খেলোয়াড়দের বিশেষ করে ফুটবলারদের জার্সিতে যে বিশেষ বৈশিষ্ট্য থাকা লাগে তার নাম ময়েশ্চার উইকিং ফিনিশ (Moisture Wicking Finish) :
৯০ মিনিট একজন ফুটবলার ক্ষিপ্র গতিতে মাঠের এপাশ থেকে ওপাশে দৌড়ান । না দৌড়ে ফুটবল খেলা যায় না । আবার অতিরিক্ত দৌড়ানোর কারনে শরীর থেকে প্রচুর পরিমানে ঘাম বের হয় যা একই সাথে বিরক্তি ও অস্বস্তির কারন । খেলোয়াড়দের শরীর হতে বের হওয়া অতিরিক্ত ঘামকে দ্রুত শরীর থেকে বের করে দিতেই জার্সির কাপড়কে ময়েশ্চার উইকিং ফিনিশ করা হয় ।
আসুন জেনে নেই এই "ময়েশ্চার উইকিং ফিনিশ" টা আসলে কি?
ময়েশ্চার উইকিং বিষয়টি সহজে বুঝবার জন্য একটু ছাত্র জীবনে ফিরে যাই । ইন্টারমিডিয়েটে যারা বিজ্ঞান নিয়ে পড়েছেন/পড়ছেন তাদের নিশ্চয় পদার্থ বিজ্ঞানের "তরলের পৃষ্ঠটান" অধ্যায়ের স্পর্শকোণ, কৈশিক ক্রিয়া, সরু টিউবের ভেতর তরল পানির উত্থান তথা ক্যাপিলারলি একশনের কথা মনে আছে ।
আসলে এই কৈশিক ক্রিয়া তথা ক্যাপিলারলি একশনই ময়েশ্চার উইকিং ফিনিশের মূল তত্ত্ব । উইকিং ফিনিশের মাধ্যমে খেলোয়াড়দের জন্য প্রস্তুতকৃত জার্সির (কৃত্রিম আঁশ পলিয়েস্টার হতে তৈরি) কাপড়ের আঁশের অভ্যন্তরীণ গঠন টিউবের ন্যায় আকৃতি অর্জন করে ।
যে কারনে খেলোয়াড়ের শরীরের তরল ঘাম জার্সির কাপড়ের অভ্যন্তরে শোষিত হওয়ার পরিবর্তে কৈশিক ক্রিয়া (capillary action) ও পৃষ্ঠটানের (surface tension) মাধ্যমে আঁশের অভ্যন্তরীণ টিউবের ন্যায় ছিদ্র পথে জার্সির ভেতর হতে বাহিরের পৃষ্ঠে পরিবাহিত হয়ে বাতাসে মিলে যায় । মাঠজুড়ে দৌড়ানোর ফলে উৎপন্ন ঘাম জার্সির অভ্যন্তরে আটকে না থেকে কৈশিক ক্রিয়ার মাধ্যমে সহজে বাতাসে মিলিয়ে যাওয়ার কারনে খেলোয়াড়দের শরীরের উষ্মতা বৃদ্ধি হ্রাস পায় যা খেলার মাঠে স্বস্তিদায়ক ও অত্যাবশ্যক ।
৯০ মিনিট একজন ফুটবলার ক্ষিপ্র গতিতে মাঠের এপাশ থেকে ওপাশে দৌড়ান । না দৌড়ে ফুটবল খেলা যায় না । আবার অতিরিক্ত দৌড়ানোর কারনে শরীর থেকে প্রচুর পরিমানে ঘাম বের হয় যা একই সাথে বিরক্তি ও অস্বস্তির কারন । খেলোয়াড়দের শরীর হতে বের হওয়া অতিরিক্ত ঘামকে দ্রুত শরীর থেকে বের করে দিতেই জার্সির কাপড়কে ময়েশ্চার উইকিং ফিনিশ করা হয় ।
আসুন জেনে নেই এই "ময়েশ্চার উইকিং ফিনিশ" টা আসলে কি?
ময়েশ্চার উইকিং বিষয়টি সহজে বুঝবার জন্য একটু ছাত্র জীবনে ফিরে যাই । ইন্টারমিডিয়েটে যারা বিজ্ঞান নিয়ে পড়েছেন/পড়ছেন তাদের নিশ্চয় পদার্থ বিজ্ঞানের "তরলের পৃষ্ঠটান" অধ্যায়ের স্পর্শকোণ, কৈশিক ক্রিয়া, সরু টিউবের ভেতর তরল পানির উত্থান তথা ক্যাপিলারলি একশনের কথা মনে আছে ।
আসলে এই কৈশিক ক্রিয়া তথা ক্যাপিলারলি একশনই ময়েশ্চার উইকিং ফিনিশের মূল তত্ত্ব । উইকিং ফিনিশের মাধ্যমে খেলোয়াড়দের জন্য প্রস্তুতকৃত জার্সির (কৃত্রিম আঁশ পলিয়েস্টার হতে তৈরি) কাপড়ের আঁশের অভ্যন্তরীণ গঠন টিউবের ন্যায় আকৃতি অর্জন করে ।
যে কারনে খেলোয়াড়ের শরীরের তরল ঘাম জার্সির কাপড়ের অভ্যন্তরে শোষিত হওয়ার পরিবর্তে কৈশিক ক্রিয়া (capillary action) ও পৃষ্ঠটানের (surface tension) মাধ্যমে আঁশের অভ্যন্তরীণ টিউবের ন্যায় ছিদ্র পথে জার্সির ভেতর হতে বাহিরের পৃষ্ঠে পরিবাহিত হয়ে বাতাসে মিলে যায় । মাঠজুড়ে দৌড়ানোর ফলে উৎপন্ন ঘাম জার্সির অভ্যন্তরে আটকে না থেকে কৈশিক ক্রিয়ার মাধ্যমে সহজে বাতাসে মিলিয়ে যাওয়ার কারনে খেলোয়াড়দের শরীরের উষ্মতা বৃদ্ধি হ্রাস পায় যা খেলার মাঠে স্বস্তিদায়ক ও অত্যাবশ্যক ।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন