাধাহীন বা লক ওপেন ভাবে রাখতে হবে । কোন আইটেম না থাকলে তা এনে রাখতে হবে ।
১০. সব ইলেকট্রনিক বক্স সময় পরিস্কার পরিচ্ছন্ন এবং বাধাহীন রাখতে হবে । বিশেষ করে মাকড়সার জাল নেট থাকা যাবেনা লুজ ওয়্যার থাকা যাবেনা ।
১১. সব ইলেকট্রনিক লাইন সমুহ ওয়্যার লাইন লুজ যাতে না থাকে নিশ্চিত করতে হবে ।
১২. ফ্লোরে সব মালামাল নির্ধারিত স্থানে এবং নির্ধারিত উচ্চতায় রাখতে হবে ।
১৩. ক্যামিকেল স্টোর ইটিপি তে MSDS লেবেল ছাড়া কোন ড্রাম ফেক্টরি সেডের ভেতর না রাখা।
১৪. ইয়ার্ন স্টোর, ফেব্রিক স্টোরে, বিন কার্ড নিশ্চিত করা।
১৫. ফেক্টরিতে মেইন গেইট এবং সমাবেশ এর স্থান ফাকা পরিস্কার রাখা এবং মার্ক সাইন গুলি ঠিক মতো সাজিয়ে রাখতে হবে।
১৬. MSDS ম্যাটেরিয়াল সেইফটি ডাটা সিট লেবেল ছাড়া কোন ক্যামিকেল ড্রাম ফেক্টরি সেডের ভেতর না রাখা।
১৭. খালি ড্রাম ব্যারেল ফেক্টরি সেডের ভেতর রাখা যাবেনা । বাইরে ফাকা স্থান সাজিয়ে রাখতে হবে।
১৮. ঝুট গোডাউনে অতিরিক্ত ঝুট রাখা যাবেনা অপ্রোয়জনীয় ঝুট সরিয়ে রাখতে হবে ঝুট সমুহ পৃথক রাখতে হবে।
১৯. সকল এক্সোস্ট ফ্যান সমুহ পরিস্কার পরিচ্ছন্ন নিশ্চিত করতে হবে এবং তা চালু থাকতে হবে।
২০. অগ্নি নির্বাপন যন্ত্র সময় পরিস্কার করে রাখতে হবে। এবং কার্ডের ডেইট গুলি আপডেট থাকতে হবে ।
২১. সকল ইলেকট্রিক বক্স সময় পরিস্কার রাখতে হবে ।
২২. লাইট বক্স এলোমেলো রাখা যাবেনা ফাইল রাখা যাবেনা ।
২৩. ল্যাব পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে কেচি ছুরি বেধে রাখতে হবে ।
টেক্সটাইল মিলে বায়ার ভিজিটের সময় করনীয় কিছু নির্দেশনা | Buyer visit
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)


