ডেনিম ওয়াশে সেড সমস্যা | Shade Problem in Denim Wash - Textile Lab | Textile Learning Blog
ডেনিম ওয়াশ এ সেড সমস্যা: Shade Problem in Denim Wash :




ডেনিম গার্মেন্টস ওয়াশ করার পরে অপ্রত্যাশিতভাবে বিভিন্ন সেড আসাটা একটি পুরনো সমস্যা। অনেক ভালো ভালো ডেনিম এক্সপার্ট এর উপরে অনেক এক্সপেরিমেন্ট করেছেন এবং তাদের মতামত দিয়েছেন। কিন্তু তার পরেও সেডের সমস্যার পুরোপুরি সমাধান হয়নি ।

ধরেন 20000 পিস ডেনিম লং প্যান্ট এর একটি অর্ডার হলো। তাহলে আমাদের ফেব্রিক্স দরকার হবে 20000×1.4= 28000 গজ ফেব্রিক। সাধারণত ডেনিম ফেব্রিক্স 100 থেকে 120 গজের রোল হয়ে থাকে। তাহলে, আমাদের রোল হবে 233 থেকে 250 টি। ধরলাম 250 টি ফেব্রিক রোল হলো। এখন 250 রোলের ব্ল্যাঙ্কেট তৈরি করার পরে দেখা গেলো, দশ-বারোটি সেড আছে। বায়ার কিন্তু ঠিকই জানলো দশ-বারোটি সেড আছে কিন্তু তিনি কখনই এতগুলো সেডের অ্যাপ্রোভাল দিবেন না। বড় জোর তিন বা চারটি সেড এপ্রুভড করবেন । এখন প্রশ্ন থেকে যায়, বাকি সেডগুলোকে কি করবেন ?



সুইং এর পরে গার্মেন্টস যখন ওয়াশিং প্লান্ট এ যাবে, তখন ওয়াশিং প্লান্ট যে ৩/৪ কি Shade, Approval পেয়েছে, তার ভিতরেই সে সেড ধরে রাখার চেষ্টা করবে। কিন্তু কিভাবে?


1. Label Shade :-

যেহেতু ব্ল্যাঙ্কেট এ সব সেড পাওয়া গেছে অতএব ব্লাঙ্কেটের Approved সেড অনুযায়ী গার্মেন্টস গুলোকে A,B,C,D ইত্যাদি গ্রুপে শ্রেণীবিভক্ত করে A,B,C,D জাতীয় সেড লেভেল লাগিয়ে দিয়ে অতঃপর সেড লেভেল অনুযায়ী ওয়াশ করাটাই সবচাইতে যুক্তিযুক্ত। এতে গার্মেন্টস গুলোকে ওয়াশিং প্লান্ট -এ এনে পুনরায় সেডিং করার প্রয়োজন পড়ে না। এতে ম্যানপাওয়ার, অর্থ ও সময় সাশ্রয় হয়।

কিন্তু Accurate ভাবে সেড লেভেল লাগাতে সুইং ফ্যাক্টরি গুলোর প্রচুর অনীহা লক্ষ করা যায়। অথচ এটাই এখন পর্যন্ত আবিষ্কৃত সবচেয়ে টেকসই সিস্টেম। এতে করে ওয়াশিং প্লান্ট গার্মেন্টস গুলোকে সেড লেভেল অনুযায়ী, অর্থাৎ শুধুমাত্র ABCD দেখে দেখেই খুব তাড়াতাড়ি আলাদা আলাদাভাবে ওয়াশ করতে পারে।


2. Eye Shade :-

এ প্রক্রিয়ায় ওয়াশিং প্লান্ট এ গার্মেন্ট গুলোকে চোখে দেখে দেখে ফেব্রিকের সেড অনুযায়ী পৃথক করা হয় এবং ওজন করে ওয়াশ করা হয়ে থাকে। এটা একটি পুরনো ও চলমান প্রক্রিয়া। যদি সুইং ফ্লোর থেকে সেড লেভেল না লাগিয়ে ওয়াশ এ পাঠানো হয় তবে Eye Shade ছাড়া কোন বিকল্প নাই।



কিন্তু মনে রাখতে হবে যে, কোন সেড-ই যাতে অ্যাপ্রোভালের বাইরে না যায়। ধরা যাক, বায়ার আমাকে ABC তিনটি সেড Approved দিয়েছে। A সেড একটু ডার্ক, B সেড মিডিয়াম এবং C সেড কিছুটা লাইটার। এমতাবস্থায় আমাদের করণীয় কি ?

এমন পরিস্থিতিতে আমাদেরকে B সেড সামনে নিয়ে এগুতে হবে। যাতে Bulk এর মাল কিছুটা Light-Deep হলেও A এবং C এর মধ্যে থাকে। যদি আমরা A অথবা C সেডকে ধরে মাল ওয়াশ করি তাহলে ওয়াশ শেষে দেখা যাবে, আমাদের মাল ৫০% Dark অথবা ৫০% Light হয়ে গেছে। এমন পরিস্থিতিতে বায়ার না মানলে ফিফটি পার্সেন্ট গার্মেন্টস Rewash করা ছাড়া উপায় থাকবে না। কিন্তু B সেড কে ধরে ওয়াশ করলে Bulk এর মাল কিছুটা ডিপ লাইট হলেও অন্তত Approvals-এর In Between থাকবে ।


Washing plant এর Shade Control পদ্ধতি :-


ওয়াশিং প্লান্ট কয়েকটি পর্যায়ে এবং কয়েকটি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে গার্মেন্টসের সেড নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। যেমন :-


1. 1st Wash Stage এ


সাধারণত Unwash অবস্থায় ( Dry Process) থাকলে Dry process এর পরে ফেব্রিকের সেড অনুযায়ী গার্মেন্টস গুলোকে পৃথক করা হয়। পৃথক করা গার্মেন্টস কে আলাদা করে আলাদা মেশিনে ওয়াশ করা হয়। 1st wash এর পরেও কিছু সেড variation পাওয়া যায়। এ অবস্থায় গার্মেন্টসকে P P সহ 2nd Dry Process করে 2nd wash করার জন্য প্রস্তুত করা হয়। 1st Wash পর্যায়ে সেড নিয়ন্ত্রণের জন্য ডিসাইজিং এর সময় কম বেশি করা হয়, এনজাইমের সময় ও পরিমাণ কমবেশি করা হয় এবং যদি Bleach থেকে থাকে তবে ব্লিচিং এর সময় ও পরিমাণ কমবেশি করে সেড নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হয়।


2. 2nd Wash Stage এ


2nd washকরার আগে পুনরায় গার্মেন্টস গুলোকে সেড অনুযায়ী পৃথক করা হয় এবং সেই সেড ধরেই দ্বিতীয়বার অর্থাৎ 2nd wash করা হয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এটাই ফাইনাল ওয়াস। এ পর্যায়ে বডি গুলোকে নিউট্রাল করে ক্লিন আপ করা হয়, তারপর যদি Tint থাকে তাহলে Tinting করে Softner করে Final wash সম্পন্ন করা হয়।

সেকেন্ড ওয়াশ পর্যায়েও যদি কিছুটা ব্লিচিং করার প্রয়োজন হয় তবে তা সম্পন্ন করা হয়। তারপরে সঠিকভাবে কালার এর মাধ্যমে Tinting করে Softner করার মাধ্যমে সেড নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হয়।
আবার একটা ব্যাপার খেয়াল রাখতে হবে যে, কোন বায়ারই Mixed কার্টুন পছন্দ করেনা। সব Buyer ই চায় 1carton 1shade. এই জন্য গার্মেন্টস ফিনিশিং টিমকে সেটা বুঝতে হবে এবং একটা সেডের মাল একটা কার্টুনের রাখতে হবে। এজন্য সেড লেভেল অনুযায়ী ওয়াশ করাই সবচেয়ে যুক্তিযুক্ত।







Shade Approval কে বা কারা দেয় ?


বাংলাদেশে এখনো এক এক ফ্যাক্টরিতে বা Buying House এ একেক ধরনের নিয়ম প্রচলিত আছে। কোন কোন জায়গায় ওয়াস Approval মার্চেন্ডাইজার, আবার কোন কোন জায়গায় ওয়াস টেকনিশিয়ানরা অ্যাপ্রভাল দেয়। আবার কোন কোন ফ্যাক্টরিতে কিউসি ম্যানাজার অথবা জিএম রা দেয়। যে বা যারাই Wash Approval দেন না কেন, তাকে ওয়াশিং সম্পর্কে কিছুটা বেসিক ধারণা রাখতে হয়। যেমন,


A. ফেব্রিক এর ধরন ।


B.গার্মেন্টস লেডিস নাকি জেন্টস নাকি Kids ।


C.এটা কোন সিজনে ব্যবহার হবে ?


D.এটা কোন দেশে ব্যবহার হবে ? ইত্যাদি সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকা জরুরি।


E. গার্মেন্টস এর Lab test গুলোকে কে প্রাধান্য দেয়া। ইত্যাদি।


একটা জিনিস মাথায় রাখতে হবে, "যে জিনিস যে কাজে ব্যবহৃত হয় তাকে সেই দৃষ্টিতে দেখা উচিত"। তেমনি পোশাককে পোশাকের দৃষ্টিতে দেখা উচিত। ফ্যাশনেবল, আরামদায়ক, সুন্দর ফিটিং, দেখতে ভাল ইত্যাদি বিষয়গুলো মাথায় রেখে Wash Approval দিতে হয়। কেউ কেউ গার্মেন্টসের সেড নিয়ে মাত্রাতিরিক্ত মাথা ঘামায়। সামান্য 19/20 টলারেন্স দিতে চায়না, তখন মাল Rewash করা ছাড়া উপায় থাকে না। আর Rewash করে করে খুব ভালো রেজাল্টও কিন্তু পাওয়া যায় না।

একটা জিনিস মনে রাখতে হবে যে, একজন ক্রেতা প্রথমে দেখে ডিজাইন অতঃপর দেখে ফিটিং তারপরে ওয়াশের ইমেজ বা Dry process গুলো। তারপর সে decision নেয় সে Blue jeans কিনবে নাকি Grey না-কি Black নাকি অন্য কিছু!!! সেডের ব্যাপারটা আসে তারপরে।

সবকিছু ছাপিয়ে ওয়াশিং প্লান্ট এর কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হওয়া উচিত ল্যাবটেষ্ট গুলো। কারণ টেস্টে ফেল করলে কোন গার্মেন্টস শিপমেন্ট হবেনা । Re-Wash করে যদি গার্মেন্টসের Tearing Problem হয়ে যায় তবে সেডের বড় ধরনের সমস্যা না থাকলে সেডের জন্য Rewash না করাই ভালো। এইজন্য আগে Lab Test গুলো ওকে থাকতে হবে। তাই Lab Test কে সবচেয়ে বেশি প্রায়োরিটি দেওয়া উচিত।



লেখকঃ
রানা তালুকদার শ্রাবণ।
"Quality Assurance BD (QA) Page"

ডেনিম ওয়াশে সেড সমস্যা | Shade Problem in Denim Wash

ডেনিম ওয়াশ এ সেড সমস্যা: Shade Problem in Denim Wash :




ডেনিম গার্মেন্টস ওয়াশ করার পরে অপ্রত্যাশিতভাবে বিভিন্ন সেড আসাটা একটি পুরনো সমস্যা। অনেক ভালো ভালো ডেনিম এক্সপার্ট এর উপরে অনেক এক্সপেরিমেন্ট করেছেন এবং তাদের মতামত দিয়েছেন। কিন্তু তার পরেও সেডের সমস্যার পুরোপুরি সমাধান হয়নি ।

ধরেন 20000 পিস ডেনিম লং প্যান্ট এর একটি অর্ডার হলো। তাহলে আমাদের ফেব্রিক্স দরকার হবে 20000×1.4= 28000 গজ ফেব্রিক। সাধারণত ডেনিম ফেব্রিক্স 100 থেকে 120 গজের রোল হয়ে থাকে। তাহলে, আমাদের রোল হবে 233 থেকে 250 টি। ধরলাম 250 টি ফেব্রিক রোল হলো। এখন 250 রোলের ব্ল্যাঙ্কেট তৈরি করার পরে দেখা গেলো, দশ-বারোটি সেড আছে। বায়ার কিন্তু ঠিকই জানলো দশ-বারোটি সেড আছে কিন্তু তিনি কখনই এতগুলো সেডের অ্যাপ্রোভাল দিবেন না। বড় জোর তিন বা চারটি সেড এপ্রুভড করবেন । এখন প্রশ্ন থেকে যায়, বাকি সেডগুলোকে কি করবেন ?



সুইং এর পরে গার্মেন্টস যখন ওয়াশিং প্লান্ট এ যাবে, তখন ওয়াশিং প্লান্ট যে ৩/৪ কি Shade, Approval পেয়েছে, তার ভিতরেই সে সেড ধরে রাখার চেষ্টা করবে। কিন্তু কিভাবে?


1. Label Shade :-

যেহেতু ব্ল্যাঙ্কেট এ সব সেড পাওয়া গেছে অতএব ব্লাঙ্কেটের Approved সেড অনুযায়ী গার্মেন্টস গুলোকে A,B,C,D ইত্যাদি গ্রুপে শ্রেণীবিভক্ত করে A,B,C,D জাতীয় সেড লেভেল লাগিয়ে দিয়ে অতঃপর সেড লেভেল অনুযায়ী ওয়াশ করাটাই সবচাইতে যুক্তিযুক্ত। এতে গার্মেন্টস গুলোকে ওয়াশিং প্লান্ট -এ এনে পুনরায় সেডিং করার প্রয়োজন পড়ে না। এতে ম্যানপাওয়ার, অর্থ ও সময় সাশ্রয় হয়।

কিন্তু Accurate ভাবে সেড লেভেল লাগাতে সুইং ফ্যাক্টরি গুলোর প্রচুর অনীহা লক্ষ করা যায়। অথচ এটাই এখন পর্যন্ত আবিষ্কৃত সবচেয়ে টেকসই সিস্টেম। এতে করে ওয়াশিং প্লান্ট গার্মেন্টস গুলোকে সেড লেভেল অনুযায়ী, অর্থাৎ শুধুমাত্র ABCD দেখে দেখেই খুব তাড়াতাড়ি আলাদা আলাদাভাবে ওয়াশ করতে পারে।


2. Eye Shade :-

এ প্রক্রিয়ায় ওয়াশিং প্লান্ট এ গার্মেন্ট গুলোকে চোখে দেখে দেখে ফেব্রিকের সেড অনুযায়ী পৃথক করা হয় এবং ওজন করে ওয়াশ করা হয়ে থাকে। এটা একটি পুরনো ও চলমান প্রক্রিয়া। যদি সুইং ফ্লোর থেকে সেড লেভেল না লাগিয়ে ওয়াশ এ পাঠানো হয় তবে Eye Shade ছাড়া কোন বিকল্প নাই।



কিন্তু মনে রাখতে হবে যে, কোন সেড-ই যাতে অ্যাপ্রোভালের বাইরে না যায়। ধরা যাক, বায়ার আমাকে ABC তিনটি সেড Approved দিয়েছে। A সেড একটু ডার্ক, B সেড মিডিয়াম এবং C সেড কিছুটা লাইটার। এমতাবস্থায় আমাদের করণীয় কি ?

এমন পরিস্থিতিতে আমাদেরকে B সেড সামনে নিয়ে এগুতে হবে। যাতে Bulk এর মাল কিছুটা Light-Deep হলেও A এবং C এর মধ্যে থাকে। যদি আমরা A অথবা C সেডকে ধরে মাল ওয়াশ করি তাহলে ওয়াশ শেষে দেখা যাবে, আমাদের মাল ৫০% Dark অথবা ৫০% Light হয়ে গেছে। এমন পরিস্থিতিতে বায়ার না মানলে ফিফটি পার্সেন্ট গার্মেন্টস Rewash করা ছাড়া উপায় থাকবে না। কিন্তু B সেড কে ধরে ওয়াশ করলে Bulk এর মাল কিছুটা ডিপ লাইট হলেও অন্তত Approvals-এর In Between থাকবে ।


Washing plant এর Shade Control পদ্ধতি :-


ওয়াশিং প্লান্ট কয়েকটি পর্যায়ে এবং কয়েকটি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে গার্মেন্টসের সেড নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। যেমন :-


1. 1st Wash Stage এ


সাধারণত Unwash অবস্থায় ( Dry Process) থাকলে Dry process এর পরে ফেব্রিকের সেড অনুযায়ী গার্মেন্টস গুলোকে পৃথক করা হয়। পৃথক করা গার্মেন্টস কে আলাদা করে আলাদা মেশিনে ওয়াশ করা হয়। 1st wash এর পরেও কিছু সেড variation পাওয়া যায়। এ অবস্থায় গার্মেন্টসকে P P সহ 2nd Dry Process করে 2nd wash করার জন্য প্রস্তুত করা হয়। 1st Wash পর্যায়ে সেড নিয়ন্ত্রণের জন্য ডিসাইজিং এর সময় কম বেশি করা হয়, এনজাইমের সময় ও পরিমাণ কমবেশি করা হয় এবং যদি Bleach থেকে থাকে তবে ব্লিচিং এর সময় ও পরিমাণ কমবেশি করে সেড নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হয়।


2. 2nd Wash Stage এ


2nd washকরার আগে পুনরায় গার্মেন্টস গুলোকে সেড অনুযায়ী পৃথক করা হয় এবং সেই সেড ধরেই দ্বিতীয়বার অর্থাৎ 2nd wash করা হয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এটাই ফাইনাল ওয়াস। এ পর্যায়ে বডি গুলোকে নিউট্রাল করে ক্লিন আপ করা হয়, তারপর যদি Tint থাকে তাহলে Tinting করে Softner করে Final wash সম্পন্ন করা হয়।

সেকেন্ড ওয়াশ পর্যায়েও যদি কিছুটা ব্লিচিং করার প্রয়োজন হয় তবে তা সম্পন্ন করা হয়। তারপরে সঠিকভাবে কালার এর মাধ্যমে Tinting করে Softner করার মাধ্যমে সেড নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হয়।
আবার একটা ব্যাপার খেয়াল রাখতে হবে যে, কোন বায়ারই Mixed কার্টুন পছন্দ করেনা। সব Buyer ই চায় 1carton 1shade. এই জন্য গার্মেন্টস ফিনিশিং টিমকে সেটা বুঝতে হবে এবং একটা সেডের মাল একটা কার্টুনের রাখতে হবে। এজন্য সেড লেভেল অনুযায়ী ওয়াশ করাই সবচেয়ে যুক্তিযুক্ত।







Shade Approval কে বা কারা দেয় ?


বাংলাদেশে এখনো এক এক ফ্যাক্টরিতে বা Buying House এ একেক ধরনের নিয়ম প্রচলিত আছে। কোন কোন জায়গায় ওয়াস Approval মার্চেন্ডাইজার, আবার কোন কোন জায়গায় ওয়াস টেকনিশিয়ানরা অ্যাপ্রভাল দেয়। আবার কোন কোন ফ্যাক্টরিতে কিউসি ম্যানাজার অথবা জিএম রা দেয়। যে বা যারাই Wash Approval দেন না কেন, তাকে ওয়াশিং সম্পর্কে কিছুটা বেসিক ধারণা রাখতে হয়। যেমন,


A. ফেব্রিক এর ধরন ।


B.গার্মেন্টস লেডিস নাকি জেন্টস নাকি Kids ।


C.এটা কোন সিজনে ব্যবহার হবে ?


D.এটা কোন দেশে ব্যবহার হবে ? ইত্যাদি সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকা জরুরি।


E. গার্মেন্টস এর Lab test গুলোকে কে প্রাধান্য দেয়া। ইত্যাদি।


একটা জিনিস মাথায় রাখতে হবে, "যে জিনিস যে কাজে ব্যবহৃত হয় তাকে সেই দৃষ্টিতে দেখা উচিত"। তেমনি পোশাককে পোশাকের দৃষ্টিতে দেখা উচিত। ফ্যাশনেবল, আরামদায়ক, সুন্দর ফিটিং, দেখতে ভাল ইত্যাদি বিষয়গুলো মাথায় রেখে Wash Approval দিতে হয়। কেউ কেউ গার্মেন্টসের সেড নিয়ে মাত্রাতিরিক্ত মাথা ঘামায়। সামান্য 19/20 টলারেন্স দিতে চায়না, তখন মাল Rewash করা ছাড়া উপায় থাকে না। আর Rewash করে করে খুব ভালো রেজাল্টও কিন্তু পাওয়া যায় না।

একটা জিনিস মনে রাখতে হবে যে, একজন ক্রেতা প্রথমে দেখে ডিজাইন অতঃপর দেখে ফিটিং তারপরে ওয়াশের ইমেজ বা Dry process গুলো। তারপর সে decision নেয় সে Blue jeans কিনবে নাকি Grey না-কি Black নাকি অন্য কিছু!!! সেডের ব্যাপারটা আসে তারপরে।

সবকিছু ছাপিয়ে ওয়াশিং প্লান্ট এর কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হওয়া উচিত ল্যাবটেষ্ট গুলো। কারণ টেস্টে ফেল করলে কোন গার্মেন্টস শিপমেন্ট হবেনা । Re-Wash করে যদি গার্মেন্টসের Tearing Problem হয়ে যায় তবে সেডের বড় ধরনের সমস্যা না থাকলে সেডের জন্য Rewash না করাই ভালো। এইজন্য আগে Lab Test গুলো ওকে থাকতে হবে। তাই Lab Test কে সবচেয়ে বেশি প্রায়োরিটি দেওয়া উচিত।



লেখকঃ
রানা তালুকদার শ্রাবণ।
"Quality Assurance BD (QA) Page"

কোন মন্তব্য নেই: