█▒▒▒ সাবজেক্ট রিভিউ ▒▒▒█
TEXTILE ENGINEERING/ টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং
TEXTILE ENGINEERING/ টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং
বিষয়বস্তুঃ
টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বলতে বোঝায় সব সময় নতুন নতুন সিন্থেটিক উপকরণ,কাপড়,এবং টেক্সচার নিয়ে গবেষনা এবং সূত ও রং সঙ্গে পরীক্ষা করা। টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়াররা কাপড়ের শক্তি ও স্থায়িত্ব নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা চালানো এবং পাশাপাশি উৎপাদনের সুবিধার্থে কম্পিউটারাইজড সিস্টেম উন্নয়নের জন্য কাজ করেন।
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শিল্প হলো তৈরি পোশাক। বর্তমানে এ খাত থেকেই সবচেয়ে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হয়। এ শিল্প বিশ্ব বাজারে সুনাম অর্জনের পাশাপাশি সৃষ্টি করেছে লাখ লাখ লোকের কর্মসংস্থান। মোট কথা, বাংলাদেশের রপ্তানি শিল্পে এটি একটি সম্ভাবনার দুয়ার খোলে দিয়েছে। তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বস্ত্র প্রকৌশল বিদ্যার উন্নতি। বিশ্ব বাজারে প্রকৌশল বিদ্যার কাতারে বস্ত্র প্রকৌশল বিদ্যা এখন একটি উজ্জ্বল নাম।
চাহিদা ও ভবিষ্যতঃ
বাংলাদেশে চাকরির বাজারে যে কয়টি পেশার অসম্ভব চাহিদা রয়েছে তার মধ্যে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার অন্যতম। চাহিদার তুলনায় এই পেশাতে যোগ্য প্রার্থীর সংখ্যা বাংলাদেশে অনেকে কম। বাংলাদেশে টেক্সটাইল শিল্পের দ্রুত বিকাশ ঘটে চলেছে। বিশ্বমানের টেক্সটাইল শিল্পের কাতারে বাংলাদেশের টেক্সটাইল শিল্প ইতিমধ্যেই নিজেদেরকে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছে। যার ফলে এই শিল্পে প্রয়োজন দক্ষ প্রযুক্তিজ্ঞানসমৃদ্ধ টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারদের।
বাংলাদেশে যেখানে চাকরির পদসংখ্যার বিপরীতে চাকরি প্রার্থীর আধিক্য দেশের বেকার জনগোষ্ঠী বৃদ্ধির অন্যতম কারণ, তখন এই শিল্পে বিরাজ করছে সম্পূর্ণ ভিন্ন পরিবেশ। ক্রমবর্ধমান টেক্সটাইল শিল্পের দ্রুত বিকাশের কারণে এই শিল্পে চাকরির রয়েছে অবারিত সুযোগ। টেক্সটাইল শিল্পে দক্ষ টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারদের চাহিদা এতোটাই বেশি যে, টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করার পূর্বেই ছাত্রদের চাকরি হয়ে যায়। বাংলাদেশে খুব কম শিল্পেই চাকরি প্রার্থীর তুলনায় প্রতিষ্ঠানের চাকরির চাহিদা বেশি রয়েছে।
কোথায় পড়বেন টেক্সটাইলঃ
চাহিদার কথা বিবেচনা করে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে গড়ে উঠেছে বেশকিছু বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ। নিম্নে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ের কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম দেয়া হলঃ
চাহিদার কথা বিবেচনা করে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে গড়ে উঠেছে বেশকিছু বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ। নিম্নে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ের কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম দেয়া হলঃ
সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজসমূহঃ
১. বাংলাদেশ টেক্সটাইলস বিশ্ববিদ্যালয়
২. খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট)
৩. মাওলানা ভাসানি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
৪. পাবনা টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ
৫. বেগমগঞ্জ টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ
৬. টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ,চট্টগ্রাম
