Textile Lab | Textile Blog: Environment Compliance
অনেক ETP supplier - ই  ZLD এবং MBR technology  নিয়ে Client কে বিভিন্ন ভাবে misguide করে এবং ভুলপথে invest করায় l 
✅ ZLD হচ্ছে Zero Liquid Discharge , অর্থাৎ ETP র Treated water একটুও ডিসচার্জ করা যাবে না , maximum water textile production এ recycle করতে হবে এবং ETP এর অবশিষ্ট পানি Evaporate করতে হবে ll

✅ কিন্তু ZLD process অত্যন্ত expensive এবং operating cost extremely high ,  তাই Textile Dyeing এর ক্ষেত্রে ZLD কোনোভাবেই feasible না ll

✅ Textile dyeing এ Salt ব্যবহার করা হয় যা soluble form এ Dyeing waste water এ TDS ( Total Dissolved Solid ) হিসেবে থাকে এবং এর range থাকে 1800- 3000 ppm. 

✅ ZLD process এর প্রথম শর্ত হলো Functional ETP থাকতে হবে যেন BOD , COD এবং TSS required range এর মধ্যে থাকে ll 

✅ TDS কোনো ETP এর মাধ্যমে remove করা যায় না , TDS remove করতে হলে RO ( Reverse Osmosis) technology apply করতে হয় ll

✅ RO এর মাধ্যমে maximum 95% পর্যন্ত ETP এর পানি recover করা যায় ll

✅ Main problem হলো বাকী 5% পানি নিয়ে যা RO থেকে Reject হিসেবে বের হয় l RO Reject water এ TDS থাকে 50,000 ppm এর বেশি  যা একমাত্র Evaporation এর মাধ্যমে Treat করতে হবে কারণ এতো salty water কোথাও ডিসচার্জ করা যাবে না l 

✅ যদি 20 টনের knit dyeing হয় , তাহলে ETP capacity হয় 100 m3/hr . এর জন্য ZLD investment cost হলো প্রায় 25 কোটি টাকা , এবং monthly operating cost হলো 2 কোটি টাকা l 

অর্থাৎ , ZLD apply করা totally impossible যতক্ষণ না নতুন কোনো reasonable economical technology আবিষ্কার হচ্ছে l 


✅ Conventional Biological ETP এর সাথে UF ( Ultra Filter ) add করে সেই পানি RO তে feed দেয়া যায় ll
✅ MBR ETP এর ক্ষেত্রে treated water direct RO তে feed দেয়া যায় l কিন্তু problem হলো MBR মাত্র 3 বছর পর্যন্ত RO feed water quality deliver করতে পারে l এরপরে MBR replace করতে হবে l 

✅ MBR ETP অনেক Expensive এবং RO feed water এর ক্ষেত্রে 3 বছর পরেই সব MBR replace করতে হবে যা total ETP এর investment এর 65% cost. 

✅ তাই MBR technology ব্যবহার না করে বরং Biological ETP এর সাথে UF technology ব্যবহার করাই সব দিক দিয়ে সুবিধা জনক কারণ খরচ অনেক কম এবং 5 বছর পর্যন্ত RO Feed water deliver করতে পারবে ll 

~ Riad Mahmud

ETP 'র জন্য ZLD এবং MBR টেকনোলজির সুবিধা অসুবিধা

⛔♦⛔বহিরাগত প্রবেশ সংরক্ষন নীতিমালা



নিরাপত্তা একটি ফ্যাক্টরীর জন্য বিশেষ করে পোষাক শিল্প ফ্যাক্টরীর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। পোষাক শিল্প ফ্যাক্টরীর নিরাপত্তারক্ষীর দায়ীত্ব ও কর্তব্য বুঝায় একজন নিরাপত্তারক্ষী শ্রমিক/কর্মচারী/ভিজিটর বা পরিদর্শক আসা যাওয়ার ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট বিষয়ের উপর ভিত্তি করে পালন করা । নিরাপত্তা নীতিমালার লক্ষ্য হল প্রদত্ত নিরাপত্তা সম্পদ প্রয়োগের মাধ্যমে  সকল প্রতিষ্টানে উচ্চ পর্যায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। এর অভিপ্রায় হল নিরাপত্তায় বিভিন্ন দিককে অন্তর্ভূক্তির মাধ্যমে চুরি,ধ্বংস এবং অন্তর্ঘাত হতে গ্রপের লোকবল, সম্পদ  এবং তথ্যাদি সংরক্ষণে শ্রেষ্টতর এবং কার্যকরী কর্মপন্থা প্রতিষ্টিত করা। কার্য ধারাটি প্রতিটি প্রতিষ্টান ও তার গ্রাহকদের পারস্পরিক বানিজ্যিক স্বার্থে  সর্বাদিক নিরাপত্তায় গুরুত্ব দিয়ে থাকে। নীতিমালাটি প্রতিটি প্রতিষ্টানের গ্রাহক এবং বিক্রেতা উভয়কে সময়োপযোগী নিরাপত্তার প্রশ্নে সাধ্যানুযায়ী তার অঙ্গীকার নিশ্চিত করতে দৃঢ় সংকল্প থাকে। কর্মসূচীটির মাধ্যমে দৃঢ়ভাবে ঘোষনা করে যে,  নিরাপত্তা মান জাতীয় মানের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ রাখার ব্যবস্থা গ্রহন করার সাথে সাথে  নিরাপত্তা কর্মীদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষতা বৃদ্ধি ও অন্য সকল শ্রমিক কর্মচারীদের নিরাপত্তা সচেনতা বৃদ্ধি ও জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহন করে। কারখানায় নিরাপত্তা নীতিমালা তার পারিপার্শ্বিক অবস্থা ও পরিবেশের জন্য বন্ধুত্বপূর্ণ এবং স্থানীয় আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর কাজের পরিপূরক।

 ♦বহিরাগত প্রবেশ সংরক্ষন প্রতিরোধের জন্য নিন্মোক্ত নিরাপত্তা বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়ঃ

  • কারখানায় কর্মরত শ্রমিক কর্মচারী ব্যতিত অন্য কোন ব্যক্তি বহিরাগত প্রবেশ সংরক্ষন নীতিমালা অনুযায়ী  কারখানায় প্রবেশ করতে পারবে না ।
  • জোর বা বলপূর্বক কোন ব্যক্তি কারখানায় প্রবেশ করতে চাইলে সাথে সাথে প্রশাসন বিভাগকে অবহিত করবেন এবং যে কোন মূল্যে তার প্রবেশ প্রতিহত করতে হবে ।
  • প্রয়োজনে বিপদ সংকেত বাজাবেন ।
  • সকল শ্রমিকদের নিজ নিজ হাজিরা কার্ড এবং পরিচয় পত্র চেকিং এর মাধ্যমে কারখানায় প্রবেশের অনুমতি প্রদান করিবেন।
  • হাজিরা কার্ড এবং পরিচয় পত্র প্রর্দশন ব্যতিত কাউকে কারখানায় প্রবেশের অনুমতি দেওয়া যাবে না ।
  • শ্রমিক কর্মচারীর বহনকৃত থলে, টিফিন বক্স ইত্যাদি চেক করতে হবে ।
  • আপত্তিকর এবং অবৈধ ক্ষতিকর কোন জিনিষ পাওয়া গেলে তাহা সাবধনতার সহিত জব্দ করে প্রশাসন বিভাগকে অবহিত করবেন ।
  • অপ্রয়জনে কাহারও সাথে ঝগড়া বা তর্কে লিপ্ত হওয়া যাবে না।
  • ♦বহিরাগত / ভিজিটর (পরিদর্শক) প্রবেশাধিকার:-
  • গেইটে ভিজিটর (বিদেশী/স্থানীয়) আসিলে, কর্তব্য সিকিউরিটি গার্ড তাকে সরাসরি ফ্যাক্টরীতে প্রবেশ করতে দিবে না।
  • সিকিউরিটি গার্ড নম্রভাবে ভিজিটরের পরিচয় জানতে চাইবে ও তিনি কার সাথে দেখা করতে চান জানতে চাইবেন বা সন্তোষজনক উত্তর পেলে সিকিউরিটি গার্ড ভিজিটরকে ভিতরে প্রবেশের অনুমতির জন্য জি.এম / ফ্যাক্টরী ম্যানেজারের কাছে খবর পাঠাবেন।
  • জি.এম./ফ্যাক্টরী ম্যানেজার অনুমতি দিলে, সংশ্লিষ্ট রেজিষ্ট্রারে ভিজিটরের তথ্যাবলী (তারিখ, আগমন সময়, নাম, ঠিকানা / অফিসের নাম, সাক্ষাৎকারী ব্যক্তি, সাক্ষাতের উদ্দেশ্য, ভিজিটর কার্ড নং, ভিজিটরের স্বাক্ষর) লিপিবদ্ধ করিবেন ও ভিজিটরকে ভিজিটর কার্ড দিবেন।
  • যদি একই প্রতিষ্ঠান থেকে একাধিক ভিজিটর আসে, তবে তাদের প্রত্যেকের নাম ভিজিটর রেজিষ্ট্রারের আলাদা ঘরে লিখতে হবে এবং প্রত্যেককেই ভিজিটর কার্ড প্রদান করতে হবে।
  • ভিজিটর কার্ড সামনের পকেটে বা অনুরূপ স্থানে এমন ভাবে পরিধান করতে হবে, যেন স্পষ্ট ভাবে দৃষ্টিগোচর হয়।
  • সিকিউরিটি গার্ড নম্রভাবে ভিজিটরের ব্যাগ ও দেহ তল্লাশী করার কথা বলবেন ও তল্লাশী করবেন। প্রয়োজনে হ্যান্ড স্ক্যানার দ্বারা স্ক্যান করবেন।
  • অতঃপর একজন সিকিউরিটি গার্ড ভিজিটরকে সঙ্গে করে সাক্ষাৎকারীর নিকট নিয়া যাবে।
  • ভিজিটর যার সাথে দেখা কতে চান, পারতঃপক্ষে তিনি অফিসে গিয়ে ভিজিটরের সাথে দেখা করবেন। যদি একান্তই ভিজিটরকে ফ্যাক্টরীর ভিতরে নিয়ে আসতে হয়, সেক্ষেত্রে সাক্ষাৎকারী ব্যক্তি সব সময় ভিজিটরের সঙ্গে থাকবেন।
  • ভিজিটরকে কখনই একা একা অফিসে বা ফ্যাক্টরীর ভিতরে ঘোরাফেরা করতে দেয়া যাবে না।
  • সাক্ষাৎ শেষে সাক্ষাৎকারী ব্যক্তি ভিজিটরকে গেইট পর্যন্ত এগিয়ে দিয়ে আসবে।
  • সাক্ষাৎ শেষে বের হওয়ার সময় ভিজিটর কার্ড সিকিউরিটি গার্ডের কাছে হস্তান্তর করবেন। সিকিউরিটি গার্ড ভিজিটর কার্ড নিবেন, ভিজিটর রেজিষ্ট্রারে বাহির হওয়ার সময় লিপিবদ্ধ করবেন ও ভিজিটর রেজিষ্ট্রারে সিকিউরিটি গার্ডের স্বাক্ষর দিবেন।
  • উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত ভিজিটরকে অফিসের বা ডিসপ্লেকৃত গার্মেন্টসের বা ডকুমেন্টসের বা ফ্যাক্টরীর বা অন্য কিছুর ছবি তুলতে দেয়া যাবে না।
  • গেটপাশ ব্যতীত ভিজিটরকে কোন কিছু গেটের বাহিরে নিতে দেয়া যাবে না।
  • কোন সিকিউরিটি গার্ড বদলীর সময় নতুন গার্ডকে সঠিকভাবে দায়িত্ব ও ব্রিফিং করতে হবে।
  • সিকিউরিটি অফিসার প্রতিদিন কার্য্যসময় শেষে ভিজিটর চেক করিবেন ও উহাতে মন্তব্যসহ স্বাক্ষর করিবেন।
  • সিকিউরিটি ইনচার্জ প্রত্যেক সপ্তাহান্তে জি.এম / এফ.এম. মহোদয়ের চেক ও স্বাক্ষরের জন্য ভিজিটর রেজিষ্ট্রার তার নিকট দিবেন।
  • ভিজিটর কার্ড নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট বিষয় বিধায় ভিজিটর কার্ড হারানো অপরাধ। যদি একান্তই হারিয়ে যায় তবে উক্ত ব্যক্তি একটি লিখিত জবানবন্দী দিবেন। সিকিউরিটি ইনচার্জ হারানোর ঘটনা তদন্তপূর্বক হারিয়ে যাওয়া কার্ড নিয়মিত করনের ব্যবস্থা করিবেন।
  • ♦ক্যারিয়ার সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান
  • কারখানা প্রতিষ্ঠানের সহিত মালামাল পরিবহন করার জন্য চুক্তিবদ্ধ থাকতে হবে।
  • প্রতিষ্ঠান পরিচালনার জন্য বৈধ লাইসেন্স থাকতে হবে।
  • মালামাল পরিবহনকারী হিসাবে যথেষ্ট গ্রহণ যোগ্যতা ও পরিচিতি থাকতে হবে।
  • মালামাল পরিবহনের কাজের পূর্ব অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
  • প্রতিষ্ঠানের আর্থিক স্বচ্ছলতা থাকতে হবে।
  • যোগাযোগের জন্য টেলিফোন/মোবাইল থাকতে হবে।
  • সকল ড্রাইভারদের ড্রাইভিং লাইসেন্স থাকতে হবে।
  • সকল ড্রাইভারদের ব্যাকগ্রাউন্ড ভেরিফিকেশান চেক করতে হবে।
  • সকল ড্রাইভারদের ব্যাকগ্রাউন্ড ভেরিফিকেশান আপডেট করতে হবে।
  • মালামাল পরিবহনকারী গাড়িগুলির ফিটনেস থাকতে হবে।
  • কোম্পানী কর্তৃক নির্দিষ্ট রুট দিয়ে মালামাল পরিবহন করতে হবে।
  • সকল ড্রাইভারদের নিরাপত্তা সংক্রান্ত নিরাপত্তা তথ্য সম্পর্কে প্রশিক্ষণ দিতে হবে।
  • কারখানা প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা সংক্রান্ত সকল নিয়ম-কানুন মেনে চলতে হবে।
  • নিরাপত্তা সংক্রান্ত সকল ডকুমেন্ট আপডেট করতে হবে।
  • নীতিমালা সংক্রান্ত কোন কিছুর পরিবর্তন, পরিবর্ধন হলে কারখানা প্রতিষ্ঠানকে জানাতে হবে।

♦নিরাপত্তারক্ষী সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান

  • কারখানা প্রতিষ্ঠানের সহিত চুক্তি থাকতে হবে।
  • নিরাপত্তা রক্ষী সরবরাহকারী হিসাবে যথেষ্ট গ্রহণ যোগ্যতা ও পরিচিতি থাকতে হবে।
  • ট্রেড লাইসেন্স থাকতে হবে।
  • যোগাযোগের জন্য টেলিফোন/মোবাইল থাকতে হবে।
  • প্রতিষ্ঠানের আর্থিক স্বচ্ছলতা থাকতে হবে।
  • সকল নিরাপত্তারক্ষীর পারসোনাল ফাইল থাকতে হবে।
  • সকল নিরাপত্তারক্ষীর ব্যাকগ্রাউন্ড চেক ভেরিফিকেশান থাকতে হবে।
  • সকল নিরাপত্তারক্ষীর নিরাপত্তা সংক্রান্ত পর্যাপ্ত ও উপযুক্ত প্রশিক্ষণ থাকতে হবে।
  • সকল নিরাপত্তারক্ষীর পর্যাপ্ত নিরাপত্তা সরঞ্জাম থাকতে হবে।
  • সকল নিরাপত্তারক্ষীর বেতন ভাতাদি সময় মত পরিশোধ করতে হবে।
  • সকল নিরাপত্তারক্ষীকে ফটোসহ আইডি কার্ড দিতে হবে।
  • ব্যাকগ্রাউন্ড চেক ভেরিফিকেশান আপডেট থাকতে হবে।
  • কারখানা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক সকল নিয়ম-কানুন মেনে চলতে হবে।
  • নিরাপত্তা সংক্রান্ত সকল ডকুমেন্ট আপডেট করতে হবে।
  • নীতিমালা সংক্রান্ত কোন কিছুর পরিবর্তন, পরিবর্ধন হলে কারখানা প্রতিষ্ঠানকে জানাে

SYEDUL ZANNAT..............

টেক্সটাইল মিলে বহিরাগত প্রবেশ সংরক্ষন নীতিমালা | Textile Compliance

⛔♦⛔ বিভিন্ন পার্সোনাল প্রটেক্টিভ ইক্যুইপমেন্টে এর  ব্যবহার


কর্মক্ষেত্রে নানাভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আঘাত প্রাপ্তির ঘটনা যে কোন অবস্থাতেই ঘটতে পারে এবং একে সম্পূর্ণ রূপে নির্মুল করতে না পারলেও যথাযথ প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে কমিয়ে আনা যেতে পারে। কর্মক্ষেত্রে বেশীর ভাগ দুর্ঘটনারই কারণ হচ্ছে অজ্ঞতা, অবহেলা এবং অসতর্কতা। আজকের ছোট সমস্যা ভবিষ্যতে বড় সমস্যার আকার ধারন করতে পারে। কর্তৃপক্ষ তাই গভীরভাবে অনুধাবন করে যে, সকল শ্রমিকদের মধ্যে সচারচর ঘটে যাওয়া আঘাত সমূহ সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি করতে পারলে আঘাতের বা দূঘটনার হার কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।এ জন্য আঘাত কি তা আগে আমাদের জানতে হবে। আঘাত বলতে যে কোন শারীরিক বাধা বা সীমাবদ্ধতাকে বোঝায় যার কারণে স্বাভাবিক কর্মপ্রবাহে ব্যাঘাত ঘটে। আঘাত কেবল শারীরিক বিকৃতিকেই বুঝায় না বরং যে কোন বাধা বা ত্র“টি যা কোন বস্তু বা কাজের প্রবাহে বিঘœ ঘটায় তাকেও বুঝায়। আঘাত সাধারণত ৩ টি কারণে হয়ে থাকে- অজ্ঞতা ঃ অজ্ঞতাই হচ্ছে আঘাতের মূল কারণ। কোন ব্যক্তি যদি আঘাতের কারণ সমূহ সম্পর্কে অজ্ঞ থাকে তাহলে সে কখনই প্রতিরোধ মূলক ব্যবস্থা নিতে পারবে না। কোন শ্রমিক যদি না জানে যে, সেলাই মেশিনের নিড্ল থেকে তার আঙ্গুলে/চোখে আঘাত লাগতে পারে তাহলে সে কখনও নিড্ল গার্ড/আই গার্ড ব্যবহারের গুরুত্ব বুঝবে না। তাই আঘাত প্রতিরোধের জন্য সচেতনতা সৃষ্টি করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অবহেলা ঃ আঘাতের আরেকটি কারণ হচ্ছে অবহেলা। প্রায়ই আমরা ক্ষুদ্র সমস্যাকে অবহেলা করি যা পরবর্তীতে বৃহৎ সমস্যার সৃষ্টি করে। যেমন ত্র“টিযুক্ত বৈদ্যুত্যিক তারকে অবহেলা করি। কিন্তু এ থেকেই কেউ তড়িতাহত হতে পারে বা বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ড ঘটতে পারে যা মৃর্ত্যুর কারণও হতে পারে। অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস ঃ অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস আঘাত প্রাপ্তির একটি অন্যতম কারণ। যখন অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসের কারণে লোকজন প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে না তখনই তারা আঘাত প্রাপ্ত হয়। নিম্নে গামেন্টর্স ও টেক্সটাইল কারখানায় ব্যবহারিত কিছু পার্সোনাল প্রটেক্টিভ ইক্যুইপমেন্ট এর ছবি ও এদের ব্যবহার দেয়া হল।




পার্সোনাল প্রটেক্টিভ ইক্যুইপমেন্ট এর ব্যবহার

♦ইয়ার প্লাগঃ 
স্বাভাবিক শব্দের চেয়ে বেশি শব্দের ক্ষেত্রে ইহা ব্যবহার করে কাজ করা হয় যাতে কেউ বধির না হয়ে যায়। যেমন Ñ নিটিং, ডাইং, ওয়াশিং মেশিন ইত্যাদি।

♦ইয়ার মাফলারঃ
 স্বাভাবিক শব্দের চেয়ে উচ্চ শব্দের ক্ষেত্রে ইহা ব্যবহার করে কাজ করা হয় যাতে কেউ বধির না হয়ে যায়। যেমন Ñ বয়লার, জেনারেটর, থ্রেড সাকার মেশিন ইত্যাদি।

♦ক্লথ মাস্কঃঃ
 সুইং, ফিনিশিং, নিটিং ফ্লোরে সবসময় কাপড়ের ধুলা, কাপড়ের গন্ধ এবং কাপড়ের সুতা নিঃশ্বাসের সাথে শরীরে প্রবেশ করে। যা স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। সেক্ষেত্রে  কাপড়ের মাস্ক ব্যবহার করা অত্যাবশকীয়।

♦ডাবল লিফ্টার গ্যাস মাস্ক (রেসপোরিটয় ভাপর)ঃ
 স্পট রিমোভিং, ডাইং, ওয়াশিং ও কেমিক্যাল ব্যবহারের সময় এই ধরনের মাস্ক ব্যবহার করতে হবে যাতে বিষাক্ত গ্যাস নিঃশ্বাসের সাথে শরীরের ভিতরে প্রবেশ করে বিভিন ধরনের রোগ হতে না পারে।

♦হ্যান্ড গ্লাভসঃ
 স্পট রিমোভিং, ডাইং, ওয়াশিং ও কেমিক্যাল ষ্টোরে কাজ করার সময় কেমিক্যাল শরীরে লাগলে ত্বকের ক্ষতি হয় । ফলে এর থেকে বিভিন্ন ধরনের চর্ম রোগ হতে  পারে। তাই এ ধরনের কাজে হ্যান্ড গ্লাভস ব্যবহার করতে হবে।

♦গগলস (চশমা)
 স্পট রিমোভিং, ডাইং, কেমিক্যাল ষ্টোর, ওয়াশিং ও ওভার লক / ফ্লাট লক মেশিনে কাজ করার সময় চশমা(গগলস) ব্যবহার করতে হবে।

♦গাম বুটঃ
 ডাইং, কেমিক্যাল ষ্টোর ও ইটিপি সেকশনে কাজ কাজ করার সময় কেমিক্যাল ও এসিড জাতীয় পদার্থের ছোয়ায় পা পুড়ে যেতে পারে। তাছাড়া এসকল কেমিক্যালের প্রভাবে পায়ে বিভিন্ন চর্ম রোগ যেমনঃ একজিমা গ্যাংরিন এমনকি ক্যান্সারও হতে পারে। এ সমস্ত রোগ থেকে রক্ষা পাবার জন্য গাম বুট ব্যবহার করা অত্যান্ত জরুরী।

♦নিডল গার্ডঃঃ
 সুইং মেশিনে (সিঙ্গল নিড্ল ও ডাবল নিড্ল) চলাকালীন সময়ে অসতর্কতা বশঃত কখনো আঙ্গুলে নিডল ঢুকে যায়। মেশিনে নিড্ল গার্ড ব্যবহার করলে আঙ্গুলে নিড্ল ঢুকবেনা।

♦আই গার্ডঃঃ
 ওবার লক, ফ্লাট লক, বাটন হোল, বাটন ষ্টিচ, বারটেক মেশিন ইত্যাদি মেশিনের নিড্ল ভেঙ্গে ছিটকে চোখে ঢোকার সম্ভাবনা থাকে, তাই এই সকর মেশিনে আই গার্ড ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

♦রাবার ম্যাটঃঃ
 সুইং মেশিনের পাদানি, আয়রন ম্যানের নীচে ও ইলেকট্রিক মেইন সুইচ বোর্ডের নিচে রাবার ম্যাট ব্যবহার করা হয় যাতে যেন ইলেকট্রিক শক শরীরে না লাগে।

♦মেটাল গ্লাভসঃ 
কাটিং মেশিনে কাটারম্যান মেটাল গ্লাভস ব্যবহার করে যাতে হাতের আঙ্গুল কেটে না যায়।

♦অপার পুলি কভারঃ
মেশিন থেকে তৈল ছিটকিয়ে না পড়া, মেশিনের কাপড় বা ওড়না যাতে না জড়ায় সেজন্য ইহা ব্যবহার করা হয়।

♦আয়রন সেফটি কভারঃ
আয়রন মেশিনের সংযোগ তার থেকে যাতে কোন প্রকার ইলেকট্রিক শক কিংবা গরম তাপ অনুভব না লাগে তাই ইহা ব্যবহার করা হয়।

মেশিন অনুযায়ী সমস্যা সমুহ ও পিপিইর ব্যবহার

সাধারন আলোচনাঃ নিম্নে বিভিন্ন ধরনের মেশিন থেকে সম্ভাব্য দূর্ঘটনা এবং এর প্রতিকার দেয়া হলো

♦মেশিন সমস্যা পিপিই
সকল প্রকার ডাইং ও ওয়াশিং মেশিন ত্বকের ক্ষতি হওয়া, কানে কম শোনা ইত্যাদি। হ্যান্ড গ্লাভস, চশমা, ইয়ার প্লাগ, গাম বুট, মাস্ক (রেসপেরিটয় ভাপর), এ্যাপ্রন
নিটিং মেশিন শ্বাসনালী / ফুসফুসে সমস্যা, কানে কম শোনা ইত্যাদি কাপড়ের মাস্ক, ইয়ার প্লাগ

ফিনিশিং সময়ঃ

শ্বাসনালী / ফুসফুসে সমস্যা ইত্যাদি কাপড়ের মাস্ক, প্লেন মেশিন, ওভারলক মেশিন, কানসাই ও জিকজাক মেশিন সুঁচ ভেংগে চোখে যাওয়া, আঙ্গুলে ক্ষত হওয়া, কাপড় বা সুতার ডাষ্ট শ্বাসনালী / ফুসফুসে সমস্যা, চুল পেচিয়ে যাওয়া ইত্যাদি এ সকল মেশিন চালানোর সময় আইগার্ড, নিডেলগার্ড, চশমা, পুলিকভার, এ্যাপ্রন, স্কার্ফ, মাস্ক ইত্যাদি ব্যবহার করতে হবে

ব্যান্ড নাইফ, কাটিং মেশিন অঙ্গহানী, ফুসফুসে সমস্যা এ সকল যন্ত্র ব্যবহার করার সময় ধাতব হাত মোজা ও মাস্ক ব্যবহার করতে হবে

বেলকো, লেভেল কাটার মেশিন আঙ্গুলে আঘাত পাওয় বা কেটে যাওয়া এ সকল মেশিন ব্যবহার করার সময় হাত মোজা ও মাস্ক ব্যবহার করতে হবে

আয়রন আঘাত, ইস্ত্রিদ্বারা পুড়ে যাওয়া সঠিক নিয়মে আয়রন করা, আয়রনের সংযোগ তার সেফটি কভার দ্বারা আবৃত করা ও পায়ের নিচে রাবার ম্যাট ব্যবহার করা
স্নাপ বাটন আঙ্গুলে আঘাত, চোখে বাটন যাওয়া মেশিন চালানোর সময় মেশিন ফিঙ্গার গার্ড ও গগলস ব্যবহার করতে হবে
হ্যাং টেগ আঙ্গুলে আঘাত প্রাপ্ত হওয়া

পিপিইঃ 
ফিঙ্গার গার্ড / রিং ব্যবহার করা
কমপ্রেসার বাতাসের চাপ অভিজ্ঞ লোক দ্বারা কমপ্রেসর চালাতে হবে ও সাবধানত অবলম্বন করতে হবে

জেনারেটর
প্রচন্ড শব্দ, কানে কম শোনা বা সমস্যা দেখা দেওয়া ইয়ার মাফলার ব্যবহার করতে হবে
ঊয়লার বয়লার জ্বলে যাওয়া, বাষ্ট হওয়া, কানে কম শোনা বা সমস্যা দেখা দেওয়া ট্রেনিং প্রাপ্ত নিধার্রিত ব্যক্তি দিয়ে বয়লার চালানো, নিয়মিত চেক করা, সময়মত সার্ভিসিং করা, রেকর্ড লিপিবদ্ধ করা ও ইয়ার প্লাগ ব্যবহার করা

ইটিপি শব্দ, শারীরিক সমস্যা, ত্বকের ক্ষতি হওয়া ইয়ার মাফলার, হ্যান্ড গ্লাভস, মাস্ক, গগলস, গামবুট ব্যবহার করা




সাধারণ আঘাতের ধরনঃ

♦সুইং সেকশন
সেলাই মেশিনের নিড্ল ভাঙ্গতে পারে এবং আঘাতের কারণ হতে পারে।
নিড্ল গার্ড ব্যবহার না করার কারণে আঙ্গুলে আঘাত লাগতে পারে।
আই গার্ড ব্যবহার না করার কারণে বাটন স্টিচ এবং বাটন হোল মেশিন থেকে চোখে আঘাত লাগতে পারে।
কাটার এবং সিজার ঠিকমত না রাখলে এবং সাবধানে ব্যবহার না করলে আঘাতের কারণ ঘটতে পারে।

♦কাটিং সেকশন
হ্যান্ড গ্লোভস ব্যবহার না করার কারণে কাটিং মেশিন থেকে আঘাত প্রাপ্ত হওয়ার সম্বাবনা আছে।

♦ফিনিশিং সেকশন

  • আয়রন মেশিন সঠিকভাবে ব্যবহার না করলে আঘাত প্রাপ্ত হওয়ার সম্ভাবনা আছে।
  • পলি ব্যাগ ফ্লোরে ছড়িয়ে থাকার কারণে আঘাত প্রাপ্ত হওয়ার সম্ভাবনা আছে।
  • স্পট লিফটিং রুমে ব্যবহৃত সল্ভি হতে আঘাত হতে পারে।
  • অতিরিক্ত সল্ভি ব্যবহারের ফলে শ্বাস কষ্টের সৃষ্টি হতে পারে।



ষ্টোর বিভাগ
  • ফেব্রিক এবং কার্টুন সঠিকভাবে না রাখলে আঘাত প্রাপ্ত হওয়ার সম্ভাবনা আছে।
  • সলভি এবং অন্যান্য রাসায়নিক পদার্থ সঠিকভাবে সংরক্ষণ এবং ব্যবহার না করলে আঘাত প্রাপ্ত হওয়ার সম্ভাবনা আছে।
  • আরও কিছু সচরাচর ঘটা আঘাত আইল্স(অরংষবং) বা দুটি মেশিনের মধ্যকার জায়গা দিয়ে ট্রলি পরিবহনের সময় আঘাত।
  • বৈদ্যুতিক কারণে সৃষ্ট শক বা পুড়ে যাওয়া।
  • ভারী কাপড়ের রোল উপরে উঠানোর সময় সৃষ্ট আঘাত।
  • আগুন লাগার কারণে একসাথে দলবদ্ধভাবে বের হওয়ার সময় পদদলিত হয়ে সৃষ্ট আঘাত।
  • আইল্স (অরংষবং) বা ফাঁকা জায়গায় রাখা কোন বস্তুর কারণে সৃষ্ট আঘাত।
  • পানি জমে পিচ্ছিল হওয়া টয়লেট ও মেঝের কারণে সৃষ্ট আঘাত ।
  • ফ্যান ও অন্যান্য ভারী বস্তুর লুজ বোল্ট বা নাটের কারণে সৃষ্ট আঘাত।
  • ষ্টিম পাইপে লিকেজের কারণে সৃষ্ট আঘাত।
  • ভারী কার্টুন উপরে তোলার সময় সৃষ্ট আঘাত।
  • অসতর্কভাবে রাখা পিন জাতীয় বস্তুর কারণে সৃষ্ট আঘাত।


ফ্যাক্টরী পর্যায়ে সকলের করনীয়

  • সেইফটি ইক্যুইপমেন্ট গুলো নিয়মিত ব্যবহার করা। যেমন আই গ্লাস, গ্লোভস ইত্যাদি সঠিকভাবে ব্যবহার করা।
  • মেশিন গার্ডিং ঠিক আছে কিনা তা নিয়মিত যাচাই করে নিতে হবে।
  • কাজ করার সময় মেশিন চালনায় সঠিকভাবে মনোনিবেশ করতে হবে। কোনভাবেই মেশিন চালনার সময় অমনোযোগী হওয়া চলবে না ।
  • কাজ করার সময় তন্দ্রা, অবসাদ ইত্যাদি দেখা দিলে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। যেমন মুখে পানি দেয়া বা ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া।
  • ফ্যাক্টরীর সকল স্তরের শ্রমিকগনের জন্য নিম্নোক্ত বিষয়গুলোর প্রতি অবশ্যই লক্ষ্য রাখতে হবে।
  • পরিষ্কার, পরিচ্ছন্ন ও পরিপাটি হয়ে ফ্যাক্টরীতে প্রবেশ করতে হবে।
  • আইডি কার্ড গলায় ঝুলিয়ে কাজ করতে হবে।
  • কাজের সময় আপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা, ঘোরাফেরা ও খোশগল্পে লিপ্ত না হওয়া|
  • প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নির্ধারিত স্থানে গুছিয়ে রাখা।
  • টয়লেট ব্যবহারের পূর্বে স্যান্ডেল পরিধান করা।
  • টয়লেট ব্যবহারের পর প্রচুর পরিমানে পানি ঢালা ও ফ্লাশ করা।
  • টয়লেট / ক্যান্টিনের পানি অপচয় না করা।
  • টয়লেটের ভিতরে কোন প্রকার অবাঞ্চিত দ্রব্য বা বস্তুু নেওয়া যাবেনা এবং তা ফেলা যাবেনা।
  • কোন প্রকার চর্ম রোগে আক্রান্ত হলে তা সাথে সাথে কারখানার কর্র্তপক্ষকে অবহিত করে চিকিৎসার    ব্যবস্থা করতে হবে এবং রোগ না সারা পর্যন্ত কাজ হতে বিরত থাকতে হবে।
  • থুথু / ময়লা / আর্বজনা নির্ধাারিত স্থানে রাখা।
  • কারখানার অভ্যন্তরে মোবাইল ফোন আনা যাবেনা।
  • খাবারের পূর্বে ও পরে হাত মুখ ও প্লেট সাবান দিয়ে পরিষ্কার করা।
  • বেসিনে ভাত বা তরকারী না ফেলা।
  • ধূমপান বা অন্যকোন নেশাজাতীয় দ্রব্য কারখানার অভ্যন্তরে আনা ও গ্রহন করা যাবেনা।
  • কারখানার অভ্যন্তরে বিষ্ফোরক জাতীয় কোন দ্রব্য আনা যাবেনা।
  • কারখানাতে ইন টাইম ও আউট টাইমের সময় প্রক্সোমিটি আইডি কার্ড পাঞ্চ করা।
  • অকারনে ও অনুমতি ছাড়া অন্য সেকশনে / ফ্লোরে প্রবেশ করা যাবেনা।
  • কাজের সময় নির্ধারিত আত্মরক্ষামূলক সরঞ্জামাদী পরিধান করা।
  • মেশিন বা কাজের স্থান পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা।
  • কাজের শুরুতে মেশিনে তেল যথাযথ এভং মানসম্মতভাবে আছে কিনা তা চেক করা। সমস্যা থাকলে মেনটেইন্যান্স বিভাগকে জানানো।
  • মেশিনের সেফটি ডিভাইস (নিডেলগার্ড, আই গার্ড, পুলিকভার, আপার বেল্ট গার্ড ইত্যাদি) যথাযথভাবে সংযুক্ত আছে কিনা তা চেক করা।
  • খোলা ইলেকট্রিক তার কোনভাবেই ফ্লোরে রাখা যাবেনা। ইহা সেফটি চ্যানেল কিংবা ফ্লেক্সি কভার দিয়ে আবৃত করতে হবে।
  • সিজার কাটার এমনভাবে বেঁেধ রাখতে হবে যেন তা মাটিতে স্পর্শ না করে। লক্ষ্য রাখতে হবে নিচে         পড়ার সময় তা দ্বারা যেন শরীরের কোন স্থান আঘাত প্রাপ্ত না হয়।
  • নিটিং ও সুইং মেশিনের নিডেল ভেঙ্গে গেলে সকল ভাঙ্গা অংশ সংগ্রহ করে নিডেল ইস্যু ম্যানের কাছে জমা রেখে নতুন নিডেল সংগ্রহ করতে হবে।
  • ভাঙ্গা নিডেলের কোন অংশ খুজে পাওয়া না গেলে গার্মেন্টস ভালভাবে চেক করবে। প্রয়োজনে মেটাল নিডেল ডিটেক্টর ব্যবহার করতে হবে।
  • ডাইং ফ্লোরে কাপড় রাখার ট্রলি নির্ধারিত স্থানে রাখতে হবে।
  • ডাইং ফ্লোর যাতে ভিজা ও স্যাঁতস্যাঁতে না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
  • কেমিক্যাল ষ্টোরে কেমিক্যাল যাতে ফ্লোরে না পড়ে সেজন্য সেকেন্ডারি কন্টেইনার (ট্রে) ব্যবহার করতে হবে।
  • কাজের শুরুতে মেশিনের কোন কারিগরী ক্রুটি আছে কিনা তা চেক করা।
  • অসুস্থ শরীরে কিংবা তন্দ্রা বা ঝিমুনি আসলে মেশিন চালানো যাবেনা।
  • অব্যবহারিত মেশিন নির্ধারিত স্থানে সংরক্ষন করা।
  • কর্মীদের নিরাপত্তা বিধিগুলো নিয়মিত ও কার্যকরভাবে পালন করতে হবে। ফলে দূর্ঘটনার মাত্রা কমানো যাবে বা দূর্ঘটনা এড়ানো যাবে।
  • ছোট খাটো দূর্ঘটনা ও আঘাত অবহেলা করা উচিত নয় বরং এ ব্যাপারে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া উচিত।
  • সুপারভাইজার, লাইন ইনচার্জগণ দূর্ঘটনা প্রতিরোধের জন্য কর্মীদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করবেন। যেমন নিড্ল গার্ড, পুলি গার্ড না থাকলে কর্মীদের গুলি ব্যবহার করতে বলবেন।
  • কারখানা কর্তৃপক্ষ কারখানার সকল ছোট বড় দূর্ঘটনাসমূহ কারখানার সকলের সঙ্গে আলোচনা করে দূর্ঘটনা প্রতিরোধের উপায় বের করতে হবে এবং সেগুলি মেনে চলতে হবে।
  • নিয়মিত মেডিকেল রেজিস্টার চেক করতে হবে এবং সচরাচর ঘটা আঘাতসমূহ চিহ্নিত করে তা সমাধানের উপায় বের করতে হবে।
  • প্রতিরোধ মূলক যন্ত্রপাতির ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে এবং যন্ত্রপাতিগুলোর প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে জ্ঞাত থাকতে হবে।


SYEDUL ZANNAT.

টেক্সটাইল মিলে বিভিন্ন পার্সোনাল প্রটেক্টিভ ইক্যুইপমেন্টে এর ব্যবহার

Earn Leave/অর্জিত ছুটি কিভাবে নির্ণয় করা হয় ??

প্রত্যেক শ্রমিক বাৎসরিক ছুটির হিসেবের ক্ষেত্রে দুটি হিসেব রয়েছে। নিন্মে নিয়ম দুটি আলোচনা করা হল:-

১) একজন শ্রমিকের বাৎসরিক ছুটি ভোগের অধিকার অর্জনের হিসেব:-

যখন একজন শ্রমিক অবিচ্ছিন্নভাবে কোন প্রতিষ্ঠানে এক বৎসর চাকুরি করেন তখন সংশ্লিষ্ট শ্রমিক উক্ত প্রতিষ্ঠানে বাৎসরিক ছুটি ভোগের অধিকারী হন।

এই এক বৎসর (বার মাস) চাকুরির অবিচ্ছিন্নতা হিসেবের ক্ষেত্রে উক্ত শ্রমিক নিন্মলিখিত কারনে প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত না থাকলেও তার চাকুরির কোন বিচ্ছিন্নতা গঠিবে না অর্থাৎ তিনি অবিচ্ছিন্নভাবে কাজ করেছেন বলে গন্য হবেন।

(ক) কোন বন্ধের দিন;

(খ) কোন মজুরীসহ ছুটি;

(গ) পীড়া বা দূর্ঘটনার কারণে মজুরীসহ বাদ মজুরী ছাড়া কোন ছুটি;

(ঘ) অনধিক ষোল সপ্তাহ পর্যন্ত প্রসূতি ছুটি;

(ঙ) কোন লে-অফ;

(চ) আইনসম্মত কোন ধর্মঘট বা বে-আইনী কোন লক- আউট;

অর্থাৎ কোন শ্রমিক উপরোল্লিখিত দিনগুলো এবং কাজে উপস্থিতি সহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে এক বৎসর চাকুরি করলে তিনি অবিচ্ছিন্নভাবে এক বৎসর চাকুরি সম্পূর্ন করেছেন বলে গন্য হবেন এবং তিনি অর্জিত ছুটি ভোগের অধিকারী হবেন।
[তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ এর ধারা- ১১৭ (১),(২) ও (৮)]

২) বাৎসরিক ছুটি ভোগের অধিকারী একজন শ্রমিক পরবর্তী বারো মাস সময়ে পূর্ববর্তী বারো মাসে কাজের জন্য কতদিন ছুটি পাবেন তার হিসেব:-

কোন প্রতিষ্ঠানে একজন শ্রমিক বাৎসরিক ছুটি পাওয়ার অধিকারী হলে তিনি উক্ত ছুটি পরবর্তী বারো মাসে পূর্ববর্তী বারো মাসে কাজের জন্য কতদিন পাবেন, তা উক্ত শ্রমিকের বয়স এবং কর্মরত প্রতিষ্ঠানের ধরনের উপর ভিত্তি করে এর অনুপাত নির্ধারিত হয়।

এক্ষেত্রে বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ এ শ্রমিকের বয়সের ভিত্তিতে সকল শ্রমিককে দুই শ্রেনীতে বিন্যাস করেছে। এ দুটি শ্রেনী হল 

(ক) প্রাপ্ত বয়স্ক শ্রমিক এবং 
(খ) অপ্রাপ্ত বয়স্ক শ্রমিক।

নিন্মে এই দুই শ্রেনীর শ্রমিকদের বাৎসরিক ছুটির প্রাপ্যতার হার বিন্যাস দেখানো হলঃ

(ক) প্রাপ্তবয়স্ক শ্রমিক: 
প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক শ্রমিক বাৎসরিক ছুটি প্রাপ্যর অধিকারী হলে পরবর্তী বারো মাস সময়ে তাহার পূর্ববর্তী বারো মাসের কাজের জন্য মজুরীসহ নিন্মবর্ণিত হারে গণনার ভিত্তিতে ছুটি মঞ্জুর করিতে হইবে।



Earn Leave/অর্জিত ছুটি কিভাবে নির্ণয় করা হয় ??



শাস্তিমূলক ব্যবস্থার নীতিমালা কোম্পানির ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ অত্যন্ত আনন্দের সাথে তার কর্মরত সকল কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শ্রমিকের জন্য একটি শাস্থিমূলক নীতিমালা ঘোষনা করছে। একজন কর্মী যখনই কোম্পানীর সাথে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে বা কোম্পানীর সাথে কাজে চুক্তিবদ্ধ হয়, তখন থেকে তাকে কোম্পানীর প্রতি এবং তার কাজের প্রতি হতে হবে অনুগত এবং কোম্পানীর লক্ষ পূরনে হতে হবে বদ্ধপরিকর।   উদ্দেশ্য/লক্ষ্য কোন কর্মীকে শাস্তি প্রদানই এই নীতিমালার মুখ্য উদ্দেশ্য নয় বরং একজন কর্মীর কাজের উন্নয়ন বৃদ্ধি এবং সে মোতাবেক পেষনা দানই হচ্ছে এই নীতিমালার উদ্দেশ্য। শাস্তিমূলক ব্যবস্থা একজন কর্মীর আচরনকে সংযত পর্যায়ে রাখতে সহায়তা করে এবং সম্ভাব্য শিক্ষা প্রদান করে। শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিম্নলিখিত ধাপ সমূহ অনুসরন করবে।  ছোট অপরাধ কোন কর্মীর কাজের মান যদি আশানুরূপ না হয়, তবে তার রিপোর্টিং উর্দ্ধতন কর্মকর্তা তার সাথে একটি অনানুষ্ঠানিক বৈঠক করবেন এবং স্বল্প সময়ে তার কাজের মান বৃদ্ধির তাগিদ এবং প্রেষনা দান করবেন। যদি এখানে প্রমাণ বা দলিল দস্তাবেজের প্রয়োজন পড়ে তবে তার উদ্ধর্তন কর্মকর্তা বিভাগীয় প্রধানের সাথে যোগাযোগ করে কর্মীর বিরুদ্ধে একটি পরামর্শপত্র ইস্যু করতে পারেন। উক্ত পরামর্শ পত্রে কর্মী কিভাবে তার কাজের মান সন্তোষজনক পর্যায়ে নিতে পারেন তা উল্লেখ থাকবে।  ছোট অপরাধ দমনের প্রক্রিয়া অসদাচরন প্রমানিত হওয়ার পর তা যদি চাকুরীচ্যুতির পর্যায়ে না পড়ে, তাহলে নিম্নলিখিত শাস্তিমুলক ব্যবস্থা প্রদান করা হবে। একজন কর্মীর প্রথম অপরাধের জন্য তাকে একটি সতর্কীকরণ পত্র প্রদান করা হবে যেখানে অপরাধ উল্লেখ পূর্বক একটি নিদিষ্ট সময়ের মধ্যে তা সংশোধন করার তাগিদ দেয়া হবে। যদি নিদিষ্ট সময় অতিবাহিত হওয়ার পরেও সে তার অপরাধ সংশোধন করতে ব্যর্থ হয় তবে তাকে একটি “চুড়ান্ত সতর্কীকরণ পত্র” প্রদান করা হবে। “চুড়ান্ত সতর্কীকরণ পত্র” গ্রহনের পর যদি অপরাধ পুনঃঘটিত হয় তবে তাকে নিয়ম অনুযায়ী চাকুরীচ্যুত করা যাবে। সাধারনতঃ সেকশন বা বিভাগীয় প্রধানই তার অধঃস্থনদের সতর্কীকরন পত্র প্রদান করতে পারেন। তবে বিশেষ ক্ষেত্রে মানব সম্পদ বিভাগের প্রধান প্রয়োজনীয় প্রমান সাপেক্ষে এই পত্র ইস্যু করতে পারেন। কটি কর্মীই যে কোন সিদ্বান্ত মনঃপুত না হলে লিখিত আকারে তা জানানোর অধিকার আছে, তবে এ সিদ্বান্ত পত্র প্রাপ্তির নুন্যতম ০৩ (তিন) দিনের মধ্যে ইস্যু কারীর নিকট প্রদান করতে হবে। প্রত্যেক কর্মীর সতর্কীকরণ পত্র তার ব্যক্তিগত নথিতে সংরক্ষিত হবে এবং বাৎসরিক ইনক্রিমেন্টের সময় এর নৈতিবাচক প্রভাব পড়বে। অসদাচরন ইচ্ছাকৃত ভাবে অবাধ্যতা, উর্দ্ধতনের সাথে অশালীন ব্যবহার। কোম্পানীর ব্যবসা এবং সম্পত্তি চুরি, অসৎভাবে আতœসাৎ এবং অসততা প্রদর্শন। কোন অসৎ উদ্দেশ্য সাধনের নিমিত্তে ঘুষ গ্রহন বা প্রদান। অভ্যাসগত দেরীতে উপস্থিত এবং অনুনোমোদিত ছুটি। কোম্পানীর স্থাবর এবং অস্থাবর সম্পত্তি ইচ্ছাকৃত ভাবে ধ্বংশ করা। উর্দ্বতন কর্মকর্তা, সহকর্মী অথবা অধঃনস্থদের হুমকী প্রদান, গালিগালাজ এবং অপমান। কোম্পানীর কোন গোপনীয় তথ্য কোন অপরিচিত ব্যক্তির নিকট ফাঁস করা। কারখানার অভ্যন্তরে আর্থিক লেনদেন সংঘটন করা। কারখানার অভ্যন্তরে অবৈধ অস্ত্রের উপস্থিতি। কারখানার অভ্যন্তরে ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতিরেকে কোন পুস্তিকা, পোষ্টার, ব্যানার ইত্যাদি প্রদর্র্শন বা প্রদানের ব্যবস্থা করা। কারখানার অভ্যন্তরে মদ্য পান করে মদ্যপ অবস্থায় অশালীন আচরণ করা। কারখানার অভ্যন্তরে এমন ধরনের মিছিল বা সমাবেশ ঘটানো যা উৎপাদন কার্যের ব্যাঘাত ঘটায়। কোম্পানীর আচরণ নীতিমালা লঙ্ঘন। আবেদন পত্রে মিথ্যা তথ্য প্রদান। ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের পূর্ব অনুমতি ব্যতিরেকে কোন ধরনের মিটিং করা। অনুমতি ব্যতীত কর্মস্থল ত্যাগ। জুয়া খেলা এবং নিদ্রা যাওয়া। ছুটি ব্যতীত ১০ (দশ) দিনের অধিক অনুপস্থিত থাকা। অভ্যাসগত ভাবে ক্রমাগত কাজে ফাঁকি দেওয়া। ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের বিভিন্ন আদেশ ও নির্দেশ ভঙ্গ করা। আদালত দ্বারা সাজা প্রাপ্ত হলে।

ধাপঃ শাস্তি উপরোক্ত তালিকা অনুযায়ী ক্ষমতাবলে মানব সম্পদ উন্নয়ন প্রধান নিম্নলিখিত শাস্তি প্রদান করতে পারে। মৌখিক সতর্কীকরণ লিখিত সতর্কীকরণ অনুন্য ০৭ (সাত) দিনের জন্য সাময়িক কর্মচ্যুতি চাকুরীচ্যুতি অসদাচরনের জন্য শাস্তির ধাপ সমূহ অপরাধ প্রমানিত হলে অপরাধীকে চাকুরীচ্যুতি করা যেতে পারে। তবে নিম্নলিখিত ধাপ সমুহ অনুসরন করতে হবে। অপরাধীর বিরুদ্ধে অভিযোগ অবশ্যই লিখিত আকারে হতে হবে। তাকে ব্যাখ্যা প্রদান করার জন্য নুন্যতম ০৩ (তিন) দিন প্রদান করতে হবে। ব্যাখ্যা বিবেচনা করা। তদন্ত নোটিশ তৈরী। যথাযথ আভ্যন্তরীন তদন্ত। তদন্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত হওয়ার জন্য পত্র প্রেরণ। শাস্তি প্রদান। পুঙ্খানুপুঙ্খানুরুপে অনুসন্ধান করা ঘটনা / অসদাচারন সংঘঠিত হওয়ার সাথে সাথে তা লিখিত আকারে মানব সম্পদ প্রধানের নিকট জানাতে হবে এবং একটি কপি ব্যবস্থাপনা পরিচালকের নিকট প্রেরণ করতে হবে। একজন উর্দ্ধতন কর্মকর্তা প্রয়োজনে ঘটনার প্রাথমিক তদন্ত করবেন।  ব্যাখ্যা প্রদান প্রত্যেকটি কর্মীই উচিৎ কোম্পানীর নীতিমালা মোতাবেক তার উপর অর্পিত দায়িত্ব ও কর্তব্য মেনে চলা। তারপরেও যদি কোন কর্মী কোন অসদাচারন করেন তবে মানব সম্পদ বিভাগের প্রধান তাকে কারন দর্শানোর নোটিশ প্রদান করবেন। কারন দর্শানো নোটিশ উল্লেখ করা থাকবে “কেন আপনার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে না”। কারন দর্শানো নোটিশে অপরাধ, অপরাধ সংঘটিত হওয়ার সময় এবং কারন দর্শানোর সর্বশেষ সময় উল্লেখ থাকবে।  তদন্তকালীন অপসারন অভিযুক্ত কর্মীকে সাময়িক কর্মচ্যুত করা যায় তবে তা সর্বোচ্চ ০২ (দুই) মাসের বেশী হবে না। তদন্তকালীন অপসারনের সময় কোন কর্মী পূর্ব অনুমোদন ব্যতীত ঠিকানা পরিবর্তন করবেন না বা পরিবর্তন করলেও তা প্রশাসন বিভাগকে অবগত করবেন। তদন্তকালীন অপসারনের সময় একজন অভিযুক্ত কর্মী তার মাসিক মোট মজুরীর অর্ধেক প্রাপ্য হবেন। অপসারনের আদেশ পত্র প্রাপ্তির সাথে সাথে কার্যকর হবে। তদন্ত রিপোর্টে যদি অভিযুক্ত কর্মী নির্দোষ প্রমানিত হয় তবে পূর্বের জমাকৃত অর্ধেক অর্থ পুরো প্রদান করতে হবে। যদি অভিযোগ প্রমানিত হয় তাহলে যে শাস্তি প্রদান করা হবে তা লিখিত আকারে কর্মীকে প্রদান করা হবে। কার্য সম্পাদন যদি অভিযোগ প্রমানিত হয় তাহলে যে শাস্তি প্রদান করা হবে, তা লিখিত আকারে কর্মীকে জানাতে হবে।

যদি কোন অভিযুক্ত কর্মী নোটিশ, ব্যাখ্যা প্রদান পত্র, কারণ দর্শানো পত্র, সতর্কীকরণ পত্র ইত্যাদি গ্রহন করতে রাজী না হয় তবে উক্ত পত্র তার স্থায়ী ঠিকানায় প্রেরণ করতে হবে এবং নোটিশ বোর্ডে প্রদর্শন করতে হবে। আপিল প্রত্যেক কর্মী যার উপরে শাস্তি আরোপ করা হয়েছে, তার বিচার পূর্ন বিবেচনা করার  ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষকে প্রদান করা হয়েছে। প্রত্যেকটি পূর্নঃ বিবেচনার আবেদন মানব সম্পদ বিভাগের মাধ্যমে প্ররণ করতে হবে। একজন কর্মীর বিরুদ্ধে শাস্তির রায় ঘোষনার ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে বিচার পূর্ন বিবেচনার জন্য প্রক্রিয়া চালু করতে হবে।  উপরোক্ত নীতিমালা অবিলম্বে কার্যকর হবে এবং ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ যখন ইচ্ছে করবেন, তখনই এই নীতিমালার পরিবর্তন করতে পারবেন। সকলকে উক্ত নীতিমালা অনুসরন করার জন্য বলা হলো।

টেক্সটাইল মিলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার নীতিমালা

⛔♦⛔ ফায়ার এলার্ম বাজলে বা দূর্ঘটনার সময়ে আমাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য




ফায়ার এলার্ম বাজলে বা দূর্ঘটনার সময়ে আমাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য ঃ

 বাংলাদেশ শ্রমনিবিড় শিল্পগুলোর মধ্যে ১০০% রপ্তানীমুখী তৈরি পোশাক শিল্প অন্যতম। দেশের জাতীয় অর্থনীতিতে সর্বোচ্চ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী এ দেশের প্রচুর মানুষ সরাসরি সম্পৃক্ত, যাদের ৯০%  নারী শ্রমিক। ফ্যাক্টরীর বিভিন্ন স্থানে লাগানো স্মোক ডিটেক্টর ও হিট ডিটেক্টরের মাধ্যমে কোন স্থানে অগ্নি-কান্ডের ঘটনা ঘটলে তা কন্ট্রোল প্যানেলে প্রদশর্ন করবে সয়ংক্রিয় ভাবে বেল বাজবে। এই বেলের শব্দ শুনে সকলে অগ্নি-কান্ড স¤পর্কে অবহিত হবে। এবং কন্ট্রোল প্যানেলের রিপোর্ট দেখে কোন স্থানে অগ্নি-কান্ড ঘটেছে তা নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ছাড়াও দেয়ালের বিভিন্ন জায়গায় লাগানো গং বেল (ঘন্টা) বাজিয়ে ফায়ার এলার্ম দেয়া যাবে যাহা বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার পর ব্যবহার করার জন্য রাখা হয়েছে। পোশাক শিল্পের উন্নয়নের ধারা অব্যহত রাখতে সদা সচেষ্ট এই বিপুল শ্রম-শক্তির সার্বিক কল্যাণে, কর্মক্ষেত্রে তাদের নিরাপত্তা বিধানে সকলের সু-দৃষ্টি, সম্মিলিত উদ্যোগ ও সচেতনতা অত্যাবশ্যক। তৈরি পোশাক শিল্প কারখানা এবং এ শিল্পে নিয়োজিত শ্রমিক/কর্মচারীদের উন্নয়নে অটো নীটওয়্যার লিঃ সদা জাগ্রত ও সচেষ্ট এবং এই লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য বিভিন্ন কর্মসূচী হাতে নিয়েছে।

◾একটি ইলেকট্রিক মটর ও একটি ইঞ্জিন চালিত ফায়ার পা¤প পানি সরবরাহের জন্য লাগানো আছে। যখন অগ্নি-কান্ডে ব্যবহৃত হবে তখন মোটর চালিত পা¤প ষ্ট্যান্ড বাই হিসাবে ও ইঞ্জিন চালিত পা¤প প্রধান ভুমিকা পালন করবে। ইঞ্জিন চালিত পা¤পটি পূর্ব নির্ধারিত চাপ (প্রেসার) কমা/বৃদ্ধির কারনে চালু/বন্ধ হয়। যদি কোন কারনে হাইড্রেন্ট চালু করা হয় তাহলে পা¤প সয়ংক্রিয় ভাবে চালু হয়ে যায়। এ কারনে বিদ্যুৎ সরবরাহ সব সময় চালু রাখা প্রয়োজন। তাই বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার বিদ্যুৎ ব্যবস্থা সচল রাখার জন্য একটি ষ্ট্যান্ড-বাই জেনারেটর লাগানো আছে যা গভীর নলকুপ মোটর পা¤েপর জন্য। পোশাক শিল্পে কর্মরত সকল প্রিয় শ্রমিক/কর্মচারী/কর্মকর্তাদের জরুরী পরিস্থিতি  নিয়ন্ত্রন, অগ্নি প্রতিরোধ ও নিরাপত্তা বৃদ্ধিকল্পে প্রচার পত্রটি অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

◾স¤পুর্ন হাইড্রেন্ট পদ্ধতিতে সচল রাখা তথা পানির চাপ বজায় রাখার জন্য জকি পা¤প বসানো আছে। যদি কোন কারনে পানির চাপ কমে যায় তাহলে জকি পা¤প চালু হয়ে পানি পূর্ণ করে দেয়। এই পা¤পটিও পূর্ব নির্ধারিত চাপ (প্রেসার) কমা/বৃদ্ধির কারনে চালু/বন্ধ হয়। বাংলাদেশের গার্মেন্টস শিল্প একটি অনন্য রপ্তানীমুখী প্রতিষ্ঠান। গুনগত মানের জন্য বিশ্বজুড়ে  যার সুনাম রয়েছে। প্রতি বৎসর গার্মেন্টস শিল্পখাত থেকে সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অজির্ত হয়ে থাকে। ঊনবিংশ শতাব্দীর নব্বই দশক থেকে বাংলাদেশে গার্মেন্টস শিল্পের প্রসার খুবই ব্যাপক ও উৎসাহব্যঞ্জক। সম্প্রতি কিছু গামের্ন্টস ও টেক্সটাইল শিল্পে সংঘটিত অগ্নিকান্ড ও দূর্ঘটনা দেশবাসীকে বিচলিত করেছে। এ প্রসংগে অগ্নিকান্ড ও দূর্ঘটনা প্রতিরোধ একান্ত জরুরী।



কমপ্লায়েন্স বিভাগের দায়িত্ব ও কর্তব্য ঃ

সকল কর্মকর্তা/কর্মচারী/শ্রমিকগণকে নিয়মিত বিভিন্ন ইন্টারনাল এবং এক্সটারনাল অগ্নি নিরাপত্তামূলক প্রশিক্ষণ প্রদানের ব্যবস্থা করা এবং তার রেকর্ড রাখা কমপ্লায়েন্স বিভাগের দায়িত্ব। নির্ধারিত সময়সূচি অনুসারে কমপ্লায়েন্স ম্যানেজার / কমপ্লায়েন্স অফিসার / ওয়েলফেয়ার অফিসার কারখানায় কর্মরত ব্যক্তিদের বিষয়ভিত্তিক   প্রশিক্ষণ প্রদান করেন এবং এ সংক্রান্ত রেকর্ড সংরক্ষণ করেন। প্রশিক্ষণের বিষয়সমূহ নি¤œরূপ। যথা,

◾অগ্নি নিরাপত্তা বিষয়ক ইন্টারনাল প্রশিক্ষণ প্রতি মাসে অন্তত এক বার।

◾অগ্নি মহড়া প্রতিমাসে অন্তত এক বার।

◾অগ্নি নির্বাপক যন্ত্রের ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ প্রতিমাসে এক বার।

◾অগ্নি নির্বাপক যন্ত্র এবং সরঞ্জামাদীর পরীক্ষা প্রতিমাসে এক বার।

◾অগ্নি নির্বাপক যন্ত্র রিফিল রেজিষ্টার সংরক্ষণ।

অগ্নি নিরাপত্তা বিষয়ক এক্সটারনাল প্রশিক্ষণ (বিজিএমইএ, ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্স এর মাধ্যমে) প্রতি বছর অন্তত দুই  বার।

◾ চিকিৎসক দলের সদস্যদের প্রশিক্ষণ।
মুক্ত দরজা নীতি।

◾ক্যমিকেলের যথাযথ ব্যবহার ও প্রশিক্ষন।

◾নিয়োমিত ইলেক্ট্রিক লাইন পরীক্ষা ও রেজিঃ সংরক্ষন।

উদ্দেশ্য

গার্মেন্টস শিল্পে অগ্নিকান্ড বা দূর্ঘটনা প্রতিরোধ এবং প্রতিকার প্রসংগে কিকি করনীয় তার সমক্য ধারনা দেয়া।



ফার্ষ্ট এইড টিম এর দায়িত্ব ও কর্তব্য ঃ

এই দলের সদস্যবৃন্দ আহত ব্যক্তিকে উদ্ধার ও প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়ার পর আহত ব্যক্তিদের শ্রেনীবিন্যাস করে প্রয়োজন অনুযায়ী এম্বুলেন্স কিংবা উপস্থিত গাড়িতে করে হাসপাতালে/নার্সিংহোমে পাঠানোর ব্যবস্থা করবেন।

আগুন লাগার সাইরেন শোনামাত্র দ্রুত ফার্ষ্ট এইড বক্সের কাছে গিয়ে নিরাপদ অবস্থান নিবে।

আহত বা অসুস্থ রোগীকে দ্রুততার সাথে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করবে।
প্রাথমিক চিকিৎসায় সুস্থ না হওয়ার মত অবস্থা হলে উদ্ধারকারী দলের সদস্যদেরকে দিয়ে দ্রুত এম আই রুমে প্রেরণ করবে।
কেবল মাত্র জরুরী অবস্থা ছাড়া, কর্তৃপক্ষের নির্দেশ ব্যতিরেকে স্থান ত্যাগ করবেনা।



ফায়ার এলার্ম বাজলে বা দূর্ঘটনার সময়ে আমাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য ঃ-

আগুন লেগেছে দেখা মাত্র যে কেউ ফ্লোরে স্থাপিত ফায়ার এলার্ম সুইচ টিপে এলার্ম বাজাবে।

ফায়ার এলার্ম বা হুইসেল শোনা মাত্র ফায়ার ফাইটার ব্যতীরেকে ফ্লোরের সমস্ত লোকজন যত দ্রুত সম্ভব মেশিনের সুইচ অফ করে অথবা হাতের কাজ ফেলে ইভাকুয়েশন প্লান অনুযায়ী প্রত্যেকে সিঁিড় দিয়ে নেমে যাবে।

ফায়ার এলার্ম বা হুইসেল শোনা মাত্র ইলেকট্রিশিয়ান বা ফায়ার ফাইটিং দলের সদস্য ইলেকট্রিক মেইন  সুইচ অফ করবে এবং সাবষ্টেশন থেকেও যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ফ্যাক্টরীর মেইন  সুইচ অফ করবে।

লোকজন সিঁিড় দিয়ে দ্রুত নামার সময় কোনভাবেই ধাক্কাধাক্কি এবং বিশৃংখলার সৃষ্টি করবেনা।

দ্রুত নামার সময়ে কেউ আতংক সৃষ্টি এবং হৈ-চৈ বা কান্নাকাটি করবেন না।

দ্রুত নামার সুবিধার্থে  নিজের জুতা বা টিফিন ক্যারিয়ার বা অন্য কিছু সঙ্গে নেয়ার চেষ্টা করবেন না।

ফ্যাক্টরী থেকে বের হয়ে রাস্তায় দাড়িয়ে গাড়ী চলাচলে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করবেন না।

কারো গায়ের কাপড়ে আগুন ধরে গেলে তৎক্ষনাত ফ্লোরে শুয়ে গড়াগড়ি দিতে হবে। কোনক্রমেই দৌড়ানো যাবেনা।

ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে বাহির হওয়ার দেখতে না পেলে দ্রুত ফ্লোরে বসে হামাগুড়ি দিয়ে বাহির হয়ে আসতে হবে।

এছাড়া ফায়ার ফাইটিং, রেসকিউ, ফাস্ট এইড এবং অন্যান্য সকলে তাদের নিজ নিজ দায়িত্ব ও কতর্ব্য বিশ্বস্ততা এবং সাহসিকতার সাথে অবশ্যই পালন করবে।


অগ্নি  নির্বাপক দলের দায়িত্ব ও কতর্ব্য ঃ-
ফায়ার বেলের শব্দ শুনার সাথে সাথে এই দলের সদস্য বৃন্দ কন্ট্রোল প্যানেল কিংবা অন্য কারো মাধ্যমে অগ্নি-কান্ডের ঘটনাস্থল জেনে নিয়ে প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদী সহ তথায় উপস্থিত হবেন এবং আগুন নিভানোর ব্যবস্থা করবেন। এই দলের নির্ধাতি ব্যক্তি ষ্ট্যান্ডবাই জেনারেটরের মাধ্যমে ফায়ার পা¤প চালু রেখে হাইড্রেন্ট পয়েন্টে যাতে সার্বক্ষনিক পানি সরবরাহ বজায় থাকে তা নিশ্চিত করবেন। আগুন যাতে অন্য এলাকায় ছড়াতে না পারে সে জন্য প্রয়াজনীয় ব্যবস্থা করা এই দলের মুল দায়িত্ব।


SYEDUL ZANNAT...........................

টেক্সটাইল মিলে ফায়ার এলার্ম বাজলে বা দূর্ঘটনার সময়ে আমাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য

⛔♦⛔ ইনক্রিমেন্ট পদ্ধতি ও নীতিমালা সমুহের চমৎকার বর্ণনা



ইনক্রিমেন্ট এবং প্রেষনা পদ্ধতি ও নীতিমালা

নীতিমালা প্রনয়নের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:  প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শ্রমিক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের  প্রত্যেক বছর সন্তোষজনক কার্যক্রমের ভিত্তিতে কোম্পানী জ্যেষ্ঠতা ও মেধার ভিত্তিতে পদোন্নতি/ উচ্চতর ধাপে বেতন নির্ধারণ করে কর্মক্ষেত্রে কর্মের প্রেষনা বৃদ্ধিতে ধারাবাহিকতা বজায় রাখার ব্যবস্থা চালু আছে । অতএব, যে সমস্ত শ্রমিক তাদের নিজ নিজ দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করে কর্মক্ষেত্রে স্বীয় দক্ষতার স্বাক্ষর রাখে কোম্পানী তাদেরকে বাৎসরিক এবং ত্রৈমাসিক ইনক্রিমেন্ট প্রদান করে কাজের ক্ষেত্রে উৎসাহ প্রদান করে থাকে । সকল শ্রমিকের কর্ম মূল্যায়ন প্রতিমাসে সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা হয় যা তাদের ব্যক্তিগত ফাইলে সংরক্ষিত আছে । কর্মমূল্যায়ন ও বেতন বৃদ্ধির ক্ষেত্রে কোন প্রকারের বৈষম্য করা হয়না। জাতি, ধর্ম, বর্ণ, লিঙ্গ নির্বিশেষে সকলের অধিকার সমান।



নীতিমালা প্রণোয়ণ ও প্রয়োগ পদ্ধতি:

অত্র কোম্পানীতে কর্মরত শ্রমিক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধি ও পদোন্নতির ক্ষেত্রে যে সকল ধাপগুলো অনুসরন করা হয়:
কর্মস্থলে প্রার্থীর উপস্থিতি, কর্মদক্ষতা, নিয়মানুবর্তিতা, আচরন ইত্যাদি বিষয় বিবেচনা পূর্বক একটি গ্রেডিং এর ক্যাটাগরী করা হয়। যেমন:

এ = খুব ভাল
বি = ভাল
সি = মোটামুটি
ডি = সন্তোষজনক নহে

প্রক্রিয়ার শুরুতেই প্রার্থীর পারফরম্যানস এর উপর ভিত্তি করে সেকশন ম্যানেজার প্রথমেই একটি প্রস্তাবনা রাখে।

সেকশন ম্যানেজার এর প্রস্তাবনার উপর ভিত্তি করে ওয়ার্ক স্টাডি, আই.ই ও এইচ আর এন্ড কমপ্লাইন্স বিভাগ প্রার্থীর কাজের দক্ষতা যাচাই, বাছাই করে গ্রেড প্রদান করে।
প্রস্তাবিত গ্রেডিং এর ফাইনাল ইভালুয়েশন এর জন্য অত্র কোম্পানীতে ইনক্রিমেন্ট বোর্ড গঠন করা হয়।

সেকশন ম্যানেজার, ওয়ার্ক স্টাডি, আই.ই ও এইচ আর এন্ড কমপ্লাইন্স বিভাগ এর প্রস্তাবনা অত্র কোম্পানীর ইনক্রিমেন্ট বোর্ড দ্বারা ফাইনাল ভাবে মূল্যায়ন করা হয়।
চূড়ান্ত এপ্রোভাল এর জন্য প্রস্তাবনা শীটটি মাননীয় ব্যবস্থাপক বরাবর প্রেরন করা হয়।
অত্র কোম্পানীর শ্রমিক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ইনক্রিমেন্ট ও প্রোমোশন প্রদানের ক্ষেত্রে কোন ধরনের ধর্ম, বর্ন, লিঙ্গ বৈষম্য করা যাবে না। এ সকল ক্ষেত্রে স্বজনপ্রীতির উর্ধ্বে থেকে কাজ করতে হবে।

বিশেষ দ্রষ্টব্য: 
নিম্নে কোম্পানীর শ্রমিক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের কাজের মূল্যায়ণ ফর্ম টি সংযুক্ত করা হলো:

নীতিমালা সম্পর্কে অবহিত করন/ যোগাযোগ ঃ

এই পলিসি কারখানার সকল শ্রমিক, কর্মকর্তা, কর্মচারীকে সাউন্ড সিস্টেম, নোটিশ বোর্ড, মিটিং, ট্রেনিং এর মাধ্যমে অবহিত করা হয়। এছাড়াও দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ও ওয়েলফেয়ার অফিসার ও এইচ আর এন্ড কমপ্লাইন্স অফিসারগরেন মাধ্যমে অবহিত করা হয় এবং এই নীতিমালার যাবতীয় কার্যক্রম নথিভূক্ত করা হয়।

ফিডব্যাক ও কন্ট্রোল ঃ

কোম্পানীতে কর্মরত শ্রমিক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতনবৃদ্ধি ও পদোন্নতির ক্ষেত্রে কোনরূপ বৈষম্য বা স্বজনপ্রীতির প্রমান পাওয়া গেলে সদা নিয়ন্ত্রন করার জন্য কার্যকরী পরিষদ ও নির্বাহী পরিচালক ব্যাবস্থা গ্রহন করবেন। এমনকি মাননীয় ব্যাবস্থাপনা পরিচালকের হস্তক্ষেপ অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে।

পরিশিষ্ট:

অটো গ্র“প একটি ১০০% রপ্তানীমূখী শিল্প প্রতিষ্ঠান। অত্র কোম্পানীতে কর্মরত শ্রমিক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের প্রত্যেক বছর সন্তোষজনক কার্যক্রমের ভিত্তিতে ও তাদের জ্যেষ্ঠতা ও মেধার ভিত্তিতে পদোন্নতি/ উচ্চতর ধাপে বেতন বৃদ্ধি করা হয়ে থাকে।


SSS.

পোশাক কারখানার ইনক্রিমেন্ট পদ্ধতি ও নীতিমালা সমুহের চমৎকার বর্ণনা

⛔♦⛔ বিদ্যুৎ সৃষ্ট আগুন রোধে করনীয় কি? অগ্নি বিপদ বিষয়ে প্রশিক্ষণ




বিদ্যুৎ সৃষ্ট আগুন রোধে করনীয়:

নিয়মিত ফ্যাক্টরীর বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার হালনাগাদ করতে হবে । যোগ্যতাসম্পন্ন ও নির্ভরযোগ্য কর্মী নিয়োগ দিতে হবে। মানসম্মত তার, সার্কিট ব্রেকার ও বৈদ্যুতিক যন্ত্রাংশ ব্যবহার করতে হবে। নিয়মিত পরীক্ষা ও রক্ষণাবেক্ষণ করতে হবে। বাধাহীন ও পরিস্কার কর্মস্থল থাকতে হবে। কর্তৃপক্ষ কর্মস্থলে শ্রমিক কর্মচারীগনের সকল ধরনের নিরাপত্তা নিশ্চিতির লক্ষ্যে স্থানীয় শ্রম আইন, স্থানীয় নিরাপত্তা আইন, আর্ন্তজাতকি নিরাপত্তা আইন, আর্ন্তজাতকি শ্রম সংঘ এবং ক্রেতাগনের আচরণ বিধি সম্পূর্নরূপে মেনে চলে। কর্তৃপক্ষ মনে করে কর্মস্থলে যে সমস্থ নিরাপত্তা ঝুকি রয়েছে তার মধ্যে অগ্নি ঝুকি শ্রমিক কর্মচারীর জীবন এবং ফ্যাক্টরীর সম্পদের জন্য সবচেয়ে মারাতœক। এই জন্যই বিদ্যুৎ সৃষ্ট আগুন বা যে কোন আগুন রক্ষা পাবার জন্য অগ্নি নিরাপত্তা আইন প্রনোয়ন করা হয়েছে। স্থানীয় শ্রম আইন, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক অগ্নি নিরাপত্তা আইনের বাস্তবায়নের মাধ্যমে কর্মস্থলে অগ্নি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কর্তৃপক্ষ বদ্ধপরিকর। বৈদ্যুতিক সংযোগ ব্যবস্থার ওভারলোড বর্জন করতে হবে। অস্থায়ী বৈদ্যুতিক সংযোগ বর্জন করতে হবে। অদক্ষ হাতে বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি মেরামত বর্জন করতে হবে। …



অগ্নি বিপদ থেকে নিরাপত্তায় করণীয়:

  • অগ্নি র্দূঘটনার সময় অগ্নি নর্বিাপক সরঞ্জানাদরি ব্যবহার করে প্রাথমকি অবস্থাতইে আগুন নভোনোর কাজে ফ্যাক্টরী থকেে বরে হতে সাহায্য করা, উদ্ধার তৎপরতা, প্রাথমকি চকিৎিসা র্কাযক্রম অগ্নি নর্বিাপক দলরে কাজ।

  • অগ্নি বিপদ বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান

  • ফায়ার র্সাভসি দল আসলে তাদরে র্সবতোভাবে সাহায্য করব।ে

  • জরূরী অবস্থায় কর্মীদের নিরাপদ বহির্গমন পরিকল্পনা করা

  • ফ্যাক্টরীতে কোন ধরনের রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহৃত হলে যথাযথ কেমিকেল হ্যান্ডেলিং, পরিবহন/বহন সংরক্ষণ এবং অপসারণ নীতিমালা অনুসরণ করা হয়।


  • কারখানায় অগ্নি নির্বাপক যন্ত্র সংস্থাপন করা

  • আগুন লাগার সাইরনে/ফায়ার এর্লাম শোনার সঙ্গে সঙ্গে ইলকেট্রশিয়িান/ফায়ার ফাইটংি দলরে নতো ফ্লোররে মইেন সুইচ বন্ধ করব

  • কারখানায় বৈদ্যুতিক ও হস্ত চালিত এলার্ম সিস্টেম সংস্থাপন করা

  • কারখানায় কেন্দ্রীয় মাইক সিস্টেম সংস্থাপন করা

  • সকল বৈদ্যুতিক স্থাপনা, বৈদ্যুতিক তার, ওয়্যারিং সংযোগের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার, জন্য ফ্যাক্টরী মেইটেন্যান্স ইন্চার্জ সংশ্লিষ্ঠ ইলেক্টিশিয়ান এবং মেকানিকদেও সহয়তা যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করবে।

  • সকল বৈদ্যুতিক স্থাপনা, বৈদ্যুতিক তার, ওয়্যারিং সংযোগের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার, জন্য ফ্যাক্টরী মেইটেন্যান্স ইন্চার্জ সংশ্লিষ্ঠ ইলেক্টিশিয়ান এবং মেকানিকদেও সহয়তা যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করবে।

  • সকল বৈদ্যুতিক স্থাপনা, সংযোগ, মেশিনারী নিদিষ্ট সময় সময় পর চেক কওে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন রা হবে এবং রের্কড সংরক্ষণ করা হবে।

  • ফ্যাক্টরী অভ্যান্তওে কোন ধরনের ওয়েলডিং প্রয়োজন হলে দাহ্য বস্তসমূহ নিরাপদ দুরত্ব সরিয়ে ফেলতে হবে এবং সিকিউরিটি, এইচ আর ও মেইনটেন্যান্স এর প্রতিনিধিদেও উপস্থিতিতে যথাযথ প্রতিরোধ ব্যবস্থা নিশ্চিত সাপেক্ষে তা করা হবে।

  • ফ্যাক্টরী অভ্যান্তওে কোন ধরনের উম্মক্ত আগুন যেমন চুলা, হিটার, ম্যাচ লাইটার, ইত্যাদি ব্যবহার করা যাবে না।

  • দাহ্য বস্ত সমূহের নিরাপদ সংরক্ষণ নিশ্চিত করা হবে।

  • দলরে সবাই দলগত শৃঙ্খলা মনেে চলব

  • কারখানায় হোস পাইপ সিস্টেম সংস্থাপন করা

  • প্রতি মাসে একবার ফায়ার ড্রিল করানো এবং তার ডকুমেন্ট রাখা

  • বদ্যৈতকি আগুনরে নভিাতে শুধু র্কাবন ডাই অক্সাইড ব্যবহার করব

  • ফ্লোরে বহির্গমন পথ দাগ দিয়ে চিহ্নিত করা যাতে বিপদের সময় কর্মীরা সহজেই বেরিয়ে যেতে পারে

  • মেটারেজ সমূহে কোন ধরনের ইলেকট্রিক ওয়্যারিং সংযোগ দেয়া যাবে না।৫. ফ্যাক্টরী কমপ্লেক্সেও ভেতওে ধুমপান এমনকি ধুমপানের দ্রব্য সামগ্রী বহন সম্পূর্নরুপে নিষিদ্ধ এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ,

  • ফ্লোরে, সিড়ির গোড়ায়, স্টোরে ব্যাটারী চালিত ইমার্জেন্সি লাইট সংস্থাপন করা

  • স্টোরের ক্ষেত্রে বৈদ্যুতিক সুইচ, ব্যালাস্ট ইত্যাদি স্টোরের বাইরে স্থ্াপন করা

  • অপদ্রব্য ব্যবস্থাপনা যথাযথ ভাবে মেনে চলা হবে।ওয়েসটেস পৃথকীকরন, লেবেলিং এবং অপসারণ এর ক্ষেত্রে সকল নিয়ম পালন করা হবে।

  • কারখানায় অন্তত ২ (দুই) টি সিড়ির ব্যবস্থা করা এবং সিড়ির নূন্যতম প্রশস্থতা ৮র্ – ০র্র্র্র্ র্ হতে হবে

  • কাঠের তৈরী আসবাবপত্র ব্যবহার যথাসম্ভব পরিহার করতে হবে

  • আগুন লাগার সাররনে শোনার সঙ্গে সঙ্গে ফায়ার ফাইটংি দলরে সদস্যগন দ্রুত ফায়ার ফাইটংি সরঞ্জানাদরি ব্যবহার করব
অগ্নি বিপদ বিষয়ে প্রশিক্ষণ:

  • কারখানায় বিপদ সম্মন্ধে সকল কর্মীদের বিস্তারিত জানানো।

  • কর্মীদের শিক্ষা দিতে হবে যাতে আগুন লাগলে তারা আতঙ্কগ্রস্থ ও দিশেহারা না হয়। তারা যেন শান্ত হয়ে বহির্গমন পথে বেরিয়ে যায়।

  • কর্মীদের শিক্ষা দিতে হবে যে আগুন দ্বারা না যতটুকু ক্ষতিগ্রস্থ হয় তার চেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয় হুরাহুড়ি করে নামতে গিয়ে পায়ের তলে চাপা পড়ে। এটাও বোঝাতে হবে যে আগুন ছড়িয়ে পরতেও সময় লাগে।

  • কর্মীদের মাসে অন্তত একবার ফায়ার ড্রিল করানো উচিত কারণ এতে তারা অগ্নি বিপদে করণীয় বিষয়ে অভ্যস্ত হবে।

অগ্নি বিপদ বিষয়ে প্রশিক্ষণ
বিদ্যুৎ অধ্যাদেশ

বৈদ্যুতিক নীতিমালা (তারের সংযোগ)
তারের সাইজ: বৈদ্যুডুশ তারের ব্যাসের উপর নির্ভর করে ঐ তারের মধ্য দিয়ে কি পরিমান বিদ্যুৎ পরিবাহিত হবে। আমেরিকান ওয়ার গেজ- অনুসারে তারের ব্যবহার। ( সংখ্যা যত বড় তারের ব্যাস তত ছোট হয়)
বৈদ্যুতিক তারের ধরন তারের ব্যবহার
এ.ডব্লিউ.জি কম্পিউটার
এ.ডব্লিউ.জি টেলিফোন
এ.ডব্লিউ.জি ডোর বেল সার্কিট
এ.ডব্লিউ.জি লাইট, সুইচ
এ.ডব্লিউ.জি লাইট, সুইচ, গরম পানির জন্য হিটার,
এ.ডব্লিউ.জি কাপড় শুকানোর জন্য ড্রাইয়ার
এ.ডব্লিউ.জি বৈদ্যুতিক রেঞ্জ
এ.ডব্লিউ.জি গ্রাউন্ড ওয়ারিং
এ.ডব্লিউ.জি সার্ভিস এন্ট্রান্স ক্যাবল
এ.ডব্লিউ.জি সার্ভিস এন্ট্রান্স ক্যাবল

♦বৈদ্যুতিক তারের ধরন ব্যবহৃত তারের রং
হট ওয়ার কালো (সাদা, সবুজ, বেয়ার কপার ছাড়া যেকোন রং)

নিউট্রাল ওয়ার সাদা ( বাধাহীন ভাবে ১২০ ভোল্টে প্রবাহিত হয়)

গ্রাউন্ড ওয়ার সবুজ এবং বেয়ার কপার
২-ওয়ার সার্কিট কালো এবং সাদা (লাইট এবং বাধাহীন ভাবে ১২০ ভোল্টের এ.সি. সার্কিট)

২-ওয়ার সার্কিট কালো এবং লাল (বৈদ্যুতিক হিটার এবং ২২০ ভোল্ট সার্কিটের গরম পানির ট্যাঙ্ক)

২-ওয়ার সার্কিট কালো এবং লাল (সুইচ এবং লাইটিং আউটলেট)

৩-ওয়ার সার্কিট কালো, লাল, সাদা / সবুজ (ইলেক্ট্রিক ড্রাইয়ার)

বৈদ্যুতিক নীতিমালা (নিবন্ধন)

বৈদ্যুতিক পন্য (নিরাপত্তা) নীতিমালা
[গৃহস্থলি বা অন্যান্য যে কোন প্রয়োজনে ব্যবহৃত বৈদ্যুতিক পন্য সমূহের যেমন:প্লাগ, সকেটস, এ্যাডাপ্টার এবং এক্সেটেনশন বোর্ড ইত্যাদির নিরাপত্তা মান নিশ্চিত করা নিরাপদ সরঞ্জাম এবং প্রয়োগ/ব্যবহার বিধি নিশ্চিত করা]বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইন (সুরক্ষা) নীতিমালা



সারসংক্ষেপঃ

বিদ্যুৎ সৃষ্ট আগুন কারখানায় আকস্মিক অগ্নি দূর্ঘনাজনিত দূর্যোগের সময় উদ্ভূত পরিস্থিত মোকাবেলায় প্রতিষ্ঠানের একটি কার্যকরী অগ্নি নির্বাপনী পরিক্লপনা থাকবে। এ পরিকল্পনার আওতায় অগ্নি নির্বাপক এবং দূর্যোগকালীণ সময়ে কারখানার জানমাল সহ মূল্যবান দ্রব্য সামগ্রী রক্ষা এবং কারখানার নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ কাজ সুচারুপে সম্পাদন করার জন্য একটি কার্যকরী কমিটি থাকবে।

SSS...............................

বিদ্যুৎ সৃষ্ট আগুন রোধে করনীয় কি? অগ্নি বিপদ বিষয়ে প্রশিক্ষণ