Textile Lab | Textile Blog: Testing
Pull Test /পুল টেস্ট 

পোশাকের মধ্যে বাটন, রিভিট, আইলেট, বৌ, বাটারফ্লাই ইত্যাদি জয়েন্ট করা পর কত টুকু টান সহ্য করতেপারে তা পরীক্ষা করা জন্য পুল টেস্ট করা হয়।

 
✅ গার্মেন্টস-এ অতিরিক্ত এটাচমেন্ট যেমনঃ বাটন, আইলেট, রিভার্ট, স্ন্যাপ ও শ্যাঙ্ক বাটন ইত্যাদি সংযুক্তি করার ক্ষেত্রে পুল টেস্ট/Pull test  অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ।


✅ এই টেস্ট এটাচমেন্ট-এর নিরাপত্তার & এটি শক্তি টানা মাপকাঠি।


✅ পুল টেস্ট করার জন্য নির্দিষ্ট মাপকাঠি নির্ধারন করা হয়ে থাকে অন্যথায় ইহা চিলড্রেন সেফটি বা মানবদেহের জন্য ক্ষতির কারন হতে পারে।

✅ গারমেন্টস ক্রয়/বিক্রয়/পরিধান পর্যায় পর্যন্ত এটা একটা ক্রিটিকাল সমস্যা। 

✅ ফ্যাক্টরির সকল জায়গায় ইহার উৎপাদিত তৈরি গার্মেন্টস-এর অতিরিক্ত নিরাপত্তা প্রদানের লক্ষ্যে সকল প্রকার ঝুকিপূর্ন এটাচমেন্ট সংযুক্তির পূর্বে পুল টেস্ট করণ বাধ্যতামূলক করেছে। 

✅  স্ট্যান্ডার্ড পদ্ধতিটি 93.4 /nu এ 15 (সেকেন্ড) টানতে হবে। সমস্ত সংযুক্ত উপাদানের জন্য ওজন হবে (9.52kgs)।

✅ পুল টেস্ট বায়ারের রিকুয়ারমেন্ট অনুযায়ী পুলিং স্ত্রেংথ /strength হয়ে থাকে। 

✅ যদি বায়ারের কোন requirement না থাকে তবে factory নিজস্ব প্রসিডিওর মেইনটেইন করতে হয়ে থাকে। 

✅ আমাদের ফ্যাক্টরি সমস্ত সংযুক্ত উপাদানগুলির জন্য 90/nu ওজনে 10 সেকেন্ড টান (৯.১৭ কেজি) চালিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেয়।


🔹 প্রতি ২ঘন্টা পরপর বার্টন  পুল টেষ্ট  করা হয় ( বায়ার এর চাহিদা অনুযায়ী) এবং  পাস ফেল এর রেকর্ডে সংশ্লিষ্ট   কর্মকর্তাদের স্বাক্ষর  নিয়ে  রেকর্ড  রাখা হয় ।


®️ পুল টেস্ট মেশিনটি ঠিক আছে কি না তা পরীক্ষা করার জন্য ১৫ এলবিএস মেটাল ওয়েট দিয়ে পরীক্ষা করা হয়। মেশিনের কাটা যদি ১৫ এল বি এস পর্যন্ত যায় তাহলে মেশিন ঠিক আছে।পুল টেস্ট করা যাবে।আর যদি মেশিনের কাটা যদি ১৫ এল বি এস পযন্ত না যায় তাহলে মেশিন ঠিক নাই, পরীক্ষা করা যাবে না।মেশিন ঠিক করে তার পর কেলিব্রেশন করতে হবে।

🔹 সর্বপ্রথম মুকাপ তৈরী  করা হয় । মুকাপ তৈরি করার সময়  বাটুন যে গার্মেন্টসের যে পজিশনে লাগবে ওই জায়গায় যেরকম লেয়ার আছে ঠিক সেরকম লেয়ারের মুকাপ বানাতে হবে। মুকাপের বাটুন পুলটেস্ট করে তারপর   গার্মেন্ট্স এ বার্টন  লাগানো  হবে।

✅ পুল টেস্ট যদি বায়ারের রিকুয়ারমেন্ট অনুযায়ী ফেল হয় তাহলে মেনেজমেন্ট কে জানাতে হবে এবং মেশিন সঠিক ভাবে এ্যাডজাস্ট করতে হবে।তার পর বাটন সংযোক্ত করতে হবে।

⚠️ নন-কনফারমিং এরিয়াটি সর্বদাই তালা বন্ধ থাকে এবং সেই তালার চাবিটি ম্যানেজার কিউ,সি এন্ড কিউ,এ এর নিকট জমা থাকে।

⚠️ ১২ মাস পর্যন্ত নন-কনফারমিং গার্মেন্টস গুলি নন-কনফারমিং এরিয়ার মধ্যে রাখা হয় এবং ১২ মাস পরে তাহা স্টক লট হিসাবে বিক্রি করা হয়।

⚠️ উল্লেখ থাকে যে, নন-কনফারমিং গার্মেন্টস এর মধ্যে যদি কোন ধরনের লেবেল থাকে তবে তাহা বিক্রি করার পূর্বে উক্ত লেবেল গুলি কেটে, খুলে অথবা Brand name মুছে দিতে হবে। 

🤔 সাধারণত  Kids/কিডস আইটেম বাটন পুলটেস্ট করা হয় ৭০ নিউটনে।

👉 Now Maximum buyer button attached pull test measurement requirement is - 9 Kg/19.84 LBS/ 90 Newton. 





Thanks 
QA Guidelines.

Button, Eyelet, Revert, Snap Pull Test বাটন পুল টেস্ট

Formaldehyde:
ফরমালডিহাইড এটি গার্মেন্টস শিল্পে বেশ পরিচিত একটি কেমিক্যাল। 

আজকে আমরা জানবো এটি কেন দরকার? আবার একটি নির্দিষ্ট মাত্রার বেশি গ্রহনযোগ্য নয় কেন?

ফরমালডিহাইড এর রাসায়নিক সংকেত হলো CH2O বা HCHO

• আমরা যে ফরমালিন বলি ওটা ফরমালডিহাইড দিয়েই তৈরি হয়। একটি পানিতে যখন ৮০% ফরমালডিহাইড মিশ্রণ করা হয় তখন তা ফরমালিন হয়ে যায়। 

যাই হোক, 
ফরমালডিহাইড টা ব্যবহার করা হয় মুলত ফেব্রিকস এ। ফেব্রিকস বুননের সময় ফরমালডিহাইড ব্যবহার করা হয় ফেব্রিকস এর  নিম্নোক্ত বৈশিষ্ট্য গুলো বজায় রাখার জন্য। 

১) Wrinkle Free থাকার জন্য।

২) Shrink proof থাকার জন্য। 

৩) Flame resistanct থাকার জন্য।

৪) Maintain the durability of printing & dying.

৫) Improve the texture. (কাপড়ের বয়ন যাতে ঠিক থাকে) 

➤ কিন্তু ঐ ফরমালডিহাইড কেমিক্যাল আবার আমাদের শরীরের জন্য ক্ষতিকর ও বটে! 

সেই ক্ষতিকারক দিক গুলো হলো,

১) Inhalation (শ্বাস কষ্ট)

২) Skin Inflammation (চামড়ার প্রদাহ)

৩) Irritates the eye (চোখ জালাতন)

৪) Allergies (এলার্জি)

৫) Cancer (ক্যানসার)


তাই এই ফরমালডিহাইড এর সাইড ইফেক্ট ও প্রয়োজনীয়তা এই ২টা বিষয়ের একত্রীকরণ করে একটা স্ট্যান্ডার্ড ফলো করা হয়।

তা আবার ২ ভাগে বিভক্ত 

১) টেক্সটাইল আইটেমস এবং 

২) লেদার আইটেমস



টেক্সটাইল আইটেমে

শিশুদের জন্য গ্রহনযোগ্য মাত্রা 16 (mg/kg)

বয়স্কদের জন্য গ্রহনযোগ্য মাত্রা 65 (mg/kg)

লেদার আইটেমে

শিশুদের জন্য গ্রহনযোগ্য মাত্রা 16 (mg/kg)

বয়স্কদের জন্য গ্রহনযোগ্য মাত্রা 65 (mg/kg)
For Direct Skin contact.

বয়স্কদের জন্য গ্রহনযোগ্য মাত্রা 250 (mg/kg)
For No Direct Skin contact.

ফরমালডিহাইড এর টেস্ট মেথড একট বড় বিষয়। এটা নিয়ে আরেকদিন আরেকটা স্টেটাস শেয়ার করবো ইনশাআল্লাহ। 


ফরমালডিহাইডের কেমিস্ট্রিঃ  

সমনাম: মিথানাল।

পানি মিশ্রিত দশা: তরল দশার নাম: ফরমালিন

কঠিন অবস্থার পলিমার দশার নাম: প্যারাফরমালডিহাইড বা প্যারাফর্ম।

এ্যালডিহাইড শ্রেণী জৈব-যৌগের প্রথম যৌগ হলো ফরমালডিহাইড। এর অপর নাম মিথানল। প্রকৃতিতে ফরমালডিহাইড নানারূপে পাওয়া যায়। উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদকোষে প্রাথমিক পর্যায়ে ফরমালডিহাইড উৎপন্ন হয়। ১৮৫৯ খ্রিষ্টাব্দে রুশ রসায়নবিদ আলেকজান্দর বুতলারভ ফরমালিনের অস্তিত্ব সম্পর্কে প্রথম একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেন। পরবর্তীতে ১৮৬৯ খ্রিষ্টাব্দে অগাস্ট উইলহেম ভন হফমেন স্বার্থকভাবে চিহ্নিত করেন।

এর রাসায়নিক সংকেত H-CHO। দ্বিযোজী কার্বনাইলমূলকে(>C=O)-এর উভয় যোজনীতে দুটি হাইড্রোজেন পরমাণু থাকে।

এটি একটি বর্ণহীন গ্যাস হিসেবে থাকে। এর গলনাঙ্ক -৯২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং স্ফুটনাঙ্ক -১৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আণবিক ভর ৩০.০৩ গ্রাম। ঘনত্ব ০.৮১৫৩ গ্রাম/ঘন সেন্টিমিটার। এটি দাহ্য পদার্থ। এতে তীব্র ঝাঁঝালো গন্ধ আছে।

 পরীক্ষাগারে সাধারণত ক্যালসিয়াম ফরমেটকে পাতন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তৈরি করা হয়।

            (H-COO-)2Ca HO------H-CHO+ CaCO3


ফরমালডিহাইডের ব্যবহার:

ফরমালডিহাইড প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে প্রচুর পরিমাণে শিল্পকলকারখানা এবং পচন-নিবারক দ্রব্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। সেই কারণে নানা দেশে বাণিজ্যিকভাবে ফরমালডিহাইড তৈরি করা হয়। ২০০৫ খ্রিষ্টাব্দে বিশ্বব্যাপী জরিপে দেখা গেছে, প্রায় ২৩ মিলিয়ন টন বা ৫০ বিলিয়ন পাউন্ড ফরমালিন প্রস্তুত করা হয়েছে। বিশ্বব্যাপী এই মোট উৎপাদিত ফরম্যালডিহাইড-এর প্রায় ৬০ শতাংশ ব্যবহৃত হয়− কাঠের কারখানা এবং বিভিন্ন উপকরণ তৈরির কারখানায়। এসকল কারখানায় ফরমালডিহাইড ব্যবহৃত হয়− ইউরোট্রোপিন, ব্ল্যাকলাইট প্লাস্টিক, মেলামাইন ইত্যাদি। 

প্রায় ৩০ শতাংশ ফরমালিন ব্যবহৃত হয়− ফেন্টাইরাইথ্রিটল, হেক্রামিথাইল ইনটিট্রামাইন, বিউটানিডিয়ল ইত্যাদি তৈরিতে। ৭ শতাংশ ফরমালডিহাইড থার্মোপ্লাষ্টিক রেজিন উৎপাদনে ব্যবহৃত হয় এবং ২ শতাংশ পোশাক শিল্পে ব্যবহার করা হয়। পোশাক সাদা করা, শক্তকরা, চামড়ার ভাজ বা রেখা দূরকরা, এবং মচমচে ভাব আনা ইত্যাদির জন্য ব্যবহৃত হয়। আয়না প্রস্তুতিতে বিজারক হিসেবে, রঞ্জক দ্রব্যের শিল্পোৎপাদনে এর ব্যবহার রয়েছে। ১ শতাংশ ফরমালডিহাইড পচনরোধক হিসেবে বা সাবান, লোশন, শ্যাম্পু তৈরির সময় ব্যবহৃত হয়। 

বিশ্বব্যাপী মৃত দেহ সংরক্ষণের জন্য সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য উপকরণ হচ্ছে ফরমালিন। ধারণা করা হয় যে, ফরমালিন ১৮৯৯ খ্রিষ্টাব্দ থেকে মৃত মানবদেহ সংরক্ষণের জন্য এই জৈবযৌগটি ব্যবহৃত হচ্ছে। এসবের ভিতরে ফরম্যালডিহাইড বেশি ব্যবহৃত হয়−পার্টিক্যাল বোর্ড, প্লাইউড, ফাইবার বোর্ড, আঠা, কাগজের কোটিং, স্থায়ী প্রেস ফেব্রিক ইত্যাদি তৈরিতে। এটি বাণিজ্যিকভাবে ছত্রাকনাশক, জীবাণুনাশক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এই কারণে মাছের প্রোটোজোয়া এবং ছত্রাকজনিত রোগের চিকিৎসায়ও ফরমালিন ব্যবহৃত হয়। চিংড়ি ও কার্প হ্যাচারীতে জীবানুনাশক হিসেবে ফরমালিন নির্ধারিত মাত্রায় ব্যবহার হয়।

সিনথেটিক কাপড়ঃ

সিনথেটিক কাপড় বিশেষতঃ যেসব কাপড় কুঁচকে যায় না(নাইলন, রেয়ন, পলিয়েস্টার,  অ্যাক্রিলিক...) তা ফরমালডিহাইড দিয়ে ট্রিট করা হয়।এ ধরনের কাপড়ে ০০০১-৩৫১৭ পিপিএম পর্যন্ত ফরমালডিহাইড পাওয়া গেছে।নীচে এরূপ কাপড়ের একটি বিজ্ঞাপন দেখুনঃ

ফরমালিন এবং ফরমালডিহাইডের মধ্যে পার্থক্য কি?

• ফরমালডিহাইড হল একটি মৌলিক রাসায়নিক যৌগিক ফরমালিন ফরমালডিহাইড একটি জলীয় সমাধান গঠন।

• ফরমালডিহাইড একটি গ্যাসক্ষেত্রের তাপমাত্রায়, কিন্তু ফরমালিন তরল আকারে।

• ফরমালডিহাইড হল একটি অ্যালডিহাইড, ফরমালিন মধ্যে, ফর্মালডিহাইড একটি অ্যালকোহল সংমিশ্রণ মধ্যে hydrated হয়।

• ফরমালিন প্রধানত একটি কীটনাশক হিসাবে ব্যবহৃত হয়, তবে গুরুত্বপূর্ণ পণ্য উৎপাদনের জন্য দায়ী অনেক অত্যাবশ্যক শিল্প প্রক্রিয়াগুলির মধ্যে ফরমালডিহাইড একটি অপরিহার্য উপাদান।

Thanks & Regards
Ishfaqul Wadud Khan
Senior Executive QA Auditor
LEVI'S (Denim Tops & Bottoms)
Ananta group.

Formaldehyde: ফরমালডিহাইড পোশাকের জন্য ক্ষতিকর ক্যামিকেল

ফ্যাব্রিকের স্রিংকেজ পরিমাপের  সূত্রঃ 
যে কোনও ফ্যাব্রিকের জন্য স্রিংকেজ টেস্ট করতে নিম্নোক্ত ফ্যাব্রিক স্রিংকেজ সূত্রটি অনুসরণ করুন ।  ৩ ধাপ অনুসরণ করুন করে  প্রস্থ এবং দৈর্ঘ্যের জন্য আফটার ওয়াস ফ্যাব্রিক স্রিংকেজ নির্ধারণ করতে পারেন। 
 প্রথম ধাপঃ 

ফ্যাব্রিক রোল থেকে ফেব্রিকের লেন্থ এবং ডায়া বরাবর   ফ্যাব্রিকের উপর একটি  18"x18"  স্কয়ার আকৃতির  ব্লক ড্র করুন ।  এটা কনফার্ম করতে হবে  আপনার ড্র করা  স্কয়ার বক্স যাতে ফেব্রিকের সেলভেজ থেকে  কমপক্ষে 2 "  দূরে থাকে ।

ফেব্রিক ওয়াস করার  আগে  18"x18" করে মার্কিং করে ড্র করতে হবে। 
ফেব্রিকের দৈর্ঘ্যের মেজারমেন্ট  = 18 "
 ফেব্রিকের প্রস্থের মেজারমেন্ট = 18 "

 

দ্বিতীয়  ধাপঃ 

ফেব্রিক ওয়াশিংয়ের পর স্রিংকেজ % কত তা বের করতে আপনার স্ট্যান্ডার্ড ওয়াশিং পদ্ধতি অনুসরণ করে আপনাকে ফ্যাব্রিকের স্যাম্পলটি ওয়াস করতে হবে ।  তারপর ড্রাই করতে হবে ।  ওয়াসের পর ড্রাই হলে এর দৈর্ঘ প্রস্থ  কতোটা কমেছে পরিমাপ করতে হবে ।  স্রিংকেজ টেস্টের পরে মার্ক করা 18"x18" স্কয়ার ব্লক কে পুনরায় লেন্থ এবং উইডথ মেজারমেন্ট চেক করে দেখতে হবে । এবং তা ক্যাল্কুলেশন এর জন্য লিখে রাখতে হবে । 

ধরা যাক ওয়াস এবং ড্রাইয়ের পর আমাদের ফেব্রিকের,

  দৈর্ঘ্যের পরিমাপ  = 17 " ইঞ্চি
  প্রস্থের পরিমাপ = 15 " ইঞ্চি 

 

তৃতীয় স্টেপ- 3ঃ

 এখন ফেব্রিকের বিফোর এবং আফটার ফেব্রিকের মেজারমেন্ট চেইঞ্জ অনুযায়ী ফ্যাব্রিক স্রিংকেজ বের করার সূত্রঃ 

[  ( স্রিংকেজ হওয়ার আগে স্কয়ার ব্লকের প্রস্থ ) - ( স্রিংকেজ হওয়ার পরে স্কয়ার ব্লকের প্রস্থ )  / ( স্রিংকেজ হওয়ার আগে স্কয়ার ব্লকের প্রস্থ ) ] × ১০০

অর্থাৎ 
সংক্ষিপ্ত আকারে বললে হবেঃ 

= ( বিফোর লেন্থ - আফটার লেন্থ ) / (বিফোর  লেন্থ) × ১০০
= স্রিংকেজ  রেজাল্ট %


 লেন্থের দিকের মোট স্রিংকেজ % বের করার সূত্রঃ 
= [(18 - 17) ÷ 18] x 100 
= 5.55% 
= 6% ( রেজাল্ট রাউন্ড ফিগার করে ) 


 উইডথের দিকের মোট স্রিংকেজ % বের করার সূত্রঃ 
= [ (18 - 15) ÷ 18 ] x 100 
= 16.66% 
= 17% ( রেজাল্ট রাউন্ড ফিগার করে ) 



ফ্যাব্রিক স্রিংকেজ টেস্টের সূত্র এবং নিয়ম | Shrinkage Test

ফেব্রিক স্রিংকেজ পরীক্ষাঃ
 ফেব্রিক আফটার ওয়াসের পর  ডাইমেনশনাল স্টেবিলিটির % খুঁজে বের করার জন্য স্রিংকেজ পরীক্ষা করা হয় ।  এই পরীক্ষা করা হয় ডাইং ফেব্রিক  ফিনিশিংয়ের পরে এবং গার্মেন্টসে  ফেব্রিক কাটার আগে ।  বায়ারের দেয়া সাইজ বাল্ক প্রডাকশনে মেইনটেইন করার জন্য  স্রিংকেজ টেস্ট করা হয় যাতে করে স্রিংকেজ % অনুযায়ী প্যাটার্ন তৈরী করা যায় এবং কতটা ফেব্রিক এলাওন্স দিতে হবে তা জানার জন্য  । 

 

 ফেব্রিক স্রিংকেজ টেস্ট মেথডঃ 

 1. সাধারণত নন ওয়াস গার্মেন্টস আইটেমের জন্য ফ্যাব্রিক স্রিংকেজ টেস্ট  প্রয়োজন হয় না ।  

 2. ফ্যাব্রিক কিউ.সি  যারা আছেন নীটিং স্প্যানডেক্স ফ্যাব্রিক হলে 100% চেক এবং ওভেন  হলে ফেব্রিক 10% চেক করতে হবে ।    প্রতিটি ফেব্রিক  রোল থেকে 50 সেমি x50 সেমি ফেব্রিক কেটে নিতে হবে ।  কিছু টেক্সটাইল কারখানা 25 সেমি x 25 সেমি  আকারে ফেব্রিকের সোয়াচ  কেটে  ডেইমেনশনাল স্টেবিলিটি টেস্ট করেন ।
 

 ৩. পার্মানেন্ট মার্কার পেন দিয়ে  50 সেন্টিমিটার x 50 সেন্টিমিটার  মার্কিং করা ছাড়াও স্যাম্পলের গায়ে রোল নং, লট নাম, লেন্থ ও ফ্যাব্রিকের প্রস্থের মাপ লিখে দিতে হবে ।

 ৪. ফেব্রিক স্যাম্পল বায়ারদের এপ্রুভড ওয়াশ স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী   ওয়াস করতে হবে এবং বায়ারদের স্টেন্ডার্ড অনুযায়ী  স্যাম্পল ড্রাই করতে  হবে।
 
 
 ৫. কোয়ালিটি ডিপার্টমেন্ট কর্তিক  ওয়াশ এফেক্ট, হ্যান্ড ফিল  এবং সেড  বায়ার এপ্রুভড কিনা তা নিশ্চিত করতে হবে। 
 
 
 ৬. যদি স্টেন্ডার্ড  অর্জন করে তবে এই সোয়াচ গুলি আয়রন করতে হবে এবং প্রতিটি সোয়াচকে পুনরায় পরিমাপ করতে হবে এবং দৈর্ঘ্য এবং প্রস্থটি কি পরিমাণ  স্রিংক করেছে  তার  রেকর্ড রাখতে হবে ।

৭. তারপরে ফ্যাব্রিক কিউসি    রোল নম্বর একচুয়াল স্রিংকেজ % কতো তা রেকর্ড করেন এবং এর স্যাম্পল সংরক্ষণ করেন  । এবং ওই লটের ফেব্রিকের এভারেজ   স্রিংকেজ %  ফাইনালি  কিউসির ম্যানেজার  এবং প্যাটার্নমেকারকে সাবমিট করে । তার পর তারা ডিসিশন নেয় প্যাটার্ন এর এলাওন্স কতটা দিতে হয়। 

 ৮. ফাইনাল " সেড গ্রুপ এবং Width অনুযায়ী রোল গ্রুপ রিপোর্ট"  এবং "স্রিংকেজ রিপোর্ট " গুলিকে  QM, প্যাটার্ন মাস্টার,  স্টোর ইনচার্জ  এর সাইন নিতে হবে এবং এর  কপি স্টোর, স্যাম্পল রুমে এবং কাটিং রুমের কাটিং ইঞ্চার্জ কে দিতে হবে ।  কাটিং ইন চার্জ এই রিপোর্ট কাটিং প্লান করার সময় ইউটিলাইজ করতে পারবে । 

( দায়িত্বে থাকা কাটিং ইঞ্চার্জ  রিপোর্ট গুলি কাটিং প্লানের জন্য সংরক্ষন করবেন )

ফ্যাব্রিকের স্রিংকেজ পরিমাপের  সূত্রঃ

যে কোনও ফ্যাব্রিকের জন্য স্রিংকেজ টেস্ট করতে নিম্নোক্ত ফ্যাব্রিক স্রিংকেজ সূত্রটি অনুসরণ করুন ।  ৩ ধাপ অনুসরণ করুন করে  প্রস্থ এবং দৈর্ঘ্যের জন্য আফটার ওয়াস ফ্যাব্রিক স্রিংকেজ নির্ধারণ করতে পারেন।

প্রথম ধাপঃ

ফ্যাব্রিক রোল থেকে ফেব্রিকের লেন্থ এবং ডায়া বরাবর   ফ্যাব্রিকের উপর একটি  18"x18"  স্কয়ার আকৃতির  ব্লক ড্র করুন ।  এটা কনফার্ম করতে হবে  আপনার ড্র করা  স্কয়ার বক্স যাতে ফেব্রিকের সেলভেজ থেকে  কমপক্ষে 2 "  দূরে থাকে ।

ফেব্রিক ওয়াস করার  আগে  18"x18" করে মার্কিং করে ড্র করতে হবে।
ফেব্রিকের দৈর্ঘ্যের মেজারমেন্ট  = 18 "
ফেব্রিকের প্রস্থের মেজারমেন্ট = 18 "



দ্বিতীয়  ধাপঃ

ফেব্রিক ওয়াশিংয়ের পর স্রিংকেজ % কত তা বের করতে আপনার স্ট্যান্ডার্ড ওয়াশিং পদ্ধতি অনুসরণ করে আপনাকে ফ্যাব্রিকের স্যাম্পলটি ওয়াস করতে হবে ।  তারপর ড্রাই করতে হবে ।  ওয়াসের পর ড্রাই হলে এর দৈর্ঘ প্রস্থ  কতোটা কমেছে পরিমাপ করতে হবে ।  স্রিংকেজ টেস্টের পরে মার্ক করা 18"x18" স্কয়ার ব্লক কে পুনরায় লেন্থ এবং উইডথ মেজারমেন্ট চেক করে দেখতে হবে । এবং তা ক্যাল্কুলেশন এর জন্য লিখে রাখতে হবে ।

ধরা যাক ওয়াস এবং ড্রাইয়ের পর আমাদের ফেব্রিকের,

  দৈর্ঘ্যের পরিমাপ  = 17 " ইঞ্চি
  প্রস্থের পরিমাপ = 15 " ইঞ্চি


তৃতীয় স্টেপ- 3ঃ

এখন ফেব্রিকের বিফোর এবং আফটার ফেব্রিকের মেজারমেন্ট চেইঞ্জ অনুযায়ী ফ্যাব্রিক স্রিংকেজ বের করার সূত্রঃ

[  ( স্রিংকেজ হওয়ার আগে স্কয়ার ব্লকের প্রস্থ ) - ( স্রিংকেজ হওয়ার পরে স্কয়ার ব্লকের প্রস্থ )  / ( স্রিংকেজ হওয়ার আগে স্কয়ার ব্লকের প্রস্থ ) ] × ১০০

অর্থাৎ
সংক্ষিপ্ত আকারে বললে হবেঃ

= ( বিফোর লেন্থ - আফটার লেন্থ ) / (বিফোর  লেন্থ) × ১০০
= স্রিংকেজ  রেজাল্ট %







হিসেবঃ

লেন্থের দিকের মোট স্রিংকেজ % বের করার সূত্রঃ
= [(18 - 17) ÷ 18] x 100
= 5.55%
= 6% ( রেজাল্ট রাউন্ড ফিগার করে )

উইডথের দিকের মোট স্রিংকেজ % বের করার সূত্রঃ
= [ (18 - 15) ÷ 18 ] x 100
= 16.66%
= 17% ( রেজাল্ট রাউন্ড ফিগার করে ) 



Shrinkage Test এর কিছু বিষয় :


১. ওভেন কাপড় এর স্রিংকেজ এর টলারেন্স +/- ৪ % (Warp & Weft)


২. Knit কাপড় এর স্রিংকেজ টলারেন্স +/- ৫ % (Warp & Weft)


৩. স্রিংকেজ টেস্ট এর জন্য দেয়া হয় প্রায় এক মিটার স্যাম্পল।


৪. স্রিংকেজ টেস্ট এর কাপড় টেনে ছিড়া যাবে না কাপড় সিজার দিয়ে কাটে দিতে হবে।


৫. স্রিংকেজ এর জন্য দেয়া স্পেসিমেন টানা টানি করা নিষেধ। নয়তো একুরেট রেজাল্ট আসবে না।


৬. ফিনিশিং স্টেজে কাপড় এর স্রিংকেজ টেস্ট করা হয়।


৭. নীট কাপড় স্টেনটার এর পর এবং কম্পেক্টিং এর পর স্রিংকেজ টেস্ট করা হয়।


৮. স্টেনটারে ফিনিশিং করা কাপড় এর স্রিংকেজ কম্পেক্ট করা কাপড় এর তুলনায় বেশি। 


৯. লায়ক্রা কাপড় এর স্রিংকেজ ১০০% কটন এর তুলানায় বেশি।


১০. লায়ক্রা কাপড় এর এক্সেপ্টটেবল রেঞ্জ হলো


নীট +/- ৭%

ওভেন -/+ ৮-10% 


১১. ট্রাম্বেল এর পর ও স্রিংকেজ মাপা হয়।


১২. স্রিংকেজ মাপার সময় কাপড় গরম আবস্থায় মাপা যায় না,  মাপার আগে কাপড় কে ঠান্ডা এবং রিলাক্সে রাখতে হয় ১-২ ঘন্টা।


১৩. স্রিংকেজ মাপার সময় কাপড় এর ডায়া আর জি এস এম ও মাপা হয়।


১৪. স্রিংকেজ স্যাম্পল দেয়ার সময় ওভেন কাপড় এর স্যাম্পল কে সাইড সেলাই করে দিতে হয় আর নীট কাপড় কে চার পাশ সেলাই করে ব্লাংকেট বানিয়ে দেয়া হয়। 


১৫. গার্মেন্টস কাটিং এর সময় একটি সহজে স্রিংকেজ টেস্ট করা যায়,  করার নিয়ম হলো ছোট সাইজ এর ব্লাংকেট বানানোর পর তার উপর আয়রন স্টিম দিয়ে ভালো করে স্টিমিং করা হয় এটে কাপড় স্রিনক করলে বোঝা যায়।


১৬. কাপড় ওয়াসের পর তার স্রিংকেজ টেস্ট করা হয়,  % মাপার জন্য স্কেল আছে।  রেজাল্ট - হলে স্রিংকেজ আর রেজাল্ট + হলে তাকে এক্সটেনশন বলে। 


১৭. কাপড় কে যতো স্ট্রেস করবেন স্রিংকেজ ততো কমবে। 


১৮. টলারেন্স লিমিট টা ডিপেন্ড করে বায়ার টু বায়ার (নট প্রোডাক্ট টু প্রোডাক্ট, দ্যাট'স ট্রু !)। কিন্তু সবচেয়ে ভয়ঙ্কর ব্যাপার ঘটে ভিসকসের বেলায়। >২০% ভিসকস হলেই বায়ার +/-৫ অথবা ৬  অথবা তার বেশী টলারেন্স দিয়ে দেয়। তারপরেও যদি ফেল করে তখন আফটার আয়রনিং এর রেজাল্ট চায়, যেনো কন্সিডার করে প্রোডাক্ট একসেপ্ট করা যায়।


✅  স্রিংকেজ ফেইল করলে তার প্রতিকার : 

কোন কাপড়ে যদি Length  এ Shrinkage  ফেল করে তাহলে ঐ কাপড় ফিনিশ করার সময় ডায়া + করে ফিনিশ করলে পাশ করবে।

যেমন:- L- 10 হলে ডায়া ৩ ইঞ্চি + করলে shrinkage  পাশ করবে। অনুরোপভাবে কোন কাপড়ে যদি Width   ফেল করে তাহলে একই পদ্ধতিগত ভাবে কাজ করলে ভাল ফল পাওয়া যাবে।যদি কোন কাপড়ে length  &  width দুইটাই ফেল করে তাহলে ঐ কাপড়কে 90% Dry করে টাম্বুল করলে পাশ করবে,  সেই ক্ষেত্রে Shrinkage  plus  হয়ে যেতে পারে।মনে রাখতে হবে প্রতি ১ইঞ্চি ডায়া (+) বা ( -) করলে shrinkage 1.5% কমে।


✅ স্রিংকেজ ডাইমেনশনাল স্টেবিলিটি : To Wash

Condition : Flat Dry
মেথড :
BS EN ISO 6330:2012
BS EN ISO 5077:2008
BS EN ISO 3759:2018
AATCC  150: 1995

Buyer Requirement :

SJ/HJ
Solid:+/-5%
Lycra:+/-6%

Rib:
solid L+/-6% Width -7%
Lycra L+/-7% Width -7%

Interlock
solid L+/-6% Width -7%
Lycra L+/-7% Width -7%

Fleece
Solid +/-5%
Lycra -6/+2

pK
Solid:+/-6%
Lycra:+/-6%

Viscose
Solid:+/-7%
Lycra:+/-8%

other
Solid:+/-5%
Lycra:+/-5%

স্রিংকেজ টেস্ট | Shrinkage Test

ডমেস্টিক স্রিংকেজ টেস্ট প্রসেডিওর  - Domestic / Shrinkage Test)
উদ্দেশ্য ও সুবিধাঃ

ফ্যাক্টরির উৎপাদিত গার্মেন্টস সমূহ কাস্টমার ব্যবহার পরবর্তী ওয়াশের স্রিংকেজ টলারেন্স ঠিক রাখার লক্ষ্যে ডমেস্টিক/স্রিঙ্ক্যাজ টেস্ট করার জন্য নির্দিষ্ট ওয়ার্ক প্রসেস  নির্ধারন করেছে যা ফ্যাক্টরি সমূহের গুনগত মান সম্পন্ন গার্মেন্টস উৎপাদনের যথার্থতা প্রমান করে।

দায়বদ্ধতাঃ

এই স্রিংকেজ টেস্ট প্রসিডিউর পালন করা ও বজায় রাখার জন্য রেস্পন্সিবল  থাকবেন যথাক্রমেঃ 

১. টেকনিক্যাল ডিপার্টমেন্ট 
২.প্রোডাকশন ডিপার্টমেন্ট
৩. কোয়ালিটি ডিপার্টমেন্ট 
৪.ওয়াশিং/ল্যাব সেকশন-এর দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিগণ।

স্রিংকেজ টেস্টের কার্যপ্রনালীঃ

১. কালার ওয়াইজ সাইজ সেট স্যাম্পল রিসিভ করার পর গার্মেন্টস ওয়াশে আগে বায়ার রিকোয়ারমেন্ট পয়েন্ট অনুযায়ী ম্যাজারমেন্ট করে তা  রেকর্ড রাখতে হবে ।

২. বায়ার এপ্রোভ রেসিপি অনুযায়ী ওয়াশ করে ম্যাজারমেন্ট করে তার রেজাল্ট রেকর্ড রাখতে হবে ।

৩. আয়রনের এপ্রোভ প্যাটার্ন বোর্ড দিয়ে আয়রন করে ম্যাজারমেন্ট করে রেকর্ড সংরক্ষণ করে  তা ডমেস্টিক ওয়াশ টেস্ট-এর জন্য ল্যাব-এ পাঠাতে হবে।

৪. কেয়ার লেবেল ইন্সট্রাকশন/নির্দেশনা অনুযায়ী গার্মেন্টস পুনঃরায় ডমেস্টিক টেস্ট-এর জন্য ওয়াশ করতে হবে।

৫. বায়ার রিকোয়ারমেন্ট অনুযায়ী সকল ম্যাজারমেন্ট পয়েন্ট চেক করে গার্মেন্টস স্রিঙ্ক্যাজ রিপোর্ট করতে হবে এবং যদি কোন সমস্যা পাওয়া যায় টেকনিক্যাল ম্যানেজার ও কোয়ালিটি হেড-এর সাথে পরামর্শ করে ম্যাজারমেন্ট প্লাস/মাইনাস পয়েন্ট গুলোতে নিটিং চার্ট ঠিক করতে হবে।

৬. সিঙ্ক্যাজ পার্সেন্টেজ (%) টলারেন্সের মধ্যে নিয়ে আসার পর  পি.পি মিটিং করে টি.এম/ও.পি.এম এর কাছ থেকে বাল্ক প্রোডাকশনের জন্য এপ্রোভাল নিতে হবে।

৭. প্রোডাকশন শুরু করার পর রেনডম কালার ওয়াইজ ডমেস্টিক টেস্ট করে স্রিঙ্ক্যাজ পার্সেন্টেজ (%) টলারেন্সের মধ্যে আছে তা নিশ্চিত করতে হবে।

ডমেস্টিক স্রিংকেজ টেস্ট SOP - Domestic / Shrinkage Test

Fabric Course এবং  wales নিয়ে কিছু ক্যাল্কুলেশন 
 Course:
 Knit  ফ্যাব্রিকের  Horizontal সারিগুলির মোট পরিমাণটি Course । অর্থাৎ লম্বা বা খাড়াখাড়ি দিকে  ।

 
 Wale:
 Knit  ফ্যাব্রিকের লুপে  vertical  সারির মোট পরিমাণটি Wale. অর্থাৎ Witdh বা ডায়া বরাবর । Wale দিয়ে আমরা ডায়া বের করতে পারি সব ধরনের ফেব্রিকের .

 সুত্রঃ
Needle ÷ Walse = Dia

যেমনঃ
ধরি, Needle সংখ্য =2260
        walse সংখ্য=36

সূত্র অনুসারে , [ 2260÷36 ] = 62” ইঞ্চি

 

Needle বের করার নিয়মঃ

M/C Dia x Guage x π = Needle

 
Wale বের করার নিয়মঃ

সূত্রঃ
M/C Dia x Guage x π 
= Needle / 100
=??  x  S.L= 61

এখন মোট নিডেল এর সাথে বের করা উত্তর ভাগফল করে নিতে হবে ।

 সুত্রঃ
Needle ÷ 61 = walse

Example :

M/C Dia=30
Guage =24
Π এর মান= 3.14
Stich Length =2.70

 
সূত্র অনুযায়িঃ
30 x24 x 3.14
=2260/100
=22.6 x 2.70
=61

Total Needle / 61
= 2260 ÷ 61 
= 37 walse

Fabric Course এবং wales নিয়ে কিছু ক্যাল্কুলেশন

Nickel test : 


nickel টেক্সটাইল ম্যাটেরিয়াল এ মেটালিক কন্টামিনেশন । কোন material যদি Mattel হয় তাহলে nickel test   করতে হয়.

nickel test করতে দুইটি chemical লাগে

১.ammonia

২.dimathyl-glyoximme।

দুইটি chemical  দুই ফোটা করে একটি কটনবার্ডে এ নিতে হবে এবং ৩০ সেকেন্ড  ঘষতে হবে। ঘষানোর পরে যদি pink color হয় তাহলে  nickel test NOT  OK আর যদি pink color না হয় তাহলে nickel ok.




Nickel test | নিকেল টেস্ট

ওভেন ফেব্রিকের ল্যাব এবং কোয়ালিটি টেস্ট

আমাদের ওভেন ফেব্রিকের জন্য ল্যাবে টেস্টে কিছু  কমন টেস্ট করা হয়  যা হলো কম্পোজিশন, কন্সট্রাকশন,ফিনিশ কাউন্ট,  GSM,টিয়ারিং, টেনসাইল স্ট্রেন্থ  pH  ,Shrinkage Skewness, Pilling, Abrasion Resistance   এখানে উল্লেখ্য টেস্ট গুলি  টেস্টিং মেথড, স্টেন্ডার্ড লিমিট দেয়া হলে, যখন আমাদের ফেব্রিক দেয়া হবে টেস্টের জন্য তখন ফেব্রিকের রেজাল্ট স্টেন্ডার্ড এর সাথে মিলিয়ে আমরা পাস ফেইল নির্ধারণ করতে পারবো ।  নীটের স্টেন্ডার্ড গুলি সবাই জানলেও ওভেনের গুলি আইডিয়া সবার থাকে না  ।  আসুন সেগুলি জেনে রাখি

1. Actual Composition একচুয়াল কম্পোজিশন  :

টেস্ট মেথোডঃ ISO 1833

Standard:
১০০% কটন এর ক্ষত্রে নো টলারেন্স
ব্লেন্ড ফেব্রিক +/- 3%

Result: 
কটন ফেব্রিক ১০০% কটন হতে হবে এতে মিক্স এলাও না , আর ব্লেন্ড হলে ফাইবারের ওয়েট % এর +/- 3%  ওয়েট ভেরিয়েশন গ্রহন যোগ্য।


2. Actual Finish Construction  - একচুয়াল ফিনিশ কন্সট্রাকশন :

Standard: As per Buyer Requirement (EPI, PPI)

Result :
ফেব্রিকের EPI- Ends pre Inch , PPI - Pick Per Inch ফাইনাল ফিনিশের এর পর বের করতে হবে, এক্ষত্রে বায়ার ফেব্রিকের বুকিংয়ে যে  EPI, PPI চেয়েছে তার সাথে মিলাতে হবে।


3. Actual Finish Count - একচুয়াল ফিনিশ কাউন্ট

টেস্টিং মেথোডঃ ISO 7211-5

Standard: As per Buyer Requirement (Warp Ne, Weft Ne )

Result :
ফেব্রিকের (Warp Ne, Weft Ne ) ফাইনাল ফিনিশের এর পর বের করতে হবে, এক্ষত্রে বায়ার ফেব্রিকের বুকিংয়ে যে  (Warp Ne, Weft Ne ) চেয়েছে তার সাথে মিলাতে হবে।

4. Finish GSM 

টেস্টিং মেথোডঃ ISO 3801

Standard:
+/-5%  Of Standard Weight ( Before Wash ) 

+/-5%  Of Standard Weight ( After Wash )

Result:
ফেব্রিকের কন্সট্রাকশন থেকে ওয়েট ক্যাল্কুলেশন করে যা পাবার কথা তার +/-5%  ওয়েট কম বেশি বা ভেরিয়েশন গ্রহন যোগ্য ।  অবে বিফোর আফটার ওয়াস কম্পেয়ার করতে হবে।

5. Finish Width. ফিনিশ ডায়ামিটার 

Standard: As per Buyer Requirement
Overall Width - (Inch)
Cuttable width -(Inch)

Result:
width নরমাল টেপে মাপতে হবে আর সেলভেজ টু সেলভেজ  এবং সেলভেজ বাদ দিয়ে কতো হয় তা মেপে দেখতে হবে , এখানে বায়ার কাটেবল যা চায় তা দিতে হবে।

6. Fabric  Skewness 

টেস্ট মেথোডঃ AATCC 179

Standard: +/- 3%
Result:
Skewness Twisting +/- 3% গ্রহনযোগ্য নয়

7. Shrinkage Test :

টেস্ট মেথডঃ ISO 6330

Standard: As per Buyer Required

100% Cotton Twill Warp +/-3% Weft +/-3%

100% Cotton Poplin +/-3%

98% Cotton 2% Spandex Warp +/-4% Weft +/-10%

Blanded Warp Weft +/-4%


8.Pilling  Resistance (পিলিং টেস্ট)

টেস্ট মেথডঃ ISO 12945-2 

Result :
2000 Revolution


9. Abrasion   Resistance

টেস্ট মেথডঃ ISO 12947-2 

Result :
5000 Revolution
12000 Revolution
Color Change 3
Shade Change

10. pH Test
টেস্ট মেথডঃ ISO 3071 / DIN EN 1413
pH Range : 4.5-7.5

11. Tear Strength Test

টেস্ট মেথডঃ ISO 13937-1

ফেব্রিক ওয়ার্প বরাবরঃ
Light wt (91-160 gm/m2) = 7 N
Medium  wt (91-160 gm/m2) = 10 N
Heavy wt (91-160 gm/m2) = 12 N

ফেব্রিক ওয়েফট বরাবরঃ  
Light wt (91-160 gm/m2) = 7 N
Medium  wt (91-160 gm/m2) = 10 N
Heavy wt (91-160 gm/m2) = 12 N

Result :
টিয়ারিং স্ট্রেন্থ  টেস্ট  ফেব্রিকের ওয়েটের অনুযায়ী ভিন্ন হবে  এর ইউনিট নিউটন , এখানে লাইট মিডিয়াম হেভি ফেব্রিকের  জিএসএমের অনুযায়ী স্ট্রেংথ দেয়া আছে যারা নিচে ফেইল বলে কাউন্ট হবে।

11. Tensile Strength টেনসাইল স্ট্রেন্থ

টেস্ট মেথডঃ ISO 13934-2

Fabrics Warp  :
Light wt (91-160 gm/m2) = 140 N
Medium  wt (91-160 gm/m2) = 180 N
Heavy wt (91-160 gm/m2) = 220 N

Fabrics Weft :
Light wt (91-160 gm/m2) = 140 N
Medium  wt (91-160 gm/m2) = 180 N
Heavy wt (91-160 gm/m2) = 220 N

Result :
টেনসাইল টেস্ট  ফেব্রিকের ওয়েটের অনুযায়ী ভিন্ন হবে  এর ইউনিট নিউটন , এখানে লাইট মিডিয়াম হেভি ফেব্রিকের  জিএসএমের অনুযায়ী স্ট্রেংথ দেয়া আছে যারা নিচে ফেইল বলে কাউন্ট হবে।

12. Seam Slippage Test

টেস্ট মেথডঃ ISO 13936-2

GSM  < 220  Load 60 N Opening 6 mm

GSM  >\=220  Load 120 N Opening 6 mm

এটি ওভেন ফেব্রিকে বিশেষ টেস্ট এটা 6 mm এর উপরে হলে রেজাল্ট ফেল

13. Stress Recovery

টেস্ট মেথডঃ ASTM D 3107

BEFORE WASH
Elongation% 18%-25%
Growth <6%
Ricovary 75%

AFTER WASH
Elongation%  > 25%
Growth <\- 12%
Ricovary 70%

Result :
এটা ফেব্রিকের ওয়াসের পর এবং ওয়াসের আগে চেক করা হয়ে থাকে।


14. Color Fastness


⛔  Color Fastness to Presprition (Acid Media )

টেস্টিং স্টেন্ডার্ডঃ ISO 105E01

Standard: Shade Change 4

Color Fastness Rubbing

টেস্ট মেথডঃ ISO 105×12

Result :
Light Color 4
Medium Color 3-4
Dark Color 3
Result : Dry - Wet

Color Fastness Wash

টেস্ট মেথডঃ ISO 105C06

Result :
Light Color  Grade 4
Medium Color Grade 3-4
Dark Color Grade 3

Staining 4

Result : Dry - Wet

Color Fastness Water

টেস্ট মেথডঃ ISO 105 E01
Light Color 4
Medium Color 3-4
Dark Color 3

Staining 4

Color Fastness to Presprition (Alkali Media )

টেস্টিং স্টেন্ডার্ডঃ ISO 105E04
Standard: Shade Change 4

Color Fastness to Light

টেস্টিং স্টেন্ডার্ডঃ ISO 105B02

Result :
Lt Shade  3
Medium Shade 3-4
Dark Shade 4

Color Fastness to Phenolic Yellowing

টেস্টিং স্টেন্ডার্ডঃ ISO 105×18

Result :
Grade 4

Color Fastness to Saliva

টেস্ট মেথডঃ GB /T 18886

Result :
Lt Shade  3
Medium Shade 3-4
Dark Shade 4
Stain

ওভেন ফেব্রিকের কিছু ল্যাব এবং কোয়ালিটি টেস্ট