Textile Lab | Textile Blog: ইন্টার্নিশিপ টিপস
নিচের প্রশ্ন ও উত্তর গুলো নিচের আয়ত্ত করতে পারলে মোটামুটি ইন্টারভিউ তে সহজ হবে বলে আশা করি।


১) বাংলাদেশ শ্রম আইনে কতটি ধারা আছে? 

উত্তরঃ ২০০৬ শ্রম আইনে ৩৫৪ টি ধারা আছে । 


২) কত জন শ্রমিক কাজ করলে একটি প্রতিষ্ঠানকে কারখানা বলে? 

উত্তরঃ বছরে ৫ জন বা ততোধিক । ধারা-২(৭) 

৩) কিশোর শ্রমিকের বয়স কত বছর পর্যন্ত? 
উত্তরঃ ১৪ এর উর্দ্ধে-১৮ নিচে । ধারা-২(৮)

৪) গ্রাচুইটি অর্থ কি? 

উত্তরঃ 
কোন শ্রমিকের প্রতি পুর্ন বৎসর চাকুরী অথবা ছয় মাসের অতিরিক্ত সময়ের চাকুরীর জন্য তাহার সর্বশেষ প্রাপ্ত মজুরী হারে নূন্যতম ৩০ দিনের মজুরী অথবা ১০ বৎসরের অধিককাল চাকুরীর ক্ষেত্রে তাহার সর্বশেষ প্রাপ্ত মজুরী হারে ৪৫ দিনের মজুরী যাহা উক্ত শ্রমিককে তাহার চাকুরীর অবসানে প্রদেয় । ধারা-২(১০),সংশোধন-৩(গ)-দফা ১০

৫) ছাঁটাই অর্থ কি? 
উত্তরঃ অপ্রয়োজনীয়তার কারনে মালিক কর্তৃক শ্রমিকের চাকুরীর অবসান । ধারা-২(১১)


৬) ডিসচার্জ কি? 
উত্তরঃ শারিরীক অথবা মানষিক অক্ষমতার কারনে অথবা অব্যাহত ভগ্ন স্বাস্থ্যের কারনে মালিক কর্তৃক শ্রমিকের চাকুরীর অবসান । ধারা-২(১৭)


৭) দিন অর্থ কি? 
উত্তরঃ ভোর ছয় ঘটিকা হইতে শুরু করিয়া কোন চব্বিশ ঘন্টা সময় । ধারা-২(১৯)

৮) বরখাস্ত অর্থ কি? 
উত্তরঃ অসদাচরনের কারনে মালিক কর্তৃক শ্রমিকের চাকুরীর অবসান । ধারা-২(৩৯) 


৯) শিশু শ্রমিকের বয়স কত বছর পর্যন্ত ?
উত্তরঃ ১-১৪ বছর । ধারা-২(৬৩) 


১০) শ্রমিক কত প্রকার? 
উত্তরঃ শ্রমিক ৭ প্রকার (অতিরিক্ত বেড়েছে মৌসুমি শ্রমিক) । ধারা-৪,সংশোধনী-৬(ক)-উপধারা ১ 


১১) শ্রমিকের শিক্ষনবিসকাল কত হইবে ? 

উত্তরঃ 
কেরানী সংক্রান্ত কাজে নিয়োজিত শ্রমিক ৬ মাস ও অন্যান্য শ্রমিক ৩ মাস, শর্ত থাকে যে কাজের মান নির্নয়ের ক্ষেত্রে আরও ৩ মাস বৃদ্বি করা যাবে ।

১২) কনফারমেশন পত্র না পেলে কিভাবে স্থায়ী হবে?
উত্তরঃ শিক্ষানবিসকাল শেষে বা তিন মাস মেয়াদ বৃদ্বি শেষে কনফরমেশন লেটার দেওয়া না হইলেও উপ-ধারা (৭) এর বিধান অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট শ্রমিক স্থায়ী বলিয়া গন্য হইবে । ধারা-৬(গ)-উপধারা ৮

১৩) কেমন পরিচয়পত্র দিতে হবে এবং পরিচয় পত্র হারিয়ে গেলে কত টাকা ফি দিয়ে নকল কপি পাওয়া যাবে?
উত্তরঃ ছবি সহ পরিচয়পত্র এবং ফি ৫০ টাকা । ধারা-৫,বিধি-১৯(৬)

১৪) নিয়োগপত্র,পরিচয়পত্র ও সার্ভিস বুক প্রধান তথ্য প্রদান রেজিস্টারে কত নং ফরম অনূযায়ী সংরক্ষন করতে হবে? 
উত্তরঃ ফরম ৬(ক)

১৫) সার্ভিস বই কে তৈরি খরচ বহন করবে এবং কার হেফাজতে থাকবে ?
উত্তরঃ মালিক নিজ খরচে তৈরি করবে এবং প্রত্যেক সার্ভিস বই মালিকের হেফাজতে থাকবে ।ধারা-৬(১),৬(২)

১৬) সার্ভিস বইটি কিরূপ ও কোন ফরম অনুযায়ী হইবে?
উত্তরঃ ১৬ পৃষ্ঠার এবং ফরম ৭ । বিধি-২০(১)

১৭)  শ্রমিকের সার্ভিস বই কতদিনের মধ্যে খুলিবার ব্যবস্থা করিতে হইবে?
উত্তরঃ শ্রমিক নিয়োগ ও শিক্ষানবিশকাল সমাপ্ত হইবার ১৫ দিনের মধ্যে। বিধি-২২(১)

১৮) সার্ভিস বুকের নকল কপি পেতে হলে কত টাকা ফি লাগবে ?
উত্তরঃ ২০ টাকা । ধারা-২২(৩)

১৯) ছুটির রেজিস্টার ডিজিটাল ভাবে সংরক্ষন করা যাবে কি না?

উত্তরঃ 
ফরম ৯,ডিজিটাল ভাবে সংরক্ষন করা যাবে তবে তার মুদ্রন কপি ব্যক্তিগত নথিতে রাখতে হবে । বিধি-২৪(১)

২০) কত দিন কাজ করলে ১ বছর এবং ৬ মাস গণনা করা হয় ?

উত্তরঃ 
কোন শ্রমিক কোন প্রতিষ্ঠান পূর্বর্তী বার পঞ্জিকা মাসে বাস্তবে অন্তত ২৪০ দিন বা ১২০ দিন কাজ করে থাকেন,তাহলে তিনি যথাক্রমে ০১ বৎসর বা ৬ মাস প্রতিষ্ঠানে অবিচ্ছিন্নভাবে কাজ করেছেন বলে গন্য হবে । তবে সে ক্ষেত্রে কোন শ্রমিকের বাস্তবে কাজ করার দিন গননার ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত দিনগুলো গননার অংশ হবেঃ ১. তার পে অফ এর দিন গুলো । ২. অসুস্থতা বা দূর্ঘটনার কারনে মজুরীসহ বা বিনা মজুরীতে ছুটির দিনগুলো । ৩. বৈধ ধর্মঘট বা অবৈধ লক-আউটের কারনে কর্মহীন দিনগুলো । ৪. মহিলা শ্রমিকগনের ক্ষেত্রে অনধিক ১৬ সপ্তাহ পর্যন্ত প্রসুতি ছুটি। ধারা-১৪


২১) কতদিন মেয়াদ হলে মৃত্যুজনিত ক্ষতিপুরন পাওয়া যাবে এবং কি পাবে?

উত্তরঃ 
শ্রমিক অবিচ্ছিন্নভাবে অন্তত -০২ (দুই) বৎসরের অধিকাল চাকুরীরত থাকা অবস্থায় মৃত্যবরন করেন, প্রত্যেক পূর্ণ বৎসর বা উহার ০৬ মাসের অধিক সময় চাকুরীর জন্য ক্ষতিপুরন হিসাবে ৩০(ত্রিশ) দিনের এবং প্রতিষষ্ঠানে কর্মরত অবস্থায় অথবা কর্মকালীন দূর্ঘটনার কারনে পরবর্তীতে মৃত্যুর ক্ষেত্রে ৪৫ (পঁয়তাল্লিশ) দিনের মজুরী অথবা গ্র্যাচুইটি, যাহা অধিক হইবে প্রদান করিবেন এবং এই অর্থ মৃত শ্রমিক চাকুরী হইতে অবসর গ্রহন করিলে যে অবসর জনিত সুবিধা প্রাপ্ত হইতেন, তাহার অতিরিক্ত হিসাবে প্রদেয় হইবে। ধারা-১৯,১০-১৯ এর সংশোধন

২২) কি কারনে চাকুরী থেকে শ্রমিক ছাটাই করা যাবে ?
উত্তরঃ 
কোন শ্রমিককে প্রয়োজন অতিরিক্ততার কারনে কোন প্রতিষ্ঠান হতে ছাটাই করা যাবে Team Leader


২৩) চাকুরী হতে কোন শ্রমিককে ডিসর্চাজ করা যাবে?

উত্তরঃ 
রেজিষ্টার্ড ডাক্তার কর্তৃক শারীরিক, মানসিক অক্ষমতার বা অব্যহত ভগ্ন স্বাস্থ্যের কারনে চাকুরী হইতে ডিসচার্জ করা যাইবে । শ্রমিক অথবা মালিক সন্তষ্ট না হইলে প্রাপ্তির ১০ (দশ) দিনের মধ্যে পুনরায় করা যাবে ।ধারা-২২,বিধি-২৮(২)

২৪)ডিসচার্জ কৃত শ্রমিক কি ক্ষতিপুরন পাবে?

উত্তরঃ 
অনূন্য ১ বছর চাকুরী সম্পন্ন করিলে প্রত্যেক পছর চাকুরীর জন্য ৩০ দিনের মজুরী অথবা গ্রাচুইটি যেটি অধিক হয় তাহা প্রদেয় হইবে । ধারা-২২(২)


২৫) অসদাচরন এর জন্য বরখাস্ত হলে কি ক্ষতিপুরন পাওয়া যাবে?

উত্তরঃ 
অসদাচরন ( মালিকের ব্যবসা বা সম্পত্তি সম্পর্কে চুরি, আত্নসাৎ, প্রতরনা বা অসাধুতা, প্রতিষ্ঠানে উচ্ছৃংখল, দাংগাহাঙ্গামা, অগ্নিসংযোগ, ভাংচুর মুলক আচরন অথবা শৃংঙ্খলা হানিকর কোন কর্ম) এর জন্য বরখাস্ত করা হলে তিনি কোন ক্ষতিপুরন পাবেনা । ধারা-২৩(৪)খ,১১-২৩ এর সংশোধন-ক

৩২) মালিক কর্তৃক বিনা নোটিশে টার্মিনেট/চাকুরীর অবসান কিভাবে করা যাবে?

উত্তরঃ 
মালিক বিনা নোটিশে কোন শ্রমিকের চাকুরী অবসান করতে চাইলে সে ক্ষেত্রে প্রদেয় নোটিশ মেয়াদের পরিবর্তে মজুরী প্রদান করে ইহা করতে পারবে: ১. স্থায়ী: মাসিক মজুরীর ভিত্তিতে নিয়োজিত শ্রমিকের ক্ষেত্রে ৬০ দিনের নোটিশ প্রদান করিয়া অবসান । ২. অস্থায়ী: মাসিক মজুরীর ভিত্তিতে নিয়োজিত শ্রমিকের ক্ষেত্রে ৬০ দিনের নোটিশ, অন্য শ্রমিকের ক্ষেত্রে ৩০ দিনের নোটিশ প্রদান করিয়া অনসান । ধারা- ২৬(১), ২৬(২), ২৬(৩)

৩৩) শ্রমিক সেচ্ছায় চাকুরী থেকে অব্যহিত নিতে চাইলে কত দিন পুর্বে জানাতে হবে?

উত্তরঃ 
স্থায়ী শ্রমিক: সেচ্ছায় চাকুরী থেকে অব্যহিত নিতে চাইলে ৬০ দিন পুর্বে কর্তৃপক্ষকে লিখিত নোটিশ দিতে হবে । অস্থায়ী শ্রমিক : মাসিক মজুরীর ভিত্তির ক্ষেত্রে ৩০ দিন এবং অন্যদের ক্ষেত্রে ১৪ দিন । বিধি-২৭(১), ২৭ (২)


৩৪) বিনা নোটিশে শ্রমিক চাকুরী অব্যহিত নিতে করনীয় কি?

উত্তরঃ 
যদি কোন শ্রমিক বিনা নোটিশে চাকুরী থেকে অব্যহতি নেন নোটিশ মেয়াদের সমপরিমান মজুরীর টাকা মালিককে প্রদান করতে হবে । ধারা-২৭(৩)


৩৫) বিনা নোটিশে শ্রমিকের কর্মস্থলে ১০ দিনের বেশী অনুপস্থিতি থাকলে মালিকের কি করনীয়?

উত্তরঃ 
১. ১০ দিনের সময় প্রদান করিয়া অনুপস্থিতির ব্যাখ্যা প্রদান এবং চাকুরীতে পুনরায় যোগদানের জন্য নোটিশ প্রদান ২. অনুপস্থিতির ব্যাখা প্রদান এবং পুনরায় যোগদান না করিলে আত্নপক্ষ সমর্থনের জন্য ০৭ দিনের সময় প্রদান ৩. চাকুরীতে যোগদান বা আত্নপক্ষ সমর্থন না করিলে শ্রমিক অনুপস্থিতির দিন হইতে চাকুরী হইতে অব্যহতি গ্রহন করিয়াছে বলে গণ্য হইবে । ধারা-১৩ থেকে ২৭ এর সংশোধন

৩৬) কত দিন কাজ করলে সার্ভিস বেনিফিট পাওয়া যাবে এবং তার পরিমান কত হবে?

উত্তরঃ 
পাঁচ বছর বা তদুর্ধ্ব কিন্ত দশ বছরের কম হলে ১৪ দিন এবং দশ বছর বা তদুর্ধ্ব হলে ৩০ দিনের মজুরী অথবা গ্রাচুইটি যাহা বেশি হইবে তা প্রদান করিবেন । ধারা-২৭(৪)08:39 AM


৩৭) কত বছর বয়স হলে চাকুরী থেকে স্বাভাবিক অবসর নেওয়া যাবে?

উত্তরঃ 
শ্রমিকের বয়স ৫৭ বছর পুর্ন হলে স্বাভাবিক অবসরগ গ্রহন করবে । শ্রমিককে ইচ্ছা করলে পরবর্তীতে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া যাইবে । ধারা-২৮(১,৪)


৩৮) অবসর, ডিসচার্জ , ছাটাই, বরখাস্ত এবং চাকুরীর অবসানের টাকা কত দিনের মধ্যে প্রদান করতে হবে?

উত্তরঃ 
শ্রমিকের চাকুরীর ছেদ ঘটার সর্বোচ্চ পরবর্তী ৩০ কর্ম দিবসের মধ্যে তার সকল প্রাপ্য পাওনা পরিশোধ করতে হবে। ধারা-৩০


৩৯) চাকুরীর অবসান যে প্রকারেই হোক না কেন বাসস্থান হইতে কত দিনের মধ্যে উচ্ছেদ হবে?

উত্তরঃ 
চাকুরীর অবসানের ৬০ দিনের মধ্যে বরাদ্দকৃত বাসস্থান ছেড়ে দিতে হবে। তবে শর্ত থাকে যে, শ্রমিকের সকল পাওনা পরিশোধ না করিয়া কোনভাবেই বাসস্থান হইতে উচ্ছেদ করা যাবে না । বিধি-৩২(১), ১৫-৩২ এর সংশোধন


৪০) চাকুরী ফেরত পেতে প্রতিকার পেতে হলে কত দিনের মধ্যে আবেদন করতে হবে?

উত্তরঃ 
কোন কারনে লেঅফ,ছাটাই ইত্যাদি হলে এবং এর কারনে কোন প্রতিকার পাইতে ইচ্ছুক হলে অভিযোগের কারন অবহ্যিত হওয়ার তারিখ হইতে ৩০ দিনের মধ্যে অভিযোগটি লিখিতকারে রেজিস্ট্রি ডাকযোগে মালিকের নিকট পেশ করবেন । তবে শর্ত থাকে যে, যদি নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ অভিযোগটি সরাসরি গ্রহন করে লিখিতভাবে প্রাপ্তি স্বীকার করেন,সেই ক্ষেত্রে উক্ত অভিযোগটি রেজিস্ট্রি ডাকযোগে না পাঠাইলেও চলবে । ধারা-৩৩

টেক্সটাইল HR দের জন্য কিন্তু ইন্টার্ভিউ প্রশ্ন এবং উত্তর I HR Job Interview Questions

প্রশ্ন: পে স্লিপ দেখতে চাইলে কী করবো? 
উত্তর: প্রথমত, পে স্লিপ দেখতে চাওয়া অবৈধ।

 সেক্ষেত্রে আপনিও কিন্তু অধিকার রাখেন কোম্পানি ট্যাক্স দেয় কি না, লাইসেন্স আছে কি না, এগুলো দেখতে চাওয়ার আবদার করতে পারেন। কিন্তু তারা আপনাকে দেখাবে না। তাহলে আপনার কোম্পানির পে স্লিপ তাদের দেখাতে হবে কেন?

 আর সমমনা ইন্ডাস্ট্রিতে কেমন বেতন কাঠামো, কে ভালো করছে, কে কেমন বেতন পায়, এগুলো খোঁজ খবর রাখাও এইচ আরের কাজ। তার যদি আপনার কথা বিশ্বাস নাই হয়, তাহলে সে খবর নিয়ে জানুক। আপনি পে স্লিপ দেখাবেন না। আর আপনার বর্তমান কোম্পানির বেতন কত, এটা আপনার ইন্টারভিউর কোন প্রশ্ন হতেই পারে না। এটা জানার কোন প্রয়োজন তাদের নেই। আপনি কি কাজ জানেন, এই কোম্পানির কী কী আয় উন্নতী করবেন, সেটা নিয়েই শুধু আলোচনা হবে।

পে স্লিপ দেখতে চাইলে কী করবো ?

টেক্সটাইল ক্যামিকেলের কমিশন সমস্যা
টেক্সটাইল ইন্ড্রাস্ট্রি বড় কস্ট গুলির মাঝে একটা কস্ট হচ্ছে তার ক্যামিকেল কস্ট ।  আমাদের দেশের টেক্সটাইল এর যতো করাপশন আছে তার ৮০% এই ক্যামিকেল কেন্দ্রিক ।  এখনো ক্যামিকেল সোর্সিং এবং পার্সেল প্রকিউরমেন্ট এ যারা থাকেন তাদের বাড়ি গাড়ি হতে সময় লাগে না ।  এটা সবাই করেন না  কিন্ত অনেকেই এটার সাথে যুক্ত ।  টেক্সটাইল ক্যামিকেল যারা ব্যাবহার করেন তাদের  মুলত কিছু সমস্যা করেন যেমন পার অক্সাইডের ড্রামে ৫০% বলে ৩০% সলিউশন দেয়া ।  ওয়েটিং এজেন্ট কাজ না করা ।  কাস্টিকের পিউরিটি ৯০% এর মতো সমস্যা ।  
টেক্সটাইল এ  বহু জনের চাকুরী যাবার মুল কারন এই ক্যামিকেল সমস্যা নিয়ে কথা বলা ।

ডাইংয়ের যারা প্রি ট্রিটমেন্ট এ আছেন তারা ডাইংয়ের প্রডাকশন এ আছেন তাদের স্যাম্পল এপ্রুভ এর জন্য সাপ্লাইয়ার গন পেমেন্ট করে থাকেন ।  নন ব্রেন্ড ক্যামিকেল গুলি চালাতে এটা বেশি করা হয় ।  এমন না যে ক্যামিকেল একবারে খারাপ আপনার ক্যামিকেল এর কঞ্জামশন বেশি হয় ২ গ্রাম পার লিটার এর পরিবর্তে ৪ গ্রাম প্রয়োজন হয় ।  এটা কোম্পানির সাথে ২ নাম্বারি করা হয় নিজে বেনিফিটেড হবার মাধ্যমে ।  

প্রডাকশন অফিসার গন এটা ফেইস করেন এবং তারা বুঝেন যে ফিনেনশিয়াল লেনদেন এর মতো কমন বিষয় জড়িত ।  

আরেকটা বোঝার মুল কারন কোন সমস্যায় ক্যামিকেল কোম্পানি গুলি থেকে কাস্টোমার সাপোর্ট পাওয়া যায়না । আপনার ক্যামিকেল এ দাগ গেলে বা সমস্যা হলে অনেক কোম্পানির লোকজন আসেন না এই বিষয় গুলি দেখতে । 

অনেক ফেক্টরিতে ক্যামিস্ট থাকে না ক্যামিকেল গুলি  টেস্ট করার জন্য তাই অনেকে ল্যাবে নামকাওয়াস্তে কোন ভাবে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার দিয়ে করান যা অনুচিত ।  এর জন্য আলাদা ক্যামিস্ট রাখা উচিৎ ।  কোটি টাকার ক্যামিকেল একটা ফেক্টরিতে কনজিউম করলে সেখানে ৫০ হাজার ক্যামিস্টের পেছনে ব্যায় করা যায় সেইফটির জন্য ।

বাংলাদেশে আলিবাবার মতো পোর্টাল যতোক্ষন না ডেভেলপ হচ্ছে ততোদিন টেক্সটাইল প্রাইস সিন্ডিকেট ভাংগা যাবেনা ।

টেক্সটাইল ক্যামিকেলের কমিশন সমস্যা | Textile Chemical

♦ পোশাক এবং টেক্সটাইল প্রযুক্তির আবিস্কারের টাইমলাইন | Timeline of clothing and textiles technology


টেক্সটাইল ফাইবার এবং ফেব্রিকের আদী থেকে বর্তমান ইতিহাসঃ

১. 2700 খ্রিস্টপূর্ব - টেক্সটাইল উপকরণ এবং ঝুড়ি এবং জালের প্রিন্ট ইউরোপের শক্ত কাদামাটির ছোট ছোট টুকরোতে পাওয়া যায়।

২. 2500 খ্রিস্টপূর্ব - ভেনাসের মূর্তিগুলি সাথে পেইন্টিং করা ছিলো তাতে পোশাকের অস্তিত্ব পাওয়া যায়।

৩ খ্রিস্টপূর্ব 8000 - এর কাছাকাছি সময়ে প্রাচ্যে (Near East) ফ্লেক্স চাষের প্রমাণ পাওয়া যায় ।


৪. খ্রিস্টপূর্ব 6000 - আনাতোলিয়ার Çatalhöyük-এ মৃত ব্যক্তিদের জড়ানোর জন্য ওভেন কাপড়ের প্রমাণ পাওয়া যায় ।

৫. ৫০০০ খ্রিস্টপূর্ব - তে প্রাচীন মিশরে লিনেন কাপড়ের উৎপাদন , পাশাপাশি ভিড়, খড়, খেজুর এবং পাপিরাসহ অন্যান্য জালযুক্ত ফাইবার গুলি ব্যাবহার হতো।

৬. খ্রিস্টপূর্ব 3000 - কাছাকাছি সময়ে নেয়ার ইস্টে পশমের ভেড়ার সাথে চুলের জন্য মেষের প্রজনন চালু হয়।

৭. 2500 খ্রিস্টপূর্ব - সিন্ধু উপত্যকা সভ্যতার সময়ে ভারতীয় উপমহাদেশে তুলার চাষ শুরু করে।

৮. 1000 খ্রিস্টপূর্ব - চেরচেন ম্যানকে একটি টিউলি টুনিক এবং তার্টান ফ্যাব্রিক দিয়ে বিশ্রাম নিতে দেওয়া হয়েছিল।

৯. 200 খ্রিস্টাব্দ - চীন থেকে সুচনা হয় আদিম কাঠের ব্লক প্রিন্ট। সিল্কের কাপটের তিন রঙে ফুল প্রিন্ট করা হতো।

১০. 247 খ্রিস্টাব্দ - দুরা-ইউরোপোস, রোমান সামরিক ফাঁড়ি যখন ধ্বংস হয়ে যাবার পর । সেই প্রাচীন শহরের খননকাজ করার সময় নালাইবাইন্ডিং ফ্যাব্রিকের প্রাথমিক উপকরণ গুলি আবিষ্কার করেছিল।

১১. 1275 -সালে স্প্যানিশ রয়্যালটির সমাধিতে পাওয়া silk burial cushion দুটি ররেশমের সমাধি কুটিতে পাওয়া যায় ।

১২. 1493 - মিলানেস সোফোরজা পরিবারের একজনের দ্বারা লেস ফেব্রিক উদ্ভব হয়।


১৩. 1892 - সালে বিজ্ঞানী ক্রস, বেভেন এবং বিডল ভিসকোজের উদ্ভাবন করেন ।

১৪. 1938 - সালে আমেরিকার কোম্পানি ডুপন্টের দ্বারা প্রথম বাণিজ্যিক নাইলন ফাইবার উৎপাদন শুরু হয় । নাইলন হ'ল বাজারের প্রথম সিন্থেটিক নন-সেলুলোসিক ফাইবার। ভিসকোস ছিলো সিন্থেটিক সেলুলোসিক ফাইবার।

১৫. 1938 -সালে আমেরিকার কোম্পানি ডুপন্টের দ্বারা প্রথম বাণিজ্যিক PTFE ফাইবার উৎপাদন শুরু হয় ।

১৬. 1953 - সালে আমেরিকার কোম্পানি ডুপন্টের দ্বারা প্রথম বাণিজ্যিক পলিয়েস্টার পিইটি ফাইবার উৎপাদন শুরু হয় ।

১৭. 1958 - সালে আমেরিকার কোম্পানি ডুপন্টের গবেষক জোসেফ শাওয়ার দ্বারা স্প্যান্ডেক্স ফাইবার উদ্ভাবিত হয় ।

১৮. 1964 -সালে আমেরিকার ডুপন্টের গবেষক স্টেফানি কোভলেক আবিষ্কার কেভলার ফাইবার করেছিলেন ।

🔶 টেক্সটাইল মেশিনগুলি আবিস্কারের সময়ঃ

প্রাচীন এবং প্রাগৈতিহাসিক সময়কাল

১. 2800 খ্রিস্টপূর্ব - রাশিয়ার কোস্টেনকিতে ব্যবহৃত সয় সেলাই।

২. 6500 খ্রিস্টপূর্ব - তে ইসরায়েলের অঞ্চলের নাহাল হেমার গুহায় পাওয়া নালেবাইন্ডিং ফেব্রিক পাওয়া যায় । এই কৌশলটি, যা সর্ট লেন্থের ইয়ার্ন ব্যবহার করে, নীটিং ( কন্টিনিউয়াস সুতার সাহায্যে) ইয়ার্নকে লুপের মাধ্যমে টানতে হবে । সূক্ষ্ম পন্য নীট করে তৈরি করতে অনেক বেশি দক্ষতার প্রয়োজন ছিলো।

৩. খ্রিস্টপূর্ব ৪২০০ - ডেনমার্কে নালেবাইন্ডিংয়ের মেসোলিথিক ব্যাবহারের উদাহরণ পাওয়া যায়, যা উত্তর ইউরোপে প্রযুক্তির বিস্তারকে চিহ্নিত করে।

৪. 200 খ্রিস্টপূর্ব থেকে 200 খ্রিস্টাব্দ - পেরুতে "নীডেল নিটিং" ব্যাবহারের প্রমাণ পাওয়া যায় , স্প্যানিশদের সাথে তাদের স্থানীয় যোগাযোগের পূর্বে একপ্রকারের নালেবাইন্ডিংয়ের উদাহরণ এটি ।

৫. 298 খ্রিস্টাব্দ - প্রথম পা চালিত লুম ব্যাবহার প্রমাণ পাওয়া যায় , এটি Tarsus আবিষ্কার হয়েছিল । 

মধ্যযুগীয় টেক্সটাইল মেশিনারি আবিষ্কারের ইতিহাসঃ 

১. 500s - হ্যান্ডহেল্ড রোলার কটন জিনগুলি ভারতীয় উপমহাদেশে আবিষ্কার হয়েছিল 

২.  500-1000 - স্পিনিং চাকাটি ভারতীয় উপমহাদেশে আবিষ্কার হয়েছিল। 

 ৩. 1000s  - কন্টিনিউয়াস  থ্রেড ব্যবহার করে  নীট করা  তৈরি কটন মোজার সূক্ষ্মভাবে ডেকোরেট করার  উদাহরণসমূহ পাওয়া যায়। 

৪.  1000s - স্পিনিং হুইলটির প্রথম দিকের স্পষ্ট চিত্রগুলি পাওয়া যায় যে এটা ইসলামী বিশ্ব থেকে এসেছে। 

৫.  1100s-1300s -সালে  ডাবল-রোলার কটন জিনগুলি ভারত এবং চীনে দেখা যায়। 


৬.  1200s-1300s - সালে ওয়ার্ম গিয়ার রোলার কটন জিনটি প্রথম উপমহাদেশে দিল্লির সুলতানির যুগে উদ্ভাবিত হয়েছিল।

৭. 1400s-1500s - সালে কটন  জিনে ক্র্যাঙ্ক হ্যান্ডেলটি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল, প্রথমবারের মতো দিল্লির সালতানাত বা প্রাথমিক মুঘল সাম্রাজ্যের সময় কিছুটা সময় ভারতীয় উপমহাদেশে দেখা দিয়েছিলো । 

৮. 1562 -সালে স্পেনের টলেডোতে অবস্থিত একটি প্রাচীন  সমাধি থেকে পার্ল স্টিচ  ব্যবহারের প্রথম উদাহরণ পাওয়া যায় , পাওয়া প্যানেলগুলি সার্কুলার ভাবে নীট করা ছিলো ।  পূর্বে ওয়া উপাদান গুলি সার্কুলার গুলি নীট করা হত টিউব ফর্মে পরে কেটে ওপেন করা হতো ।

৯. 1589 - সালে উইলিয়াম লি স্টকিং ফ্রেম আবিষ্কার করেন, এটা ছিলো প্রথম  হাতে চালিত ওয়েফট  নীটিং মেশিন।

আধুনিক যুগের প্রাথমিক সময়কালের টেক্সটাইল মেশিনের আবিস্কার সমুহঃ 

১. 1600 -সালে আধুনিক স্পিনিং হুইলটি ফ্লায়ার হুইলে ট্রেডল যোগ করার সাথে একসাথে আসে।

২. 1725 -সালে লিয়নের বেসাইল বোচন লুমকে নিয়ন্ত্রণ করার উপায় হিসাবে পাঞ্চ পেপার ডেটা স্টোরেজ ডিভাইস আবিষ্কার করেছিলেন ।

৩. 1733 - সালে জন কে ফ্লাই শাটলের পেটেন্ট করে।

৪. 1738 - সালে লুইস পল ড্র রোলারের পেটেন্ট করলেন।

৫. 1745 - সালে লাইনের জ্যাক ভ্যাকানসন প্রথম সম্পূর্ণ অটোমেটিক লুম আবিষ্কার করেন।

 ৬. 1758 - সালে জেদীদিয়া স্ট্রুট এইভাবে রিব ফ্রেম তৈরি করে উইলিয়াম লির স্টকিং ফ্রেমে দ্বিতীয় সেট নিডেল যুক্ত করেছিলেন । যা দিয়ে রিব ফেব্রিক তৈরী হতো । 

৭. 1764 - সালে জেমস হারগ্রিভস বা থমাস হাইস স্পিনিং জেনি আবিষ্কার করেছিলেন (1770 পেটেন্ট করেছেন)।

৮. 1767 - সালে জন কে স্পিনিং ফ্রেম আবিষ্কার করেছিলেন।


৯. 1768 - সালে জোসিয়াহ ক্রেন হাতে চালিত ওয়ার্প নীটিং যন্ত্রটি আবিষ্কার করেছিলেন। 

১০. 1769 - সালে রিচার্ড আরকউরাইটের ওয়াটার ফ্রেম আবিস্কার করেন ।

১১. 1769 -সালে  স্যামুয়েল ওয়াইস , ডাব্লু লির স্টকিং ফ্রেমের  ম্যাকানাইজেশন প্রবলেম সমাধান করেন ।

১২. 1779 - সালে স্যামুয়েল ক্রম্পটন স্পিনিং মুল আবিষ্কার করেছিলেন।

১৩. 1784 - সালে এডমন্ড কার্টরাইট পাওয়ার লুম আবিষ্কার করে।

১৪. 1791 -সালে  ইংরেজ ডসন ওয়ার্প নীট মেশিনের ম্যাকানাইজেশন করে প্রবলেম  সলভ করে।

১৫. 1793 - সালে বেলপারের স্যামুয়েল স্লেটার পাভটকেটে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম সফল কটন স্পিনিং মিল প্রতিষ্ঠা করেছেন;  "রোড আইল্যান্ড সিস্টেম" এর সূচনা করেন। 



১৬. 1794 - সালে এলি হুইটনি কটন তার জিনকে পেটেন্ট করেন ।

১৭. 1798 - সালে ফরাসীম্যান ডিক্রোইক্স (বা ডিক্রয়েজ) সার্কুলার ব্রেইড নীটিং মেশিনকে পেটেন্ট করেন।

১৮. 1801 - সালে জোসেফ মেরি জ্যাকার্ড তার নামে জ্যাকার্ড পাঞ্চ কার্ড লুম আবিষ্কার করেছিলেন।

১৯. 1806 - সালে পিয়েরে জানান্ডাউ প্রথম ল্যাচ নিডেল (নীটিং মেশিনে ব্যবহারের জন্য) পেটেন্ট করেন ।

২০. 1808 - সালে জন হিথকোট বোবিন নেট মেশিনটিকে পেটেন্ট করেছিলেন। 

২১. 1812 - সালে সামুয়াল ক্লার্ক এবং জেমস মার্ট পুশার মেশিনটি তৈরি করেছিলেন। 

২২. 1813 -সাএ  উইলিয়াম হরোকস পাওয়ার লুমের ডেভেলপমেন্ট  করেন।

২৩. 1814 - সালে বোস্টন ম্যানুফ্যাকচারিং সংস্থার পল মুডি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম পাওয়ার লুম তৈরি করেছিলেন;  "ওয়াল্থাম সিস্টেম" এর সূচনা

 ২৪. 1823 - বোস্টন ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানির প্রয়াত ফ্রান্সিস ক্যাবট লোয়েলের সহযোগীরা ম্যাসাচুসেটস এর পূর্ব চেমসফোর্ডের মেরিম্যাক ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানিতে কার্যক্রম শুরু করে।  1826 সালে, পূর্ব চেলসফোর্ড মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের  ম্যাসাচুসেটস লোয়েল প্রথম কারখানার শহর হিসাবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল।

২৫. 1828 - সালে পল মুডি লেদার বেল্ট এবং পুলি দিয়ে পাওয়ার ট্রান্সমিশন সিস্টেমটি ডেভেলপ করেছিলেন , যা মার্কিন মিলগুলির জন্য স্টেন্ডার্ড হয়ে উঠে ।

 ✅ আধুনিক সময়কালের টেক্সটাইল মেশিন আবিষ্কার সমুহঃ

১. 1830 - সালে বার্থলেমি থিমোননিয়ার প্রথম ফাংশনাল  সেলাই মেশিনটি ডেভলপ করেন ।

২. 1833 - সালে  ওয়াল্টার হান্ট লকস্টিচ সেলাই মেশিন আবিষ্কার করেন তবে এটির কার্যক্রমে তিনি অসন্তুষ্ট ছিলেন , যার কারনে এটি তিনি পেটেন্ট করেননি।

৩. 1842 - সালে ল্যাঙ্কাশায়ার তাঁত বা লুম ডেভলপ করেন Bullough and Kenworthy   , এটি ছিলো সেমি অটোমেটিক লুম  ।


৪. 1842 - সালে যুক্তরাষ্ট্রের জন গ্রিনিফ  প্রথম সেলাই মেশিনের পেটেন্ট করেছিলেন।

৫. 1844 -সালে সালফোর্ডের জন স্মিথ একটি শাটললেস র‌্যাপিয়ার তাঁতের জন্য পেটেন্ট পেয়েছিলেন । 

৬. 1846 -সালে জন লাইভসি  হিথকোটের বোবিনেট মেশিনটিকে পর্দা মেশিনে রূপান্তরিত করে

৭. 1847 -সালে  উইলিয়াম ম্যাসন তার "ম্যাসন সেল্ফ-একটিং" মুলকে পেটেন্ট করেছিলেন।

৮. 1849 - ম্যাথু টাউনসেন্ড ল্যাচ নিডেলের ভেরিয়েন্ট পেটেন্ট করে যা ওয়েফট নীটিং মেশিনে সর্বাধিক ব্যবহৃত নিডেল ।

৯. 1855 - সালে রেডগেট একটি সার্কুলার লুম সাথে একটি ওয়ার্প নীটিং মেশিনের সাথে কম্বাইন্ড করেছিলেন

 ১০.1856 -সালে লিসেস্টার টমাস জ্যাকক টিউবুলার পাইপ যৌগিক সুইকে পেটেন্ট করেছিলেন।

 ১১. 1857 - সালে লুক বার্টন এস ওয়াইসের নীটিং মেশিনে একটি সেল্ফ একটিং নেরো নীট ম্যাকানিজম   প্রবর্তন করেছিলেন।

১২. 1857 - সালে আর্থার পেজেট "পেজেট-মেশিন" নামে একটি মাল্টি হেড নীটিং মেশিনকে পেটেন্ট করেছিলেন ।

১৩. 1859 - সালে উইলহেলম বারফুস রেডগেটস মেশিনে উন্নত করেন , যাকে বলা হয় রাসেল মেশিন বলা হয় ( ফরাসি অভিনেত্রী  এলিজাবেথ ফ্যালিস রাচেলের নামে নামকরণ করেন ) ।

১৪. 1864 - সালে উইলিয়াম কটন তার ("কটন মেশিন") নামকরণ করা সোজা বার বোনা মেশিনকে পেটেন্ট করে।

১৫.  1865 - সালে আমেরিকান আইজাক উইক্সম ল্যাম্ব ল্যাচ সূঁচ ব্যবহার করে ফ্ল্যাট বোনা মেশিনটিকে পেটেন্ট করে।

১৬. 1865 - সালে ক্লে ডাবল-হেড ল্যাচ সুই আবিষ্কার করেন যা পার্ল স্টিচ নীট করতে সক্ষম করেছে।

১৭.  1866 - সালে আমেরিকান ম্যাক ন্যারি হিল  সার্কুলার নীটিং মেশিন ( ভার্টিকেল নিডেল যুক্ত ) পেটেন্ট করেন যা দিয়ে মোজা এবং স্টকিংগুলি তৈরি করেন ।

১৮. 1878 - সালে হেনরি গ্রিসওয়াল্ড সার্কুলার নীটিং মেশিনে দ্বিতীয় সেট নিডেল (হরাইজন্টাল নিডেল ) যুক্ত করেন যা মোজার কাফ এবং রিব ফেব্রিক নীট করতে সক্ষম ছিলো। 

১৯. 1881 - সালে পিয়ের ডুরান্ড টিউবুলার পাইপ কম্বাইন্ড নিডেল আবিষ্কার করেন ।

২০. 1890s - সালে বার্মেন ​​মেশিন ডেভলপ হয়। 

 ২১. 1889 - সালে ড্রপার কর্পোরেশন নর্থরোপ লুমে , প্রথম স্বয়ংক্রিয় বোবিন চেইঞ্জিং ম্যাকানিজম স্থাপন করা হয়। যা 700,000 এরও বেশি বিশ্বব্যাপী বিক্রি হয় ।

২২.  1900 -সালে হেনরিখ স্টল ফ্ল্যাট বেড পার্ল নীটিং মেশিন তৈরি করে।

 ২৩. 1910 - স্পায়ারস ফ্লট বেড purl স্টিচ মেশিন আবিষ্কার।

২৪. 1920 - সালে জর্জ হ্যাটারসিলি এবং সন্স হ্যাটার্সলে লুম ভেভলপ করেন।

২৫. 1924 - সালে সেলেনিস কর্পোরেশন প্রথম অ্যাসিটেট ফাইবার উৎপাদন শুরু করে ।

২৬. 1928 - সালে প্রতিষ্ঠা হয় ইন্টারন্যাশনাল ব্যুরো অফ স্ট্যান্ডার্ডাইজেশন অফ ম্যানমেড ফাইবার্স । 

২৭.  ১৯৩৯ - সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উলের পণ্যগুলির লেবেলিং আইন পাস করে, অরিজিন অনুসারে উলের পণ্যগুলির লেবেলিং বাধ্যতামূলক করা হয়।

২৮. 1940 - সালে স্পেকট্রোফোটোমিটার আবিষ্কার হয়েছিল বাণিজ্যিক টেক্সটাইল ডাইংয়ের উপর এর প্রভাব পড়ে । 

২৯. 1942 -সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ফ্যাব্রিক সিনেজিং পদ্ধতি  আবিষ্কারের জন্য প্রথম পেটেন্ট  করা হয়। 

৩০. 1949 - সালে হেইনিরিচ মাউসারবার্গার সেলাই- নীটিং টেকনিক যুক্ত "ম্যালিমো" মেশিন আবিষ্কার করেছিলেন।

৩১. 1955 - সালে মাল্টি-ফেজ ওয়েফট ইন্সার্টশন  নিয়ে গবেষণা শুরু হয়।  80 এর দশক এবং 90 এর দশকের শেষভাগ পর্যন্ত সফলতা আসেনি । 

৩২. 1956 - সালে আমেরিকার ডুপন্ট সেরফ সুতা স্পিনিং জন্য একটি প্রক্রিয়া আবিস্কার করেন , এটি এয়ার-জেট স্পিনিংয়ের পূর্বসূরী আবিষ্কার । 

৩৩.  1960 সালে বিদ্যমান মেশিনগুলি কম্পিউটারাইজড নিউমেরিক কন্ট্রোল (CNC) সিস্টেম ডিজাইন এর  কম্বিনেশনে  আরও সঠিক এবং দক্ষ অ্যাকিউরেট কাজ করতে সক্ষম হয় ।

৩৪. 1960 - মার্কিন টেক্সটাইল ফাইবার পণ্য শনাক্তকরণ আইন পাস করে, টেক্সটাইল পণ্যগুলির লেবেলিং, ইনভয়েস এবং এড বাধ্যতামূলক করে । 

৩৫. 1963 - সালে চেকোস্লোভাকিয়ায় ওপেন-এন্ড স্পিনিংয়ের বা রোটর স্পিনিংয়ের বিকাশ ঘটে।

৩৬.  1965 - সালে ডনলপ রাবার  পলিউরেথেন শিট দুটিকে আল্ট্রাসনিক ভাইব্রেশনের সাহায্যে ফিউজিং করার জন্য পেটেন্ট পায়  ,  এই আবিস্কার টেক্সটাইল  কোটিং এর পূর্বসূরী। 

৩৭. 1968 - সালে ফ্যাব্রিক pleating মেশিন জার্মানিতে পেটেন্ট করা হয় ।  

৩৮. 1979 - মুরটা ম্যানুফেকচারিং কোম্পানি  ইয়ার্নের এয়ার splicing পদ্ধতি প্রদর্শন করে । 

৩৯. 1981 - সালে প্রথম এয়ার জেট স্পিনিং মেশিন মার্কিন বাজারে প্রবেশ করে । 

৪০. 1983 - সালে "বোনাস মেশিন কোম্পানি লিমিটেড" প্রথম কম্পিউটার-নিয়ন্ত্রিত, জ্যাকার্ড লুম প্রেজেন্ট করে।

৪১. 1988 -সালে প্রথম আমেরিকা "পিক অ্যান্ড প্লেস" রোবোটের জন্য পেটেন্ট পান ।  


 ✅ টেক্সটাইল  ট্রিটমেন্ট , টেক্সটাইল ডাইজ এবং টেক্সটাইল ফিনিশিংয়ের ইতিহাসঃ 

১. 500 AD - চীনে  কাঠের ব্লক ব্যবহার করে জিয়া জিআই পদ্ধতি রেসিস্ট ডাইং (সাধারণত সিল্ক) আবিস্কার হয়  ।  

২. 600 এর দশক - মিশরে উড ব্লক প্রিন্ট দ্বারা প্রিন্ট করা প্রাচীন কাপড়ের নমুনাগুলি পাওয়া যায়।

৩. 1799 - সালে চার্লস টেন্যান্ট ব্লিচিং পাউডার আবিষ্কারের জন্য পেটেন্ট পান ।

৪. 1856 - সালে উইলিয়াম হেনরি পারকিন প্রথম সিন্থেটিক ডাইজ আবিষ্কার করেছিলেন ।


৫. 1921 - সুইজারল্যান্ডের জর্জেস হেবারলিন  সালফিউরিক অ্যাসিড দিয়ে সেলুলোজের ট্রিটমেন্টের প্রসেস  এর জন্য পেটেন্ট  পেয়েছিলেন ।  

৬. 1945-1970 - সালে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল গবেষণায়  একটি "গোল্ডেন" পিরিয়ডে প্রবেশ করে।  ১৯৮০ এর দশকের মধ্যে,  টেক্সটাইলগুলির জন্য অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল এজেন্ট উৎপাদন  এবং প্রয়োগ করা হয়। 

৭. 1954 - সালে সেলুলজিক ফাইবার ডাইংয়ের জন্য রিয়েকটিভ ডাইজ আবিষ্কার  হয় ।  সেলুলোজিক ফাইবার ডাইং করার জন্য  এটা ভাল পারফরম্যান্স দেখায় । 

৮. 1961 - সালে আমেরিকার  ডুপন্ট সুতা ফ্যাসিচেশনের জন্য পেটেন্ট পেয়েছিলো । 


৯. 1967 - সালে পানি, তেল এবং দাগ প্রতিরোধের জন্য ফ্লুরো কার্বন রেজিন দিয়ে টেক্সটাইল আইটেম গুলির ট্রিটমেন্ট  প্রসেস আবিস্কারের  জন্য Dow কেমিক্যাল কোম্পানিকে পেটেন্ট প্রদান করা হয়। 

১০. 1970 - সালে উলের সুপারওয়াশ অ্যাসিড ট্রিটমেন্ট  আরও বেশি টেকসই উপাদান তৈরি করে যা লন্ড্রিতে উলের প্রডাক্ট  গুলি সঙ্কুচিত হয় না।

১১. 1979 - সালে ইউএসএর DoD's Natick  ল্যাব ক্যামিকেল এবং বায়োলজিকাল প্রটেকটিভ গার্মেন্ট নিয়ে গবেষণার জন্য মাল্টি মিলিয়ন ডলার অনুদান দেয়।




টেক্সটাইল প্রযুক্তি আবিষ্কারের সময় সুচি | Timeline of clothing and textiles technology

Project Management in Textile Industry :



নতুন কিছু টপিক নিয়ে কথা বলার চেষ্টা করতেছি। লেখাটা একটু বড় হবে কিন্তু মনোযোগ দিয়ে পড়লে কিছুটা শিখে যেতে পারবো এখান থেকে। আগেই বলে নেই আমি যে টপিকগুলো নিয়ে লিখি এই সবগুলোই আমার সিলেক্ট করা ও রিসার্চ আমার লেখা৷ ১% কপি পেষ্ট কোথাও থেকে পাওয়ার চান্স নাই৷ আর দয়াকরে আমার লেখাগুলি কপি করা থেকেও বিরত থাকবেন। হ্যা শেয়ার দিতে পারেন শেয়ার অপশনে গিয়ে। টপিক নিয়ে কথা বলিঃ

🖋লেখাগুলি কিছুটা BBA রিলেটেড হয়ে যাচ্ছে আমার৷ কিছু করার নেই এটাকে যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলা বলে। আজ আমরা Meditech এর Equipment (PPE) এর Project Management করবো ।

"Project মূলত কোন একটা লক্ষ অর্জনের জন্য ক্ষণস্থায়ীভাবে সাজানো হয়৷ প্রত্যেকটা Project এ একটি ইউনিক Goal থাকে যেটা অর্জনের জন্য আমরা Project Management করে থাকি। Project হলো Temporary এর শুরু ও শেষ আছে৷ উদাহরণ : কারখানাতে PPE তৈরির প্রজেক্ট। যখন PPE তৈরি শেষ হবে তখন এই প্রজেক্ট শেষ। 

প্রজেক্ট হলো কিছু এক্টিভিটির সেট যেগুলো প্রয়োগ করে আমরা কোন একটা লক্ষ অর্জন করি।  

এবার আসি কেনই বা Project এর চিন্তা ভাবনা আমাদের আসে। এর কিছু কারন ব্যাখ্যাসহ আমি উপস্থাপন করি :

Market Demand : যেমন ধরেন এখন৷ PPE,Mask এর মার্কেট ভেল্যু অনেক সবাই চাচ্ছে এসব। সুতরাং PPE, Mask তৈরিও একটা প্রজেক্ট হাতে নেওয়া যায়।

Business Need: ধরেন বাজারে এখন Maditech Equipment এর প্রচুর চাহিদা এক্সপার্ট নাই৷ এই সুযোগটা কিছু Training সংস্হা নিয়ে ট্রেনিং দিতে পারেন PPE,Mask তৈরির এক্সপার্ট বানানোর জন্য।

Customer Request : এখন Customer রিকুয়েষ্ট করতেছে দেশে Mask,PPE দরকার। 

এই ৩ টাই মূলত আমাদেী জন্য বেসিক৷ যে কারনে আমরা PPE বানানোর প্রজেক্ট হাতে নিবো। আর হ্যা এতে লচ হবে না আশা করি চাহিদা আছে বাজারে 

What is project Management?
 
Project Management  হলো একটি ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম যার মাধ্যমে Project এর লক্ষ অর্জনের জন্য জ্ঞান, স্কিলড,পদ্ধতি, অভিজ্ঞতা, টুলস ও টেকনিক ব্যবহার করে পুরো প্রজেক্টের কার্য সম্পাদন করাকে বুঝায়৷ এই পুরো বিষয়টা ম্যানেজমেন্ট করাকে Project Management বলে। 
প্রত্যেকটা প্রজেক্টকে সম্পূর্ণ করে লক্ষ অর্জনের জন্য Project Management প্রয়োজন৷ 

🖋আসুন এবার PPE বানানোর একটা Project হাতে নেই। ধরেন কোন ক্লাইন্ট আমাদের এই Task টা দিয়েছে। এখন আমরা বিভিন্ন স্টেপ আকারে বিষয়টা ম্যানেজমেন্ট করি : 
১. Initiative : এটা পুরো Project এর Starting পয়েন্ট। এই ধাপে পুরো PPE তৈরির ডিজাইন ব্যাখ্যা করা হয়। যেমন এই প্রজেক্টটি কেমন? কতদিন চলবে? বাজেট কতো? 

২.Planning : বুঝতেই পারতেছি PPE বানানোর পুরো বিষয়টার প্ল্যানিং করা হবে এখানে। মানে ম্যাটেরিয়াল থেকে PPE ফাইনাল প্রডাক্টের বানানোর প্ল্যানিং করা হবে এই ধাপে। 
কোন ম্যাটেরিয়াল লাগাবো কাজে?
কিভাবে বানাবো? 

ক্লাইন্ট এর রিকুয়েরমেন্ট কি?

৩.Execution : এবার প্ল্যানিং অনুযায়ী পুরো বিষয়টা Execution করবো। এতে যদি কোন সমস্যা বাহির হয় তাহলে Project Manager আবার ডিজাইন করবে এই প্রজেক্ট। 

৪.Performance : এই ধাপে আমরা তৈরিকৃত PPE টা চেক করবো। আসলে আমরা যা চাইছিলাম সেটা পাইলাম কিনা? কোয়ালিটি ঠিক আছে কিনা? 

৫.Project Close : কাঙ্খিত কোয়ালিটির PPE হাতে পেলে Project Manager পুরো প্রজেক্টটি Close করে দিবো। এখন টিমমেটদের গত প্রজেক্টের ভুল থেকে সংশোধন হবার কথা বলবে। 

🖋যাই হোক PPE বানানোর প্রজেক্ট শেষ এখন আসি আসলে টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রির Project পরিচালনা ও Management এর জন্য আমাদের কয়টি বিষয়ের দিকে খেয়াল রাখতে হবে। 

১.People : দক্ষ ও মোটিভেটেট মানব সম্পদ Project এর Goal অর্জনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 

২.Process : PPE তৈরির জন্য আমরা কোন প্রসেসটা অবলম্বন করতেছি। কোন প্রসেসটিতে কম সময়ে বেশি উৎপাদন সম্ভব এটাও গুরুত্বপূর্ণ। 

৩.Technology : PPE তে আমরা আধুনিক কোন প্রযুক্তি এপ্লাই করতে পারতেছি কি না। Smart Textile এর আওতায় আনতে পারতেছিনা এটাও গুরুত্বপূর্ণ কোনো Project এর Goal অর্জনের জন্য৷ 

🖋একজন Project Manager কোন কোন দিকে খেয়াল রাখবেন Project চলাকালীন সময়ে।এই বিষয়েও একটু কথা বলি : 

১.Scope :Project এ কি কাজ করবো। Sponsor ও পার্টনার আসলে কি চায়। এটার দিকে খেয়াল রাখতে হবে। 

২.Time : সঠিক সময়ে যেনো প্রজেক্ট শেষ করতে পারে এই বিষয়েও খেয়াল রাখতে হবে। 

৩.Cost : কতটাকা দরকার। খরচ হওয়া টাকা বাজেটের বেশি কিনা। এটার দিকে খেয়াল রাখতে হবে। 

৪.Quality : শেষে কোয়ালিটির দিকেও তাকাতে হবে। তার কাজের কোয়ালিটি ঠিক আছে কি না। 

আমি এই পুরো Project Management  বিষয়টাকে টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রির সাথে সামনজস্য করে দেখাতে চেয়েছি। কতটুকু পেরেছি জানি না। তবে বিষয়টা কেউ মনোযোগ দিয়ে পড়লে Project Management সম্পর্কে বেসিকটা পাবে।

বি:দ্রঃ কপি পেষ্ট একেবারে নিষিদ্ধ। শেয়ার অপশনে গিয়ে শেয়ার দিন  



ধন্যবাদ সবাইকে 
Writer :
Zobayer Hossain Noyon

Project Management in Textile Industry | Textile Attachment

টেক্সটাইল সেক্টরে আপনার প্রধান প্রতিযোগী অন্য কোন ইন্সটিটিউট এর স্টুডেন্ট না, খোদ আপনার নিজ ইন্সটিটিউট এর আপনার ক্লাস মেটগন । 


একের পর এক জখন জবের স্টেটাস আপডেট দেয় তখন বিষয়টি আপনার চোখে পড়বে ।  যেমন সার্কুলার গুলি যখন পাব্লিশ হয় তখন বেশিরভাগ সার্কুলারে গ্রুপ আকারে নেয়া হয় স্টুডেন্ট ।  অনেক আপনার ক্লাস মেট থাকবে যারা এসব সার্কুলার এর খোজ ই রাখবে না ।   হয়ে যাবার পর আপনারা জানতে পারেন কে কই জয়েন করেছে । 

কিন্ত কিন্ত ভিন্ন ভাবে টিম আকারে করলে কাজটি অনেক সুবিধাজনক ভাবে করা যায় । 


যে কাজ গুলো আপনারা করতে পারেনঃ 

✅  র‍্যাগ ডে এর পর থেকে ক্লাস মেট গন আপনারা নিজেরা বসুন ৪-৫ জনের ল্যাপটপ নিয়ে ঠিক যেমনটা কল সেন্টার বা আইটি ফার্মের মতো । সবাই মিলে স্টেন্ডার্ড সিভি করে ফেলুন ।  নিজেরা টিম আকারে চেক করুন ভুল গুলি । 

✅  লিংকড ইনের আইডি সহ সব আইডি খুলুন । নিজেরা মিলে আইডি গুলি কম্পলিট করে ফেলুন । 

✅ কেও লিংকড ইন, কেও বিডি জবস কেও এর সার্কুলার গুলিতে চোখ বুলান।  এবং সবাই ইনফর্ম করুন সুবিধাজনক সার্কুলারে এপ্লাই করতে । 

✅ ফেইসবুকে জব সার্কুলারে বা একটিভ গ্রুপ গুলিতে খোজ রাখুন সার্কুলার এর । 

✅ নিজের ডিপার্টমেন্ট এর গ্রুপ গুলির খোজ রাখেন । 

✅ একটা টিম চলে যান নীলক্ষেত  সিভি গুলি হার্ড কপি ১৫-২০ টা করে সবার করে নিয়ে আসুন । 

✅ সিনিয়রদের শর্টলিস্ট করতে পারেন ফেক্টিতে গিয়ে মেজর অনুযায়ী সিভি গুলি ডিস্ট্রিবিউশন করে দিন ।

✅ সিনিয়রদের  ডেকে ক্যাম্পাসে নিয়ে আসুন তারা ইন্টার্ভিউ সম্পর্কে গাইড করবে । সেগুলি ফলো করুন । 

✅ আপনার নিজস্ব একটার বেশি রেফারেন্স থাকলে সেগুলি অন্য ফ্রেন্ডদের জন্য কাজে লাগান। এতে সামগ্রিকভাবে আপনারা লাভবান হবেন।   

✅ ইন্টার্ভিউ শেষে সে গুলি নিয়ে নিজেরা বসেন কি কি জিজ্ঞেস করেছিলো কি কি ভুল করেছেন সেগুলি। 

✅ এখন প্রফেশনালদের দিয়ে সিভি বানানো যায় গ্রুপ করে টাকা তুলে একটা ফরম্যাট নিয়ে আসুন সেটা দিয়ে সবার টা সেইম করে দিন ।  ৩০-৪০ জনের সেইম ফরম্যাট হলে সমস্যা নাই।




ইন্টার্নিশিপের পর টেক্সটাইল স্টুডেন্টদের জবের প্রস্তুতির নিয়ম | Textile Jobs Plan

ইন্টার্নিতে প্রজেক্ট / থিসিসি: 

টেক্সটাইল ইন্জিনিয়ারিং এর বি এস সি শিক্ষার্থীদের কে তাদের শেষের year এসে ইন্টার্নশিপ এর সাথে একটি করে (গ্রুপ ভিত্তিক)  প্রজেক্ট/থিসিস করতে হয় । অধিকাংশ শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে দেখা যায় যে ইন্টার্নি প্রায় শেষ এর দিকে তবুও তাদের প্রজেক্ট/থিসিস এর বিষয় এ কোন কাজই করা হয় নাই , এমনকি কেউ কেউ প্রজেক্ট/থিসিস এর বিষয় ই বাছাই করে নাই ।

ফলে , শেষ এর দিকে এসে প্রজেক্ট/থিসিস এর বিষয় এ কোন কাজ ই করা হয় না ।তখন তারা  তাদের সিনিয়রদের পেছনে লেগে থাকে তাদের প্রজেক্ট/থিসিস সংগ্রহ করা নিয়ে । তাদের সিনিয়ররাও তখন উপায় না দেখে জুনিয়রদের কে তাদের করা প্রজেক্ট টা দিয়ে দেন তার জুনিয়ররা সেটাকে কপি পেষ্ট আর এডিট করে নিজেদের বলে চালিয়ে দেন ।এমন কি বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তারা প্রজেক্ট টা নিয়ে ষ্টাডিও করেনা ।

 শুধুমাত্র নাম , রোল নাম্বার আর ব্যাচ পরিবর্তন করেই পার পেয়ে যেতে চায় তারা । কিন্তু এতে কি জুনিয়র রা লাভবান হয় ? নিশ্চই না । কেননা , এই প্রজেক্ট এর উপর যখন ভাইভা হয় তখন ভাইভা বোর্ডের শিক্ষকবৃন্দ প্রজেক্ট এর উপর চোখ বুলিযেই বুঝতে পারেন কোনটা কপি পেষ্ট করা আর কোনটা তাদের নিজের করা । 


কারণ একই বিষয়ের প্রজেক্ট হয়তো ইতিপূর্বে তাদের হাতে এসেছে যা অবশ্যই তাদের মাথায় গেথে আছে । আর তখনই তারা ক্ষুদ্রতিক্ষুদ্র বিষয় নিয়ে প্রশ্ন করতে থাকেন । স্বাভাবিক অর্থে যারা ইস্টার্নিতে ফাকি দিয়ে এসেছে তারা প্রজেক্টটাও ভালো করে ষ্টাডি করবেনা । আর ষ্টাডি করলেও কোন বিশেষ রাভ হয়না । কেননা বাস্তবিকভাবে কাজ করা আর মুখস্ত করার মধ্যে বিস্তর ব্যাবধান থাকে । যার ফলে শেষ সেমিস্টার এ এসেও একটা বড় ধরনের বিপদে পড়তে হয় । আর তখনই দোষ দেয় ভাইভা বোর্ড এর শিক্ষকদের ।ঐ স্যার এমন , ঐ স্যার তেমন ইত্যাদি ইত্যাদি ।কিন্তু আসলেই কি শিক্ষকরা দোষী ? অবশ্যই না । আপনারা যদি ইন্টার্নি টা মন দিয়ে করতেন , প্রজেক্ট এর বিষয় নিয়ে আগে থেকেই সিরিয়াস হতেন , প্রেক্টিক্যালই সব কাজ নিজে করতেন তাহলে প্রজেক্ট এর ভাইভাতে স্যার রা যেমন প্রশ্নই করুক না কেন , অবশ্যই উত্তর দিতে পারতেন ।


এবার আসুন জেনে নেই এই সমস্যা থেকে পরিত্রাণ এর উপায়ঃ

১) ইন্টার্নি শুরুর প্রথম দিকে আপনার শিক্ষক এর সাথে আলোচনা করে প্রজেক্ট/থিসিস এর বিষয় নির্ধারন করে নিন ।

২) যার যার ডিপার্টমেন্ট ( গার্মেন্টস / নিটিং / ডায়িং) এ ইন্টার্নি করার ২/১ দিন এর মধ্যেই প্রজেক্ট/থিসিস এর বিষয়  নিয়ে কাজ শুরু করে দিন ।

৩) কতটুকু কাজ করলেন , কিভাবে কাজ করলেন , কাজ করতে কি কি সমস্যার সম্মুখনি হচ্ছেন তা নিয়ে শিক্ষকের সাথে নিয়মিত ফোনে বা ইমেইল এ আলোচনা করুন । সপ্তাহে অন্তত একদিন শিক্ষকের সাথে মুখোমুখি আলোচনা করুন ।

৪) প্রজেক্ট/থিসিস এর বিষয়  টা যেন আনকমন / ইউনিক হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখুন ।

৫) প্রজেক্ট এর শেষে অবশ্যই একটা লাভ-ক্ষতির হিসাব বের করুন।

৬) প্রয়োজনে সিনিয়রদের সাহায্য নিন ।

আমাদের জুনিয়রগন   এখন ইন্টার্নশিপে আছে,তাদের একান্তই উচিৎ নিজ নিজ থিসিসি নিজেরাই করা।




নোটঃ

থিসিসি পেপার Abroad Scholarship, BUTEX/ Vashani/ DUET MSc/ MBA ইত্যাদি তে প্রয়োজন হয়।

Collected

টেক্সটাইল ইন্টার্নিতে প্রজেক্ট / থিসিসের জন্য কিছু পরামর্শ | Textile Industrial Attachment

ইন্টার্নশিপ লার্নিং প্লানঃ ওভেন  ডাইং  সেকশন 


প্রথমেই বলে নিচ্ছি আপনাদের ডিপার্টমেন্ট থেকে এক পাতার একটা গাইডলাইন দেয়া হয়েছে সেটা ফলো করবেন আর যে ডাইরি দেয়া আছে সেটা ডেইলি বেসিস নোট করুন ।

আমাদের ডিপার্টমেন্ট এর বাইরে আমাদের কিছু আইডিয়া দিচ্ছি তা ফলো করতে পারেনঃ


✔ ওভেন  ডাইং  ফ্লোরে ইন্টার্নির সময় যে বিষয়টা প্রথমে করা  উচিৎ সেটা হচ্ছে ফ্লোরে ডিজাইন ড্রইং এবং লে আউট করা ।  লে আউটে যে বিষয়গুলো থাকবে সেটা হচ্ছে ফ্লোরের মেজারমেন্ট,  মেশিন টু মেশিন মেজারমেন্ট ,  করে ইমার্জেন্সি ইভাকুয়েশন সিস্টেম, আইল্যান্ড, মেশিন হাইট ।  লে আউট করার উদ্দেশ্য হচ্ছে আমরা যখন  কোন যুদ্ধে যাই যুদ্ধের আগে ব্যাটেল্ফিল্ডের ম্যাপ নিয়ে আমাদের প্লানিং করতে হয় ।  ইন্টার্নি অনেকটাই ব্যাটেলের মতই যা শুরুর আগেই এর ম্যাপ করে নেয়া হয় ।  এটা করতে গিয়ে আপনার অটো অনেক মেশিন, মেশিন টাইপ মুখস্থ হয়ে যাবে ।

✔ ফ্লোর লে আউট করা শেষ হলে যে বিষয়টা আমাদের প্রথম কাজ হবে সেটা হচ্ছে মেশিনের স্পেসিফিকেশন বের করা, সাথে  মেশিনের অরিজিন, পাওয়ার কন্সাম্পশন ,  ব্র্যান্ড, মডেল, স্পিড, RPM,  প্রোডাকশন ক্যাপাচিটি বের করা !  এগুলি ভালো করে মুখস্থ করে নিন।  মডেল নাম্বার লিখে নেটে এর যাবতীয় তথ্য পাবেন।

✔  আপনাদের  ফ্লোর মেশিন রিলেটেড কাজ শেষ হয়ে যাওয়ার পর আমাদের যেতে হবে যেটা করতে র' ম্যাটেরিয়াল  যেটা  তার ডিটেইলস জানা ।   ইয়ার্ন স্টোর থেকে বিভিন্ন কাউন্টের আমরা কি ইয়ার্ন ব্যাবহার করি সে গুলো সম্পর্কে জানব ।   বর্তমানে অনেক ভিন্ন ভিন্ন কম্পোজিশনের, ব্লেড % এর ইয়ার্ন  আছে  যেগুলোর আমাদের কম্পোজিশন কাউন্ট গুলো জেনে নিতে হবে  যেমনঃ ১০০% কটন কার্ড, কম্বড ইয়ার্ন, স্লাব ইয়ার্ন, মিলাঞ্জ ইয়ার্ন, সাইরো ইয়ার্ন, ইঞ্জেক্ট ইয়ার্ন, লাইক্রা, পলিস্টার, সিভিসি, পিসি  ইত্যাদি ।

আমরা যদি পারি ইয়ার্নের প্রাইস গুলো আমরা জেনে নিতে পারি এবং  কি কি কাউন্টের সুতা বেশি ব্যবহার করা হয় !  কোথায় থেকে আসে!  প্রাইস এর তথ্য ক্লাসিফাইড এটা দিতে নাও চাইতে পারে ।

✔ তার পর ফেব্রিক গ্রে স্টোর  যাবেন সেখানে গ্রে ইন্সপেকশন এর ফোর পয়েন্ট ইন্সপেকশন দেখবেন , কিভাবে ফেব্রিক মেন্ডিং করা হয় সেলভেজ কাটা হয় এবং থান করা হয় তা দেখেতে হবে ।  এবং গ্রে ফেব্রিক ডিসাইজিং মেশিনে ডেলিভারি হয় তা দেখবেন।

⛔ প্রি ট্রিটমেন্ট  সেকশনে ইন্টার্নশিপ লার্নিং টিপসঃ


1.ওভেন ডাইং এর শুরু করবেন মেন্ডিং এবং গ্রে ইন্সপেকশন থেকে এখানে গ্রে ফেব্রিক এর চেকিং মেন্ডিং, সেলভেজ কাটিং করা হয় এর নিয়ম কানুন ভালো করে জেনে নিন ।  স্টোরে কিভাবে তারা ফেব্রিক গুলি রাখে তা দেখে নিতে পারেন।

২. এর পর ব্যাক প্রসেস ডিপার্টমেন্ট এ চলে আসবেন এখানে ৩ টা মেশিনের কাজ দেখতে হবে  সিনজিং ডিসাইজিং, ব্লিচ মার্সারাইজ মেশিনের কাজ। এখানে মিনিমাম ২-৩ দিন সময় করে দেখতে হবে।

 সিনজিং ডিসাইজিং মেশিনের মেশিন প্যারামিটার ক্যামিকেল রেসিপি ভালো করে জেনে নিন । বিশে করে ডিসাইজ ক্যামিকেলের রেসিপি করা, ফেব্রিক লট দেয়া। কাস্টিক কিভাবে গোলানো হয় ক্যামিকেল গুলি কিভাবে ডোজিং করা হয় তা জেনে রাখতে পারেন ।

ব্লিচ মেশিনের মেশিন প্যারামিটার ক্যামিকেল রেসিপি ভালো করে জেনে নিন । বিশেষ করে কাস্টিক ও অন্য ক্যামিকেল গুলির ব্যাবহার জেনে নিন।

মার্সারাইজ মেশিনের মেশিন প্যারামিটার ক্যামিকেল রেসিপি ভালো করে জেনে নিন । ফেব্রিকের জিএসএম অনুযায়ী রেসিপি গুলি লিখবেন।  এগুলি তাদের প্রডাকশন খাতায় লিখে রাখা হয়।  বিশেষ করে তাদের টাইট্রেশন প্রসেস জেনে নিন।

কিভাবে কাপড়ের অফ লাইন কোয়ালিটি টেস্ট করে হোয়াইনেস, এবজর্বেন্সি, pH আছে তা চেক  করার নিয়ম দেখুন।

⛔ ডাইং সেকশনে ইন্টার্নশিপ লার্নিং টিপসঃ



১.  টেক্সটাইল ল্যাবে কি কি টেস্ট করা হয় ফ্যাজিক্যাল টেস্ট , ক্যামিকেল ল্যাবে কিভাবে কালার ম্যাচ করা হয় তা দেখতে হবে  কোন কালারের জন্য  কি কি ডাইজ লাগে এবং এর % কতো । কালার  কম্বিনেশন কি কি স্পেট্রোফটোমিটারের  ব্যাবহার জেনে নিন, স্টক সলিউশন কিভাবে বানায় , ল্যাবের কি কি রিয়েজেন্ট ইউজ হয় তা জেনে নিন, কিভাবে র‍্যাপিড প্যাড করে  ।  যতো প্রকার ফিজিক্যাল টেস্ট আছে তার প্রসেস  শিখে নিবেন ।  ল্যাবে মিনিমাম ৫-৭ দিন সময় দেয়া উচিৎ  ১২ ঘন্টা করে  এতে ফ্লোরের কাজ বুঝতে সুবিধা হয়।

৩. এর ডাইং সেকশনের কোল্ড প্যাড ব্যাচ , জিগার ডাইং মেশিনে চলে আসুন এখানে ডাইং প্রসেস কালার ক্যামিকেল রেশিও ভালো করে জেনে নিন ।   প্রতিটা ডাইজের ধর্ম জেনে নিন। সেড অনুযায়ী ট্রাইক্রোমেটিক কম্বিনেশন কি হয়।  কিভাবে কালার রেসিপি করে।  কিভাবে প্রডাকশন রেপিড দেয়া হয় ।  কোন ব্রেন্ডের ডাইজে সেডের ডিফারেন্স হত তা জেনে নেয়া।

২. জিগার মেশিনে যান সেখানে হোয়াইট ফেব্রিক কিভাবে ডাইং হয় তা দেখতে পাবেন, এখানে ফেব্রিক স্ট্রিপ করা দেখতে পাবেন কিং সেড ডিপ লাইট হলে তা কিভাবে ঠিক করা হয় তা দেখা যাবে । জিগারের ডাইং প্রসেস নীট ডাইং এর মতো তাই  এটা আলাদা দেখবেন।  প্রসেস অনুযায়ী রেসিপি গুলি লিখে নিবেন। টোটাল কারেকশন প্রসেস।

৩. প্রডাকশন অফিসারের কাছে কালার রেসিপি ক্যাল্কুলেশন কিভাবে করা যায় তার হিসেব শিখে নিন। এর জন্য প্রডাকশন অফিসারের হেল্প নিন। তাদের বিভিন্ন প্রশ্ন করুন যা জেনে নেয়ার ইচ্ছে হয় ।  তাদের ফ্রি টাইমে তাদের কে জামানো প্রশ্ন গুলি করুন বিশেষ করে বিকেলে ।

⛔ ফিনিশিং সেকশনে ইন্টার্নশিপ লার্নিং টিপসঃ

✅  ইয়ার্ন ডাইং করা ফেব্রিক  এর প্রসেস আলাদা দেখবেন৷ এটা সিনজিং ডিসাইজিং আর ওয়াস ফিনিশ করা হয়।

ফ্লানেল ফেব্রিক ব্রাশ আর ওভেন ফেব্রিক পিচ এর প্রাসেস  মেশিন স্পিড, আরপিএম কি কিভাবে সেটিং ঠিক করে তা জেনে নিবেন।

✔ ফাইবারে যদি প্রসেস দেখতে চান তবে পলিস্টার পার্ট, টিসি, ১০০% কটন, ভিসকোস, মডাল, সিভিসি ডাবল পার্ট ডাইং কিভাবে করা হয় আপনাদের দেখা উচিৎ।

✔ ফিনিশিং এর সময় মেশিনের টেম্পারেচার , RPM , Speed, ডায়া কিভাবে কন্ট্রোল করা হয় এসব প্যারামিটার চেক করে লিখে ফেলুন, মেশিন ক্লিন, GSM,Bowing  Shrinking, Twisting এগুলি কিভাবে কন্ট্রোল করা হয় তা দেখতে হবে ।

ক্যামিকেল স্টোর কি কি ক্যামিকেল ইউজ হয় তার নাম ফাংশন আর কস্টিং কঞ্জামশন, ক্যামিকেল মিজারমেন্ট  হিসেব করুন।

ওভেন ডাইংয়ের কালার ক্যামিকেল কস্ট ক্যাল্কুলেশন করেন।

ওভেন ইন্সপেকশন ডিপার্টমেন্ট এ যান  তাদের ইন্সপেকশন প্রসেস, সেড ব্যান্ড, ব্লাংকেট কিভাবে করে তা দেখে নিন।

স্টোর ডিপার্টমেন্ট অনেকটাই বিজি যায়গা তার পরো তাদের কাছে ফিনিশ গুডস ডেলিভারি কিভাবে হয় তাদেখে নিতে পারেন ।

✔ স্পেশাল ফিনিশিং যেমন ব্রাশ, সুইডিং  মেশিনের প্যারামিটার ফাংশন প্রসেস দেখতে হবে। এটা কখন করা হয় সেড এর উপর ফিনিশিং এর প্রভাব কেমন জেনে নিন।

✔ প্রসেসের ভেতরে  ডিসাইজিং, স্কাওয়ারিং+ব্লিচিং +এনজাইম , হোয়াইট, ইয়ার্ন ডাইড ওয়াস,  ডাইং এর ভেতরে ব্লাক কালার, মেরিন কালার, টার্কিশ কালার, RSPL কালার, ফ্লোরোসেন্ট কালার, লাইট কালার, মিডিয়াম কালার, ডিপ কালার ।  মেশিন ক্লিন কিভাবে করে তা দেখবেন।  স্ট্রিপিং কিভাবে হয় তা দেখবেন, টপিং কিভাবে হয় তা দেখবেন ৷ বিশেষ করে প্রসেস রান টাইম, টেম্পারেচার, ডোজিং, ডোজিং টাইম, রান টাইম, পাম্প প্রেশার  ।

✔ স্টেনটার, কম্পেক্টরের, যাবতীয় প্যারামিটার জানতে হবে, এতে কি কি ক্যামিকেল ব্যাবহার করা হয় তার তার gpl জেনে নিতে হবে ।  সেড কতো টা চেইঞ্জ হয় তা দেখে নিতে পারেন ।

✔ রিপ্রসেস কিভাবে করে তা দেখতে হবে যেমন স্ট্রিপিং, রিডাকশন, টপিং, এডিশন এসব প্রসেস ভালো করে জেনে নিতে হবে ।

✔ ইন্সপেক্টশন সেকশনে কিভাবে GSM, সেড কাটে  , কন্টিউনিটি করে প্যাকিং লিস্ট বানায়, কিভাবে ফোর পয়েন্ট ইন্সপেকশন করে তা জেনে রাখুন। ফাইবার টেস্ট, সেড রোল টেস্ট, রানিং সেড টেস্ট প্রসেস জানুন ।  এখানে ২-৩ দিন সময় দিন তাদের সাথে কাজ করার সুযোগ পাবেন, হাত দিয়ে কিছু কাজ তাদের সাথে করুন ।  বিভিন্ন  GSM এর বিভিন্ন আইটেমের ফেব্রিক GSM  স্যাম্পল নিন ।

✔  PO, APO দের কাজ গুলি দেখুন তারা কি করে কিভাবে করেন। PO, APO পোস্টে ২-১ মাসের মধ্যে আপনাকে করতে হবে তাই এখন নিলে পরে আপনি সহজে করতে পারবেন কাজ গুলি।

✔ ডেইলি অফিস ওয়ার্ক গুলি দেখুন কিভাবে প্রোগ্রাম দেয়, কিভাবে ফ্লোর সাজায়, ডাইং প্রোগ্রাম, ফিনিশিং প্রোগ্রাম দেয়ার প্রসেস গুলি শিখে নিতে পারেন ।

✔  বিভিন্ন প্রোডাকশন ক্যালকুলেশন গুলো বিভিন্ন সূত্র যেগুলো আমাদের প্রোডাকশন পরে প্রয়োজন হয় সেগুলো আমাদের সংশ্লিষ্ট প্রোডাকশন অফিসার কাছ থেকে আমরা এগুলো কালেক্ট করব ।  স্টিচ লেন্থ বের করা, কাউন্ট বের করা।

✔ আমরা প্ল্যানিং সেকশনে গিয়ে কিভাবে অর্ডার নিতে হয় কিভাবে ফেব্রিকের বুকিং গুলো নিতে হয় কিভাবে মেশিন সিলেকশন করা হয় কিভাবে মেশিনের ডাই অনুযায়ী মেশিন সিলেক্ট করা হয় এ বিষয়গুলো আমরা জেনে নিতে পারি। R&D  তে তারা কিভাবে নতুন স্যাম্পস ডেভলপ  করে তার প্রসেস জেনে নিন।

✔ ফেক্টরি কি কি বায়ারের কাজ করে তাদের টেকনিক্যাল  রিকয়ারমেন্ট  কি কি তা জেনে নিন, এবং  নেটে তাদের কোয়ালিটি ম্যানুয়াল দেখে নিতে পারেন।

✔  আগে কোন স্পেশাল ফেব্রিক ডেভেলপ হয়েছে কিনা তা জেনে  নেয়া, এর  ডাইং ফিনিশিং প্রোগ্রাম রেসিপি জেনে নেয়া ।

✔  প্রোগ্রাম বানানো, প্লানিং করা, প্রডাকশন রিপোর্ট, ক্যালকুলেশন গুলি প্রডাকশন অফিসারের কাছ থেকে বুঝে নিন । কাজ ২ মাসে পরে আপনার তাই করা লাগতে পারে  তাই আগেই দেখে রাখুন ।

✔  নিয়মিত মেশিন ক্লিন, ফ্লোর ক্লিন  প্রসেস দেখুন কারন, নীট ডাইং সেকশনের জন্য ডাস্ট ফ্রি ফ্লোর থাকা কর্তব্য  ।

✔  স্রিংকেজ, GSM,  হোল, পাট্টা, লাইন মার্ক, সিংকার মার্ক গুলি চেক করা এবং এর সলিউশন কিভাবে তারা করে সেগুলি তাদের কাছে জেনে নিন । প্রয়োজনে প্রতিটি মেশিন দাঁড়িয়ে দেখুন কিভাবে সমস্যা গুলি যায় এবং তাদের ইমিডিয়েট একশন কি হয় এর জন্য ।  সেই মুহুর্তে  এগুলির ডিসিশন দেয়া ইঞ্জিনিয়ার এর কাজ ২ মাসে পরে আপনার তাই করা লাগতে পারে  তাই আগেই দেখে রাখুন ।

✔ ডেইলি মানথলি ইয়ারলি রিপোর্ট গুলি তৈরি করে কিভাবে কি কি থাকে তার তথ্য নিয়ে নিজেরা এক্সেল সিট বানানোর চেস্টা করুন । এটার স্যাম্পল প্রডাকশন অফিসারের কাছে পাবেন ।

✔ ক্যামিকেল স্টোরে গিয়ে কালার ক্যামিকেল গুলি লিস্ট করুন ,তাদের প্রাইস জেনে নিন ।  প্রাইস দিয়ে দু এক লট কালারের কস্টিং করুন ।  ক্যামিকেলের টেকনিক্যাল ডাটা সিট তাদের কাছ থেকে নিন সে গুলি স্টাডি করুন । তাদের টোটাল কঞ্জামশন বের করুন।

✔ ডাইং ফ্লোরে শেড ডিপ লাইট হলে তাকে আবার রিপ্রসেস করা হয় সে গুলি কি ক্যামিকেল দেয়  কি প্রেসেস করে জেনে রাখুন ।

১. স্টেনটার কম্পেক্টর মেশিন

✔ এই মেশিনের টোটাল আপারেশন প্রসেস জানুন অন অফ থেকে শুরু করে প্রতিটা বাটনের কাজ, এটা অপারেটর হেল্পারের কাছ থেকে আপনি জানবেন ।  এরা মেশিন চালালে দূর থেকে আপনি খেয়াল করবেন আপনি ঠিক জেনেছেন কিনা ।  প্রয়োজনে কয়েক ব্যাচ কাপড় ফিনিশিং করা দেখুন ।  ক্যামিকেলের ব্যাবহার জানুন  সফেনার কিভাবে দেয় কি কি ফেব্রিকে কোন কোন সফেনার ইউজ করা হয় ।   স্পেশাল ফিনিশিং  কি কি আছে তার প্রসেস জেনে নিন।  হিট সেটের নিয়ম, প্যারামিটার  জেনে নিন

✔  সানফোরাইজ মেশিনের কিভাবে কাপড় সানফোরাইজ করে তা দেখে নিতে হবে, এর  প্যারামিটার প্রেশার, স্টিম, স্পিড টোটাল প্যারামিটার শিখে নিন।

✔ আমরা যে ফ্লোরে ইন্টার্ন  করবো ওই ফ্লোরে যে কোন কোন সমস্যা আছে কিনা ওই বিষয়গুলো আমাদের বের করতে হবে তাদের টাইম  সেই কিভাবে করা যায় এ বিষয়গুলো আমাদের খুঁজে বের করতে হবে অর্থাৎ মোট কথা হচ্ছে ফ্লোরের সমস্যা যাবতীয় সমস্যা গুলো আমাদের বের করতে হবে বা কিভাবে প্রোডাকশন বাড়ানো যায় ওই বিষয়ে আইডিয়া গুলো আমাদের একটা রিকমেন্ডেশন আকারে তাদের দিতে হবে ।  বর্তমানে নীটে IE ডেভলপ করার চেস্টা চলছে এর সমভাব্যতা যাচাই করে দেখতে পারেন ।  ডাইং ফ্লোরে RFT - Right First Time ইম্পলিমেন্ট করা যায় কিনা দেখুন।

⛔ কোয়ালিটি ইন্সপেকশন   সেকশনে ইন্টার্নশিপ লার্নিং টিপসঃ

✔  ইনস্পেকশন বা অনলাইন  কোয়ালিটিতে কর্তব্যরত তাদের কাছ থেকে নীট ফেব্রিকের বিভিন্ন  প্রোডাকশন লস এর কারনগুলো জেনে নিতে হবে প্রয়োজনে তাদের সাথে থেকে থেকে তাদের কাজ গুলো দেখতে হবে যখন তাদের শিফট চলে আমাদের উচিত ৮-৮ টা   ইন্টার্নশিপ চালু রাখা ।  তাদের গ্রে ফেব্রিক ইন্সপেকশন করা দেখবেন । কিভাবে 4 point ইন্সপেকশন করে তা দেখুন ।  অনলাইন কোয়ালিটিদের কাছ থেকে  ফেব্রিক এর ফল্ট গুলি চিনে নিন  ।  এরা সব সময় ফ্লোরেই থাকে এদের কাজ ফল্ট চেক করা ।  এরা কিভাবে সেড কন্টিনিউইটি বানায়, GSM বোর্ড কিভাবে বানায় তা দেখুন।

✔  মেশিন পার্টস গুলি ছবি তুলে নিতে হবে , স্যাম্পল ছোট ছোট করে বোথ সাইড টেপ দিয়ে লাগিয়ে নিন ডাইরিতে ।  ফল্টের স্যাম্পল গুলি ইন্সপেকশন থেকে কালেক্ট করুন ।

✔  টিম মেম্বার বেশি হলে তথ্য  গুলি ভাগে ভাগে টাইপ করে ফেলুন পরে অলসতা চলে আসবে তখন পুরাতন রিপোর্ট খুজে বেড়াতে হবে ।  ডাইং প্রসেস অনেক বেশি আর এটা ফ্লোচার্ট গ্রাফ সহ অনেক কিছু বানাতে হয় ।

✔ আপনাদের যারা ক্লাস মেট ইন্টার্ন  শুরু করেছেন তাদের ওভেন ডাইং  সেকশনে কি কি শিখেছে  তা তাদের কাছে জেনে নিন আপনাদের কিছু বাকি থাকলে ম্যাকয়াপ হয়ে যাবে।  আর প্রতিটি ফেক্টরির ডাইজ ক্যামিকেল প্রসেসে ভিন্নতা আছে যদিও বা সেইম কালার করা হোক না কেনো ।

✔ ফ্লোরের ম্যান পাওয়ার অর্গানোগ্রাম বানানো, এটা আপনার রিপোর্টে উল্লেখ করা লাগবে  । মেশিন অনুযায়ী কি কি পরিমানে লোক লাগে ।

✔  টাইম টু টাইম প্রডাকশন আপডেট, প্রবলেম আপডেট গুলি রিপোর্ট বস এর কাছে পৌছে কিভাবে দেয় তা দেখার জন্য প্রডাকশন অফিসার, APO, Quality Officer  দের মুভমেন্ট ফলো করুন  ।

⛔ ইউটিলিটি  সেকশনে ইন্টার্নশিপ লার্নিং টিপসঃ

✔ ইটিপি, ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট, বয়েলার, কমপ্রেশার, ওয়ার্কশপের এর কাজ গুলি ১-২ দিনে কাভার  করবেন ।

✔ ওভেন ডাইং প্লান্টের জন্য কাস্টিক রিকোভারি প্লান্ট আছে সেখানে সময় দিতে হবে, কাস্টিক রিকোভারি প্রসেস সম্পুর্ন জেনে নিতে হবে ।

✔ মেইন্টেনেন্স ডিপার্টমেন্ট (ম্যাকানিক্যাল ইলেকট্রিক্যাল ) এর ফোরমেনদের  কাছ থেকে মেশিন পার্টস, এবং মাইনর ফল্টস গুলি চিনে বুঝে নিন, আপনারা তাদের কাছে যেতে পারবেন তাদের প্রশ্ন করতে পারবেন । মেশিন সেটিং জানবেন ইনভার্টার, মেশিন RPM, হুইল, পুলি বেল্ট,  কিভাবে সেট করবেন জেনে নিন।  বেশিক কি কি সমস্যা হয় তা নোট করবেন, মেশিন অপারেটর এর কাছে নোট করে তার সলিউশন ম্যাকানিকাল এর ফোরম্যানের কাছে জিজ্ঞেস করবেন ।

🔺 বিদ্রঃ

উপরের উল্লেখিত পয়েন্ট গুলা এমন না যে আমি একবার দেখলাম আর শিখে গেলার এটা সারা জীবন কাজে লাগবে , এগুলি আরো আয়ত্ব করতে ৫-৬ বছর লেগে যায়, তাই ২-১ ঘন্টা  দেখে খুব শিখে গেছেন এটা ভাবা ভুল ।  টেক্সটাইল ফ্লোর বিজি ফ্লোর কাজের ফাকে ফাকে আপনাদের এই বিষয় গুলি খুজে বের করতে হবে।

 ৪-৫ দিন বা ১ সাপ্তাহ যাই থাকুন ১২ ঘন্টা করে সময় দিন যা শিখতে পারেন।  নিয়মিতভাবে আপনাদের ফেকাল্টি সুপারভাইজারের সাথে কন্সাল্ট করবেন ।  ফেক্টরিতে আমাদের সাউথইস্টের সিনিয়র ভাই থাকলে তাদের গাইড লাইন ফলো করবেন ।  ইন্টার্নশিপ উপভোগ করুন ভয়ের কিছুই নেই।৷ যে কোন সমস্যায় টেক্সটাইল ক্লাবে উন্মুক্ত প্রশ্ন করুন উত্তর দেয়ার মতো আমাদের অনেক সিনিয়র পাবেন ইনশাল্লাহ।

Best Regards
মাজেদুল হাসান শিশির
টেক্সটাইল -১৩ ব্যাচ
E Mail :  mazadulhasan@yahoo.com

ইন্টার্নশিপ গাইডলাইন ওভেন ডাইং এন্ড ফিনিশিং ডিপার্টমেন্ট | Textile Internship Guidelines