৭. বঙ্গবন্ধু টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ,টাঙ্গাইল
৮. আব্দুর রব সেরনিয়াবাত টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ,বরিশাল
১. বাংলাদেশ টেক্সটাইলস বিশ্ববিদ্যালয়
২. খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট)
৩. মাওলানা ভাসানি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
৪. পাবনা টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ
৫. বেগমগঞ্জ টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ
৬. টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ,চট্টগ্রাম
৭. বঙ্গবন্ধু টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ,টাঙ্গাইল
৮. আব্দুর রব সেরনিয়াবাত টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ,বরিশাল
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজসমূহঃ
১. আহসানুল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
২. ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি
৩. সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটি (বাংলাদেশ)
৪. ইউনিভার্সিটি অফ সাউথ এশিয়া
৫. ভিক্টোরিয়া ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ
৬. গ্রিন ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ
৭. বিজিএমইএ ইন্সটিউট অফ ফ্যাশান & টেকনোলজি
৮. ন্যাশনাল ইন্সটিউট অফ ফ্যাশান টেকনোলজি (NIFT)
৯. সিটি ইউনিভার্সিটি
১০. প্রাইমএশিয়া ইউনিভার্সিটি
১১. আতিশ দিপঙ্কর ইউনিভার্সিটি অফ সাইন্স এন্ড টেকনোলজি
১২. ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ
১৩. ন্যাশনাল ইন্সটিউট অফ টেক্সটাইল ট্রেনিং রিসার্চ এন্ড ডিজাইন (NITTRAD)
১৪. নর্দার্ন ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ
১৫. দি পিপলস ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ
১৬. বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অফ বিজনেস এন্ড টেকনোলজি (BUBT)
১৭. ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ (EUB)
১৮. বাংলাদেশ টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ
১৯. সিকদার কলেজ অফ টেক্সটাইল এন্ড ফ্যাশান টেকনোলজি
২০. রেফেলস ডিজাইন ইন্সটিউট ঢাকা
২১. শ্যামলী টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ
১. আহসানুল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
২. ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি
৩. সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটি (বাংলাদেশ)
৪. ইউনিভার্সিটি অফ সাউথ এশিয়া
৫. ভিক্টোরিয়া ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ
৬. গ্রিন ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ
৭. বিজিএমইএ ইন্সটিউট অফ ফ্যাশান & টেকনোলজি
৮. ন্যাশনাল ইন্সটিউট অফ ফ্যাশান টেকনোলজি (NIFT)
৯. সিটি ইউনিভার্সিটি
১০. প্রাইমএশিয়া ইউনিভার্সিটি
১১. আতিশ দিপঙ্কর ইউনিভার্সিটি অফ সাইন্স এন্ড টেকনোলজি
১২. ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ
১৩. ন্যাশনাল ইন্সটিউট অফ টেক্সটাইল ট্রেনিং রিসার্চ এন্ড ডিজাইন (NITTRAD)
১৪. নর্দার্ন ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ
১৫. দি পিপলস ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ
১৬. বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অফ বিজনেস এন্ড টেকনোলজি (BUBT)
১৭. ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ (EUB)
১৮. বাংলাদেশ টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ
১৯. সিকদার কলেজ অফ টেক্সটাইল এন্ড ফ্যাশান টেকনোলজি
২০. রেফেলস ডিজাইন ইন্সটিউট ঢাকা
২১. শ্যামলী টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ
উক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজসমূহে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রী প্রদান করা হয়।
টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং এর শাখাসমূহঃ
যারা একি সাথে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় বিভিন্ন বিষয়ে পড়ার সুযোগ পেয়েছ সেই সাথে একটি মধুর বিড়ম্বনায় পড়েছ যে কোন বিষয়টা বেছে নিবে পড়ার জন্য তাদের উদ্দেশ্য করেই আমি চেষ্টা করব টেক্সটাইল ইঞ্জি্নিয়ারিং বিষয়ে বেসিক ধারনা দেবার যাতে করে তোমাদের পক্ষে সিদ্ধান্ত নেয়া অনেকটা সহজ হয়।
প্রথমেই বলে নেয়া ভাল যে, টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং মূলত ৪ টি বেসিক প্রক্রিয়ার সমন্বয়। প্রক্রিয়াগুলো হলঃ
ইয়ার্ন ম্যানুফ্যাকচারিংঃ
আমরা সবাই জানি যে, একটা পোশাক এর মূল উপাদান হল সূতা এবং এই ধাপে প্রধানত কিভাবে ভাল এবং কোয়ালিটিফুল সুতা প্রসেস করে একটি ফ্যাশনেবল পোশাক বা যে কোন ধরনের গার্মেন্টস প্রডাক্ট তৈরী করা যায় সেটা নিয়ে বিষদ কাজ করা হয়।
একে বলা হয় মাদার অফ টেক্সটাইলস। ইয়ারন ছাড়া টেক্সটাইল এর অস্তিত্ব কল্পনাও করা যায় না। তবে কিছু কিছু কারণে বর্তমানে এই সেক্টরের জব একটু কম বেতনের। তবে জব করে বেশ আরাম। কারণ পরিশ্রম কম করেও বেশ ভালো বেতন পাওয়া যায়। পুরাই কর্পোরেট জব।
ফেব্রিক ম্যানুফ্যাকচারিংঃ
এই ধাপে মূলত সূতা থেকে কাপড় তৈরীর কাজ করা হয় এবং বেশ কিছু জটিল ধাপ অতিক্রম করে একটি কোয়ালিটিফুল কাপড় উৎপাদন করাই এই ধাপের উদ্দেশ্য।
এটা বেশ মজার সাবজেক্ট। এটা পরলে অনেক মজা পাবে। তবে টেকনিক্যাল ব্যাপারগুলো বেশ ভালো করে বুঝতে হবে। আর মেশিন ভালো বুঝতে হবে। জব করে খুব আরাম পাবা। এটাকেও পিওর ইঞ্জিনিয়ারিং বলা হয়। আর এখানে দুইটা ভাগ আছে Knitting আর weaving. এখানে একটা কথা আছে। নিটিং এ কোন সমস্যা নাই, তবে ওয়েভিং এ বেশ শব্দ হয়।
ওয়েট প্রসেসিংঃ
এই ধাপে কাপড় কে পছন্দনীয় রং দেয়া হয় এবং অত্যন্তু নিখুতভাবে কাজটি করা হয় যেন কাপড় এর সাথে রঙ এর যে মিশেল সেটা অত্যন্ত টেকসই এবং গুনসম্পন্ন হয়। এই ধাপ মূলত রাসায়নিক প্রযুক্তি নির্ভর বলে এটাকে অনেকে টেক্সটাইল কেমিস্ট্রি বলেও আক্ষায়িত করেন।
যদি তোমার কাছে বেতনটাই বড় কথা হয় তবে ওয়েট এ পরাই ভালো। এখানে ৪০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় কাজ করতে হয়, রঙ নিয়ে সব সময়ে টেনশনে থাকতে হয়। আর ওয়েট এ পড়তে হলে তোমাকে টেকনিকাল ব্যাপার জানার পাশাপাশি chemistry সম্পরকে অনেক বেশি ধারনা রাখতে হবে। কারণ এটা chemistry based. সো ভেবে দেখো যে কি পরবা।
গার্মেন্টস ম্যানুফাকচারিংঃ
উপরোক্ত তিনটি ধাপ অতিক্রম করার পর এই ধাপে মুলত sampling, fabric spreading, cutting, sewing, washing(if necessary), finishing. করা হয় এবং যেই complete dress আমরা পরিধান করি সেটা কাপড় থেকে পুরো ফিনিশিং প্রসেস পর্যন্ত ধাপগুলা এই গার্মেন্টস ম্যানুফাকচারারদের ই অবদান।
এখানে জব বেশ ভালো। কর্পোরেট টাইপের জব। তবে আগেই তো বলেছি ম্যানেজিং পাওয়ার ও ইংলিশ এ দক্ষতা বেশ ভালো থাকতে হবে। আর মেইন কথা হল তোমাকে অবশ্যই চাপাবাজ হতে হবে এখান থেকে জব করতে হলে। কারণ বায়ার এর সাথে সব সময় তোমাকে উঠা বসা করতে হবে।
এছাড়া একজন বস্ত্র প্রকৌশলী হওয়া মানে কিন্তু সরাসরি জাতীয় অর্থনীতিতে সরাসরি অবদান রাখার সৌভাগ্য অর্জন করা। আর এই তৈরি পোশাক কে ফ্যাশনেবল করা এবং একটি সুন্দর প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যথাযথ সময়ের মধ্যে রপ্তানী করার জন্য আরও দুটি শাখা টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং এর সাথে জড়িত আর তা হল-
ফ্যাশন ডিজাইনিংঃ
এই বিষয়ে সবার ই কমবেশি ধারনা থাকায় বিস্তারিত বলার প্রয়োজন মনে করছি না।
ফ্যাশান ডিজাইন নিয়েও বলার কিছু নাই। কারণ আমরাই প্রথন ব্যাচ যারা এখন ৪র্থ সেমিস্টার এ পরতেছি। সো কিভাবে বলি? তবে একটা কথাই বলি। ফ্যাশান থেকে আমাদের এখান থেকেই প্রথম বিএসসি দেয়া হচ্ছে। আর এটার বাজারদর তো আমাদের ক্রিয়েতিভিটি এর উপরে ডিপেন্ড করবে।
এই বিষয়ে সবার ই কমবেশি ধারনা থাকায় বিস্তারিত বলার প্রয়োজন মনে করছি না।
ফ্যাশান ডিজাইন নিয়েও বলার কিছু নাই। কারণ আমরাই প্রথন ব্যাচ যারা এখন ৪র্থ সেমিস্টার এ পরতেছি। সো কিভাবে বলি? তবে একটা কথাই বলি। ফ্যাশান থেকে আমাদের এখান থেকেই প্রথম বিএসসি দেয়া হচ্ছে। আর এটার বাজারদর তো আমাদের ক্রিয়েতিভিটি এর উপরে ডিপেন্ড করবে।
টেক্সটাইল ম্যনেজমেন্টঃ
গোটা টেক্সটাইল প্রসেস সম্পন্ন করার পর সেটাকে সম্পূর্ন নিরাপদে রপ্তানি করে ক্রেতার কাছে পৌছে দেবার মধ্যবর্তী সময়ে যে ধাপ গুলা অতিক্রম করতে হয় সেই ধাপ গুলোই এই বিভাগের উপজীব্য বিষয়। production process supervision, quality controlling, inventory process monitoring, facilitating marketing process, সহ আরও বিষয়গুলো এই বিভাগের সাথে জড়িত।
গোটা টেক্সটাইল প্রসেস সম্পন্ন করার পর সেটাকে সম্পূর্ন নিরাপদে রপ্তানি করে ক্রেতার কাছে পৌছে দেবার মধ্যবর্তী সময়ে যে ধাপ গুলা অতিক্রম করতে হয় সেই ধাপ গুলোই এই বিভাগের উপজীব্য বিষয়। production process supervision, quality controlling, inventory process monitoring, facilitating marketing process, সহ আরও বিষয়গুলো এই বিভাগের সাথে জড়িত।
ম্যানেজমেন্ট নিয়ে আমার বেশি কিছু বলার নাই। নিজেদেরই বুঝে নিতে হবে। তার উপরে ম্যানেজমেন্ট থেকে আমাদের বুটেক্স থেকে মাত্র ১ টা ব্যাচ বের হয়ে জব করতেছে, এজন্য বলা কঠিন হচ্ছে। তবে ভাইয়াদের কাছে যা শুনেছি তাতে বেশ ভালই মনে হয়েছে। কয়েকজন বড় ভাইয়া আমাকে বলেছে যে আমি কেন ম্যানেজমেন্ট সাবজেক্ট নেই নাই।
টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারদের কাজঃ
টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার মূলত তিনটি প্রধান বিষয় নিয়ে কাজ করেন।যথাক্রমেঃ গবেষণা, নকশা এবং উন্নয়ন।এছাড়াও টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারা উত্পাদন,মান নিয়ন্ত্রণ,গ্রাহক সেবা এবং বিক্রয় সাথেও জড়িত থাকেন।
টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার মূলত তিনটি প্রধান বিষয় নিয়ে কাজ করেন।যথাক্রমেঃ গবেষণা, নকশা এবং উন্নয়ন।এছাড়াও টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারা উত্পাদন,মান নিয়ন্ত্রণ,গ্রাহক সেবা এবং বিক্রয় সাথেও জড়িত থাকেন।
গবেষণা ও উন্নয়নে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারঃ
✿প্রক্রিয়াকরণ পদ্ধতি উন্নত করার জন্য প্রাকৃতিক এবং সিন্থেটিক ফাইবার নিয়ে অধ্যয়ন।
✿টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার পলিমার বিজ্ঞান,ফাইবার রসায়ন,সুতা উত্পাদন,কারখানাজাত করণ দক্ষতা এবং নমনীয়তা,ডায়িং ও ফিনিসিং, উৎপাদনে জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির উন্নয়ন বা সংস্কার এবং সর্বোপরি সমস্যার সমাধান করতে নতুন প্রযুক্তির প্রয়োগ নিয়ে কাজ করেন।
✿নির্দিষ্ট কাজের জন্য উপযুক্ত নতুন বস্ত্রের উন্নয়ন এবং বিদ্যমান বস্ত্রের জন্য নতুন ডিজাইন আনয়ন করেন।
উৎপাদন ও মান নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারঃ
✿উৎপাদন প্রক্রিয়া পরিচালনা
✿বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ
✿ডায়িং এবং ফিনিসিং প্রক্রিয়া পরিচালনা
✿উৎপাদন,মার্কেটিং,প্যাকেজিং, সংরক্ষণ এবং শিপিং কাজে সম্পৃক্ততা
✿পণ্য পরিদর্শন
✿দক্ষতা এবং খরচ কার্যকারিতা নিশ্চিত করেন
কাস্টমার সেলস এবং সার্ভিসে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারঃ
ক্রেতা প্রয়োজনীয়তা মেটানোর জন্য গবেষণা এবং উন্নয়ন বিভাগ এবং উৎপাদন প্রযুক্তিবিদদের জন্য গ্রাহকের প্রয়োজনীয়তাকে সঠিক ভাবে অনুবাদ করা।
টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রসমূহঃ
টেক্সটাইলের শিক্ষার্থীরা বর্তমানে যুক্তরাজ্য, জার্মানি, জাপানের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, সুইডেন, ইতালি, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়া যাচ্ছে পড়াশোনা করার জন্য। এসব দেশে এ বিষয়ে শুধু ডিপ্লোমা করা যায়। ১৬১ ক্রেডিট নিয়ে হয় এ ডিপ্লোমাগুলো। টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষার্থীরা কমনওয়েলথ স্কলারশিপ (যুক্তরাজ্যে পড়ার জন্য), ডাড স্কলারশিপ (জার্মানি) এবং মনবুশো (জাপান) নিয়ে পড়তে যেতে পারে।
টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারদের চাকুরীর ক্ষেত্রসমূহঃ
টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারদের বাংলাদেশে সরকারি-বেসরকারি দুটি ক্ষেত্রেই রয়েছে চাকরি বিশাল ক্ষেত্র।
১. সরকারী বিভিন্ন টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রিতে কাজের সুযোগের পাশাপাশি বেসরকারি পর্যায়ে স্থাপিত টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রিতে কাজের রয়েছে অবারিত সুযোগ।
২. সেই সাথে গার্মেন্টস শিল্পেও টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারদের রয়েছে ব্যপক চাহিদা। দেশী-বিদেশি বিভিন্ন বায়িং অফিসে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়াররা যথেষ্ট গুরুত্ব সহকারে কাজ করে চলেছে।
৩. তবে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারদের কাজের মূল জায়গা হিসেবে দেশী-বিদেশী বিভিন্ন টেক্সটাইল শিল্প প্রতিষ্ঠানকেই বিবেচিত করা হয়।
৪. টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রিতে উৎপাদন কার্যক্রমের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত হয়ে কাজ করতে হয় তাদের। মূলত একজন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারকে যেকোন ছোট-বড় টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রির পণ্য উৎপাদন কার্যক্রমের প্রাণ হিসেবে বিবেচিত করা হয়।
৫. বিভিন্ন কম্পোজিট শিল্প, স্পিনিং, উইভিং সহ গার্মেন্টস প্রতিষ্ঠানে দক্ষ টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়াররা কাজ করে থাকেন।
৬. সেই সাথে বিভিন্ন ব্যাংক এবং শিল্প ঋণ প্রদানকারী সংস্থা সমূহের শিল্পঋণ বিতরণ সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে চাকরির সুযোগ রয়েছে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারদের।
৭. শুধুমাত্র দেশের অভ্যন্তরেই তাদের জন্য রয়েছে বিশাল কাজের ক্ষেত্র। চাহিদার তুলনায় দেশে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারদের অপ্রতুলতার কারণে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানগুলো শেষ বর্ষে অধ্যায়নরত টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারদের চাকরি প্রদান করে থাকে।
৮. টেক্সটাইল,গার্মেন্টস, ফ্যাশন ডিজাইনিং বিষয়ে শিক্ষার্থীদের বাংলাদেশে রয়েছে চাকরির বড় বাজার।
৯. বিভিন্ন বায়িং অফিস, বুটিক হাউজ, ফ্যাশন হাউজ, গার্মেন্টস শিল্প ও টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রিতে কাজের রয়েছে অনেক সুযোগ রয়েছে।
১০. একজন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার শিল্পকারখানায়, শিক্ষকতায়, ট্রেড ও কমার্সে, মান নিয়ন্ত্রণে, মন্ত্রণালয়ে, করপোরেশন ও তাঁত-বোর্ডে, এনজিও এবং কাস্টমসে কাজের সুযোগ পাচ্ছে।
লিখেছেনঃ
ফাহাদ মাহমুদ
শিক্ষার্থী, ৩৬ তম ব্যাচ
বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়
ফাহাদ মাহমুদ
শিক্ষার্থী, ৩৬ তম ব্যাচ
বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন