Data Color CMC Report I CMC রিপোর্টের ভেলুগুলো সম্পর্কে জেনে নেয়া যাক

 CMC Report
ল্যাব ডিপ রিজেক্ট হওয়ার কারণ হিসাবে আমরা আগের পর্বগুলোতে ম্যানুয়াল বা হিউম্যান এর ভূমিকা গুলো নিয়ে আলোচনা করেছি। 

আজ আমরা ডিজিটাল কালার রিপোর্ট নিয়ে আলোচনা করবো ইনশাআল্লাহ। ডিজিটাল কালার রিপোর্ট বলতে সাধারণত একটি স্পেক্ট্রোফটোমিটার এর মাধ্যমে কালার মিজার্মেন্ট করে স্ট্যান্ডার্ড এবং স্যাম্পল কালারের মধ্যকার পার্থক্যকে নিউম্যারিক ভ্যালুতে রিপোর্টের মাধ্যমে প্রকাশ করাকে বুঝায়। আমাদের দেশে এই রিপোর্টকে এককথায় CMC রিপোর্ট বলা হয়। 

আপনি যদি ল্যাব ডিপ রিজেক্ট বন্ধ করতে চান, তবে আপনাকে ম্যানুয়াল শেড ডিসিশন নেয়ার পাশাপাশি সিএমসি রিপোর্ট এর হেল্প নিতে হবে। এক্ষেত্রে CMC রিপোর্ট এর ভ্যালুগুলো আপনার এসেসমেন্ট করার দক্ষতাকে আরও নিখুঁত করবে। 

এবার চলুন CMC রিপোর্টের ভেলুগুলো সম্পর্কে জেনে নেয়া যাক।


DL: 
একটি স্যাম্পল, স্ট্যান্ডার্ড এর চেয়ে কতটুকু Lighter বা Darker তা DL দ্বারা প্রকাশ করা হয়। DL এর মান (-) হলে স্ট্যান্ডার্ড এর চেয়ে স্যাম্পল Darker হবে এবং DL এর মান (+) হলে স্যাম্পল Lighter হবে।


Da: 
একটি স্যাম্পল, স্ট্যান্ডার্ড এর চেয়ে কতটুকু Reddee কিংবা Greener তা Da দ্বারা প্রকাশ করা হয়। Da এর মান (-) হলে স্ট্যান্ডার্ড এর চেয়ে স্যাম্পল Greener হবে এবং Da এর মান (+) হলে স্যাম্পল Redder হবে।


Db: 
একটি স্যাম্পল, স্ট্যান্ডার্ড এর চেয়ে কতটুকু Yellower অথবা Bluer তা Db দ্বারা প্রকাশ করা হয়। Db এর মান (-) হলে স্ট্যান্ডার্ড এর চেয়ে স্যাম্পল Bluer হবে এবং Db এর মান (+) হলে স্যাম্পল Yellower হবে।


DC: 
একটি স্যাম্পল, স্ট্যান্ডার্ড এর চেয়ে কতটুকু Brighter কিংবা Duller তা DC দ্বারা প্রকাশ করা হয়। DC এর মান (-) হলে স্ট্যান্ডার্ড এর চেয়ে স্যাম্পল Duller হবে এবং DC এর মান (+) হলে স্যাম্পল Brighter হবে।


DH: 
DH বুঝতে পারাটা কিছুটা ট্রিকি। তবে, সহজভাবে বলতে গেলে, Da এবং Db এই দুটি ভ্যালু থেকে DH জেনারেটেড হয়। যা কিনা হিউ বা টোন বুঝতে সাহায্য করে। 


CMC DE: 
এটি হলো দুটি কালারের মধ্যকার সম্পূর্ন কালার ডিসটেন্স। DL, Da, Db বা DL, DC, DH, ইত্যাদি আলাদা আলাদা ভ্যালু ক্যালকুলেশন করে CMC DE বের করা হয়। 

সাধারণত টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রিতে CMC DE <1.0, এবং DH < 0.7 হলেই একটি কালার আপনি চোখ বন্ধ করে পাশ দিতে পারবেন। কারণ এতটুকু ডিফারেন্স খালি চোখে আইডেন্টিফাই করা খুবই কঠিন।



CMC DE Acceptable Limit

ল্যাব ডিপ বার বার রিজেক্ট হচ্ছে? সমাধানের জন্য কয়েকটি টিপস ফলো করতে পারেন। (পর্ব-০৬, CMC acceptable limit) 

ডিজিটাল পদ্ধতিতে একটি কালার পাশ দেয়ার জন্য CMC acceptable লিমিট নির্ধারণ করা জরুরি। অর্থাৎ, একটি কালার পাশ দেয়ার জন্য স্ট্যান্ডার্ড এবং স্যাম্পল এর কালার ডিসটেন্স CMC DE ভ্যালু সর্বোচ্চ কত পর্যন্ত একসেপ্ট করা হবে তাই হল CMC acceptable লিমিট। 

এই লিমিট, ভিন্ন ভিন্ন ইন্ডাস্ট্রির ক্ষেত্রে ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে। যেমন প্লাস্টিক ইন্ডাস্ট্রি, কোটিং বা পেইন্টিং ইন্ডাস্ট্রি, ফুড ইন্ডাস্ট্রি, লেদার ইন্ডাস্ট্রি, কসমেটিক ইন্ডাস্ট্রি ইত্যাদি ইন্ডাস্ট্রি ভেদে CMC DE acceptable লিমিট 0.5-5.0 পর্যন্ত হতে পারে । 

তবে, টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রিতে CMC DE লিমিট 1.0 পর্যন্ত একসেপ্ট করা হয়। সাধারণত, CMC DE 1.0 এর কম হলে দুটি কালারের মধ্যকার ডিসটেন্স খালি চোখে খুব একটা বুঝা যায় না।
 


লেখা:  Color Science Academy 
বিস্তারিত জানার জন্য Color Science Academy  এর ট্রেনিং কোর্সে এনরোল করুন। যোগাযোগের প্রয়োজনে WhatsApp +01914272333


Mazadul Hasan Shishir

Mazedul Hasan ( Shishir ) lives in New York , United Stares of America and have been working in Textile sector since 2010. I have a experience both Knit and woven dyeing . Beside my job i have been writing also in several online Textile pages about Facebook Textile pages, Slides at Slideshare and Textile Factory Attachment . I have a great passion on it. I have so much eagerness on writing from my student life. without job time, i have spent my rest of the time on Blogging.If you have any question about me then you can pass it up to me at#Email: Mazadulhasan@yahoo.com.

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Please Select Embedded Mode To Show The Comment System.*

নবীনতর পূর্বতন